Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ফুড প্রসেসিং খাতে বিনিয়োগ করবে আমিরাত

ফুড প্রসেসিং খাতে বিনিয়োগ করবে আমিরাত
বাংলাদেশ ও আরব আমিরাতের পতাকা
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের ফুড প্রসেসিং খাতে সংযুক্ত আরব আমিরাত বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন।

মঙ্গলবার (২ জুলাই) শিল্পমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত সাইয়েদ মোহাম্মদ আলমেহিরি বিনিয়োগের আগ্রহের কথা জানিয়েছেন।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে ফুড প্রসেসিং খাতের অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বড় বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এখাতে বিনিয়োগ করতে চায়।

আন্তর্জাতিক মানের ফুড প্রসেসিং ল্যাব ও কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনে বিনিয়োগ করার বিস্তৃত সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ব্যবসায়ীদের এখাতেও বিনিয়োগ করার আহবান জানান শিল্পমন্ত্রী।

আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের ফুড প্রসেসিং খাতের আন্তর্জাতিক মান অর্জনে আরব আমিরাতের একটি সার্টিফিকেশন প্রতিষ্ঠান এখানে কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এতে আরব আমিরাতের জনগণের কাছে বাংলাদেশের প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্যের গ্রহণযোগ্যতা সৃষ্টি হবে।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকায় বাংলাদেশে এখন বিনিয়োগের চমৎকার পরিবেশ বিরাজ করছে। নতুন শিল্প কারখানা স্থাপনের জন্য প্রচুর জমি রয়েছে। দেশে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। আরব আমিরাতের বিনিয়োগকারীরা প্রাইভেট ও জয়েন্ট ভেঞ্চারের মাধ্যমে যেকোন খাতে বিনিয়োগ করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পাদনের জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ের পক্ষ হতে সর্বাত্মক সহায়তা প্রদান করা হবে বলে তিনি জানান।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ স্কেন্ডেনেভিয়ান দেশগুলোতে জাহাজ রফতানি করছে। আরব আমিরাতের বিনিয়োগকারীরা জাহাজ নির্মাণ শিল্পে বিনিয়োগ করার অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারে। চলতি বছরের শেষের দিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ইকোনমিক মিনিস্টার বাংলাদেশ সফরের পূর্বে সম্ভাবনাময় খাতসমূহে বিনিয়োগের বিষয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির বিষয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত ও শিল্পমন্ত্রী দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ইকোনমিক মিনিস্টারের বাংলাদেশ সফরের সময় এ সকল খাতে বিনিয়োগের বিষয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে।

সাক্ষাতকালে স্টিল, সিমেন্ট, গ্যাস, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, সুগন্ধি, গার্মেন্টস, টেক্সটাইল, মধু ইত্যাদি খাতে বিনিয়োগের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের ব্যবসায়ীদের প্রতি আহবান জানানো হয়। এছাড়া আরব আমিরাতের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ জনশক্তি তৈরির জন্য বাংলাদেশে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণ করে সেই জনশক্তিকে আরব আমিরাতে বিভিন্ন কাজে নিয়োগ প্রদানের আহবান জানানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

সেঞ্চুরিয়ান খেলাপি ঠেকাতে বিশেষ সেল

সেঞ্চুরিয়ান খেলাপি ঠেকাতে বিশেষ সেল
বাংলাদেশ ব্যাংক

শীর্ষ ঋণ খেলাপিদের কাছ থেকে টাকা আদায়ে বিশেষ নীতিমালা চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রত্যেক ব্যাংককে ১০০ কোটি টাকার ওপরে খেলাপি ঋণবিশিষ্ট গ্রাহকদের তালিকা তৈরি ও আদায়ের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সোমবার (২২জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) থেকে প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই নির্দেশনা দেয়া হয়।

বিআরপিডি’র মহাব্যবস্থাপক একেএম মহিউদ্দিন আজাদ সাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বাংলাদেশে কার্যরত সকল তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের কাছে এই নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়েছে, শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ কমিয়ে আনার লক্ষ্যে তফসিলি ব্যাংকসমূহের অপরাপর সব শ্রেণিকৃত ঋণসহ ১০০ কোটি টাকা এবং তদূর্ধ্ব স্থিতি বিশিষ্ট শ্রেণিকৃত ঋণ হিসাবসমূহ নিবিড় তদারকি একান্ত আবশ্যক। তাই শ্রেণিকৃত ঋণ হিসাব তদারকির নির্দেশ দেয়া হচ্ছে।

এর মধ্যে সব ব্যাংক সংশ্লিষ্ট উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালককে প্রধান করে একটি বিশেষ তদারকি সেল গঠন করবে। যারা ১০০ কোটি টাকা বা তার বেশি শ্রেণিকৃত ঋণ হিসাব তদারকি করবে। তদারকি সেল ত্রৈমাসিক বিবরণীতে বর্ণিত শ্রেণিকৃত ঋণ হিসাব আদায় অগ্রগতিসহ যাবতীয় তথ্য স্ব স্ব ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদকে জানাবে। এ ছাড়া ত্রৈমাসিক বিবরণী পরবর্তী মাসের শেষ কর্মদিবসে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগের টাস্কফোর্স সেলে দাখিল করবে।

এ বিবরণীতে প্রদর্শিত শ্রেণিকৃত ঋণ পুনঃতফসিলীকরণ কিংবা অন্য কোনো কারণে নিয়মিত বলে গণ্য হলেও নিয়মিত হওয়ার তারিখ থেকে পরবর্তী ৮টি (আট) ত্রৈমাসিক পর্যন্ত তা বিবরণীতে রাখতে হবে।

সার্কুলারে আরও বলা হয়, ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে ওই বিবরণীর যথাযথ পর্যালোচনা নিশ্চিত করবে। এ ক্ষেত্রে ঋণের বকেয়া আদায়ের নিমিত্তে ব্যাংক ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ একটি সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করবে। পরিচালনা পর্ষদ নিয়মিতভাবে কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে পর্যালোচনাপূর্বক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে।

আগামী অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০১৯ থেকে এপ্রিল-জুন, ২০২০ ত্রৈমাসিক পর্যন্ত ওই বিবরণীর হার্ড ও সফট (এক্সএল সিট) কপি দাখিল করতে হবে। আগামী এপ্রিল-জুন, ২০২০ ত্রৈমাসিক থেকে আলোচ্য বিবরণী বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে দাখিল করতে বলা হয়েছে।

ডিএসইতে কপারটেকের তালিকাভুক্তির অনুমোদন

ডিএসইতে কপারটেকের তালিকাভুক্তির অনুমোদন
কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড

শর্তসাপেক্ষে বহুল আলোচিত কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডকে তালিকাভুক্তির অনুমোদন দিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)।

আইনগতভাবে তালিকাভুক্ত করার সুযোগ না থাকায় শর্তসাপেক্ষে কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্তির অনুমোদন দিল ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ।

সোমবার (২২ জুলাই) ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজের তালিকাভুক্তির জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা পার হয়ে গেছে। এ অবস্থায় কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্ত করার সুযোগ নেই। তবে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সময় বাড়ানোর অনুমোদন সাপেক্ষে কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডিএসই। এ লক্ষ্যে ডিএসই থেকে শিগগিরই সময় বাড়ানোর জন্য বিএসইসিতে চিঠি দেওয়া হবে।

ডিএসই’র তালিকাভুক্তির নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো কোম্পানি প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করলে ওই কোম্পানির আইপিও সাবস্ক্রিপশন (আইপিও আবেদন গ্রহণ) শেষ হওয়ার ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে তালিকাভুক্ত হতে হবে। তবে কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজের ক্ষেত্রে সেই সময় অনেক আগেই পার হয়ে গেছে।

কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ পুঁজিবাজার থেকে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে ২০ কোটি টাকা উত্তোলন করার অনুমোদন পায়। এ টাকা উত্তোলনে ৩১ মার্চ থেকে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত কোম্পানিটির আইপিওতে আবেদন গ্রহণ করা হয়। ফলে চলতি বছরের ২৬ মে’র মধ্যে কোম্পানিটি ডিএসইতে তালিকাভুক্তির বাধ্যবাধকতা ছিল। কিন্তু ডিএসই পর্ষদ অনুমোদন না দেয়ায় কোম্পানিটির তালিকাভুক্তি আটকে যায়।

এরপর ডিএসই’র পর্ষদ কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্তির জন্য ২৩ জুন পর্যন্ত সময় দিয়ে বিএসইসির কাছে দিক-নির্দেশনা চেয়ে চিঠি দেয়। তবে বিএসইসি ওই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে কোন দিক-নির্দেশনা বা পরামর্শ দেওয়া থেকে বিরত থাকে।

গত ১১ জুলাই কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজের তালিকাভুক্তির সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য ম্যানেজমেন্টের কাঁধে দায়িত্ব দেয় পরিচালনা পর্ষদ। এর আলোকে ম্যানেজমেন্ট কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজের তালিকাভুক্তির বিষয়ে আইন-কানুন পর্যালোচনা করে। যা ডিএসইর আজকের সভায় দাখিল করা হয়। যা যাচাই-বাছাই শেষে কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজকে শর্তসাপেক্ষে তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডিএসই পর্ষদ।

এর আগে ২৩ মে আর্থিক হিসাবে অসঙ্গতির অভিযোগে কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজকে তালিকাভুক্ত না করার সিদ্ধান্ত নেয় ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ। আর ৪ জুলাই কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ ইস্যুতে অসহযোগিতার জন্য বিতর্কিত নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান আহমেদ অ্যান্ড আক্তারের প্রাকটিসিং লাইসেন্স নবায়ন না করার সিদ্ধান্ত নেয় দ্য ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি)। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি সব ধরনের কোম্পানির নিরীক্ষা কাজের যোগ্যতা হারিয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র