Barta24

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

English

ঈদযাত্রায় গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য বিআরটিসির ১৭১ বাস

ঈদযাত্রায় গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য বিআরটিসির ১৭১ বাস
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
মাহফুজুল ইসলাম
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদে নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য ১৭১টি বিআরটিসি বাস দিয়েছে সরকার। এর মধ্যে আগামী শুক্রবার (৯ আগস্ট) সকাল ৭টা থেকে উত্তরবঙ্গের উদ্দেশে গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে প্রতি ১৫ মিনিট পরপর মোট ১৫১টি বাস ছাড়বে। এছাড়া চট্টগ্রাম থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকার উদ্দেশে আরও ২০টি বাস ছাড়বে।

নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে পোশাক শ্রমিকরা যাতে বাড়ি ফিরতে পারেন সে জন্য তৈরি পোশাক খাতের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইর উদ্যোগের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন (বিআরটিসি) এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বিআরিটিসি বাসের পাশাপাশি শ্রমিকদের জন্য আলাদা ট্রেন ও লঞ্চ রাখারও আশ্বাস দিয়েছে সরকার। তারপরও যাতে শ্রমিকরা ঈদের কোনোরকম ভোগান্তি ও হয়রানি ছাড়াই যেন ঢাকা থেকে বাড়ি ফিরতে পারেন সেই নিশ্চয়তা চায় বিজিএমইএ।

সার্বিক বিষয়ে বিজিএমইএর সভাপতি ড. রুবানা হক বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘গত ঈদে সরকার আমাদের পর্যাপ্ত পরিমাণ বাস, ট্রেন এবং লঞ্চের ব্যবস্থা করেছিল। ফলে শ্রমিকরা নিরাপদে বাড়ি ফিরছে। তারা সুন্দরভাবে স্বজনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পেরেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেশিরভাগ নারী, তারা আমাদের সম্পদ। এই সেক্টরে কাজ করা শ্রমিকরা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ। তারা যাতে সুন্দরভাবে বাড়িতে পৌঁছাতে পারে সেই লক্ষ্যে কাজ করছি। কোনো শ্রমিককেই যাতে বেতন-বোনাস ছাড়া ঈদ করতে না হয়, সেই চেষ্টা করছি।’

গত রমজানের ঈদের মতোই কোরবানির ঈদের গার্মেন্টস শ্রমিকদের কথা চিন্তা করে বিআরটিসি বাসের জন্য গত ২০ জুলাই সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেন বিজিএমইএর সভাপতি।

একইদিন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) চেয়ারম্যানের কাছেও আবেদন করেন তিনি। তার আবেদনর পরিপ্রেক্ষিতে শ্রমিকদের বাড়ি ফেরার জন্য ১৭১টি বাস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিআরটিসি।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর কাছে পাঠানো চিঠিতে বিজিএমইএর সভাপতি লেখেন, ‘দেশের পোশাক শিল্পে প্রত্যক্ষভাবে ৪৫ লাখ এবং পরোক্ষভাবে দুই কোটি শ্রমিক-কর্মচারী কর্মরত রয়েছে। তাদের অবদানে রফতানি বাণিজ্যের ৮৩ শতাংশ বৈদেশিক মুদ্রা আসে দেশের অর্থনীতিতে। এই জনশক্তির বেশির ভাগই মুসলিম। ফলে ঈদের ছুটি শুরু হলে ঢাকা ও আশপাশের ৪৫ লাখ শ্রমিকরা বাস ট্রেন এবং লঞ্চের মাধ্যমে বাড়ি যেতে ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাতে বাস,ট্রেন এবং লঞ্চের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়। বাড়ি যেতে ভোগান্তি এবং হয়রানির শিকার হতে হয়। তাই গার্মেন্টস শ্রমিকদের নিরাপদে বাড়ি ফিরতে বাস প্রদানের জন্য আপনার সহায়তা কামনা করছি। অন্তত ১০০টি বিশেষ বাসের বরাদ্দ রাখার দাবি জানাচ্ছি।’

একইভাবে শ্রমিকদের জন্য বিশেষ ট্রেন ও লঞ্চের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রেলপথ ও নৌ মন্ত্রণালয়ের কাছে আবেদন জানান রুবানা হক। তবে ওই দুই মন্ত্রণালয় থেকে তেমন সাড়া মেলেনি অর্থাৎ এ বছর ট্রেন কিংবা লঞ্চে বিশেষ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি সরকার।

আপনার মতামত লিখুন :

ত্রিপুরা নয়, উত্তরাঞ্চল দিয়ে বিদ্যুৎ আমদানিতে আগ্রহী বাংলাদেশ

ত্রিপুরা নয়, উত্তরাঞ্চল দিয়ে বিদ্যুৎ আমদানিতে আগ্রহী বাংলাদেশ
বাংলাদেশ ভারত সহযোগিতা বিষয়ক স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠক/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস বলেছেন, ত্রিপুরার পরিবর্তে উত্তরাঞ্চল দিয়ে বিদ্যুৎ আমদানির বিষয়ে ভাবছে বাংলাদেশ। কারণ আমাদের কুমিল্লা অঞ্চলে এখন তেমন সংকট নেই।

সোমবার (২৬ আগস্ট) বাংলাদেশ ভারতের বিদ্যুৎ খাতের সহযোগিতা সংক্রান্ত যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠক শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সিনিয়র সচিব বলেন, এখন ত্রিপুরা থেকে ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা হচ্ছে। আরও বাড়তি বিদ্যুৎ আমদানি করা হলে ওই অঞ্চলের বিদ্যুৎ কেন্দ্র বসিয়ে রাখতে হবে। ওই অঞ্চলে রয়েছে গ্যাস ভিত্তিক সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এর চেয়ে ভালো হয় যদি আমরা উত্তরাঞ্চল দিয়ে বিদ্যুৎ আমদানি করি।

রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় এলাকায় আমাদের সংকট রয়েছে। এসব অঞ্চলে ঘাটতি সামাল দিতে তেল ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালাতে হচ্ছে। যা অনেক ব্যয় বহুল। এর চেয়ে যদি কমদামে বিদ্যুৎ আমদানি করা যায় সে বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।ভারতের পক্ষ থেকেও ইতিবাচক সাড়া মিলেছে।

একটি টেকনিক্যাল টিম সমীক্ষা করবে। যদি অর্থনৈতিক ও টেকনিক্যালি সফলতার সম্ভাবনা থাকে তবে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করেন সিনিয়র সচিব।

এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, বিশেষ বিশেষ সময়ে আমাদের বিদ্যুৎ অব্যবহৃত থাকছে। সেই বিদ্যুৎ রফতানির বিষয়েও ভাবা হচ্ছে। স্টিয়ারিং কমিটি যদি একমত হয়, তাহলে আর কোনো জটিলতা নেই। তাদের ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে। তারা এ বিষয়ে বিশ্লেষণ করে দেখবে।

সচিব বলেন, স্টিয়ারিং কমিটি দু'দেশের বিদ্যুৎ খাতের সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করার কাজ করে যাচ্ছে। নতুন নতুন উইন্ডো ওপেন করা হচ্ছে। আর সে সব বিষয় এগিয়ে নেবে টেকনিক্যাল টিম যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ।

তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে দিন দিন সম্পর্কের উন্নতি হচ্ছে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতার হার বাড়ছে। আরও কিভাবে সহযোগিতার ক্ষেত্র বাড়ানো যায় সে বিষয়ে আলোচনা করে যাচ্ছি।

এর আগে পৃথক যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে কথা বলেন দু'দেশের সচিব। সে সময় নির্দিষ্ট করে কিছুই বলেন নি। তারা বলেন, আমরা দু'দেশের সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করেছি।

রোববার (২৫ আগস্ট) হোটেল সোনারগাঁও এ শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী এ বৈঠক। বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষে সিনিয়র সচিব ডক্টর আহমেদ কায়কাউস বাংলাদেশের পক্ষে, ভারতের পক্ষে দেশটির বিদ্যুৎ সচিব শ্রী সুভাষ চন্দ্র গার্গি নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

প্রথম দিনে যৌথ ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় দিনে অনুষ্ঠিত হয় যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির ১৭ তম বৈঠক। এছাড়া    রোববার (২৫ আগস্ট) রামপালে নির্মাণাধীন বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন ভারতীয় বিদ্যুৎ সচিব।

 

সূচক কমছে পুঁজিবাজারে

সূচক কমছে পুঁজিবাজারে
ছবি: সংগৃহীত

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (২৬ আগস্ট) সূচক কমে চলছে লেনদেন কার্যক্রম। এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত ডিএসই’র প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ১৯ পয়েন্ট এবং সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স কমেছে ১০ পয়েন্ট।

এছাড়া একই সময়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৬৮ কোটি ২২ লাখ টাকা এবং সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।

ডিএসই ও সিএসই’র ওয়েবসাইট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক কমে। লেনদেনের শুরু হয় সকাল সাড়ে ১০টায়, শুরুতেই সূচক কমে যায়। প্রথম ৫ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক কমে ১ পয়েন্ট। এরপর থেকে সূচক কমার প্রবণতা বাড়তে থাকে। সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে সূচক কমে ৪ পয়েন্ট। সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে সূচক ৩ পয়েন্ট কমে। সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক ৮ পয়েন্ট কমে। সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে সূচক ১৪ পয়েন্ট কমে। বেলা ১১টায় সূচক ১৯ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৫ হাজার ২০৪ পয়েন্টে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ১১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ৮৩০ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহসূচক ৫ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ১৯৮ পয়েন্টে।

এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৬৮ কোটি ২২ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। একই সময়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ৭৭টির, কমেছে ১৭৭টির এবং অপরিবর্তীত রয়েছে ৩৭টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত ডিএসইতে দাম বৃদ্ধি পাওয়া শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে- সিলকো ফার্মা, আইটিসি, ইউনাইটেড পাওয়অর, ওরিয়ন ইনফিউশন, মুন্নু স্টাফলারস, মুন্নু সিরামিকস, কেডিএস অ্যাকসেসরিজ, ভিএফএসটিডিএল, জেএমআই সিঞ্জি এবং বেক্সিমকো লিমিটেড।

সিএসই

অন্যদিকে, একই সময়ে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক (সিএসইএক্স) ১০ পয়েন্ট কমে ৯ হাজার ৬৮৭ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ১০ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ২৩ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ১২ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৯৬৪ পয়েন্টে অবস্থান করে।

এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১ কোটি ৫৫ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

একই সময়ে দাম বাড়ার ভিত্তিতের সিএসই’র শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- ভিএএমএলআর বিবিএফ, এবি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, বেঙ্গল উইন্ডসর, নিটল ইন্স্যুরেন্স, প্রিমিয়ার লিজিং, স্কয়ার টেক্সটাইল, যমুনা ব্যাংক এবং ট্রাস্ট ব্যাংক।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র