Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

প্রস্তাবিত বাজেট ব্যবসা সহায়ক: এফবিসিসিআই

প্রস্তাবিত বাজেট ব্যবসা সহায়ক: এফবিসিসিআই
বাজেটের প্রতিক্রিয়ায় এফবিসিসিআইয়ের সংবাদ সম্মেলন/ ছবি: বার্তা২৪.কম
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট জনমুখী ও ব্যবসা সহায়ক বলে জানিয়েছেন এফবিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট শেখ ফজলে ফাহিম।

শনিবার (১৫ জুন) এফবিসিসিআইয়ের সম্মেলন কক্ষে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় এফবিসিসিআইয়ের সহ-সভাপতি ও তৈরি পোশাক খাত মালিকদের সংগঠনের সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমানসহ ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, ‘২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। ন্যাশনাল ভিশন, ষষ্ঠ ও সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার ধারাবাহিকতায় প্রণীত এ বাজেটে জাতীয় প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৮ দশমিক ২ শতাংশ। এফবিসিসিআইর মতে এ বাজেট ব্যবসাবান্ধব এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে।’

এ ধরনের একটি জনমুখী ও ব্যবসা সহায়ক বাজেট দেয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, অর্থমন্ত্রী এবং বাজেট প্রণয়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

ফাহিম বলেন, ‘বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী, অবকাঠামো, অর্থ-সামাজিক, দারিদ্র্য বিমোচন, মানবসম্পদ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি খাতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ায় এ বাজেট যুগোপযোগী।’

‘সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় বীর মুক্তিযোদ্ধা, বয়স্ক ব্যক্তি, বিধবা ও স্বামীনিগৃহীতা নারী, অসচ্ছল প্রতিবন্ধী, বেদে ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠী, চা শ্রমিকসহ সব উপকারভোগীর সংখ্যা ও আর্থিক সুবিধা বৃদ্ধি করা মানবিক পদক্ষেপ। এ ছাড়াও যুবকদের মধ্যে ব্যবসা উদ্যোগ সৃষ্টির জন্য ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়ক হবে। মানসম্পন্ন কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা সম্প্রসারণের উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাচ্ছি বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান শেখ ফজলে ফাহিম।

এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ অন্যান্য অবকাঠামো উন্নয়নের বিষয়ে বাজেটে যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে তা বিনিয়োগ,শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থান প্রক্রিয়াকে গতিশীল করবে। এ সব অবকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) আরও ভূমিকা রাখবে।’

বাজেটের ঘাটতি অর্থায়নে বিষয়ে তিনি বলেন, ‘নতুন বাজেটে ঘাটতি পূরণে ব্যাংকখাতের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে বৈদেশিক উৎস, ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফান্ড, ইনফ্রাস্ট্রাকচার বন্ড ও অন্যান্য ফিনান্সিয়াল টুলসের ওপর জোর দেয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাজেটে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড নিয়ন্ত্রিত রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ লাখ ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। যা চলতি বছরের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ১৬ দশমিক ২৮ শতাংশ এফবিসিসিআই এর মূল্যায়ন, সিম্পিল, ট্রান্সপারেন্ট,প্রেডিক্টেবল ও কনসিস্টেন নীতিমালায় হয়রানিমুক্ত রাজস্ব আহরণ ব্যবস্থাপনা এবং সঠিক অটোমেশনের মাধ্যমে এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।’

আপনার মতামত লিখুন :

ডিএসইতে প্রধান সূচক কমেছে ৬৭ পয়েন্ট, সিএসইতে ১১৫

ডিএসইতে প্রধান সূচক কমেছে ৬৭ পয়েন্ট, সিএসইতে ১১৫
ছবি: সংগৃহীত

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (২২ জুলাই) সূচকের পতন প্রবণতায় শেষ হয়েছে লেনদেন কার্যক্রম। এদিন ডিএসইতে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৬৭ পয়েন্ট এবং সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স কমেছে ১১৫ পয়েন্ট।

ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪৬৪ কোটি ১৮ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৩৬৮ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। আর সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২১ কোটি ১৭ লাখ টাকা। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ১৭ কোটি ১০ লাখ শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

ডিএসই ও সিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক বাড়ে। লেনদেনের শুরু হয় সকাল সাড়ে ১০টায়, শুরুতেই সূচক কমে যায়। প্রথম ৫ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক বাড়ে ১৯ পয়েন্ট। সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে সূচক বাড়ে ৯ পয়েন্ট। এরপর থেকে সূচক একটানা কমতে থাকে। সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে সূচক নেতিবাচক হতে থাকে। এ সময়ে সূচক কমে ৬ পয়েন্ট। সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক ২৪ পয়েন্ট কমে যায়। সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে সূচক ৪০ পয়েন্ট কমে যায়।

বেলা ১১টায় সূচক কমে ৫৮ পয়েন্ট এবং বেলা সোয়া ১১টায় ডিএসইএক্স ৯২ পয়েন্ট কমে। দুপুর ১২টায় সূচক ৬৯ পয়েন্ট, দুপুর ১টায় সূচক ৭৭ পয়েন্ট, দুপুর ২টায় সূচক ৮১ পয়েন্ট কমে এবং দুপুর আড়াইটায় লেনদেন শেষে ডিএসইএক্স সূচক ৬৭ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৯৬৬ পয়েন্টে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ২৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ৭৭৬ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১৮ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ১৩৯ পয়েন্টে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪৬৪ কোটি ১৮ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড।

লেনদেন শেষে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ৬০টির, কমেছে ২৭৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৬টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

দাম বৃদ্ধির ভিত্তিতে ডিএসই’র শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে- ফরচুন সু, স্কয়ার ফার্মা, ইউনাইটেড পাওয়ার, ফেডারেল ইন্স্যুরেন্স, সি পার্ল বিচ অ্যান্ড রিসোর্ট, সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ, মুন্নু সিরামিকস, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স, গ্রামীণ ফোন এবং ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো লিমিটেড।

সিএসই

অন্যদিকে, লেনদেন শেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক (সিএসইএক্স) ১১৫ পয়েন্ট কমে ৯ হাজার ২৫৭ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ১১২ পয়েন্ট কমে ১৩ হাজার ৫৮৭ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ২০০ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ২১৫ পয়েন্টে অবস্থান করে।

লেনদেন শেষে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২১ কোটি ১৭ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

এদিন দাম বাড়ার ভিত্তিতের সিএসইর শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- পিএফ ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, এইএমএল আইবিবিএল ফার্স্ট সভরেন ফান্ড, আইসিবি সোনালী ফার্স্ট, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, মুন্নু সিরামিকস, কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স, ইন্ট্রাকো, জিকিউ বলপেন, তুংহাই নিটিং এবং জিএসপি ফাইন্যান্স।

ঈদে বিকাশে কেনাকাটায় ২০% ক্যাশব্যাক

ঈদে বিকাশে কেনাকাটায় ২০% ক্যাশব্যাক
বিকাশ, ছবি: সংগৃহীত

প্রতিবারের মত এবারও ঈদের উৎসবকে আরো রাঙিয়ে দিতে প্রায় সব ধরনের কেনাকাটায় গ্রাহকদের জন্য ২০ শতাংশ পর্যন্ত ক্যাশব্যাক অফার নিয়ে এসেছে দেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশ। লাইফস্টাইল অনুষঙ্গ, ই-কর্মাস, সুপার স্টোর, ছোট ছোট মার্চেন্ট পয়েন্ট, রেস্টুরেন্ট ক্যাফেতেই শুধু নয়, ঈদযাত্রাকে আরো আনন্দময় করতে এবারই প্রথম বাস, ট্রেন, লঞ্চের টিকেটেও ক্যাশব্যাক দিচ্ছে বিকাশ।

১৮ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই অফারগুলো চলবে ১২ আগস্ট পর্যন্ত, রেস্টুরেন্ট ও ক্যাফের ক্ষেত্রে ১৮ আগস্ট পর্যন্ত। অ্যাপ এবং পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে পেমেন্ট করেই ক্যাশব্যাক অফার নেয়া যাবে।

লাইফস্টাইল ও ই-কর্মাস:

ঈদকে সামনে রেখে ৭০০টি’র বেশি ব্র্যান্ডের ৩ হাজার ৮০০ টির বেশি আউটলেটে ২০ শতাংশ পর্যন্ত এই ক্যাশব্যাক সুবিধা মিলছে । পোশাক, অন্যান্য অনুষঙ্গ, ইলেকট্রনিক্স পণ্যের আউটলেট রয়েছে এই তালিকায়। দারাজ, অথবা, রবিশপ, রকমারি, সেবা, বাগডুম, বইবাজার, ইভ্যালি, প্রিয়শপসহ জনপ্রিয়  ইকর্মাস সাইটগুলো রয়েছে এই ক্যাশব্যাক অফারের তালিকায়।

লাইফস্টাইল ক্যাটাগরিতে একজন ক্রেতা একদিনে সর্বোচ্চ ৫০০ এবং ই কর্মাসের ক্ষেত্রে একদিনে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা এবং অফার চলাকালীন দুই ক্যাটাগরি মিলিয়ে সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা ক্যাশব্যাক এর সুবিধা পেতে পারেন।

বড় দোকান ও ব্র্যান্ড এর পাশাপাশি সারা দেশে ৬ হাজারের বেশি ছোট ছোট মার্চেন্ট পয়েন্টের জন্য ক্যাশব্যাক অফার দিচ্ছে বিকাশ। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য থেকে শুরু করে লাইফস্টাইল অনুষঙ্গসহ নানান পণ্যের বিক্রেতারা আছেন এই তালিকায়। ২৭ জুলাই থেকে ১২ আগস্ট এসব মার্চেন্ট পয়েন্টে এক হাজার টাকা বিকাশ পেমেন্টে একদিনে মিলবে ৫০ টাকা ক্যাশব্যাক। অফার চলাকালীন একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ ২০০টাকা ক্যাশব্যাক নিতে পারবেন এই ক্যাটাগরিতে।

সুপারশপ:

কোরবানির এই ঈদকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনেও গ্রাহক পেতে পারেন বিকাশের ক্যাশব্যাক। স্বপ্ন, ডেইলি শপিং, অ্যাগোরা, মীনা বাজার, ডেইলি সুপার স্টোর, প্রিন্স বাজার, ওয়ানস্টপ সুপার শপ, কৃষিবিদ বাজার, আমানা বিগ বাজার, ট্রাস্ট ফ্যামিলি নিড শপ, নন্দন মেগা শপ এবং এমআর এন্টারপ্রাইজে  এক হাজার টাকা বিকাশ পেমেন্টে একদিনে ১০০ টাকা ক্যাশব্যাক পাওয়া যাবে। অফার চলাকালীন একজন ক্রেতা এই ক্যাটাগরিতে সর্বোচ্চ ৩০০টাকা ক্যাশব্যাক নিতে পারবেন।

রেস্টুরেন্ট ও ক্যাফে:

১৮ জুলাই থেকে ১৮ আগস্ট  বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট-এ বিকাশ ক্যাশব্যাক অফারের আওতায় একদিনে সর্বোচ্চ ৩৫০ এবং ক্যাম্পেইন চলাকালীন সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা ক্যাশব্যাক এর সুযোগ নিতে পারছেন একজন গ্রাহক।

টিকিট কেনা:

প্রথমবারের মত লঞ্চ, বাস ও ট্রেনের টিকিটে ৫ শতাংশ ক্যাশব্যাক দিচ্ছে বিকাশ। ১৮ জুলাই থেকে ১৮ আগস্ট অ্যাপ অথবা পেমেন্ট গেটওয়ে থেকে টিকেট কেটে একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ ৫০টাকা ক্যাশব্যাক পেতে পারেন।

বিকাশ অ্যাপে পেমেন্ট করতে অ্যাপের হোম স্ক্রিন থেকে মেক পেমেন্ট নির্বাচন করে মার্চেন্ট এর নম্বর দিয়ে পেমেন্ট করা যাবে অথবা খুব সহজে ছজ কোড স্ক্যান করে পেমেন্ট করা যাবে।

এই অফারের আওতাভুক্ত ব্র্যান্ড এবং আউটলেটের বিস্তারিত তালিকা পাওয়া যাবে: www.bkash.com/payment এবং Facebook page:  www.facebook.com/bkashlimited।

ব্র্যাক ব্যাংক, যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক মানি ইন মোশন, বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপের অর্ন্তগত ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স কর্পোরেশন, বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন এবং অ্যান্ট ফিনান্সিয়াল এর যৌথ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বিকাশ, ২০১১ সাল থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়ন্ত্রিত পেমেন্ট সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিভিন্ন ধরনের মোবাইল/ডিজিটাল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস দিয়ে আসছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র