Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

‘ব্যাংকিং সেক্টরে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে’

‘ব্যাংকিং সেক্টরে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে’
সেমিনারে বক্তব্য দেন অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির, ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

অর্থনীতিতে ব্যাংকারদের ভূমিকা অনস্বীকার্য এটা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। তবে দেশে ঋণ খেলাপির সংখ্যা বাড়ছে। এমন অবস্থায় ব্যাংকিং সেক্টরে ও শেয়ারবাজারের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে বলে জানিয়েছেন অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির।

শনিবার (২৯ জুন) বিকেল ৫টার দিকে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ‘জাতীয় বাজেটে ২০১৯-২০ বাস্তবায়নে ব্যাংকারদের রয়েছে অগ্রণী ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনার ও আলোচনা সভায় তিনি এ কথা জানান। অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংক অফিসার্স বাংলাদেশের উদ্যোগে এ সেমিনার ও সভার আয়োজন করা হয়।

আহমেদ ফিরোজ কবির বলেন, ‘ব্যাংকিং সেক্টরের অস্থিরতা কমিয়ে এনে বঙ্গবন্ধুর বৈষম্যমুক্ত অর্থনীতির বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। সেক্ষেত্রে আপনারা যারা ব্যাংকের কর্মকর্তা আছেন আপনাদের ভূমিকা অনস্বীকার্য।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে দেশকে ভালোবাসতে হবে। আমরা সূচক দিয়ে পরিমাপ করি দেশ কতটা এগিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিচালনায় দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া নতুন নতুন সেক্টর যুক্ত হচ্ছে আমাদের অর্থনীতিতে।’

অর্থমন্ত্রীর বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ‘২০৩০ সাল থেকে আমাদের আর বাইরের দেশ থেকে ঋণ নিতে হবে না। তখন আমরা বাইরের দেশকে ঋণ দেব। এ স্বপ্ন আমরা দেখি এবং এটা আমরা অবশ্যই পারব।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেন, ‘খেলাপি ঋণ আদায় করতে হবে। তা না হলে খেলাপি ঋণের পরিমাণ পাপোশের নিচে পড়ে যাবে। এ ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা আরও বাড়াতে হবে।’

অ্যাসোসিয়েশন অফ ব্যাংক অফিসার্স বাংলাদেশের সভাপতি মুহা. মহিউদ্দিন হাওলাদারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইসমাইল, বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. জামাল উদ্দিন আহমেদ, রূপালী ব্যাংক লিমিটেডের সাবেক চেয়ারম্যান আহমেদ আল কবির, বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. মো. আক্তারুজ্জামানসহ আরও অনেকেই।

আপনার মতামত লিখুন :

এমডি খুঁজছে ডিএসই ও সিএসই

এমডি খুঁজছে ডিএসই ও সিএসই
পুঁজিবাজার ছবি: সংগৃহীত

ব্যবস্থাপনা পরিচালক অর্থাৎ (এমডি) খুঁজছে দেশের দুই পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে ডিএসই কর্তৃপক্ষ এমডি নিয়োগে পত্রিকার পাশাপাশি ডিএসইর ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

অন্যদিকে সিএসই দুই দফা বিজ্ঞাপন দেওয়ার পর এখনো তিন মাস সময় চেয়ে আবারও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের কাছে আবেদন করেছে এমডির খুঁজে।

দুই স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই সূত্র মতে, চলতি বছরের ১১ জুলাই ডিএসই’র এমডি পদ শূন্য হয়। গত ৭ আগস্ট ডিএসই কর্তৃপক্ষ নতুন এমডি নিয়োগের জন্য ডেইলি অবজারভার, প্রথম আলো পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে। তাতে আগামী ১ সেপ্টেম্বর রোববারের মধ্যে আবেদন করতে বলা হয়েছে।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ দুই দফা সময় বৃদ্ধির পর আবারও আবেদনের সময় বাড়ানোর জন্য কমিশনের কাছে আবেদন করেছে। বিষয়টি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে নিশ্চিত করেছেন সিএসই’র ভারপ্রাপ্ত এমডি গোলাম ফারুক।

আবেদনের জন্য ক্লিক করুন: https://www.dsebd.org/pdf/dse-md-2019.pdf

সূচক কমেছে উভয় পুঁজিবাজারে

সূচক কমেছে উভয় পুঁজিবাজারে
শেয়ার বাজারের প্রতীকী ছবি

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার (২১ আগস্ট) সূচক কমে শেষ হয়েছে এ দিনের লেনদেন কার্যক্রম। এদিন ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৪ পয়েন্ট এবং সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স কমেছে ৩ পয়েন্ট।

এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫৪২ কোটি ৫৫ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪৭২ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। আর সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২১ কোটি ২১ লাখ টাকা। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪৪ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

ডিএসই ও সিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক বাড়ে। লেনদেনের শুরু হয় সাড়ে ১০টায়, শুরুতেই সূচক কমে যায়। প্রথম ৫ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক বাড়ে ৬ পয়েন্ট। বেলা ১০টা ৪০ মিনিটে সূচক বাড়ে ৯ পয়েন্ট। বেলা ১০টা ৪৫ মিনিটে সূচক ১৪ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক ১৭ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১০টা ৫৫ মিনিটে সূচক ১৮ পয়েন্ট বাড়ে। এরপর থেকে সূচক বাড়ার প্রবণতা কমতে থাকে। বেলা ১১টায় সূচক ১২ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা সাড়ে ১১টার পর সূচক নেতিবাচক হতে শুরু করে। বেলা ১২টায় সূচক কমে ৫ পয়েন্ট। বেলা সোয়া ১২টায় সূচক গত কার্যদিবসের চেয়ে নেতিবাচক হয়ে যায়। এ সময়ে সূচক কমে ৫ পয়েন্ট। এরপর সূচক ওঠানামা করতে থাকে। বেলা ১টায় সূচক ২ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ২টায় সূচক ১ পয়েন্ট কমে। কিন্তু বেলা আড়াইটায় লেনদেন শেষে ডিএসইএক্স সূচক ৪ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ২২৩ পয়েন্টে অবস্থান করে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ৮৪১ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক প্রায় এক পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ২০৪ পয়েন্টে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫৪২ কোটি ৫৫ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড।

লেনদেন শেষে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১২৩টির, কমেছে ১৯৪টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৭টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

বুধবার দাম বৃদ্ধির ভিত্তিতে ডিএসই’র শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে- ইউনাইটেড পাওয়ার, ওরিয়ন ইনফিউশন, জেএমআই সিরিঞ্জ, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, মুন্নু সিরামিকস, বিকন ফার্মা, কেপিসিএল, সিলকো ফার্মা এবং আলহাজ টেক্সটাইল।

সিএসই

অন্যদিকে, লেনদেন শেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) প্রধান সূচক সিএসইএক্স ৩ পয়েন্ট কমে ৯ হাজার ৬৯৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে। সিএসই-৩০ সূচক ১৫ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৩২ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক এক পয়েন্ট বেড়ে ১৫ হাজার ৯৭৭ পয়েন্টে অবস্থান করে।

লেনদেন শেষে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২১ কোটি ২১ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

এদিন দাম বাড়ার ভিত্তিতের সিএসই’র শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- আরএকে সিরামিকস, সায়হাম টেক্সটাইল, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, বিচ হ্যাচারি, জেনেক্সিল, মোজাফফর হোসেন স্পিনিং, ফ্যামিলি টেক্সটাইল, কেয়া কসমেটিকস, তুংহাই নিটিং এবং স্টান্ডার্ড সিরামিকস।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র