Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট

বরাদ্দ কমেছে সেতু বিভাগে

বরাদ্দ কমেছে সেতু বিভাগে
ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

নতুন অর্থবছর ২০১৯-২০ এর প্রস্তাবিত বাজেটে গত অর্থবছরের তুলনায় ৫৫১ কোটি টাকা বরাদ্দ কমেছে সেতু বিভাগে। বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) বিকালে জাতীয় সংসদ ভবনে বাজেট বক্তৃতায় এ প্রস্তাব পেশ করা হয়।

গত অর্থবছরে সেতু বিভাগে ব্যয় ধরা হয়েছিল ৯ হাজার ১১২কোটি টাকা। তবে ২০১৯-২০ এর প্রস্তাবিত বাজেটে ৫৫১ কোটি বরাদ্দ কমিয়ে মোট বরাদ্দ আট হাজার ৫৬১ কোটি টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। যা মোট বাজেটের চার দশমিক দুই শতাংশ।

উল্লেখ্য, জনপ্রত্যাশার এই বাজেটে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে পাঁচ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। এর মধ্যে উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে দুই লাখ ১১ হাজার ৬৮৩ কোটি টাকা। আর পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে তিন লাখ ১০ হাজার ২৬২ কোটি টাকা।

এবারের প্রস্তাবিত বাজেট মোট জিডিপির পাঁচ শতাংশ। টাকার অংকে বর্তমানে দেশের মোট জিডিপির পরিমাণ ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৮৭২ কোটি টাকা। দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় আকারের বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বাজেট বক্তৃতা শুরু করলেও তাঁর অসুস্থতার কারণে প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আপনার মতামত লিখুন :

পুঁজিবাজারে সূচক বেড়ে চলছে লেনদেন

পুঁজিবাজারে সূচক বেড়ে চলছে    লেনদেন
ছবি: সংগৃহীত

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার (২৫ জুন) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক বেড়ে লেনদেন চলছে।

এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৪ পয়েন্ট। আর সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স বেড়েছে ৩১ পয়েন্ট।

এছাড়া একই সময়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৬৬ কোটি ২০ লাখ টাকা এবং সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৫ কোটি ১২ লাখ টাকা।

ডিএসই ও সিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক বাড়ে। লেনদেন শুরু হয় সাড়ে ১০টায়, শুরুতেই সূচক বেড়ে যায়। প্রথম ৫ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক বাড়ে ২ পয়েন্ট। এরপর থেকে সূচক বাড়তে থাকে। বেলা ১০টা ৪০ মিনিটে সূচক বাড়ে ৪ পয়েন্ট। বেলা ১০টা ৪৫ মিনিটে সূচক ১০ পয়েন্ট বাড়ে। এরপর সূচক বাড়ার প্রবণতা কমতে থাকে। বেলা ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক বাড়ে ৫ পয়েন্ট এবং ১১টায় সূচক ৪ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৩৮৩ পয়েন্টে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক প্রায় এক পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১ হাজার ৮৯২ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহসূচক এক পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১ হাজার ২৩১ পয়েন্টে।

এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৬৬ কোটি ২০ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। একই সময়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩৯টির, কমেছে ৮৪টির এবং অপরিবর্তীত রয়েছে ৭৮টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত ডিএসইতে দাম বৃদ্ধি পাওয়া শীর্ষ ১০ কোম্পানির তালিকায় আছে- জেএমআই সিরিঞ্জ, গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, জেনেক্সিল, ফার্স্ট প্রাইম মিউচ্যুয়াল ফান্ড, নূরানী ইন্ডাস্ট্রিজ, রানার অটোমোবাইল, ইউনাইটেড পাওয়ার, আমান ফিড এবং স্কয়ার ফার্মা।

সিএসই

অন্যদিকে, একই সময়ে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক (সিএসইএক্স) ৩১ পয়েন্ট বেড়ে ১০ হাজার ১৩ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ২৭ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ৪১০ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ৬১ পয়েন্ট বেড়ে ১৬ হাজার ৫৩২ পয়েন্টে অবস্থান করে।

এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৫ কোটি ১২ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

একই সময়ে দাম বাড়ার ভিত্তিতে সিএসইর শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- এনসিসি ব্যাংক, ফার্স্ট প্রাইম মিউচ্যুয়াল ফান্ড, এসআইবিএল, ট্রাস্ট ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, ইস্টার্ন হাউজিং, জেএমআই সিরিঞ্জ, ফাস ফাইন্যান্স, রানার অটোমোবাইল এবং আইএফআইএল।

এটিএম-সিআরএম আমদানিতে আন্ডার ইনভয়েস, রাজস্ব ফাঁকি

এটিএম-সিআরএম আমদানিতে আন্ডার ইনভয়েস, রাজস্ব ফাঁকি
ছবি: সংগৃহীত

আমদানি ঋণপত্রে (এলসি বা লেটার অব ক্রেডিট) আন্ডার ইনভয়েসিং বা ক্রয়মূল্য কম দেখানোর মাধ্যমে চীন থেকে এটিএম (অটোমেটেড টেলার মেশিন) ও সিআরএম (ক্যাশ রিসাইক্লিং মেশিন) ক্রয় করার ক্ষেত্রে স্থানীয় একটি বেসরকারি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সরকারকে বিপুল পরিমাণ শুল্ক ফাঁকি দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এছাড়া প্রকৃত ক্রয়মূল্য যা ইনভয়েসে উল্লেখিত মূল্যের চেয়ে বেশি, তা ব্যাংকিং চ্যানেলের বাইরে অবৈধ উপায়ে পরিশোধ করা হচ্ছে। এই ক্ষেত্রে হুন্ডির আশ্রয় নিয়ে এটিএম ও সিআরএম রফতানিকারক দেশ চীনে পাচার করা হচ্ছে বিপুল পরিমাণ অর্থ যা দেশে প্রচলিত মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ এর আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

এসব অভিযোগ পাওয়া গেছে, জারা জামান টেকনোলজি লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। প্রতিষ্ঠানটি দেশের ব্যাংকিং খাতে এটিএম, সিডিএম, সিআরএম, আইডিএম, সিএসএম, এসটিএম ও আইডিএমসহ ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের প্রযুক্তি সরবরাহ করে।

সূত্র জানায়, দুর্নীতি দমন কমিশন, শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ, কাস্টমস ও আর্থিক গোয়েন্দা ইফনিট এ ব্যাপারে অনুসন্ধান করতে পারে।

দেশীয় একটি বেসরকারি ব্যাংকের আমদানি ঋণপত্র (নং ১৯০১০০২৩) নথি থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, জারা জামান টেকনোলজি লি. চীনের জিআরজি ব্যাংকিং ইকুইপমেন্ট (এইচ কে) কোম্পানি লিমিটেডের কাছ থেকে এ বছরের জানুয়ারি ২৮ তারিখ থেকে ২৮ এপ্রিল সময়ের মধ্যে দুটি চালানে ১৫টি সিআরএম ও ৩৫টি এটিএম আমদানি করেছে।

ঋণপএ অনুযায়ী প্রতিটি এটিএম ও সিআরএম এর মূল্য পরিশোধ করা হয়েছে যথাক্রমে ১১০০ ও ২৫০০ ইউএস ডলার করে। কিন্তু আমদানিকারক ও রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান দুটির পূর্ব যোগাযোগের রেফারেন্স লেটারে উল্লেখিত প্রোফর্মা ইনভয়েস অনুযায়ী প্রতিটি এটিএম ও সিআরএম এর প্রকৃত মূল্য যথাক্রমে ৩,৫৭০ ও ১২,৫৫০ ইউএস ডলার।

প্রকৃত মূল্য হিসেবে ১৫টি সিআরএম ও ৩৫টি এটিএম আমদানির বিপরীতে মোট পরিশোধযোগ্য অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩৫৮২০০ ইউএস ডলার বা তিন কোটি দুই লাখ ৬৭ হাজার টাকা (প্রতি ডলার ৮৪.৫০ টাকা হিসেবে)। অথচ ঋণপত্রে উল্লেখিত মূল্য হিসেবে পরিশোধ করা হয়েছে মোট ৭৬০০০ ইউএস ডলার বা ৬৪ লাখ ২২ হাজার টাকা।

অভিযোগ অনুযায়ী প্রকৃত আমদানি মূল্যের বাকি অংশ (২৮২,২০০ ইউএস ডলার বা ২.৩৬ কোটি টাকা) অবৈধ উপায়ে পরিশোধ করা হয়েছে।

সূত্র জানায়, আমদানি ঋণপএটি আন্ডার ইনভয়েস করা না হলে পুরো আমদানি মূল্য ৩৫৮,২০০ ইউএস ডলার বা তিন কোটি দুই লাখ টাকা ব্যাংকিং চ্যানেলে পরিশোধ হতো, সেক্ষেত্রে সরকার কাস্টমস নীতিমালা অনুযায়ী এই আমদানি থেকে শুল্ক হিসেবে আমদানি মূল্যের প্রায় ৩৩ শতাংশ বা ১.১ কোটি টাকা পেত। কিন্তু আন্ডার ইনভয়েস হওয়ায় ব্যাংকিং চ্যানেলে মূল্য পরিশোধ হয়েছে মাএ ৬৪ লাখ টাকা। আর শুল্ক হিসেবে সরকার পেয়েছে এর ৩৩ শতাংশ বা ২২.১ লাখ টাকা। এখানে শুল্ক ফাঁকি দেয়া হয়েছে ৭৮.৯৮ লাখ টাকা।

বেসরকারি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান জারা জামান টেকনোলজি লিমিটেডের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ জমা পড়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনে, শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগে, কাস্টমস ও আর্থিক গোয়েন্দা ইফনিটে। প্রতিষ্ঠানটি দেশের ব্যাংকিং খাতে এটিএম, সিডিএম, সিআরএম, আইডিএম, সিএসএম, এসটিএম ও আইডিএমসহ ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের প্রযুক্তি সরবরাহ করে।

এ বিষয়ে জারা জামান টেকনোলজির কলাবাগানের (ধানমন্ডি) সুলতান টাওয়ারের তৃতীয় তলায় গিয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র