Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ডিএসইর প্রধান সূচক ৮, সিএসইতে কমেছে ২৯ পয়েন্ট

ডিএসইর প্রধান সূচক ৮, সিএসইতে কমেছে ২৯ পয়েন্ট
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের পঞ্চম ও শেষ কার্যদিবসে প্রধান সূচক কমে শেষ হয়েছে দিনের লেনদেন।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) ডিএসইতে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৮ পয়েন্ট এবং সিএসইতে সিএসসিএক্স কমেছে ২৯ পয়েন্ট।

এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৫১ কোটি ৮ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪০৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। আর সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১২ কোটি ২১ লাখ টাকা। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪০৮ কোটি ৮৮ লাখ শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

ডিএসই ও সিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই
এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক কমে। লেনদেনের শুরু হয় সাড়ে ১০টায়, শুরুতেই সূচক কমে যায়। প্রথম ৫ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক বাড়ে ৫ পয়েন্ট। বেলা ১০টা ৪০ মিনিটে সূচক বাড়ে ৬ পয়েন্ট। বেলা ১০টা ৪৫ মিনিটে সূচক ৬ পয়েন্ট বেড়ে যায়। বেলা ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক বাড়ে ১০ পয়েন্ট। বেলা ১০টা ৫৫ মিনিটে সূচক ৫ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১১টায় সূচক ৯ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১২টায় সূচক ১০ পয়েন্ট বাড়ে। এরপর থেকে সূচক একটানা কমতে থাকে। বেলা ১টায় সূচক কমে ১২ পয়েন্ট। বেলা ২টায় সূচক ৭ পয়েন্ট কমে এবং বেলা আড়াইটায় লেনদেন শেষে ডিএসইএক্স সূচক ৮ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৫ হাজার ২২২ পয়েন্টে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ৮৫৭ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ১৯৪ পয়েন্টে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৫১ কোটি ৮ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড।

লেনদেন শেষে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১০৮টির, কমেছে ২১৯ এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৬টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

বৃহস্পতিবার দাম বৃদ্ধির ভিত্তিতে ডিএসই’র শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে- ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স, ফেডারেল ইন্স্যুরেন্স, গ্রামীণ ফোন, রূপালী ইন্স্যুরেন্স, মুন্নু সিরামিকস, ইউনাইটেড পাওয়ার, এটিসিএসএলজিএফ, রানার অটোমোবাইল, সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ এবং ন্যাশনাল টিউবস।

সিএসই
অন্যদিকে, লেনদেন শেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক (সিএসইএক্স) ২৯ পয়েন্ট কমে ৯ হাজার ৬৯৮ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ১২ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ১২৬ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ৫৭ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৯৭২ পয়েন্টে অবস্থান করে।

লেনদেন শেষে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১২ কোটি ২১ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

এদিন দাম বাড়ার ভিত্তিতের সিএসই’র শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- ফেডারেল ইন্স্যুরেন্স, মুন্নু সিরামিকস, এসইএমএলএলইসিএমএফ, এসইএমএলএলইসিএমএফ, আইটিসি, প্রিমিয়ার ইন্স্যুরেন্স, ফার্স্ট প্রাইম মিউচ্যুয়াল ফান্ড, ইবিএল ফাস্র্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড লিগ্যাসি ফুটওয়্যার এবং প্রগতি ইন্স্যুরেন্স।

আপনার মতামত লিখুন :

পুঁজিবাজারে সূচক বাড়ছে

পুঁজিবাজারে সূচক      বাড়ছে
ছবি: সংগৃহীত

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) সূচক বেড়ে লেনদেন চলছে।

এদিন বেলা সোয়া ১১টা পর্যন্ত ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৬৩ পয়েন্ট এবং সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স বেড়েছে ৫৩ পয়েন্ট।

এছাড়াও একই সময়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৫৩ কোটি ৮৯ লাখ টাকা এবং সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১ কোটি ২৪ লাখ টাকা।

ডিএসই ও সিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক বাড়ে। লেনদেনের শুরু হয় সাড়ে ১০টায়। প্রথম ৫ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক বাড়ে ২২ পয়েন্ট। বেলা ১০টা ৪০ মিনিটে সূচক বাড়ে ৪৩ পয়েন্ট। বেলা ১০টা ৪৫ মিনিটে সূচক বাড়ে ৫৮ পয়েন্ট। বেলা ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক ৬৬ পয়েন্ট বেড়ে যায়। বেলা ১০টা ৫৫ মিনিটে সূচক ৭২ পয়েন্ট বেড়ে যায়। এরপর থেকে সূচক বাড়ার প্রবণতা কিছুটা কমতে থাকে। বেলা ১১টায় সূচক ৬৩ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৩০ পয়েন্টে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ২১ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১ হাজার ৭৯৮ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহসূচক ১৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১ হাজার ১৫৪ পয়েন্টে।

এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫৩ কোটি ৮৯ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। একই সময়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ২৭০টির, কমেছে ৩৩টির এবং অপরিবর্তীত রয়েছে ১৫টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত ডিএসইতে দাম বৃদ্ধি পাওয়া শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে-ফরচুন সু, মুন্নু সিরামিকস, প্রাইম ইন্স্যুরেন্স, সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ, এসইএমএলএলইসিএমএফ, বিকন ফার্মা, ইউনাইটেড পাওয়ার, ন্যাশনাল পলিমার, গ্রামীণফোন এবং রূপালী ইন্স্যুরেন্স।

সিএসই

অন্যদিকে, একই সময়ে সিএসইর সাধারণ সূচক (সিএসইএক্স) ৫৩ পয়েন্ট বেড়ে ৯ হাজার ৩১০ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ১৪ পয়েন্ট বেড়ে ১৩ হাজার ৬০১ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ৮৮ পয়েন্ট বেড়ে ১৫ হাজার ৩০৪ পয়েন্টে অবস্থান করে।

এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১ কোটি ২৪ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

একই সময়ে দাম বাড়ার ভিত্তিতের সিএসইর শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো-জাহিন টেক্সটাইল, ডেল্টা স্পিনিং, এসএস স্টিল, দেশবন্ধু ইন্ডাস্ট্রিজ, প্রাইম লিজিং, ফ্যামিলি টেক্সটাইল, কেয়া কসমেটিকস, জিএসপি ফাইন্যান্স, ইটিএল এবং কাশেম ইন্ডাস্ট্রিজ।

সেঞ্চুরিয়ান খেলাপি ঠেকাতে বিশেষ সেল

সেঞ্চুরিয়ান খেলাপি ঠেকাতে বিশেষ সেল
বাংলাদেশ ব্যাংক

শীর্ষ ঋণ খেলাপিদের কাছ থেকে টাকা আদায়ে বিশেষ নীতিমালা চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রত্যেক ব্যাংককে ১০০ কোটি টাকার ওপরে খেলাপি ঋণবিশিষ্ট গ্রাহকদের তালিকা তৈরি ও আদায়ের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সোমবার (২২জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) থেকে প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই নির্দেশনা দেয়া হয়।

বিআরপিডি’র মহাব্যবস্থাপক একেএম মহিউদ্দিন আজাদ সাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বাংলাদেশে কার্যরত সকল তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের কাছে এই নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়েছে, শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ কমিয়ে আনার লক্ষ্যে তফসিলি ব্যাংকসমূহের অপরাপর সব শ্রেণিকৃত ঋণসহ ১০০ কোটি টাকা এবং তদূর্ধ্ব স্থিতি বিশিষ্ট শ্রেণিকৃত ঋণ হিসাবসমূহ নিবিড় তদারকি একান্ত আবশ্যক। তাই শ্রেণিকৃত ঋণ হিসাব তদারকির নির্দেশ দেয়া হচ্ছে।

এর মধ্যে সব ব্যাংক সংশ্লিষ্ট উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালককে প্রধান করে একটি বিশেষ তদারকি সেল গঠন করবে। যারা ১০০ কোটি টাকা বা তার বেশি শ্রেণিকৃত ঋণ হিসাব তদারকি করবে। তদারকি সেল ত্রৈমাসিক বিবরণীতে বর্ণিত শ্রেণিকৃত ঋণ হিসাব আদায় অগ্রগতিসহ যাবতীয় তথ্য স্ব স্ব ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদকে জানাবে। এ ছাড়া ত্রৈমাসিক বিবরণী পরবর্তী মাসের শেষ কর্মদিবসে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগের টাস্কফোর্স সেলে দাখিল করবে।

এ বিবরণীতে প্রদর্শিত শ্রেণিকৃত ঋণ পুনঃতফসিলীকরণ কিংবা অন্য কোনো কারণে নিয়মিত বলে গণ্য হলেও নিয়মিত হওয়ার তারিখ থেকে পরবর্তী ৮টি (আট) ত্রৈমাসিক পর্যন্ত তা বিবরণীতে রাখতে হবে।

সার্কুলারে আরও বলা হয়, ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে ওই বিবরণীর যথাযথ পর্যালোচনা নিশ্চিত করবে। এ ক্ষেত্রে ঋণের বকেয়া আদায়ের নিমিত্তে ব্যাংক ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ একটি সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করবে। পরিচালনা পর্ষদ নিয়মিতভাবে কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে পর্যালোচনাপূর্বক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে।

আগামী অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০১৯ থেকে এপ্রিল-জুন, ২০২০ ত্রৈমাসিক পর্যন্ত ওই বিবরণীর হার্ড ও সফট (এক্সএল সিট) কপি দাখিল করতে হবে। আগামী এপ্রিল-জুন, ২০২০ ত্রৈমাসিক থেকে আলোচ্য বিবরণী বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে দাখিল করতে বলা হয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র