Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

৪০ কোটি টাকার কর ফাঁকি

বাতিল হচ্ছে চেক পয়েন্ট সিস্টেমসের বন্ড লাইসেন্স

বাতিল হচ্ছে চেক পয়েন্ট সিস্টেমসের বন্ড লাইসেন্স
কর ফাঁকির অভিযোগের কারণ দর্শাতে পয়েন্ট সিস্টেমসকে শোকজ, ছবি: সংগৃহীত
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

চেক পয়েন্ট সিস্টেমসকে ২৪ জুনের মধ্যে জবাব দিতে হবে। সঠিক জবাব দিতে ব্যত্যয় হলে বন্ডেড সুবিধার অপব্যবহার করে ৪০ কোটি ২৭ লাখ টাকার কর ফাঁকির দায়ে লাইসেন্স বাতিল হতে পারে। কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট, ঢাকা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, বন্ডেড সুবিধায় আমদানিকৃত কোম্পানির কাঁচামাল কম পাওয়া এবং খোলা বাজারে পণ্য বিক্রি করে ৪০ কোটি ২৭ লাখ টাকার কর ফাঁকি দেওয়ার কারণ জানতে ২৯ এপ্রিল প্রথম দফায় তাদের শোকজ করা হয়। কোম্পানিকে ৯ মের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।

কিন্তু কোম্পানি কর্তৃপক্ষ তার জবাব দেয়নি। বরং ২৯মে কারণ দর্শানোর জবাব দিতে ২ মাস সময় দেওয়ার জন্য আবেদন করে কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট বরাবর।

তারা জানায়, ঈদ উপলক্ষে কোম্পানির কর্মকর্তাদের আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত ছুটি রয়েছে। এরপর কোম্পানিকে চলতি বছরের ২৪ জুন পর্যন্ত শুনানির জন্য সময় দেয়া হয়। চেক পয়েন্ট সিস্টেমস কর্তৃপক্ষ এদিন উপস্থিত হয়ে সঠিক জবাব দিতে না পারলে জরিমানার পাশাপাশি লাইসেন্স বাতিল করবে।

আরও পড়ুন: চেক পয়েন্ট সিস্টেমসের ৪০ কোটি কর ফাঁকি

নাম না প্রকাশের শর্তে এক কর্মকর্তা বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘কোম্পানি কর্তৃপক্ষ যদি দণ্ড ও জরিমানা দিয়ে দেয়, নতি স্বীকার করে তবে লাইসেন্স বাতিল নাও হতে পারে।'

চলতি বছরের ৭ এপ্রিল কোম্পানিটির বিরুদ্ধে ৪০ কোটি টাকার কর ফাঁকির মামলা করে কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট, ঢাকা। কোম্পানিটি নারায়ণগঞ্জের আদমজী ইপিজেডে অবস্থিত।

বিষয়টি বার্তা২৪.কমকে নিশ্চিত করেছেন সহকারী কমিশনার মো. আল আমিন। বৃহস্পতিবার (১৬ মে) তিনি বলেন, ‘আমদানিকৃত পণ্য অবৈধ অপসারণপূর্বক চোরাই পথে খোলাবাজারে বিক্রির অভিযোগে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলাসহ দাবিনামা জারি করা হয়েছে।’

কমিশনার আল আমিন বলেন, 'গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ২ মার্চ ঢাকা কাস্টমসের উপ-কমিশনার মোহাম্মদ নাজিউর রহমান মিয়ার নেতৃত্বে একটি প্রিভেন্টিভ দল প্রতিষ্ঠানটি সরেজমিন পরিদর্শন করেন।'

এ সময় কাস্টমস কর্মকর্তারা প্রতিষ্ঠান প্রতিনিধিগণের উপস্থিতিতে বন্ডেড ওয়্যারহাউজের কাঁচামালের মজুদ যাচাই করেন। পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানটির বন্ড রেজিস্টার, আমদানি-রফতানি তথ্য আড়াআড়ি যাচাই করা হয়।

পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে বন্ড সুবিধায় আমদানিকৃত কাঁচামালের মধ্যে সিগনালিং এপারেটাস ২ হাজার ৯৩ লাখ ৬৭৭ কেজি, পেপার ও পেপার বোর্ড ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৯৮ কেজি, থার্মাল ট্রান্সফার রিবন ১১ হাজার ৫৩৯ কেজি, স্ট্রিং ১ হাজার ৭২৫ কেজি, সেলফ এডহেসিভ পেপার ১৩ হাজার ১৫৭ কেজি, প্রিন্টিং ইনক ৪২ হাজার ৮৫ কেজি এবং রিবন ৫ হাজার ১৬৭ কেজি মজুদ কম পাওয়া যায়। ফলে কাঁচামাল-পণ্য অবৈধভাবে অপসারণপূর্বক খোলাবাজারে বিক্রি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সহকারী কমিশনার বলেন, ‘পণ্যের মোট শুল্কায়ন মূল্য ৯৮ কোটি ৯ লাখ ৭২ হাজার ৮১১ টাকা এবং ফাঁকিকৃতশুল্ক করের পরিমাণ ৪০ কোটি ২৭ লাখ ১৭ হাজার ৫৪২ টাকা। ফাঁকিকৃত শুল্ক কর আদায় ও দণ্ডমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে এ দফতর থেকে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গত ৮ মে দাবিনামা সম্বলিত কারণ দর্শানো নোটিশ জারি করা হয়েছে।'

আপনার মতামত লিখুন :

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না বিমা কোম্পানি

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না বিমা কোম্পানি
ছবি: সংগৃহীত

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না সাধারণ বিমা কোম্পানিগুলো।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির চেয়ারম্যান ও মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তরা বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের বৈঠকে (আইডিআরএ) অঙ্গীকার করেছেন।

আইডিআরএ চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান পাটোয়ারির সভাপতিত্বে বৈঠকে আইডিআরএ’র সদস্য, পরিচালক এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্সে অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট শেখ কবির হোসেনসহ কোম্পানির চেয়ারম্যান, এমডি এবং মুখ্য নির্বাহীরা ১৫ শতাংশের অধিক কমিশন বন্ধে দৃঢ় প্রত্যয় এবং কর্তপক্ষের সার্কুলারের সাথে পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন।

সভায় শেখ কবির হোসেন আইডিআরএ’র নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য বিমা কোম্পানিগুলোর চেয়ারম্যান ও নির্বাহীদের আন্তরিকতা প্রদর্শনে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘এখন থেকে কোনো নন-লাইফ বিমাকারী ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন প্রদান করে ব্যবসা করবে না।’

সভায় আইডিআরএ চেয়ারম্যান বলেন, ‘সকলের এ কার‌্যকর এবং সম্মিলিত উদ্যোগের ফলে বিমা শৃঙ্খলা ও সুষ্ঠুবাজার ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।’

অবৈধ কয়েল বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে মামলা, ২ জনের কারাদণ্ড

অবৈধ কয়েল বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে মামলা, ২ জনের কারাদণ্ড
জব্দকৃত মশার কয়েল, ছবি: সংগৃহীত

সনদ ছাড়াই অবৈধভাবে নিন্মমানের কয়েল বিক্রি করার অপরাধে দুই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই অপরাধে আনলু ব্যান্ডের মশার কয়েলের দুই কর্মকর্তাকে ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) রাজধানীর মিরপুরে অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ মামলা ও কারাদণ্ড দেয়। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএসটিআইয়ের আইন, ২০১৮ অমান্য করে ড্রাগন ব্রান্ডের মশার কয়েল বাজারজাত করায় মিরপুরের মেসার্স মীম এন্টারপ্রাইজের মালিক মোশারফ আলীর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়। এছাড়া একই অপরাধে আনলু ব্যান্ডের মশার কয়েল বিক্রি-বিতরণ করায় ম্যানেজার মো. আতিকুর রহমান (২৮) ও মাছুম আলম (৪৯) কে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে উভয় ব্যান্ডের ১৩০ কার্টুন মশার কয়েল জব্দ করা হয়। এ সময় লাইসেন্সবিহীন মশার কয়েল ক্রয় ও ব্যবহার হতে বিরত থাকার জন্য ক্রেতাসাধারণকে পরামর্শ প্রদান করা হয়। বিএসটিআই’র এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বেগম রাশিদা আক্তারের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র