Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ভিকারুননিসা নূনের দুই শিক্ষিকার জামিন

ভিকারুননিসা নূনের দুই শিক্ষিকার জামিন
ছবি: সংগৃহীত
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী অরিত্রী অধিকারীর আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলার প্রতিষ্ঠানটির দুই শিক্ষককে জামিন দিয়েছেন আদালত।

তারা হলেন, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস ও শাখা প্রধান জিন্নাত আরা।

সোমবার (১৪ জানুয়ারি) তারা ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরীর আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চান। অ্যাডভোকেট বাহাউদ্দিন জামিনের পক্ষে শুনানি করেন। শুনানি শেষে ম্যাজিস্ট্রেট ৫ হাজার টাকার মুচলেকায় এ জামিন মঞ্জুর করেন।

সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এসআই জালাল জামিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

অরিত্রীর পিতা অভিযোগ, গত ৩ ডিসেম্বর পরীক্ষার সময় অরিত্রীর কাছে মোবাইল ফোন পান শিক্ষক। মোবাইল ফোনে নকল করেছে, এমন অভিযোগে পরদিন অরিত্রীর মা-বাবাকে স্কুলে নিয়ে ভাইস প্রিন্সিপাল তাদের অসম্মান করেন। পরদিন মেয়ের ছাড়পত্র নিয়ে যেতে বলেন।

বিষয়টি নিয়ে পরে প্রিন্সিপালের কক্ষে গেলে তিনিও একই রকম আচরণ করেন। অপমানিত হয়ে অরিত্রী দ্রুত প্রিন্সিপালের কক্ষ থেকে বের হয়ে বাসায় গিয়ে তার কক্ষে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে।

এ ঘটনায় অরিত্রীর বাবা দিলীপ অধিকারী বাদী হয়ে গত ৪ ডিসেম্বর রাজধানীর রমনা থানায় এ মামলাটি দায়ের  করেন।

মামলায় ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস, শাখা প্রধান জিন্নাত আরা ও শ্রেণি শিক্ষক হাসনাহেনাকে আসামি করা হয়।

হাসনাহেনা গত ১০ ডিসেম্বর জামিন পান।

আপনার মতামত লিখুন :

তারেকের এপিএস-এর মনোনীত পরিচালকদের ফার্স্ট ফাইন্যান্স থেকে বাদ দিতে রুল

তারেকের এপিএস-এর মনোনীত পরিচালকদের ফার্স্ট ফাইন্যান্স থেকে বাদ দিতে রুল
ফার্স্ট ফাইনান্সে ৫ পরিচালক নিয়োগ দেন এপিএস মিয়া নুর উদ্দিন অপু/ ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী (এপিএস) মিয়া নুর উদ্দিন অপুর অর্থায়নে বেনামি চারটি কোম্পানির মনোনীত পাঁচ পরিচালককে তদন্ত করে ফার্স্ট ফাইন্যান্স লিমিটেড থেকে কেন অব্যাহতি দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বিবাদীদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) মো. মনিরুজ্জামান নামের একজন শেয়ার হোল্ডারের আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শফিক আহমেদ, এম কে রহমান ও এ বি এম সিদ্দিকুর রহমান খান।

পৃথক রুলে মানি লন্ডারিংয়ের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের কোম্পানির পরিচালক থেকে অপসারণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে করা আবেদন নিষ্পত্তি করতে সংশ্লিষ্টদের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তাও জানতে চেয়েছেন আদালত।

আইনজীবী সিদ্দিকুর রহমান খান বলেন, ‘এ আদেশের কারণে সংশ্লিষ্ট পাঁচ পরিচালকের ফার্স্ট ফাইন্যান্স লিমিটেডের বোর্ড মিটিংয়ে অংশ নেওয়া উচিত হবে না।’

চারটি কোম্পানি হলো- আলফাবেট এসোসিয়েট লিমিটেড, অপারচর ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড, রাকাস ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড ও কাসরাজ ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড।

গত ২ জুলাই মানিলন্ডারিংয়ের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের কোম্পানির পরিচালক থেকে অপসারণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে একটি আবেদন করেছিলেন ফার্স্ট ফাইন্যান্স লিমিটেডের শেয়ার হোল্ডার মো. মনিরুজ্জামান। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

এপিএস মিয়া নুর উদ্দিন অপুর মনোনীত পরিচালকরা হলেন- রাশেদুজ্জামান মিল্লাত, আমিনুল ইসলাম, জালাল উদ্দিন, মহিন ও মইনুল হাসান।

রমনায় বোমা হামলায় ইটিভি কর্মকর্তার সাক্ষ্য

রমনায় বোমা হামলায় ইটিভি কর্মকর্তার সাক্ষ্য
রমনায় বোমা হামলা, পুরনো ছবি

রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বোমা হামলার মামলায় বেসরকারি টেলিভিশন ইটিভির তৎকালীন প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ দুই জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন আদালত।

সাক্ষীরা হলেন- ইটিভির তৎকালীন প্রশাসনিক কর্মকর্তা নির্মল কান্তি বড়ুয়া ও ইটিভির সাংবাদিক রাসেল হাওলাদার।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) তারা ঢাকার প্রথম দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষ্য প্রদান করেন। আগামী ১ আগস্ট পুনরায় সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।

এ নিয়ে চার্জশিটভুক্ত ৮৪ সাক্ষীর মধ্যে ৩৮ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হলো।

একই ঘটনায় দায়ের হওয়া হত্যা মামলায় ২০১৪ সালের ২৩ জুন মুফতি হান্নানসহ ৮ জনের ফাঁসি ও ৬ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রুহুল আমিন। তবে বোমা হামলাটির বিচার এখনো চলছে।

২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান চলাকালে জঙ্গিদের বোমা হামলায় ১০ জন নিহত হন। তাদের মধ্যে ঘটনাস্থলে ৯ জন এবং পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজন মারা যান। আহত হন অনেকে।

ঘটনার প্রায় ৮ বছর পর ২০০৮ সালের ২৯ নভেম্বর হুজি নেতা মুফতি আব্দুল হান্নানসহ ১৪ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

মামলাটিতে ২০০৯ সালের ১৬ এপ্রিল ১৪ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেন আদালত।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র