Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মোবাইল টাওয়ার ব্যবসা চায় বিটিসিএল

মোবাইল টাওয়ার ব্যবসা চায় বিটিসিএল
ইশতিয়াক হুসাইন
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা: মোবাইল টাওয়ার পরিচালনার ব্যবসা করতে চায় বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল)। এজন্য টাওয়ার শেয়ারিং কোম্পানি লাইসেন্স পেতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) কাছে আবেদন করেছে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বিটিসিএল।

আবেদনপত্র গ্রহণের শেষ দিন ছিল সোমবার। বিটিসিএল ছাড়াও আবেদন করেছে ইডটকো, এফটিএ বাংলাদেশ লিমিটেড, টিএএসসি সামিট টাওয়ারস লিমিটেড, বিটি টাওয়ার বিজনেস কোম্পানি কনসোর্টিয়াম, যমুনা টাওয়ার, এবি হাই টেক কনসোর্টিয়াম ও আইএসওএন ইসিটি টাওয়ার।

১৯টি কোম্পানি আবেদনপত্র নিলেও শেষ পর্যন্ত তা জমা দিয়েছে মাত্র ৮টি কোম্পানি। তবে বিটিআরসি টাওয়ার ব্যবসা চালাতে শেষ পর্যন্ত  চারটি কোম্পানিকে লাইসেন্স প্রদান করবে।  

লাইসেন্স পেতে হলে আবেদনকারীকে নূন্যতম পাঁচ হাজার টাওয়ার পরিচালনার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বিটিসিএল এর টাওয়ার পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে বহু আগে থেকেই। রাষ্ট্রীয় এই প্রতিষ্ঠানটির জেলা-উপজেলা পর্যায়ে টাওয়ার রয়েছে।

নাম না প্রকাশের শর্তে বিটিসিএল এর কর্মকর্তা বলেন, ‘‘তারা যখন টাওয়ার স্থাপন করেছে তখন কারো জেলা-উপজেলা পর্যায়ে কোনো স্থাপনাই ছিল না। সুতরাং অভিজ্ঞতার দিক থেকে বিটিসিএল সবচেয়ে অভিজ্ঞ কোম্পানি। আর সক্ষমতার দিক থেকেও আমরা এগিয়ে রয়েছি।’’ 

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তাদের টাওয়ার ব্যবসা করার অভিজ্ঞতা নেই - একথা ঠিক। তবে সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে তারা এই ব্যবসায় যুক্ত হয়ে নজির স্থাপন করতে চান।

বিটিআরসি মতে নেটওয়ার্ক অবকাঠামো ব্যবস্থাপনায় বিপুল ব্যয়ের পাশাপাশি টাওয়ার স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষেণে অনেক লোকবলও লাগছে অনেক। মোবাইল কোম্পানিসমূহ যে যার মতো সারাদেশে যত্রতত্র টাওয়ার স্থাপন করছে। পাশাপাশি হয়তো তিনটি কোম্পানির তিনটি টাওয়ার রয়েছে। অথচ এখানে একটি টাওয়ার দিয়েই নেটওয়ার্ক সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব। এর আগে বিটিআরসি মোবাইল কোম্পানিসমূহকে কাছাকাছি স্থানে একাধিক টাওয়ার স্থাপন না করে নিজেদের মধ্যে টাওয়ার শেয়ারিং করার তাগিদ দিয়েছিল। এতে তারা সফল হয়নি।

বিটিআরসি বলছে, একই জায়গায় যত্রতত্র টাওয়ার স্থাপনে অনেক বেশি জমি যেমন নষ্ট হচ্ছে, তেমনি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ খরচ হচ্ছে। এছাড়া পরিবেশের ওপরও এর বিরূপ প্রভাব রয়েছে। এসব বিষয় বিবেচনায় বিটিআরসি মোবাইল কোম্পানিসমূহকে টাওয়ার ব্যবস্থাপনা থেকে সরিয়ে আনতে এই উদ্যোগ নিয়েছে।

টাওয়ার শেয়ারিং লাইসেন্স ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫ কোটি ও বার্ষিক লাইসেন্স ফি ৫ কোটি টাকা। টাওয়ার কোম্পানিতে সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ বিদেশি বিনিয়োগ থাকতে পারবে। এর আগের নীতিমালার খসড়ায় এ সীমা ছিল সর্বোচ্চ ৪৯ শতাংশ।

লাইসেন্স পাওয়ার পর নির্দিষ্ট কোম্পানিকে প্রথম বছর সব বিভাগীয় শহরে সেবা পৌছে দিতে হবে। দ্বিতীয় বছর জেলা শহর, তৃতীয় বছর ৩০ শতাংশ উপজেলা, চতুর্থ বছর ৬০ শতাংশ উপজেলা ও পঞ্চম বছর দেশের সব উপজেলায় টাওয়ার নিতে হবে লাইসেন্স পাওয়া কোম্পানিকে।

আপনার মতামত লিখুন :

নগদ-এর অ্যাকাউন্ট বিনামূল্যে

নগদ-এর অ্যাকাউন্ট বিনামূল্যে
ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা নগদ/ ছবি: সংগৃহীত

ডাক বিভাগের ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা নগদ-এর গ্রাহকদের বিনামূল্যে অ্যাকাউন্ট খুলে দেওয়া হচ্ছে। মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) সকালে জাতীয় জন প্রশাসন দিবস উপলক্ষে অ্যাকাউন্ট খোলার আয়োজন করেছে ডাক অধিদফতর।

বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে রাজধানীর ডাক অধিদফতরে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব অশোক কুমার বিশ্বাস, ডাক বিভাগের মহাপরিচালক সুধাংশু শেখর ভদ্র প্রমুখ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/23/1563887775876.gif

অনুষ্ঠানে মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘নগদ দেশব্যাপী তাদের কাজ পরিচালনা করছে। এত অল্প সময়ে মানুষের যে পরিমাণ সহায়তা পাচ্ছে ও মানুষের যে পরিমাণ আগ্রহ তৈরি হয়েছে নগদ-এর প্রতি, এটি প্রায় দুর্লভ।’

তিনি বলেন, ‘দেশব্যাপী ডাক বিভাগের মতো এত বড় নেটওয়ার্ক আর কোনো প্রতিষ্ঠানের নেই। তৃণমূল পর্যায়ে পণ্য কিংবা অর্থ পৌঁছে দেওয়ার সক্ষমতা অন্য কারও নেই। আমরা ডাক বিভাগের নেটওয়ার্ককে আরও ডিজিটাল করছি। নগদ-এর মধ্য দিয়ে এই যাত্রা শুরু হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘টেলিকম বিভাগের পক্ষ থেকে নগদ-কে ডাক বিভাগের সেবা হিসেবে সরকারের সকল সেবার কেন্দ্রবিন্দুতে নিতে পারি এবং সাধারণ মানুষের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় জিনিস হিসেবে নিতে পারি।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/23/1563887794969.gif

অনুষ্ঠানে নগদ-এর উদ্যোক্তারা বিনামূল্যে গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট খুলে দেন। এ সময় অনেকে উৎসাহ নিয়ে নগদ-এর অ্যাকাউন্ট খুলতে দেখা যায়।

প্রসঙ্গত, সারাদেশে নগদ উদ্যোক্তা পয়েন্টে গিয়ে যে কেউ বিনামূল্যে নগদ অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন। নিজে নিজে অ্যাকাউন্ট খোলার পাশাপাশি জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে খুব সহজে একজন গ্রাহক নগদ উদ্যোক্তার কাছ থেকে বিনামূল্যে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন।

শ্রমিকদের ৯ কোটি টাকার অর্থ সহায়তা দিল সরকার

শ্রমিকদের ৯ কোটি টাকার অর্থ সহায়তা দিল সরকার
বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ নেতৃবৃন্দের হাতে সহায়তার চেক তুলে দেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব কে এম আলী আজম

বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) ও বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) শ্রমিকদের নয় কোটি ১৪ লাখ টাকা অর্থ সহায়তা দিয়েছে সরকার।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে কেন্দ্রীয় তহবিলের এ চেক বিজিএমইএ এবং বিকেএমইএ’র প্রতিনিধিদের হাতে তুলে দেন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব কে এম আলী আজম। এসময় অনান্যদের মধ্যে কেন্দ্রীয় তহবিলের মহাপরিচালক ড. আনিসুল আউয়াল উপস্থিত ছিলেন।

শতভাগ রফতানিমুখী শিল্পের শ্রমিক কল্যাণে গঠিত কেন্দ্রীয় তহবিল থেকে শ্রমিকদের মৃত্যু বিমা বাবদ এবং আপৎকালীন সহায়তা হিসেবে এ অর্থ দিয়েছে সরকার।

বিজিএমইএ এবং বিকেএমইএ’র সদস্যভুক্ত ৪৪৪ জন গ্রার্মেন্টস শ্রমিকের মৃত্যু বিমা বাবদ আট কোটি ৮৮ লাখ টাকা এবং সম্প্রতি বন্ধ হয়ে যাওয়া স্টার গার্মেন্টস লিমিটেডের শ্রমিকদের বেতন ভাতা বাবদ আপৎকালীন সহায়তা হিসেবে ২৬ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও নয় কোটি ১৪ লাখ টাকার মধ্যে বিজিএমইএকে দেওয়া হয়েছে ছয় কোটি ১০ লাখ টাকা এবং বিকেএমইএকে দেওয়া হয়েছে তিন কোটি চার লাখ টাকা। বিজিএমইএ’র পক্ষে পরিচালক নজরুল ইসলাম এবং বিকেএমইএ’র পক্ষে ভাইস প্রেসিডেন্ট ফজলে শামীম এহসান চেক গ্রহণ করেন।

চেক প্রদান অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে শ্রম সচিব ঈদুল আজহার আগে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস নিয়ে যাতে কোনও ধরনের সমস্যার না হয় সেজন্য বিজিএমইএ এবং বিকেএমইএ’র সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা চান।

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র