Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

সেই আবদুল হাইয়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা চলবে

সেই আবদুল হাইয়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা চলবে
মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপি নেতা আব্দুল হাই, ছবি: সংগৃহীত
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

‘আল্লাহ তোমার কাছে বিচার দিলাম', 'নাম বললে চাকরি থাকবে না'- বক্তব্য দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপি নেতা আব্দুল হাইয়ের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা চলতে কোনো আইনি বাধা থাকলো না।

রাজউকের প্লট বরাদ্দ থাকলেও মিথ্যা হলফনামা দাখিল করে নিজ নামে প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা বাতিলের রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে বিচারিক আদালতে থাকা দুদকের এ মামলাটির ওপর থেকে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করেছেন আদালত। এর ফলে তার বিরুদ্ধে মামলাটি চলতে আর কোনো বাধা থাকলো না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

রোববার (২০ জানুয়ারি) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল খারিজ করে এই রায় দেন।

আদালতে দুদকের পক্ষে শুনানী করেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হেলেনা বেগম চায়না।

অন্যদিকে আসামীপক্ষে ছিলেন আইনজীবী খন্দকার মো. খুরশিদ আলম।

মামলার বিবরণী থেকে দেখা যায়, সাবেক সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী মো. আবদুল হাই ২০০৪ সালের ২৯ জানুয়ারি রাজউকে প্লট বরাদ্দের জন্য আবেদন করেন। নিয়ম অনুযায়ী এ আবেদনের সঙ্গে সম্পদের বর্ণনাসহ হলফনামা দাখিল করেন তিনি। পরে দুদকের অনুসন্ধানে হলফনামায় দেওয়া তথ্য মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে দুদকের উপ-পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ২০১৬ সালের ৯ নভেম্বর মতিঝিল থানার মামলা দায়ের করেন। পরে একই উপ-পরিচালক তদন্ত করে ২০১৭ সালের ২৮ নভেম্বর অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

এরপর মামলাটিতে আবদুল হাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৮। এরপর বিচারিক আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন করা হলে ২০১৮ সালের ১০ মে হাইকোর্ট এই বিষয়ে রুল জারি করেন এবং মামলাটির কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দেন।

এর আগে আবদুল হাই ২০১৭ সালের ৯ নভেম্বর এ মামলায় হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পান।

আপনার মতামত লিখুন :

মেয়াদোত্তীর্ণ ৩৬ কোটি টাকার ওষুধ ধ্বংস, জরিমানা

মেয়াদোত্তীর্ণ ৩৬ কোটি টাকার ওষুধ ধ্বংস, জরিমানা
পুরনো ছবি

হাইকোর্টের আদেশের পর সারাদেশে ৩৬ কোটি ৪১ লাখ ৯৫ হাজার টাকার মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে। এসব ওষুধ রাখার দায়ে দেড় কোটি টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। দায়ের করা হয়েছে ১৫২ টি মামলা।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমানের জমা দেওয়া প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশিত হয়।

বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চে এ প্রতিবেদন আগামী বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) উপস্থাপন করা হবে। সংশ্লিষ্ট আদালতের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এ বি এম আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গত ১৮ জুন সারাদেশে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রি বন্ধ এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ধ্বংস করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে ৩০ দিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছিল। জনস্বার্থে দায়ের করা একটি রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে হাইকোর্ট এ আদেশ দেন।

গত ১০ মে এক অনুষ্ঠানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন, ‘ঢাকা শহরের ৯৩ শতাংশ ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখা হয়। গত ১৭ জুন জাস্টিস ওয়াচ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহফুজুর রহমান মিলন সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে রিট করেন।’

কনে কুমারী না ডিভোর্সি: শরীয়াহ মতামত জানতে চান হাইকোর্ট

কনে কুমারী না ডিভোর্সি: শরীয়াহ মতামত জানতে চান হাইকোর্ট
প্রতীকী ছবি

বিয়ের কনে কুমারী, বিধবা বা তালাকপ্রাপ্ত কি-না নিকাহনামার (কাবিন নামে প্রচলিত) ৫ নম্বর কলামে থাকা এ নিয়ম বহাল রাখা বা তুলে দেওয়ার বিষয়ে ইসলামী শরীয়াহর মতামত জানতে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিবকে আদালতে আসার অনুরোধ জানিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী সোমবার (২২ জুলাই) তাকে হাজির হয়ে এ বিষয়ে মতামত দিতে বলেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) একটি রিটে জারি করা রুলের শুনানিতে বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী আইনুন নাহার সিদ্দিকা।

আদালতে উপস্থিত সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেনের মতামত (ইন্টারভেনর) জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নিকাহনামার ৫ নম্বর কলাম বিধির রাখার প্রয়োজন নেই। এটা ব্যক্তির গোপনীয়তার বিরোধী। কনের ব্যক্তি মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করে। ইসলামী শরিয়াহ এ ধরনের বিধানকে সমর্থন করে না।

এরপর আদালত নিকাহনামার ৫ নম্বর কলামে থাকা ‘কন্যা কুমারী, বিধবা অথবা তালাকপ্রাপ্ত নারী কি-না’ এ কলাম রাখার প্রয়োজন রয়েছে কি-না এবং কলামটি তুলে দেওয়া হলে শরীয়াহ পরিপন্থি হবে কিনা সে বিষয়ে মতামত জানতে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিবকে আদালতে আসার অনুরোধ জানান হাইকোর্ট।

২০১৪ সালে নিকাহনামার ৫ নম্বর কলামের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড এন্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট)। এ রিটে নিকাহনামাতে বর-কনের ছবি ও জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সংযুক্ত করার নির্দেশনা চাওয়া হয়। পরে প্রাথমিক শুনানি শেষে কাবিননামার ৫ নম্বর বিধিটি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। এ রুলের চূড়ান্ত শুনানি চলছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র