Barta24

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৬

English

সাগরে তেল-গ্যাস আহরণে এক বছরের মধ্যে দরপত্র

সাগরে তেল-গ্যাস আহরণে এক বছরের মধ্যে দরপত্র
সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

 

অবশোর বিডিং রাউন্ড আহ্বানের প্রস্তুতি চলছে। এক বছর কিংবা কম সময়ের মধ্যে হতে পারে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি বিভাগের সচিব আবু হেনা রহমাতুল মুনিম।

বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সচিব বলেন, আমাদের মডেল পিএসসিতে (উৎপাদন বন্টন চুক্তি) বিদেশি কোম্পানি তেমন আগ্রহী হতো না। সে কারণে পিএসসি সংশোধন করে আকর্ষণীয় করা হয়েছে। সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ অনুমোদন দিয়েছে। এর পরেই সাগরে তেল গ্যাস আহরণের জন্য বিডিং রাউন্ডের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আমরা ভাগ করে করে বিডিং রাউন্ড করতে চাই।

তিনি বলেন, সাগরে মাল্টিক্লেইন সার্ভের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২ বছরেই শেষ হবে। এই তথ্য,  ডাটা বিক্রি করার সুযোগ থাকবে। আমাদের কাছে যখন তথ্য থাকবে তখন অনেকেই আগ্রহী হবে।

এক প্রশ্নের সচিব বলেন, যমুনা নদী বক্ষে হেভি মিনারেল শনাক্ত করা হয়েছে। অর্থনৈতিকভাবে আহরণযোগ্য কিনা দেখার জন্য ফিজিবিলিটি স্ট্যাডি করা হবে। এখানে নদী এবং পরিবেশের বিষয়টিও বিবেচনায় নিতে হবে। রিপোর্ট পজিটিভ হলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

 আবাসিকে নতুন গ্যাস সংযোগ দেওয়া হবে না এ কথা ঠিক তবে বিদ্যমান গ্রাহকদের কথা চিন্তা করে ঢাকা শহরের পুরাতন পাইপলাইন সংস্কারে বৃহৎ প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। বিদ্যমান পাইপ লাইনে প্রেসার দিলেই লিক দিয়ে গ্যাস অপচয় হচ্ছে বলে জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন :

উত্তরাঞ্চল দিয়ে বিদ্যুৎ আমদানিতে আগ্রহী বাংলাদেশ

উত্তরাঞ্চল দিয়ে বিদ্যুৎ আমদানিতে আগ্রহী বাংলাদেশ
বাংলাদেশ ভারত সহযোগিতা বিষয়ক স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠক/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস বলেছেন, ত্রিপুরার পরিবর্তে উত্তরাঞ্চল দিয়ে বিদ্যুৎ আমদানির বিষয়ে ভাবছে বাংলাদেশ। কারণ আমাদের কুমিল্লা অঞ্চলে এখন তেমন সংকট নেই।

সোমবার (২৬ আগস্ট) বাংলাদেশ ভারতের বিদ্যুৎ খাতের সহযোগিতা সংক্রান্ত যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠক শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সিনিয়র সচিব বলেন, এখন ত্রিপুরা থেকে ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা হচ্ছে। আরও বাড়তি বিদ্যুৎ আমদানি করা হলে ওই অঞ্চলের বিদ্যুৎ কেন্দ্র বসিয়ে রাখতে হবে। ওই অঞ্চলে রয়েছে গ্যাস ভিত্তিক সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এর চেয়ে ভালো হয় যদি আমরা উত্তরাঞ্চল দিয়ে বিদ্যুৎ আমদানি করি।

রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় এলাকায় আমাদের সংকট রয়েছে। এসব অঞ্চলে ঘাটতি সামাল দিতে তেল ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালাতে হচ্ছে। যা অনেক ব্যয় বহুল। এর চেয়ে যদি কমদামে বিদ্যুৎ আমদানি করা যায় সে বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।ভারতের পক্ষ থেকেও ইতিবাচক সাড়া মিলেছে।

একটি টেকনিক্যাল টিম সমীক্ষা করবে। যদি অর্থনৈতিক ও টেকনিক্যালি সফলতার সম্ভাবনা থাকে তবে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করেন সিনিয়র সচিব।

এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, বিশেষ বিশেষ সময়ে আমাদের বিদ্যুৎ অব্যবহৃত থাকছে। সেই বিদ্যুৎ রফতানির বিষয়েও ভাবা হচ্ছে। স্টিয়ারিং কমিটি যদি একমত হয়, তাহলে আর কোনো জটিলতা নেই। তাদের ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে। তারা এ বিষয়ে বিশ্লেষণ করে দেখবে।

সচিব বলেন, স্টিয়ারিং কমিটি দু'দেশের বিদ্যুৎ খাতের সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করার কাজ করে যাচ্ছে। নতুন নতুন উইন্ডো ওপেন করা হচ্ছে। আর সে সব বিষয় এগিয়ে নেবে টেকনিক্যাল টিম যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ।

তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে দিন দিন সম্পর্কের উন্নতি হচ্ছে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতার হার বাড়ছে। আরও কিভাবে সহযোগিতার ক্ষেত্র বাড়ানো যায় সে বিষয়ে আলোচনা করে যাচ্ছি।

এর আগে পৃথক যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে কথা বলেন দু'দেশের সচিব। সে সময় নির্দিষ্ট করে কিছুই বলেন নি। তারা বলেন, আমরা দু'দেশের সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করেছি।

রোববার (২৫ আগস্ট) হোটেল সোনারগাঁও এ শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপী এ বৈঠক। বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষে সিনিয়র সচিব ডক্টর আহমেদ কায়কাউস বাংলাদেশের পক্ষে, ভারতের পক্ষে দেশটির বিদ্যুৎ সচিব শ্রী সুভাষ চন্দ্র গার্গি নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

প্রথম দিনে যৌথ ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় দিনে অনুষ্ঠিত হয় যৌথ স্টিয়ারিং কমিটির ১৭ তম বৈঠক। এছাড়া    রোববার (২৫ আগস্ট) রামপালে নির্মাণাধীন বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন ভারতীয় বিদ্যুৎ সচিব।

 

সূচক কমছে পুঁজিবাজারে

সূচক কমছে পুঁজিবাজারে
ছবি: সংগৃহীত

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (২৬ আগস্ট) সূচক কমে চলছে লেনদেন কার্যক্রম। এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত ডিএসই’র প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ১৯ পয়েন্ট এবং সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স কমেছে ১০ পয়েন্ট।

এছাড়া একই সময়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৬৮ কোটি ২২ লাখ টাকা এবং সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।

ডিএসই ও সিএসই’র ওয়েবসাইট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক কমে। লেনদেনের শুরু হয় সকাল সাড়ে ১০টায়, শুরুতেই সূচক কমে যায়। প্রথম ৫ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক কমে ১ পয়েন্ট। এরপর থেকে সূচক কমার প্রবণতা বাড়তে থাকে। সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে সূচক কমে ৪ পয়েন্ট। সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে সূচক ৩ পয়েন্ট কমে। সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক ৮ পয়েন্ট কমে। সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে সূচক ১৪ পয়েন্ট কমে। বেলা ১১টায় সূচক ১৯ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৫ হাজার ২০৪ পয়েন্টে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ১১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ৮৩০ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহসূচক ৫ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ১৯৮ পয়েন্টে।

এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৬৮ কোটি ২২ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। একই সময়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ৭৭টির, কমেছে ১৭৭টির এবং অপরিবর্তীত রয়েছে ৩৭টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত ডিএসইতে দাম বৃদ্ধি পাওয়া শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে- সিলকো ফার্মা, আইটিসি, ইউনাইটেড পাওয়অর, ওরিয়ন ইনফিউশন, মুন্নু স্টাফলারস, মুন্নু সিরামিকস, কেডিএস অ্যাকসেসরিজ, ভিএফএসটিডিএল, জেএমআই সিঞ্জি এবং বেক্সিমকো লিমিটেড।

সিএসই

অন্যদিকে, একই সময়ে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক (সিএসইএক্স) ১০ পয়েন্ট কমে ৯ হাজার ৬৮৭ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ১০ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ২৩ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ১২ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৯৬৪ পয়েন্টে অবস্থান করে।

এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১ কোটি ৫৫ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

একই সময়ে দাম বাড়ার ভিত্তিতের সিএসই’র শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- ভিএএমএলআর বিবিএফ, এবি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, বেঙ্গল উইন্ডসর, নিটল ইন্স্যুরেন্স, প্রিমিয়ার লিজিং, স্কয়ার টেক্সটাইল, যমুনা ব্যাংক এবং ট্রাস্ট ব্যাংক।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র