Barta24

বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৯ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বাজেট ২০১৯-২০

আঞ্চলিক বরাদ্দ না থাকায় আশাহত খুলনাবাসী

আঞ্চলিক বরাদ্দ না থাকায় আশাহত খুলনাবাসী
খুলনা মহানগরী, ছবি: বার্তা২৪
মানজারুল ইসলাম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
খুলনা


  • Font increase
  • Font Decrease

২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য ‘সমৃদ্ধ আগামীর পথযাত্রায় বাংলাদেশ: সময় এখন আমাদের, সময় এখন বাংলাদেশের’ শীর্ষক ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করেছে সরকার। এতে বেকারত্ব দূরীকরণ, সামাজিক নিরাপত্তা, আমদানি ও রপ্তানিকারকদের সুবিধা ছাড়া নানা বিষয় ভালোভাবেই দেখছেন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ। তবে আঞ্চলিক বরাদ্দ না থাকায় হতাশা ব্যক্ত করেছেন দক্ষিণাঞ্চল বিশেষ করে খুলনার মানুষ।

পাশাপাশি সুন্দরবন রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি রুখতে উপকূলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে থোক বরাদ্দের দাবি খুলনাবাসীর।

আর পদ্মা সেতুকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ক্রমবর্ধমান ব্যবসা বাণিজ্যের উন্নয়ন, হযরত খানজাহান আলী বিমানবন্দর নির্মাণে অর্থ বরাদ্দ, মংলা বন্দরের আধুনিকায়নসহ সর্বনিম্ন আয়কর বৃদ্ধির দাবি স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের।

Khulna City

বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির মহাসচিব আশরাফ উজ জামান বার্তা২৪.কমকে বলেন, খুলনার জন্য আঞ্চলিক বরাদ্দ না থাকায় হতাশ আমরা। বাজেটে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল বরাবরই বঞ্চিত। প্রস্তাবিত বাজেটে খুলনাসহ এ অঞ্চলের জন্য কোনো চমক নেই। শিল্পাঞ্চলখ্যাত খুলনার পাটকলের অস্থিরতা দূরীকরণে বিশেষ পদক্ষেপ এবং এ অঞ্চলের পর্যটন কেন্দ্রের উন্নয়নে আমরা জেলা বাজেটের দাবি জানিয়ে আসলেও তা কার্যকর হয়নি কখনো।

বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন আন্দোলনের চেয়ারম্যান শেখ মো. নাসির উদ্দিন বার্তা২৪.কমকে বলেন, ঘোষিত এ বাজেট উচ্চ বিলাসী। এ বাজেট দুর্নীতিবাজদের সাহায্য করবে, অপরদিকে বাজেটের ঘাটতি জনগণের উপরে পড়বে। এ যেন মরার উপরে খড়ার ঘা! গরিব মারার বাজেট দিয়ে দেশ ও জাতির উন্নয়ন হবে না। বাজেটে খুলনাঞ্চলের উন্নয়নে বিশেষ বরাদ্দের দাবি জানাই।

এদিকে বনাঞ্চল রক্ষায় বাজেটে কোনো বরাদ্দ না থাকায় সুন্দরবন ও উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়নকর্মীরাও হতাশা প্রকাশ করেছেন। সুন্দরবন রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি রক্ষায় উপকূলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে থোক বরাদ্দের দাবি উঠেছে।

Khulna City

উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়ন সংস্থা রূপান্তরের নির্বাহী পরিচালক স্বপন গুহ বার্তা২৪.কমকে বলেন, সুন্দরবন রক্ষা ও সুন্দরবন কেন্দ্রিক জীবিকা নির্বাহ করা মানুষের জন্য বাজেটে কোনো বরাদ্দ নেই। সুন্দরবন রক্ষার জন্য বন বিভাগের পক্ষ থেকে বরাদ্দের দাবি জানালেও তা বাজেটে আনা হয়নি। এছাড়া উপকূলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে তেমন কোনো চমক নেই। এসব এলাকার মানুষের জন্য ‘ওয়াটার ফর অল’ কার্যক্রমেও কোনো বরাদ্দ নেই। আমরা আশা করছি, সংশোধিত বাজেটে সুন্দরবন রক্ষা ও উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়নের বিশেষ বরাদ্দের ব্যবস্থা করা হবে।

খুলনার ব্যবসায়ী নেতা সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রস্তাবিত বাজেট ব্যবসাবান্ধব ও উন্নয়নমুখী। ব্যবসার পরিধি সম্প্রসারণ ও অর্থনীতির উন্নয়নে এ বাজেট হবে মডেল। যুবক শ্রেণীর উন্নয়নে এ বাজেট কার্যকর ভূমিকা রাখবে। তবে অগ্রযাত্রার সাথে তাল মিলিয়ে এ বাজেটে আরো কিছু সংযোজন করলে ভালো হতো। ব্যবসায়ীসহ সব শ্রেণীর মানুষের আয়করের সর্বনিম্ন সীমা আড়াই থেকে সাড়ে তিন লাখ করার দাবি জানাই।

আপনার মতামত লিখুন :

পুঁজিবাজারে আবারো পতন

পুঁজিবাজারে আবারো পতন
ছবি: প্রতীকী

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার (২৪ জুলাই) সূচক কমে লেনদেন চলছে। তবে গত কার্যদিবসে উভয় পুঁজিবাজারে সূচকে বড় উত্থান হয়। এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত ডিএসই’র প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৫ পয়েন্ট এবং সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স কমেছে ১১ পয়েন্ট।

এছাড়াও একই সময়ে ডিএসইতে মোট ৫৬ কোটি ২৭ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে এবং সিএসইতে এক কোটি ৭৩ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে।

ডিএসই ও সিএসই’র ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক কমে। লেনদেনের শুরু হয় সকাল সাড়ে ১০টায়, শুরুতেই সূচক কমে যায়। প্রথম ৫ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক কমে ৫ পয়েন্ট। ১০টা ৪০ মিনিটে সূচক কমে ৯ পয়েন্ট। ১০টা ৪৫ মিনিটে সূচক কমে ২২ পয়েন্ট। ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক ২৫ পয়েন্ট কমে যায়। এরপর থেকে সূচক কমার প্রবণতা কমতে থাকে। ১০টা ৫৫ মিনিটে সূচক ৯ পয়েন্ট কমে যায়। আর বেলা ১১টায় সূচক মাত্র ৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৭২ পয়েন্টে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করেছে এক হাজার ৮১২ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহসূচক ৪ পয়েন্ট কমে অবস্থান করেছে এক হাজার ১৬০ পয়েন্টে।

এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫৬ কোটি ২৭ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের। একই সময়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১১৭টির, কমেছে ১৬২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৪০টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত ডিএসইতে দাম বৃদ্ধি পাওয়া শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে- সিএপিএম আইবিবিএল মিউচ্যুয়াল ফান্ড, এটিসিএসএলজিএফ, সি পার্ল বিচ অ্যান্ড রিসোর্ট, ফরচুন সু, মুন্নু সিরামিকস, পিএফ ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, এনএলআই ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ, রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স এবং ফাস ফাইন্যান্স।

সিএসই

অন্যদিকে, একই সময়ে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক (সিএসইএক্স) ১১ পয়েন্ট কমে ৯ হাজার ৪২২ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ২৪ পয়েন্ট কমে ১৩ হাজার ৭৪৯ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ২০ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৪৯৩ পয়েন্টে অবস্থান করে।

এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১ কোটি ৭৩ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের।

একই সময়ে দাম বাড়ার ভিত্তিতে সিএসই’র শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- পিএফ ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, সিএপিএম বিডিবিএল মিউচ্যুয়াল ফান্ড, প্রাইম ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, এইএমএল আইবিবিএল সভরেন ফান্ড, স্কয়ার টেক্সটাইল, এসইএমএলএলইসিএমএফ, ব্যাংক এশিয়া, এনএলআই ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, সামিট পাওয়ার এবং ফারইস্ট নিটিং।

৫ ট্রেকহোল্ডারদের বিষয়ে জানতে চেয়েছে কমিশন

৫ ট্রেকহোল্ডারদের বিষয়ে জানতে চেয়েছে কমিশন
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

 

নিয়ম ভঙ্গকরা ৫ ট্রেকহোল্ডারদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। তা আগামী ৫ দিনের মধ্যে ডিএসইকে জানাতে বলেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) বিএসইসির ৬৯৪ তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিএসইসির নির্বাহী পরিচারক সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ১৯৮৭ এর রুলস ৩(৪) ভঙ্গ করা ৫ সিকিউরিটিজ হাউজ হল- সিনহা সিকিউরিটিজ হাউজ, এমডি ফখরুল ইসলাম সিকিউরিটিজ হাউজ লিমিটেড, এ এন এফ ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড, কমার্স ব্যাংক সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট এবং পিএইচপি স্টকস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ লিমিটেড।

সংবাদ বিজ্ঞাপ্তিতে বলা হয়, ৩০ জুন ২০১৯ সমাপ্ত সময়ের নেট ক্যাপিটাল ব্যালেন্স রিপোর্ট স্টক এক্সচেঞ্জে দাখিল না করে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ১৯৮৭ এর রুলস ৩(৪) ভঙ্গ করেছে এই ৫ ট্রেকহোল্ডার।

সিকিউরিটিজ সংক্রান্ত বিধি ভঙ্গের জন্য সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস, ১৯৮৭ এর রুলস ৩(৫) অনুযায়ী উক্ত ট্রেকহোল্ডারদের বিরুদ্ধে ডিএসই কি ব্যবস্থা গ্রহন করেছে তা আগামী ৫ দিনের মধ্যে কমিশনকে জানাতে বলা হয়েছে।

 

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র