Barta24

বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৯ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বাজেট প্রতিক্রিয়ায় বিসিআই’র নতুন প্রস্তাব

বাজেট প্রতিক্রিয়ায় বিসিআই’র নতুন প্রস্তাব
ছবি: সংগৃহীত
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

নতুন অর্থবছর ২০১৯-২০ এর প্রস্তাবিত বাজেটের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রি (বিসিআই)। শুক্রবার (১৪ জুন) বিসিআই’র পক্ষ থেকে সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই বাজেট প্রতিক্রিয়ার কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বিসিআইর সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী (পারভেজ) বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে দেশের তরুণ উদ্যোক্তাদের উন্নয়নের জন্য ১০০ কোটি টাকার বিশেষ তহবিলের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রতিবন্ধীদের সুরক্ষার জন্য কোনো প্রতিষ্ঠান ১০% প্রতিবন্ধী শ্রমিক নিয়োগ প্রদান করতে ৫ শতাংশ কর রেয়াতের প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া দক্ষতা উন্নয়নের জন্য জাতীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন তহবিল গঠন করায় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালকে আমরা আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, ‘এবারের অর্থবছর থেকে মূসক ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ বাস্তবায়িত হতে চলেছে। মূসক মুক্ত টার্নওভারের সীমা ৫০ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। টার্নওভার করের ঊর্ধ্বসীমা ৮০ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। বিপুল সংখ্যক আইটেম মূসকের আওতা মুক্ত রাখা হয়েছে। এ জন্য আমরা সরকারকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি ‘

বিসিআইর সভাপতি বলেন, তবে মূসক ব্যবস্থায় ভোক্তা ও দেশের ৮৫ ভাগ ক্ষুদ্র মাঝারি পণ্য এবং সেবা খাতে নিয়োজিত ব্যবসায়ীদের স্বার্থ ও সামর্থ্য অনুযায়ী একটি ভোক্তা ও ব্যবসা-বান্ধব মূসক ব্যবস্থা বলবৎ করার জন্য আমাদের লিখিত প্রস্তাবগুলো পুনরায় বিবেচনার অনুরোধ জানাচ্ছি।

প্রস্তাব গুলো হলো

টার্নওভারের ঊর্ধ্বসীমা ৫ কোটি নির্ধারণ করে করের হার প্রস্তাবিত ৪ শতাংশ থেকে ৩ শতাংশে নামিয়ে আনা।

পণ্য ও সেবা খাতে উপকরণ রেয়াত গ্রহণ করা না গেলে শিল্প ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ ভ্যাট ধার্য করা।

২০১৮-২০১৯ বাজেটে বিদ্যমান সকল অব্যাহতি খাতকে প্রদত্ত অব্যাহতি অব্যাহত রাখা।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিআই’র সভাপতি আরও বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে করপোরেট এবং ব্যক্তি পর্যায়ের কর হার অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। দেশের বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার জন্য কর্পোরেট কর হার হ্রাস করা প্রয়োজন। দেশের উত্তরাঞ্চলসহ প্রত্যন্ত ও অনুন্নত অঞ্চলে বিনিয়োগ ও শিল্পায়ন উৎসাহিত করে কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য বিশেষ রেয়াতি কর সুবিধা প্রদানের জন্য পুনরায় অনুরোধ করছি। তবে ব্যাংকিং খাতের সমস্যা, বিনিয়োগের স্থবিরতা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি না হওয়া, স্বল্পোন্নত দেশ হতে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের প্রস্তুতি, বাজেট ঘাটতি এসব বড় বড় চ্যালেঞ্জের জন্য সুনির্দিষ্ট সংস্কার কর্মসূচি প্রয়োজন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

দেশের প্রথম অনলাইন ইন্সুরেন্স পলিসি ‘নিরাপদ’

দেশের প্রথম অনলাইন ইন্সুরেন্স পলিসি ‘নিরাপদ’
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

ইন্সুরেন্স পলিসি সেবা অনলাইনে দেওয়া এবং এর গতি আরো দ্রুত করার জন্য দেশের অন্যতম নিটল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড চালু করেছে ‘নিরাপদ’। এই ইন্সুরেন্স পলিসির মাধ্যমে নিরাপদ হবে দেশের একমাত্র পরিপূর্ণ প্রাইভেট কার ইন্সুরেন্স পলিসি।

তাছাড়া, একটি গাড়ি নিজস্ব ক্ষতি, তৃতীয় পক্ষের শারীরিক ক্ষতি মৃত্যু এবং সম্পদের প্রতি ব্যক্তিগত দুর্ঘটনায় দায়বদ্ধতা সহ গাড়ির ট্র্যাকারও কভার করবে এটি। এছাড়াও এই পলিসি প্রাকৃতিক দুর্যোগে কভারেজ অন্যান্য বিবিধ বিষয়ে সহায়তা প্রদান করবে।

বুধবার (২৪ জুলাই) ঢাকা ক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ইন্সুরান্স পলিসি ঘোষণা দেয় নিটল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড।

নিটল ইন্স্যুরেন্স চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট এ কে এম মনিরুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইন্স্যুরেন্স ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রেগুলেটরি অথরিটির চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান পাটোয়ারী। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট শেখ কবির হোসেন ও নিটল নিলয় গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রেসিডেন্ট আব্দুল মাটলুব আহ্মদ।

Nirapod

মনিরুল হক বলেন, আমাদের গ্রাহকদের জন্য এই ইন্সুরান্স পলিসি শুরু করতে পেরে আমরা খুবই আনন্দিত। আমরা বিশ্বাস করি যে, এটা দেশে প্রাইভেট কার ইন্সুরেন্সের ক্ষেত্রে বিপ্লব নিয়ে আসবে এটি।

শেখ কবির হোসেন বলেন, নিটল ইন্স্যুরেন্স নতুন নতুন কার্যকরি বিমা নিতে উন্নয়নে অগ্রণী হয়ে উঠেছে। ‘নিরাপদ’ -এর মত নীতিগুলো সামগ্রিক বিমা শিল্পের মান বাড়াতে সাহায্য করবে বলে আমরা আশাবাদী।

আবদুল মাতলুব আহমাদ বলেন, নিটল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি তার গ্রাহকদের কাছে নতুন মাত্রার ইন্সুরেন্স পলিসি নেওয়ার জন্য বিগত দুই দশক ধরে অবিরত কাজ করে চলেছে। সেই প্রক্রিয়ার সফল আত্মপ্রকাশ হল ‘নিরাপদ’।

বিমা প্রতি গ্রাহকদের আস্থার সংকট রয়েছে উল্লেখ করে শফিকুর রহমান পাটোয়ারী বলেন, ইন্স্যুরেন্স ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রেগুলেটরি অথরিটি একটি অভিযোগ সেল গঠন করে প্রায় সাত হাজার কোটি টাকার বিমা দাবি নিষ্পত্তি করেছে। এই কাজ যদি অব্যাহত রাখতে পারি তাহলে গ্রাহকদের আস্থা ফিরিয়ে নিয়ে আসতে পারব। এছাড়া জাতীয় অর্থনীতিতে ডাইভারসিফিকেশনের জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রোডাক্ট তৈরি করতে হবে, যার মধ্যে থাকতে পারে প্রবাসীদের বিমা, শিক্ষা বিমাসহ নানা ধরনের স্কিম।

নতুন এ বিমার সেবা গ্রহণ করতে একজন গ্রাহককে গুগল প্লেস্টোর থেকে ‘নিরাপদ‘ অ্যাপ নামিয়ে নিতে হবে। এরপর সেখানে দেখানো পদক্ষেপগুলো ধারাবাহিকভাবে গ্রহণ করলে একজন গ্রাহক সহজে একটি বিমার মালিক হতে পারবেন। নিরাপদ বিমার উল্লেখযোগ্য একটি ফিচার হচ্ছে- এ বিমার প্রিমিয়াম কিস্তির মাধ্যমে একজন গ্রাহক পরিশোধ করতে পারবেন।

দারিদ্র্য নিরসনে ইইউ‘র ১৪২ মিলিয়ন ইউরো অনুদান

দারিদ্র্য নিরসনে ইইউ‘র ১৪২ মিলিয়ন ইউরো অনুদান
ইআরডি-ইইউ ১৪২ মিলিয়ন ইউরোর অনুদান চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বাংলাদেশে আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার করতে ১৪২ মিলিয়ন ইউরো অনুদান দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। এই অনুদানের মাধ্যমে দারিদ্র্য নিরসন ও বৈষম্য হ্রাসের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নের অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌছাতে পারবে বাংলাদেশ।

বুধবার (২৩ জুলাই) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে এ সংক্রান্ত দুইটি চুক্তি সই হয়।

চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইেআরডি) সচিব মনোয়ার আহমেদ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত রেজেন্স তেরিংক।

১৪২ মিলিয়ন ইউরোর মধ্যে ১৩২ মিলিয়ন ইউরো বাস্তবায়ন যোগ্য জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল সংস্কার কর্মসূচী নারী ও শিশুদের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে এ সংক্রান্ত উন্নয়ন কর্মসূচীতে ব্যয় হবে। আর বাকী ১০ মিলিয়ন ইউরো সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা সংস্কার কর্মসূচীর অভ্যন্তরীণ রাজস্ব সংগ্রহ জোরদারকরণ ও অভ্যন্তরীণ জবাদিহিতা শক্তিশালীকরণে ভূমিকা রাখবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ইইউ রাষ্ট্রদূত রেজেন্স তেরিংক বলেন, সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও সামাজিক সুরক্ষা খাত বাংলাদেশে ইইউর সহযোগিতার মৌলিক ক্ষেত্রগুলোকে প্রতিনিধিত্ব করে। সরকারের ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা বাস্তবায়নে এ খাতগুলো অগ্রাধিকারমূলক হিসেবে বিবেচিত। ইইউর সহায়তা এ ক্ষেত্রে সিস্টেম শক্তিশালীকরণ ও নীতি উন্নয়নের মূল উপাদানগুলোকে মোকাবিলা করবে।

তিনি বলেন, এ সহায়তার মূললক্ষ্য হবে অভ্যন্তীরণ সম্পদ আহরণ, অভ্যন্তরীণ জবাবদিহিতা জোরদারকরণ ও সামাজিক নিরাপত্তার উন্নতি।

অনুষ্ঠানে ইআরডির সচিব মনোয়ার আহমেদ বলেন, ইইউ সাথে আমাদের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে, যেটাকে আমরা আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। বাংলাদেশের উন্নয়নে ইইউর সিগনিফিকেন্ট অবদান আছে। রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক আঙ্গিনায় তারা আমাদের সাহায্য করছে, শুধু তাই নয় গ্লোবাল ও রিজিওনাল এরিয়াতে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন শুরু করতে ভুমিকা রাখছে।

অনুষ্ঠানে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের কর্মকর্তাসহ ইইউ প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিলেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র