Barta24

শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬

English

কাঁচা চামড়া রফতানির আদেশ প্রত্যাহার চান ট্যানারির মালিকরা

কাঁচা চামড়া রফতানির আদেশ প্রত্যাহার চান ট্যানারির মালিকরা
ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সংবাদ সম্মেলন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

কাঁচা চামড়া রফতানির আদেশ প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ।

বুধবার (১৪ আগস্ট) বেলা ১১টায় ধানমন্ডিতে সংগঠনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

চামড়া রফতানিতে এই শিল্প হুমকির মুখে পড়বে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা জেনেছি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কাঁচা চামড়া রফতানির সুযোগ দিতে যাচ্ছে, এতে শততভাগ দেশীও এই শিল্প হুমকির মুখে পড়বে। চামড়া শিল্পনগরীতে সাত হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ ঝুঁকির সম্মুখীন হবে। সাভারের আধুনিক চামড়া শিল্পনগরী প্রয়োজনীয় কাঁচা চামড়ার অভাবে সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে পড়বে।

শাহীন আহমেদ বলেন, সাধারণত ট্যানারি মালিকরা কোরবানির এক সপ্তাহ পর দেশের বিভিন্ন হাট থেকে সরকার নির্ধারিত মূল্যে চামড়া কিনে থাকে। চামড়া সংরক্ষণে (পরিবহন, লবণ ও শ্রমিক) প্রতি বর্গফুটে ১০ টাকার বেশি খরচ হয়। বাজার ব্যবস্থাপনায় সরকার কর্তৃক নির্ধারিত মূল্যের কাঁচা চামড়া ক্রয় করা হচ্ছে না। এটা দুই একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। মৌসুমি ব্যবসায়ীদের প্রতি অনুরোধ তারা যেন লবণ দিয়ে চামড়া সংরক্ষণ করেন।

তিনি আরও বলেন, সরকারের বেধে দেয়া দামে আমরা চামড়া ক্রয় করব। চামড়া কোনো ট্যানারি মালিক সরাসরি কেনা শুরু করেনি। কেনা শুরু করলে কিন্তু বাজার স্থিতিশীল থাকবে। আমরা লবণযুক্ত চামড়া ক্রয় করি, তাই আমাদের কোন সিন্ডিকেটের সুযোগ নেই। যারা চামড়া কিনেছেন তাদের উচিত ছিল লবণ দিয়ে সংরক্ষণ করা। তাহলে এই সমস্যা হতো না।

বকেয়া পরিশোধের বিষয়ে তিনি বলেন, ২০১৭ সালে বন্ধ হওয়া ট্যানারির অধিকাংশ উৎপাদনে যেতে পারে নি। এ বছর অনেকে ১০০ ভাগ বকেয়া পরিশোধ করেছে, কেউ কেউ দিতে পারেনি, কারণ তাদের উৎপাদন বন্ধ করে দিতে হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে আমাদের ৬০০ কোটি টাকা দিয়েছে বলা হলেও দেয়া হয়েছে ১৫০ কোটি টাকা। সেগুলো আড়তদারদের দেয়া হয়েছে, তারা মৌসুমি ব্যবসায়ীদের টাকা না দিলে আমাদের কি করার আছে।

২০ আগস্ট থেকে ট্যানারি মালিকরা চামড়া কেনা শুরু করবে জানিয়ে তিনি বলেন, ২০ আগস্ট থেকে আমরা ট্যানারি মালিকরা চামড়া কেনা শুরু করব। ট্যানারি মালিকরা কম মূল্য দেবে না, সরকারি মূল্যে তারা ক্রয় করবে। আমরা চাই যাতে কাঁচা চামড়া রফতানির সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়।

শাহিন আহমেদ বলেন, মধ্যসত্ত্বভোগীদের দৌরাত্ম্যের জন্য মৌসুমি ব্যবসায়ীরা মূল্য পায়নি। চামড়ায় লবণ দিয়ে রাখলে মধ্যসত্ত্বভোগীরা সুযোগ নিতে পারবে না। ট্যানারির প্রতিনিধিরা কেনাকাটা শুরু করলে সমস্যা থাকবে না।

যেহেতু গতবারের ৫০ ভাগ চামড়া অবিক্রিত রয়ে গেছে তাহলে রফতানিতে আপত্তি কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা হলে দেশীয় শিল্প নষ্ট হবে। গতবারেটা চামড়ার গুনগত মান ভালো না। এবারের চামড়া সেই তুলনায় ভালো। ফলে সব চামড়া মিলিয়ে সমন্বয় করতে হবে। তবে চামড়া রফতানির আদেশ দিলে বিষয়টি কঠিন হয়ে যাবে।

চামড়া রফতানি করলে আড়তদাররা লাভবান হবে জানিয়ে তিনি বলেন, রফতানির সিদ্ধান্তে আড়তদাররা লাভবান হবে। এমন সিদ্ধান্ত নিতে হলে একমাস বা দুই মাস আগে নেয়ার দরকার ছিল। আর বকেয়া টাকার দোহাই দিয়ে কেউ কেউ ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে। তারা কিন্তু কম মূল্য চামড়া সংগ্রহ করছে। মধ্যসত্ত্বভোগীরা বাজার প্রভাবিত করছে।

 

আপনার মতামত লিখুন :

রিং সাইন টেক্সটাইলের আইপিও অনুমোদন বাতিল চায় বিনিয়োগকারীরা

রিং সাইন টেক্সটাইলের আইপিও অনুমোদন বাতিল চায় বিনিয়োগকারীরা
রিং সাইন টেক্সটাইল, ছবি: সংগৃহীত

বস্ত্র খাতের রিং সাইন টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন বাতিল চায় বিনিয়োগকারীরা। অনুমোদিত মূলধন লাফিয়ে বাড়ার পাশাপাশি মাত্রা অতিরিক্ত প্লেসমেন্ট থাকায় কোম্পানির আইপিওর অনুমোদন বাতিল চেয়েছে বিনিয়োগকারীদের সংগঠন বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ।

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক খায়রুল হোসেনের কাছে গত ২২ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) আইপিওর অনুমোদন বাতিল চেয়ে চিঠি দিয়েছে সংগঠনটি। একই চিঠির অনুলিপি দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক বিভাগ, ডিএসই ও সিএসই কর্তৃপক্ষের কাছে।

৩৩ লাখ বিনিয়োগকারীদের পক্ষে উল্লেখ করে সংগঠনের সভাপতি মিজানুর রশিদ চৌধুরী এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক সাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, ‘প্রসপেক্টাস অনুসারে ২০১৩ সালে রিং সাইনের মূলধন ছিল ১৩৭ কোটি ২৩ লাখ ৪২ হাজার ২০০ টাকা। এরপর প্লেসমেন্ট শেয়ার বিক্রি করে ১৪৭ কোটি ৮২ লাখ ৬ হাজার টাকা উত্তোলন করেছে। এখন আবারও নতুন করে আইপিওর মাধ্যমে ১৫০ কোটি টাকা উত্তোলনের অনুমোদন পেলো কোম্পানিটি।’

‘বিনিয়োগকারীদের প্রশ্ন হলো- ১৩৭ কোটি টাকা দিয়ে যাত্রা শুরু হওয়া কোম্পানির প্লেসমেন্টের মাধ্যমে প্রায় ১৪৮ কোটি টাকা তুলে নেওয়ার পর ১৫০ কোটি টাকাসহ মোট ২৯৭ কোটি ৮২ লাখ ৬ হাজার উত্তোলনের অনুমোদন পেল কিভাবে?’

‘অন্যান্য কোম্পানির মতোই যদি এই প্লেসমেন্ট শেয়ার তারা ৩০-৪০ টাকা করে বিক্রি করে দিয়ে চলে যায় তাহলে মার্কেট থেকে অতিরিক্ত ৫০০ কোটি টাকা উধাও হয়ে যাবে।’

আরও পড়ুন: রিং সাইনের আইপিও আবেদন শুরু ২৫ আগস্ট

‘পুঁজিবাজারের ক্রান্তিকালে নতুন করে বিশাল এই অর্থ ইস্যুয়ার কোম্পানির পকেটে চলে গেলে এই টাকা কখনো আর বাজারে আসবে না। কোম্পানির প্রসপেক্টাসের ৩১৭ পৃষ্ঠায় (কম্পারিজন রেশিও উইথ দ্যা ইন্ডাস্ট্রিজ এভারেজ অফ দ্যা সেইম পিরিয়ড) কোম্পানি নিজেই স্বীকার করে নিচ্ছে, তাদের বর্তমান অবস্থার অনেক কিছুই ‘ইন্ডাস্ট্রিজ এভারেজ’ থেকে অনেক কম।’

‘এখন পুঁজিবাজারে দুর্দশা চলছে। বিশেষ করে টেক্সটাইলের অবস্থা সবচাইতে করুণ। এই দুর্দশার মধ্যে কীভাবে কোম্পানিটি শুধু আইপিওর মাধ্যমে ১৫০ কোটি টাকা উত্তোলনের অনুমোদন পেল।’

‘এর আগের আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজারে আসা অ্যাপোলো ইস্পাত, ফ্যামিলি টেক্স, ইউনাইটেড এয়ার, সিএন টেক্স, রিজেন্ট টেক্স, তুংহাই নিটিংসহ অনেক অনেক কোম্পানির দুর্নীতির কথা সকলের জানা। এই কোম্পানিটি আইপিওর মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করার পর অ্যাপোলো ইস্পাতের ফ্যামিলি টেক্স এবং ইউনাইটেড এয়ারের মতোই অবস্থা হবে না তার কোনো গ্যারান্টি নেই।’

‘সুতরাং বিষয়গুলো বিবেচনা করে রিং সাইন টেক্সটাইলের আইপিওর অনুমোদন বাতিল করা হোক। অন্যথায় এর বিরুদ্ধে আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হবো।’

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘বর্তমান কমিশন যতো আইপিওর অনুমোদন দিয়েছে তার বেশিরভাগই খারাপ কোম্পানি। এই রিং সাইন কোম্পানির অবস্থাও খারাপ, ভুয়া প্রসপেক্টাস তৈরি করে পুঁজিবাজার থেকে টাকা উত্তোলন করছে কোম্পানিটি। পুঁজিবাজার ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে কোম্পানিটির আইপিওর আবেদন বাতিল চাই।’

এ বিষয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘নিয়ম মেনেই আইপিওর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যৌক্তিক কারণ হলে প্রয়োজনে বাতিল করা হবে।’

উল্লেখ্য, কোম্পানিটি ১০ টাকা দামের ১৫ কোটি শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে ১৫০ কোটি টাকা উত্তোলনের লক্ষ্যে রোববার (২৫ আগস্ট) থেকে আইপিওর আবেদনের সাবস্ক্রিপশন শুরু হবে। চলবে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। উত্তোলিত অর্থ দিয়ে যন্ত্রপাতি ও কলকব্জা কেনা, ঋণ পরিশোধ এবং আইপিওর খরচ বাবদ ব্যয় করবে কোম্পানিটি।

অনুমোদিত ৪৪০ কোটি টাকার অনুমোদিত মূলধন কোম্পানিটিকে আইপিওর মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে ১৫০ কোটি টাকা উত্তোলনের জন্য চলতি বছরের ১২ মার্চ কমিশন অনুমোদন দেয়।

বাজারে ইলিশের ছড়াছড়ি, দামে নাখোশ ক্রেতারা

বাজারে ইলিশের ছড়াছড়ি, দামে নাখোশ ক্রেতারা
বাজারে ইলিশের ছড়াছড়ি

জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পড়ছে ইলিশ মাছ। বাজারেও ইলিশের ছাড়াছড়ি। শুধু বাজার নয়, পাড়া মহল্লার অলি-গলিতেও ‘ইলিশ মাছ, ইলিশ মাছ; বলে হাঁক ছাড়ছেন মাছ বিক্রেতারা।

শনিবার( ২৪ আগস্ট) সকালে কারওয়ান বাজারের ইলিশ মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, মধ্যরাত থেকে ট্রাকে ট্রাকে মাছ আসে এখানে। ভোর থেকে সরগরম হতে শুরু করে ইলিশের বাজার।সকালের দিকে ব্যবসায়ীরা সারি সারি মাছ নিয়ে বসে রয়েছেন। ছোট বড় সব ধরনের মাছ রয়েছে। ক্রেতা টানতে, বিভিন্ন ধরনের হাঁক ছাড়ছেন বিক্রেতারা। ক্রেতারাও সাধ্যের মধ্যে মাছ কিনতে ভিড় করছেন। তবে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও দাম নিয়ে অসন্তোষ বেশিরভাগ ক্রেতাই।

এ বাজারে এক কেজির বেশি ওজনের ইলিশ মাছ বিক্রি হচ্ছে এক হাজার টাকায়, ১ কেজি ওজনের মাছ বিক্রি হচ্ছে ৯০০ টাকায়। এছাড়া ৬০০ থেকে ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এর থেকে ছোট ইলিশ মাছ কেজিতে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566629026031.jpg

নাসরিন আক্তার নামে এক ক্রেতা বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘বাজারে যে পরিমাণ ইলিশের সরবারহ আছে দামটা সেই পরিমাণে কমেনি। আরেকটু কম হলে ঠিক হতো’।

বাজার করতে আসা মোখলেছুর রহমান মাছের দাম নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘জানতে পেরেছি মাছের আড়তে দাম অনেক কম, পর্যাপ্ত মাছও ধরা পড়েছে। তবে যখন এই মাছগুলো আমাদের মত সাধারণ ক্রেতাদের কাছে পৌঁছাচ্ছে, তখন সেগুলোর দাম খুব একটা কম হচ্ছে না। এর ফলে আমরা ক্রেতা হিসেবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। আর যেসব জেলেরা মাছ ধরছেন তারা পাচ্ছেন না ন্যায্যমূল্য’।

বেসরকারি চাকরিজীবী হাবিব মিয়া বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, 'ইলিশ মাছের দাম কম পত্রিকার খবর দেখেই মাছ কিনতে এলাম।বাজারে এসে মাছের দাম খুব একটা কম মনে হলো না’।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/24/1566629096014.jpg

এদিকে ইলিশ মাছের দাম নিয়ে ক্রেতাদের অভিযোগ মানতে নারাজ মাছ ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি, বাজারে মাছ সরবরাহ ভালো, আর দামও অন্যান্য সময়ের তুলনায় অনেক কম।  

মাছ ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ইলিয়াছ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, 'এখন ইলিশ মাছের সিজন দাম যথেষ্ট কম এক কেজি ইলিশ মাছ আমরা ৯০০ টাকায় বিক্রি করছি। অন্যান্য সময় ২০০০ টাকা বা তার চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করা হয়। সে তুলনায় দাম যথেষ্ট কমেছে'।

দাম নিয়ে ক্রেতাদের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ক্রেতাদের অভিযোগ নতুন কিছু নয়। দাম যতই কম রাখেন না কেন-ক্রেতারা কখনো খুশি হবেন না। আমরা যে দামে মোকাম থেকে মাছ এনেছি তার থেকে কিছুটা লাভে বিক্রি করার চেষ্টা করছি। বাড়তি দাম রাখার কোনো সুযোগ নেই’।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র