Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

আ'লীগের টানা তৃতীয় মেয়াদের প্রথম বাজেট বৃহস্পতিবার

আ'লীগের টানা তৃতীয় মেয়াদের প্রথম বাজেট বৃহস্পতিবার
ছবি: বার্তা২৪.কম
সেন্ট্রাল ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার প্রথম বাজেট ঘোষণা করতে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে এ প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করা হবে।

একইসঙ্গে বর্তমান অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের এটি প্রথম বাজেট। যদিও গত সরকারের পরিকল্পনামন্ত্রী হিসেবে অনেক বাজেট প্রণয়নের সঙ্গে পরোক্ষভাবে তিনি জড়িত ছিলেন।

তথ্য মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা যায়, ‘সমৃদ্ধ আগামীর পথযাত্রায় বাংলাদেশ: সময় এখন আমাদের, সময় এখন বাংলাদেশের’ শিরোনামের এবারের বাজেটটি হবে ‘স্মার্ট’ বাজেট। প্রচলিত ধারা থেকে বেরিয়ে নতুন আঙ্গিকে তৈরি করা হয়েছে এই বাজেট। তবে এবারের বাজেটের আকার বাড়লেও অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতা হবে সংক্ষিপ্ত। এ বক্তৃতার একটি বর্ধিত সংস্করণ বাজেট বই আকারে সকলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে, যা সর্বস্তরের জনসাধারণের জন্য হবে সহজপাঠ্য। বাজেটের লক্ষ্য সুদূরপ্রসারী হলেও তা অর্জন করতে চেষ্টা হবে সাধ্যের মধ্যে। আর এর মধ্যেই থাকবে দেশের ১৬ কোটি মানুষের স্বপ্ন পূরণের অঙ্গীকার।

তবে শুধু এক বছরের জন্য নয়, ২০৪১ সালকে টার্গেট করেই তৈরি করা হয়েছে এবারের বাজেট।

যা থাকছে এবারের বাজেটে-

রাজস্ব আদায়ে করের হার না বাড়িয়ে, করের আওতা বাড়ানোর মাধ্যমে রাজস্ব আদায় বাড়ানো হবে।

বাজেটে রাজস্ব আদায়ের প্রক্রিয়া সহজ করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) জন্য নতুন করে দিকনির্দেশনা থাকবে।

ভ্যাট আইন কার্যকর করার বিষয়ে দিকনির্দেশনা থাকবে। আইন কার্যকর করতে ভ্যাটের একাধিক স্তর থাকবে।

কাস্টমস আইন ও আয়কর আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধন এনে সহজবোধ্য ও ব্যবসায় বান্ধব করা হবে।

সকল আমদানি-রফতানি পণ্য শতভাগ স্ক্যানিং করা হবে।

বাজেটে শিক্ষা খাতের সংস্কার, আর্থিক খাতের সংস্কার, শেয়ার বাজারে সুশাসন ও প্রণোদনা প্রদান বিষয়ে সংস্কারমূলক দিক নির্দেশনা থাকবে।

সূত্র আরও জানায়, আকর্ষণীয় ডিজিটাল পদ্ধতিতে মহান জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপন করা হবে। বাজেট বক্তৃতার বর্ধিত সংস্করণ, মূল বাজেট বক্তৃতাসহ অন্যান্য সকল ডকুমেন্ট ওয়েবসাইটে প্রকাশসহ জাতীয় সংসদ হতে সরবরাহ করা হবে।

বাজেটকে আরও অংশগ্রহণমূলক করার লক্ষ্যে অর্থ বিভাগের ওয়েবসাইট www.mof.gov.bd-এ বাজেটের সব তথ্যাদি ও গুরুত্বপূর্ণ দলিল যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান পাঠ ও সংগ্রহে রাখতে পারবেন। এছাড়া দেশ-বিদেশ থেকে উক্ত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া (ফিডব্যাক) ফরম পূরণ করে বাজেট সম্পর্কে মতামত ও সুপারিশ প্রেরণ করা যাবে।

প্রাপ্ত সকল মতামত ও সুপারিশ বিবেচনা করা হবে। জাতীয় সংসদ কর্তৃক বাজেট অনুমোদনের সময় ও পরে তা কার্যকর করা হবে। ব্যাপকভিত্তিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিম্নলিখিত সরকারি ওয়েবসাইট লিংক এর ঠিকানায় বাজেট সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যাবে।

যেসব ওয়েবসাইটে বাজেটের বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে
www.bangladesh. gov.bd
www.nbr-bd.org
www.plancomm.gov.bd
www.imed.gov.bd
www.bdpressinform.portal.gov.bd
www.pmo.gov.bd
আপনার মতামত লিখুন :

টিভি অনুষ্ঠান চলাকালেই খাবার পৌঁছে দিল 'সহজ’

টিভি অনুষ্ঠান চলাকালেই খাবার পৌঁছে দিল 'সহজ’
অনুষ্ঠানেই অর্ডার, অনুষ্ঠান চলাকালেই পৌঁছে গেল খাবার, ছবি: সংগৃহীত

টেলিভিশন অনুষ্ঠানে নতুন মাত্রা যোগ করে অনুষ্ঠান চলাকালীন স্বল্প সময়ের মধ্যে অ্যাপের অর্ডারে উপস্থাপকের কাছে খাবার পৌঁছে দিল সহজ অ্যাপ।

সোমবার (২৪ জুন) বিশ্বকাপে বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তানের মধ্যকার খেলার বিরতিতে গাজী টেলিভিশনে ‘বাংলালিংক পাওয়ার প্লে’ অনুষ্ঠানে উপস্থাপিকা জান্নাত অতিথি খালেদ মাসুদ পাইলটের জন্য সহজ অ্যাপে খাবার অর্ডার করেন।

অনুষ্ঠান চলাকালীন সময়ের মধ্যে খাবার নিয়ে ডেলিভারি ম্যান উপস্থিত হলে চমকিত হন উপস্থাপিকা এবং আমন্ত্রিত অতিথি।

সহজ অ্যাপ ব্যবহার করে গ্রাহকরা যেকোনো সময় খাবার অর্ডার করতে পারেন, সহজেই!

উল্লেখ্য, দেশের পরিবহন টিকিট সেবা নিয়ে যাত্রা শুরু করা সহজ.কম সম্প্রতি সহজ ফুড সেবার মাধ্যমে শহরের ব্যস্ত মানুষদের স্বল্প সময়ে পছন্দের খাবার পৌঁছে দিচ্ছে।

‘করের বোঝায় থমকে গেছে টেলিকম খাতের প্রবৃদ্ধি’

‘করের বোঝায় থমকে গেছে টেলিকম খাতের প্রবৃদ্ধি’
টিআরএনবি'র বাজেট পরবর্তী গোলটেবিল বৈঠকে টেলিকম খাতের সংশ্লিষ্টরা/ ছবি: বার্তা২৪.কম

টেলিকম খাতের উপর করের বোঝা চাপিয়ে এর প্রবৃদ্ধিকে আটকে দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন এই খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা।

বুধবার (২৬ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে টেলিকম রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ (টিআরএনবি) এক গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে। ‘প্রস্তাবিত বাজেট: টেলিকম খাতের বাস্তবতা’ শীর্ষক গোলটেবিলে মোবাইল অপারেটরদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও এই খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যে এই মন্তব্য উঠে আসে।

টিআরএনবি’র সভাপতি মুজিব মাসুদের সভাপতিত্বে গোলটেবিলে মোবাইল অপারেটরদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও এই খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা অংশ নেন। এতে শুরুতে বক্তব্য রাখেন টিআরএনবি’র সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল আনোয়ার খান শিপু এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন টিআরএনবি’র ট্রেজারার শামীম জাহাঙ্গীর। বৈঠক সঞ্চালনা করেন টিআরএনবি’র সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম।

বৈঠকে রবি’র সিইও মাহতাব উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘নিয়ন্ত্রক সংস্থা যদি আমাদের সাথে থাকে, তাহলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। টেলিকম খাতে আয়ের প্রায় ৫০ শতাংশ সরকারি খাতে চলে যায়। আমরা কেন গ্রামীণফোনের মতো মুনাফা করব না? টেলিটক আইসিইউতে রয়েছে। এটি বাদে বর্তমানে তিনটি কোম্পানি রয়েছে। তারাও যদি টিকে থাকতে না পারে, তাহলে তা এই খাতের জন্য নেতিবাচক হবে।’

মোবাইল ফোন কনজুমার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘যে সেবাকে প্রান্তিক পর্যায়ে নিয়ে যাবে বলে সরকার ঘোষণা দিয়ে এসেছে, সেখানেই করের বোঝা চাপানো হচ্ছে। এই খাত থেকে করের বোঝা কমানোর দাবি জানাচ্ছি।’

টেলিটকের ডিজিএম সাইফুর রহমান খান বলেন, ‘টেলিকম খাতে বিভিন্ন কর ও শুল্ক আরোপের ফলে লোকসানের পরিমাণ বেড়ে যাবে। এতে আমাদের মতো ছোট কোম্পানির জন্য টিকে থাকা কঠিন হবে।’

বাংলালিংকের হেড অব ট্যাক্স সারোয়ার হোসেন খান বলেন, ‘সরকারের বেশ কিছু টার্গেট রয়েছে। আর এই টার্গেট পূরণের জন্য টেলিকম খাতকে বেছে নেওয়া হয়েছে। অথচ অন্যান্য খাতকেও টার্গেট করা যেতে পারে। এ ধরনের পরোক্ষ কর না বাড়িয়ে আয়করের দিকে সরকারের বেশি নজর দেওয়া উচিত।’

গ্রামীণফোনের ডিরেক্টর ও হেড অব রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স হোসেন সাদাত বলেন, ‘এই খাতের মধ্যে আমরাই প্রথম পুঁজিবাজারে গিয়েছি। এজন্য করপোরেট ট্যাক্সের উপর ১০ শতাংশ কর রেয়াত দেওয়া হবে। পুঁজিবাজারে যাওয়ার তিন বছরের মাথায় কর রেয়াত ৫ শতাংশ কমিয়ে দেওয়া হয়। এতে করে অন্য কোম্পানিসমূহ পুঁজিবাজারে যেতে নিরুৎসাহিত হবে।’

এমটবের সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল টি আই এম নুরুল কবির বলেন, ‘টেলিকম খাতে ১০ শতাংশ সাপ্লিমেন্টারি ডিউটি চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে, যা বিশ্বের কোথাও নেই। সেই সঙ্গে সিম ট্যাক্স এই খাতের প্রবৃদ্ধিকে থামিয়ে দিচ্ছে।’

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (কর জরিপ ও পরিদর্শন) মেফতাহ উদ্দিন খান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সমন্বয় করেই কর কিংবা ভ্যাটের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এটি এককভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সিদ্ধান্ত নয়।’

তিনি বলেন, ‘স্ম্যার্টফোনের সুফলের চেয়ে কুফলও বেশি দেখা যাচ্ছে। খুব বেশি স্ম্যার্টফোনের দরকার নেই। সব নীতিমালাতে ভালো ফল দেবে, তা আশা করতে পারেন না।

টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘টেলিটকের মতো প্রতিষ্ঠানকে রাখি বাজার নিয়ন্ত্রণ করার জন্য। এছাড়া সরকারের কিছু কাজ টেলিটক করে থাকে। সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হলেও তাকে কর, ভ্যাট দিতে হবে।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র