Barta24

বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৯ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে দ্বিগুণ সঞ্চয়পত্র বিক্রি

লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে দ্বিগুণ সঞ্চয়পত্র বিক্রি
প্রতীকী
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট


  • Font increase
  • Font Decrease

২০১৮-১৯ অর্থবছরে সঞ্চয়পত্র বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৬ হাজার ১৯৭ কোটি টাকা। তবে গত বছরের জুলাই থেকে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত মোট ৯ মাসে সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে ৪৩ হাজার কোটি টাকা। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ।

সরকার বাজেটের ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে ব্যাংকিং খাত থেকে টাকা নেওয়ার কথা বললেও অভ্যন্তরীণ ঋণের অন্যতম সোর্স হয়ে পড়েছে সঞ্চয়পত্র বিক্রি থেকে সংগৃহীত অর্থ।

সঞ্চয়পত্র অধিদফতর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, চলতি অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল সময়ে ৪৩ হাজার ৪৭৫ কোটি টাকার নিট সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে। অথচ বাজেটে সরকার সঞ্চয়পত্র থেকে ২৬ হাজার ১৯৭ কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্য ঠিক করেছিল।

জাতীয় সঞ্চয় অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৭ হাজার ২৮৭ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে এই দশ মাসে। যা ২০১৮-১৯ অর্থবছরে নির্ধারিত লক্ষমাত্রার ১৬৬ শতাংশ।

ব্যাংক কর্মকর্তারা জানান, ব্যাংক আমানতের সুদ কম হওয়ায় সঞ্চয়পত্রের দিকে বেশি ঝুঁকছেন সাধারণ মানুষ। কেউ মায়ের নামে কেউবা স্ত্রীর নামে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করে রাখছেন। ব্যাংকিং খাতে তীব্র তারল্য সংকট তৈরি হওয়ার পিছনে এটাও একটা মূল কারণ বলে মনে করছেন তারা।

সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগকারীরা জানান, ব্যাংকে আমানত রাখলে মাত্র ৫ থেকে ৬ শতাংশের মধ্যে মুনাফা পাওয়া যায়। কিন্তু এখানে টাকা রাখলে সর্বনিম্ন ১১ শতাংশ মুনাফা পাওয়া যায়।

তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এবার সঞ্চয়পত্র বিক্রি বেড়েছে ৩ হাজার ৪১২ কোটি টাকা। শুধু এপ্রিল মাসে নিট সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে ৩ হাজার ৭৪১ কোটি টাকার। আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩ হাজার ৩৫৪ কোটি টাকা।

আলোচ্য সময়ে (জুলাই-এপ্রিল) আগের কেনা সঞ্চয়পত্রের মূল ও সুদ পরিশোধ বাবদ ব্যয় হয়েছে ৩৩ হাজার ৩৮ কোটি টাকা। সুদ বাবদ পরিশোধ করা হয় ২০ হাজার ৩৫৪ কোটি টাকা।

বাজেট ঘাটতি মেটাতে প্রতিবছরই সঞ্চয়পত্র থেকে ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা থাকে সরকারের। বিগত কয়েক বছর ধরে এ লক্ষ্যমাত্রা বেড়েই চলেছে। পাশাপাশি পরিচয়পত্র জমা দেওয়ার শর্তে সঞ্চয়পত্র বিক্রি করা শুরু হলেও তেমন কোনো ফলাফল দেখা যাচ্ছে না। তাই অর্থনীতিবিদরা বলছেন, উপযুক্ত মানুষ যাতে এখানে বিনিয়োগ করতে পারে সে জন্য আরও কঠোর হতে হবে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে।

আপনার মতামত লিখুন :

৫ ট্রেকহোল্ডারদের বিষয়ে জানতে চেয়েছে কমিশন

৫ ট্রেকহোল্ডারদের বিষয়ে জানতে চেয়েছে কমিশন
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

 

নিয়ম ভঙ্গকরা ৫ ট্রেকহোল্ডারদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। তা আগামী ৫ দিনের মধ্যে ডিএসইকে জানাতে বলেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বিএসইসির ৬৯৪ তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিএসইসির নির্বাহী পরিচারক সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ১৯৮৭ এর রুলস ৩(৪) ভঙ্গ করা ৫ সিকিউরিটিজ হাউজ হল- সিনহা সিকিউরিটিজ হাউজ, এমডি ফখরুল ইসলাম সিকিউরিটিজ হাউজ লিমিটেড, এ এন এফ ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড, কমার্স ব্যাংক সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট এবং পিএইচপি স্টকস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ লিমিটেড।

সংবাদ বিজ্ঞাপ্তিতে বলা হয়, ৩০ জুন ২০১৯ সমাপ্ত সময়ের নেট ক্যাপিটাল ব্যালেন্স রিপোর্ট স্টক এক্সচেঞ্জে দাখিল না করে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ১৯৮৭ এর রুলস ৩(৪) ভঙ্গ করেছে এই ৫ ট্রেকহোল্ডার।

সিকিউরিটিজ সংক্রান্ত বিধি ভঙ্গের জন্য সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ১৯৮৭ এর রুলস ৩(৫) অনুযায়ী উক্ত ট্রেকহোল্ডারদের বিরুদ্ধে ডিএসই কি ব্যবস্থা গ্রহন করেছে তা আগামী ৫ দিনের মধ্যে কমিশনকে জানাতে বলা হয়েছে।

 

 

এক এনআইডিতে একাধিক বিও বন্ধের সময়সীমা ২১ অক্টোবর

এক এনআইডিতে একাধিক বিও বন্ধের সময়সীমা ২১ অক্টোবর
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের লোগো

একই জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল নম্বর এবং ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে খোলা একাধিক বিও হিসাব বন্ধের সময়সীমা আগামী ২১ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বিএসইসির ৬৯৪তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিএসইসির নির্বাহী পরিচারক সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, একই জাতীয় পরিচয়পত্র, মোবাইল নম্বর এবং ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে খোলা বিভিন্ন বিও হিসাব বন্ধের জন্য ২০ জুন এক সার্কুলারের মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধানের নির্দেশ দেওয়া হয়। এই সার্কুলারের সময় ২১ জুলাই শেষ হয়েছে।

ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনের আবেদনের প্রেক্ষিতে এই সময়সীমা ২১ অক্টোর ২০১৯ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে কোন কোন সদস্য এখনও সংশ্লিষ্ট আদেশ পরিচালনে ব্যর্থ হয়েছে তা ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে জানাতে বলেছে বিএসইসি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র