Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

দিনে ১১শ’ কোটি টাকার লেনদেন মোবাইল ব্যাংকিংয়ে

দিনে ১১শ’ কোটি টাকার লেনদেন মোবাইল ব্যাংকিংয়ে
প্রতীকী
সেরাজুল ইসলাম সিরাজ
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

দৈনিক ১১শ’ ২০ কোটি টাকা লেনদেন হচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে। যা বিগত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৪০ কোটি টাকা বেশি বলে বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানিয়েছে।

চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস’র লেনদেন হিসাব করে এমন তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই মাসের ২১ কোটি ৪৭ লাখ লেনদেনে টাকার পরিমাণ ছিলো ৩৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। দিন প্রতি গড় লেনদেন হয়েছে ১১শ’ ২০ কোটি টাকা।

পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ওই মাসে মোট গ্রাহকের সংখ্যা ছিলো ৬ কোটি ৭৩ লাখ। যার মধ্যে ৩ কোটি ৩৪ লাখ সক্রিয় গ্রাহক। এ সময়ে এজেন্টের সংখ্যা ছিলো ৮ লাখ ৯৮ হাজার ৯৯৬ জন। অন্যদিকে জানুয়ারি মাসে ৩৭টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে দৈনিক গড়ে ৯৩ কোটি ১৮ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে। ই-কর্মাসের পরিমাণ পরিমাণ ছিলো সাড়ে ৪ কোটি টাকা। এই সেবার মাধ্যমে রেমিট্যান্স দেওয়া হয়েছে ১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা।

তবে একই বছরের মার্চে এসে এজেন্ট ও লেনেদেন বাড়লেও কমে গেছে সক্রিয় গ্রাহক। মার্চে এজেন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ লাখ ১৯ হাজার ১৯১। আর ওই মাসে সক্রিয় গ্রাহক পাওয়া গেছে ৩ কোটি ২৩ লাখ ৫৮ হাজার। যার মাধ্যমে মোট লেনদেন হয়েছে ৩৪ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। এ সময়ে দৈনিক গড়ে ৬৭ লাখ ৪৪ হাজার লেনদেন হয়েছে বলে জানা গেছে।

কোন অ্যাকাউন্ট থেকে টানা তিন মাস লেনদেন না হলে নিষ্ক্রিয় অ্যাকাউন্ট হিসেবে বিবেচিত হয়। হিসাব খোলা, পরিচালনা ও লেনদেনে আরও বেশি কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। এখন একজন ব্যক্তি একটি সিম দিয়ে যেকোন মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় একটি মাত্র হিসাব চালু রাখতে পারবেন।

একজন গ্রাহক তার মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসে (এমএফএস) সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকার স্থিতি রাখতে পারবেন। এর আগে এই বিধিনিষেধ ছিল না। কোনো হিসাব থেকে ৫ হাজার বা তদুর্ধ্ব নগদ অর্থ জমা বা উত্তোলনে গ্রাহকের পরিচয়পত্র বা স্মার্টকার্ডের ফটোকপি প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যা এজেন্ট তার রেজিস্ট্রারে লিপিবদ্ধ করবেন। রেজিস্ট্রারে গ্রাহকের স্বাক্ষর বা টিপসই সংরক্ষণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কোন এজেন্ট এই ধরনের কার্যাদি যথাযথভাবে সম্পন্ন না করলে বা গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে এজেন্টশিপ বাতিল করারও নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশে বর্তমানে ১৬টি প্রতিষ্ঠানের মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের অনুমোদন রয়েছে। এক সময় মোবাইল ব্যাংকিংকে খুবই গুরুত্ব দেওয়া হলেও এখন ক্যাশলেস সোসাইটিকে বেশ কার্যকরী মনে করা হচ্ছে। কিন্তু বাংলাদেশে এই সেবা খুব একটা জনপ্রিয় হচ্ছে না। ধীরে ধীরে উন্নতি করলেও এর হার অনেক কম।

বর্তমানে শহরাঞ্চলে এটিএম সেবার পরিধি বাড়লেও উপজেলা ও গ্রামীণ হাটবাজারে সেভাবে বিস্তৃতি লাভ করেনি। আবার শহরেও গ্রাহকরাও এটিএম দিয়ে টাকা তুলে খরচ করতেই বেশি পছন্দ করছেন। কিন্তু প্রতিবেশী দেশ ভারত ও চীন ক্যাশলেস সোসাইটিতে অনেক দূর এগিয়ে রয়েছে। তাদের নাগরিকরা গাড়ির ভাড়াও কার্ডের মাধ্যমে পরিশোধে অভ্যস্থ হয়ে উঠছে।

আপনার মতামত লিখুন :

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না বিমা কোম্পানি

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না বিমা কোম্পানি
ছবি: সংগৃহীত

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না সাধারণ বিমা কোম্পানিগুলো।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির চেয়ারম্যান ও মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তরা বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের বৈঠকে (আইডিআরএ) অঙ্গীকার করেছেন।

আইডিআরএ চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান পাটোয়ারির সভাপতিত্বে বৈঠকে আইডিআরএ’র সদস্য, পরিচালক এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্সে অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট শেখ কবির হোসেনসহ কোম্পানির চেয়ারম্যান, এমডি এবং মুখ্য নির্বাহীরা ১৫ শতাংশের অধিক কমিশন বন্ধে দৃঢ় প্রত্যয় এবং কর্তপক্ষের সার্কুলারের সাথে পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন।

সভায় শেখ কবির হোসেন আইডিআরএ’র নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য বিমা কোম্পানিগুলোর চেয়ারম্যান ও নির্বাহীদের আন্তরিকতা প্রদর্শনে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘এখন থেকে কোনো নন-লাইফ বিমাকারী ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন প্রদান করে ব্যবসা করবে না।’

সভায় আইডিআরএ চেয়ারম্যান বলেন, ‘সকলের এ কার‌্যকর এবং সম্মিলিত উদ্যোগের ফলে বিমা শৃঙ্খলা ও সুষ্ঠুবাজার ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।’

অবৈধ কয়েল বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে মামলা, ২ জনের কারাদণ্ড

অবৈধ কয়েল বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে মামলা, ২ জনের কারাদণ্ড
জব্দকৃত মশার কয়েল, ছবি: সংগৃহীত

সনদ ছাড়াই অবৈধভাবে নিন্মমানের কয়েল বিক্রি করার অপরাধে দুই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই অপরাধে আনলু ব্যান্ডের মশার কয়েলের দুই কর্মকর্তাকে ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) রাজধানীর মিরপুরে অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ মামলা ও কারাদণ্ড দেয়। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএসটিআইয়ের আইন, ২০১৮ অমান্য করে ড্রাগন ব্রান্ডের মশার কয়েল বাজারজাত করায় মিরপুরের মেসার্স মীম এন্টারপ্রাইজের মালিক মোশারফ আলীর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়। এছাড়া একই অপরাধে আনলু ব্যান্ডের মশার কয়েল বিক্রি-বিতরণ করায় ম্যানেজার মো. আতিকুর রহমান (২৮) ও মাছুম আলম (৪৯) কে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে উভয় ব্যান্ডের ১৩০ কার্টুন মশার কয়েল জব্দ করা হয়। এ সময় লাইসেন্সবিহীন মশার কয়েল ক্রয় ও ব্যবহার হতে বিরত থাকার জন্য ক্রেতাসাধারণকে পরামর্শ প্রদান করা হয়। বিএসটিআই’র এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বেগম রাশিদা আক্তারের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র