Barta24

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

English

শেষ সময়ে বেশি দামেই মসলা কিনছেন ক্রেতারা

শেষ সময়ে বেশি দামেই মসলা কিনছেন ক্রেতারা
কোরবানির ঈদে বেড়েছে মসলার বিক্রি/ছবি: সুমন শেখ
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

আর মাত্র একদিন পর সারা দেশে উদযাপিত হবে কোরবানির ঈদ। হাতে সময় অল্প হওয়ায় রাজধানীর পশুর হাটের সঙ্গে মসলা বাজারেও বেড়েছে ক্রেতাদের ভিড়।

বাজারে ক্রেতাদের এমন ভিড় দেখে প্রতিবারের ন্যায় এবারও বাড়তি দামেই মসলা বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। এদিকে কোরবানি ঈদে মসলার চাহিদা বেশি থাকায় বাড়তি দামে বাধ্য হয়ে ক্রেতাদের মসলা কিনতে হচ্ছে।

শুক্রবার (৯ আগস্ট) রাজধানীর কারওয়ান বাজারের মসলা বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।

বিভিন্ন প্রকার মসলার খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী,  প্রতিকেজি আস্ত শুকনা মরিচ ১৬০ টাকা, আস্ত হলুদ ১৬০ টাকা, গুঁড়া হলুদ ১৭০ টাকা, আস্ত ধনিয়া ১১০ টাকা, ধনিয়া গুঁড়া ১৪০ টাকা, আস্ত জিরা ৩২০ টাকা, জিরার গুঁড়া ৪৪০ টাকা ও তেজপাতা ১২০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। এসব মসলার প্রতিটিতে ঈদ উপলক্ষে ২০-৩০ টাকা বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে প্রতিকেজি দারুচিনি ৪২০ টাকা যা আগে ছিল ৩৫০ টাকা, এলাচ ২৮০০ টাকা যা আগে ছিল ২৪০০ টাকা, লবঙ্গ ১ হাজার টাকা, সাদা গোলমরিচ ৮০০ টাকা, কালো গোলমরিচ ৬০০ টাকা, জায়ফল ৬০০ টাকা, জয়ত্রী ২৪৫০ টাকা ও আলুবোখারা ৩৫০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া  কাঠবাদাম ৮৬০ টাকা, কিসমিস ৩৫০ টাকা ও চিনা বাদাম ১১৫ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

এ বিষয়ে ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতিবার কোরবানির ঈদের সময় ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে মসলার দাম বাড়িয়ে দেন। কোনো ধরণের তদারকি করা হয়নি বলে ব্যবসায়ীরা এভাবে দাম বাড়তে পারচ্ছে বলে ক্রেতারা অভিযোগ করেন।

কাওরান বাজারের কোরবানির ঈদ উপলক্ষে মসলা কিনতে আসা ক্রেতা মো.সুরুজ আলী বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, সকল প্রকার মসলার দাম সপ্তাহের ব্যবধানে বাড়িয়ে দিয়েছেন। কেজিপ্রতি মসলার দাম বেড়েছে ৩০-৪০ টাকা আবার কোনো ক্ষেত্রে ৩০০-৪০০ টাকা পর্যন্ত। কিন্তু এই বিষয়গুলো দেখার জন্য কেউ নেই। তাই আমাদের বাধ্য হয়ে কিনতে হচ্ছে।

তবে বরাবরের মতো মসলা ব্যবসায়ীরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাদের দাবি, কোরবানি ঈদের সময় মসলার যোগান অনুযায়ী চাহিদা অনেক বেড়ে যায়। তাই তাদের বেশি দাম দিয়ে কিনতে হয় বলে বিক্রিও হয় বেশি দামে।

এ বিষয়ে কারওয়ান বাজারের মসলা বিক্রেতা মো.  স্বপন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, প্রতি কেজি হলুদ, মরিচ ও দারুচিনি আমাদের বেশি দামে কিনে নিয়ে আসতে হয়েছে। এখন বেশি দামে না বিক্রি করলে আমার বাঁচব কিভাবে। আড়তদাররা দাম না কমালে আমরা কিভাবে কমাব।

মসলার খুচরা বিক্রেতা মো.সালাম বলেন, আমরা ছোট ব্যবসায়ী। দাম বাড়ানোর সিন্ডিকেট হয় বড় পর্যায়ে। বড় বড় ব্যবসায়ীরা দাম বাড়ালে আমাদেরও বাড়াতে হয়। 

এ বিষয়ে কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এর সভাপতি গোলাম রহমান বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, 'কোরবানির ঈদকে ঘিরে মসলার বাজারে যে সিন্ডিকেট হয়, তাতেই দাম বাড়ে। সরকারের উচিৎ এসব সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে দামের বিষয়ে নজর রাখা। কিন্তু দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করা হচ্ছে না বলে প্রতি কোরবানির ঈদের আগে মসলার দাম বাড়ানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

সূচক কমছে পুঁজিবাজারে

সূচক কমছে পুঁজিবাজারে
ছবি: সংগৃহীত

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (২৬ আগস্ট) সূচক কমে চলছে লেনদেন কার্যক্রম। এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত ডিএসই’র প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ১৯ পয়েন্ট এবং সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স কমেছে ১০ পয়েন্ট।

এছাড়া একই সময়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৬৮ কোটি ২২ লাখ টাকা এবং সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।

ডিএসই ও সিএসই’র ওয়েবসাইট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক কমে। লেনদেনের শুরু হয় সকাল সাড়ে ১০টায়, শুরুতেই সূচক কমে যায়। প্রথম ৫ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক কমে ১ পয়েন্ট। এরপর থেকে সূচক কমার প্রবণতা বাড়তে থাকে। সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে সূচক কমে ৪ পয়েন্ট। সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে সূচক ৩ পয়েন্ট কমে। সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক ৮ পয়েন্ট কমে। সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে সূচক ১৪ পয়েন্ট কমে। বেলা ১১টায় সূচক ১৯ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৫ হাজার ২০৪ পয়েন্টে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ১১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ৮৩০ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহসূচক ৫ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ১৯৮ পয়েন্টে।

এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৬৮ কোটি ২২ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। একই সময়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ৭৭টির, কমেছে ১৭৭টির এবং অপরিবর্তীত রয়েছে ৩৭টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত ডিএসইতে দাম বৃদ্ধি পাওয়া শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে- সিলকো ফার্মা, আইটিসি, ইউনাইটেড পাওয়অর, ওরিয়ন ইনফিউশন, মুন্নু স্টাফলারস, মুন্নু সিরামিকস, কেডিএস অ্যাকসেসরিজ, ভিএফএসটিডিএল, জেএমআই সিঞ্জি এবং বেক্সিমকো লিমিটেড।

সিএসই

অন্যদিকে, একই সময়ে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক (সিএসইএক্স) ১০ পয়েন্ট কমে ৯ হাজার ৬৮৭ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ১০ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ২৩ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ১২ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৯৬৪ পয়েন্টে অবস্থান করে।

এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১ কোটি ৫৫ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

একই সময়ে দাম বাড়ার ভিত্তিতের সিএসই’র শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- ভিএএমএলআর বিবিএফ, এবি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, বেঙ্গল উইন্ডসর, নিটল ইন্স্যুরেন্স, প্রিমিয়ার লিজিং, স্কয়ার টেক্সটাইল, যমুনা ব্যাংক এবং ট্রাস্ট ব্যাংক।

ভারতে বিদ্যুৎ আমদানির পাশাপাশি রফতানির বিষয়েও আলোচনা

ভারতে বিদ্যুৎ আমদানির পাশাপাশি রফতানির বিষয়েও আলোচনা
বাংলাদেশ ভারত সহযোগিতা বিষয়ক স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠক/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

নেপাল-ভুটান থেকে ভারতের মধ্য দিয়ে জলবিদ্যুৎ ও ত্রিপুরা থেকে আরও ৩৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করতে চায় বাংলাদেশ। একইসঙ্গে অফ পিকে বাংলাদেশের উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ ভারতে বিদ্যুৎ রফতানির বিষয়টি আলোচনায় স্থান পেয়েছে বাংলাদেশ ভারত সহযোগিতা বিষয়ক স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকে।

রোববার (২৫ আগস্ট) হোটেল সোনারগাঁও এ শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী এ বৈঠক। বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষে সিনিয়র সচিব ডক্টর আহমেদ কায়কাউস বাংলাদেশের পক্ষে, ভারতের পক্ষে দেশটির বিদ্যুৎ সচিব শ্রী সুভাষ চন্দ্র গার্গি নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

প্রথম দিনে যৌথ ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় দিনে অনুষ্ঠিত হয় যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির ১৭ তম বৈঠক। এছাড়া রোববার (২৫ আগস্ট) রামপালে নির্মাণাধীন বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন ভারতীয় বিদ্যুৎ সচিব।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র