Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বরাদ্দ বেড়েছে বস্ত্র ও পাটে

বরাদ্দ বেড়েছে বস্ত্র ও পাটে
ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বস্ত্র ও পাট খাতে ৭৯৯ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় ৬২ কোটি টাকা বেশি।

গত বছর এই খাতের বাজেট ছিল ৭৩৭ কোটি টাকা। নতুন বাজেটে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন খাতের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে ‘সমৃদ্ধির সোপানে বাংলাদেশ, সময় এখন আমাদের’ শিরোনামে দেশের ৪৮তম বাজেট ঘোষণা করতে শুরু করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। কিন্তু তিনি অসুস্থ থাকায় পরে প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের পরিচালন খাতে ১৯৯ কোটি ও উন্নয়ন খাতে ৬শ' কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। গত বছর এই মন্ত্রণালয়ের পরিচালন খাতে বরাদ্দ ছিল ১৮৫ কোটি ও উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ ছিল ৫৫২ কোটি টাকা।

বাজেট বক্তৃতায় বলা হয়, বর্তমান বৈশ্বিক বাণিজ্যের প্রেক্ষাপটে বস্ত্র ও পাট খাতটিও একটি বিকাশমান ও সম্ভাবনাময় খাত। এ বিবেচনায় সরকার এই খাতটির জন্য বিদ্যমান নগদ প্রণোদনাসহ সব ধরনের সুযোগ সুবিধা অব্যাহত রেখেছে।

তৈরি পোশাক রফতানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে আগামী অর্থবছরে অবশিষ্ট সব খাতে তৈরি পোশাক রফতানিতে এক শতাংশ হারে রফতানি প্রণোদনা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয় বাজেট বক্তব্যে।

আপনার মতামত লিখুন :

দরপতনের প্রতিবাদে বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ

দরপতনের প্রতিবাদে বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ
দরপতনের প্রতিবাদে বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ

দরপতনের প্রতিবাদে বুধবারও (১৭ জুলাই) মতিঝিলের রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছেন বিনিয়োগকারীরা। এদিন দুপুর ২টার দিকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেন বিনিয়োগকারীরা। বেলা ৩টায় শেষ হয়।

‘খায়রুল তুই রাজাকার, কমিশনের গদি ছাড়’ স্লোগানে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক খায়রুল হোসেনের পদত্যাগসহ ৬ দফা দাবি জানিয়েছেন তারা।

গুরুত্বপূর্ণ দাবি গুলো হচ্ছে-নতুন করে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) অনুমোদন ও প্লেসমেন্ট বন্ধ, ১০ হাজার কোটি টাকার নতুন ফান্ড গঠন, বোনাস শেয়ার ও রাইট শেয়ার দেওয়া বন্ধ ইত্যাদি।

বিক্ষোভে বিনিয়োগকারীরা বলেন, চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত পুঁজিবাজারে পতন অব্যাহত রয়েছে। শুরু থেকেই আমরা বাজারের পতন ঠেকাতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করে আসছি। কিন্তু এতেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো ভূমিকা দেখা যাচ্ছে না। কেউই আমাদের দিকে নজর দিচ্ছে না।

বিনিয়োগকারীরা বলেন, সত্যিকার অর্থে যদি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতায় কাজ করত তবে এত দিন পুঁজিবাজারে স্থিরতা চলে আসত।

বাজারের এই দুর্দশা ফেরাতে চলমান অস্থিরতা দূর করতে আবারও বিএসইসির প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে বিনিয়োগকারীরা।

এর ফলে টানা ছয়দিন মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করছেন বিনিয়োগকারীরা।

ডিএসইতে ৮, সিএসইতে ২২ পয়েন্ট বেড়েছে প্রধান সূচক

ডিএসইতে ৮, সিএসইতে ২২ পয়েন্ট বেড়েছে প্রধান সূচক
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার (১৭ জুলাই) প্রধান সূচক বেড়ে শেষ হয়েছে এ দিনের লেনদেন কার্যক্রম। এদিন ডিএসইতে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৮ পয়েন্ট বেড়েছে এবং সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স বেড়েছে ২২ পয়েন্ট।

এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩০৯ কোটি ৬০ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ২৭১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। আর সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩০ কোটি ১৩ লাখ টাকা। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ১৬ কোটি ৪৪ লাখ শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

ডিএসই ও সিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক বাড়ে। লেনদেনের শুরু হয় সাড়ে ১০টায়, শুরুতেই সূচক কমে যায়। প্রথম পাঁচ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক বাড়ে ১২ পয়েন্ট। বেলা ১০টা ৪০ মিনিটে সূচক বাড়ে ১৬ পয়েন্ট। এরপর থেকে সূচক কিছুটা ওঠানামা করতে থাকে। বেলা ১০টা ৪৫ মিনিটে সূচক ১৩ পয়েন্ট বেড়ে যায়। বেলা ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক বাড়ে ১৮ পয়েন্ট।

বেলা ১০টা ৫৫ মিনিটে সূচক ১৯ পয়েন্ট বেড়ে যায়। বেলা ১১টায় সূচক ১৮ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১২টায় সূচক ৪ পয়েন্ট, বেলা ১টায় সূচক ১৪ পয়েন্ট, বেলা ২টায় সূচক ৯ পয়েন্ট বাড়ে এবং বেলা আড়াইটায় লেনদেন শেষে ডিএসইএক্স সূচক ৮ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৫ হাজার ১৩৩ পয়েন্টে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক প্রায় এক পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ৮৩০ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক প্রায় ২ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ১৭৬ পয়েন্টে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩০৯ কোটি ৬০ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড।

লেনদেন শেষে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৯৬টির, কমেছে ১১৮ এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৮টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

বুধবার দাম বৃদ্ধির ভিত্তিতে ডিএসই’র শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে- ফরচুন সু, ইউনাইটেড পাওয়ার, সিলকো ফার্মা, গ্রামীণ ফোন, গ্লোবাল ইনস্যুরেন্স, ন্যাশনাল পলিমার, জেএমআই সিরিঞ্জ, সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ, ফেডারেল ইনস্যুরেন্স এবং বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন।

সিএসই

অন্যদিকে, লেনদেন শেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক (সিএসইএক্স) ২২ পয়েন্ট বেড়ে ৯ হাজার ৫৫৯ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ১২ পয়েন্ট কমে ১৩ হাজার ৯৪৬ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ২৮ পয়েন্ট বেড়ে ১৫ হাজার ৭৩০ পয়েন্টে অবস্থান করে।

লেনদেন শেষে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩০ কোটি ১৩ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

এদিন দাম বাড়ার ভিত্তিতের সিএসই’র শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- এসইএমএল লিগ্যাল ইক্যুইটি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট, মেঘনা সিমেন্ট, ট্রাস্ট ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, ইস্টার্ন ব্যাংক এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ড, পিএইচপি ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, সোনারবাংলা ইনস্যুরেন্স, সিলকো ফার্মা, ভ্যানগার্ড এএমএল রূপালী ব্যাংক ব্যালেন্স ফান্ড এবং এনভয় টেক্সটাইল।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র