Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

‘কালো টাকার সুযোগ আরও বাড়তে পারে’

‘কালো টাকার সুযোগ আরও বাড়তে পারে’
এফবিসিসিআই আয়োজিত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পর্যালোচনা সভা
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে ব্যবসাবান্ধব উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, বাজেটে বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী দেশে ১০০টি স্পেশাল ইকোনমিক জোন গড়ে তুলছেন, এখানে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে বিশেষ সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) রাজধানীর প্যানপ্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে এফবিসিসিআই আয়োজিত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, দেশি বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে সরকার বিশেষ সুবিধা প্রদানের নীতি গ্রহণ করেছে। ব্যবসা পরিচালনা করতে পণ্যের ওপর শুল্ক ও ভ্যাট সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সরকার আন্তরিকতার সাথে চেষ্টা করছে। দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নতি মানেই দেশের উন্নতি।

টিপু মুনশি আরো বলেন, দেশ উন্নয়নের পথে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। এ উন্নয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক প্রচেষ্টা প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারকে বলা হয় ব্যবসাবান্ধব সরকার। বাজেটে দেশের ব্যাবসায়ীদের উৎসাহিত করার চেষ্টা করা হয়েছে।

দেশে ব্যবসার প্রসার না ঘটলে উন্নতি হয় না, কর্মসংস্থান হয় না। দেশে ব্যবসার পরিধি বৃদ্ধির জন্য ব্যবসায়ীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। সরকার এ বিষয়ে আন্তরিক। প্রস্তাবিত বাজেটে যদি কোথাও কোন অসামঞ্জস্য থেকে থাকে, সরকার আলাপ-আলোচনা করে তা সমন্বয়ের চেষ্টা করবে, যোগ করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, কালো টাকা নিয়ে আমার একটা সাজেশন আছে। সেটা হলো— বিনিয়োগের জন্য ১০ শতাংশ কর দিয়ে অর্থনৈতিক জোনগুলোতে বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এই সুযোগ আরও প্রসারিত হতে পারে। যে কোম্পানি ১শ’ কর্মীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে আর যে কোম্পানি ৫ হাজার লোকের কর্মসংস্থান করেছে, দু’জনের করের হার এক হওয়া উচিত না।

এফবিসিসিআই’র প্রেসিডেন্ট শেখ ফজলে ফাহিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ, এফবিসিসিআই’র সাবেক সভাপতি মো. শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, বিজিএমইএ’র সভাপতি রুবানা হক, সাবেক সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন :

সেঞ্চুরিয়ান খেলাপি ঠেকাতে বিশেষ সেল

সেঞ্চুরিয়ান খেলাপি ঠেকাতে বিশেষ সেল
বাংলাদেশ ব্যাংক

শীর্ষ ঋণ খেলাপিদের কাছ থেকে টাকা আদায়ে বিশেষ নীতিমালা চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রত্যেক ব্যাংককে ১০০ কোটি টাকার ওপরে খেলাপি ঋণবিশিষ্ট গ্রাহকদের তালিকা তৈরি ও আদায়ের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সোমবার (২২জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) থেকে প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই নির্দেশনা দেয়া হয়।

বিআরপিডি’র মহাব্যবস্থাপক একেএম মহিউদ্দিন আজাদ সাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বাংলাদেশে কার্যরত সকল তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের কাছে এই নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়েছে, শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ কমিয়ে আনার লক্ষ্যে তফসিলি ব্যাংকসমূহের অপরাপর সব শ্রেণিকৃত ঋণসহ ১০০ কোটি টাকা এবং তদূর্ধ্ব স্থিতি বিশিষ্ট শ্রেণিকৃত ঋণ হিসাবসমূহ নিবিড় তদারকি একান্ত আবশ্যক। তাই শ্রেণিকৃত ঋণ হিসাব তদারকির নির্দেশ দেয়া হচ্ছে।

এর মধ্যে সব ব্যাংক সংশ্লিষ্ট উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালককে প্রধান করে একটি বিশেষ তদারকি সেল গঠন করবে। যারা ১০০ কোটি টাকা বা তার বেশি শ্রেণিকৃত ঋণ হিসাব তদারকি করবে। তদারকি সেল ত্রৈমাসিক বিবরণীতে বর্ণিত শ্রেণিকৃত ঋণ হিসাব আদায় অগ্রগতিসহ যাবতীয় তথ্য স্ব স্ব ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদকে জানাবে। এ ছাড়া ত্রৈমাসিক বিবরণী পরবর্তী মাসের শেষ কর্মদিবসে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগের টাস্কফোর্স সেলে দাখিল করবে।

এ বিবরণীতে প্রদর্শিত শ্রেণিকৃত ঋণ পুনঃতফসিলীকরণ কিংবা অন্য কোনো কারণে নিয়মিত বলে গণ্য হলেও নিয়মিত হওয়ার তারিখ থেকে পরবর্তী ৮টি (আট) ত্রৈমাসিক পর্যন্ত তা বিবরণীতে রাখতে হবে।

সার্কুলারে আরও বলা হয়, ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে ওই বিবরণীর যথাযথ পর্যালোচনা নিশ্চিত করবে। এ ক্ষেত্রে ঋণের বকেয়া আদায়ের নিমিত্তে ব্যাংক ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ একটি সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করবে। পরিচালনা পর্ষদ নিয়মিতভাবে কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে পর্যালোচনাপূর্বক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে।

আগামী অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০১৯ থেকে এপ্রিল-জুন, ২০২০ ত্রৈমাসিক পর্যন্ত ওই বিবরণীর হার্ড ও সফট (এক্সএল সিট) কপি দাখিল করতে হবে। আগামী এপ্রিল-জুন, ২০২০ ত্রৈমাসিক থেকে আলোচ্য বিবরণী বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে দাখিল করতে বলা হয়েছে।

ডিএসইতে কপারটেকের তালিকাভুক্তির অনুমোদন

ডিএসইতে কপারটেকের তালিকাভুক্তির অনুমোদন
কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড

শর্তসাপেক্ষে বহুল আলোচিত কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডকে তালিকাভুক্তির অনুমোদন দিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)।

আইনগতভাবে তালিকাভুক্ত করার সুযোগ না থাকায় শর্তসাপেক্ষে কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্তির অনুমোদন দিল ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ।

সোমবার (২২ জুলাই) ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজের তালিকাভুক্তির জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা পার হয়ে গেছে। এ অবস্থায় কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্ত করার সুযোগ নেই। তবে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সময় বাড়ানোর অনুমোদন সাপেক্ষে কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডিএসই। এ লক্ষ্যে ডিএসই থেকে শিগগিরই সময় বাড়ানোর জন্য বিএসইসিতে চিঠি দেওয়া হবে।

ডিএসই’র তালিকাভুক্তির নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো কোম্পানি প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করলে ওই কোম্পানির আইপিও সাবস্ক্রিপশন (আইপিও আবেদন গ্রহণ) শেষ হওয়ার ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে তালিকাভুক্ত হতে হবে। তবে কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজের ক্ষেত্রে সেই সময় অনেক আগেই পার হয়ে গেছে।

কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ পুঁজিবাজার থেকে ২ কোটি শেয়ার ছেড়ে ২০ কোটি টাকা উত্তোলন করার অনুমোদন পায়। এ টাকা উত্তোলনে ৩১ মার্চ থেকে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত কোম্পানিটির আইপিওতে আবেদন গ্রহণ করা হয়। ফলে চলতি বছরের ২৬ মে’র মধ্যে কোম্পানিটি ডিএসইতে তালিকাভুক্তির বাধ্যবাধকতা ছিল। কিন্তু ডিএসই পর্ষদ অনুমোদন না দেয়ায় কোম্পানিটির তালিকাভুক্তি আটকে যায়।

এরপর ডিএসই’র পর্ষদ কোম্পানিটিকে তালিকাভুক্তির জন্য ২৩ জুন পর্যন্ত সময় দিয়ে বিএসইসির কাছে দিক-নির্দেশনা চেয়ে চিঠি দেয়। তবে বিএসইসি ওই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে কোন দিক-নির্দেশনা বা পরামর্শ দেওয়া থেকে বিরত থাকে।

গত ১১ জুলাই কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজের তালিকাভুক্তির সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য ম্যানেজমেন্টের কাঁধে দায়িত্ব দেয় পরিচালনা পর্ষদ। এর আলোকে ম্যানেজমেন্ট কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজের তালিকাভুক্তির বিষয়ে আইন-কানুন পর্যালোচনা করে। যা ডিএসইর আজকের সভায় দাখিল করা হয়। যা যাচাই-বাছাই শেষে কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজকে শর্তসাপেক্ষে তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডিএসই পর্ষদ।

এর আগে ২৩ মে আর্থিক হিসাবে অসঙ্গতির অভিযোগে কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজকে তালিকাভুক্ত না করার সিদ্ধান্ত নেয় ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ। আর ৪ জুলাই কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ ইস্যুতে অসহযোগিতার জন্য বিতর্কিত নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান আহমেদ অ্যান্ড আক্তারের প্রাকটিসিং লাইসেন্স নবায়ন না করার সিদ্ধান্ত নেয় দ্য ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি)। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি সব ধরনের কোম্পানির নিরীক্ষা কাজের যোগ্যতা হারিয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র