Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

বাজেট হবে জনমুখী, প্রত্যাশা আ’লীগের

বাজেট হবে জনমুখী, প্রত্যাশা আ’লীগের
বায়ে আওয়ামী লীগের লোগো, ডানে বাজেটের প্রতীকী ছবি
রেজা-উদ্-দৌলাহ প্রধান
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে ফের ক্ষমতায় এসেছে আওয়ামী লীগ। সব দলের অংশগ্রহণে হয় ওই সংসদ নির্বাচন।

এরই মধ্যে বিভিন্ন দলের বিজয়ীরাও সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন। সব মিলিয়ে তাই দশম সংসদের চেয়ে এবারের সংসদে আওয়ামী লীগের ম্যান্ডেট যেমন বিশাল, তেমনি সংসদের গ্রহণযোগ্যতাও অধিক শক্ত। জনগণের ম্যান্ডেট আওয়ামী লীগের জন্য যেমন উপভোগের, ঠিক তেমনি চাপেরও। সেই চাপ হলো মানুষের প্রত্যাশা পূরণ।

আর সেই প্রত্যাশা পূরণের প্রথম পরীক্ষা এবার আওয়ামী লীগের সামনে। টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর এবার প্রথম বাজেট দিতে যাচ্ছে তারা। দলের নেতা-কর্মীরা আশা করছেন, নতুন অর্থবছরের বাজেট হবে আরো বেশি কৃষকবান্ধব, গরিব মানুষের জন্য স্বস্তিদায়ক।

জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বার্তা২৪.কমকে বলেন, একটা সময় আমাদের বাজেট ছিল বিদেশি ঋণ নির্ভর। আমরা এখন নিজেদের টাকায় পাঁচ লাখ হাজার কোটি টাকার ওপরে বাজেট দিতে পারি। আর এর সব কিছুই সম্ভব হয়েছে বঙ্গবন্ধুকন্যার গতিশীল নেতৃত্বের কল্যাণে।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) নতুন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করবেন। অর্থমন্ত্রী হিসেবে এটা তার প্রথম বাজেট। ‘সমৃদ্ধ আগামীর পথযাত্রায় বাংলাদেশ’ শীর্ষক জনতুষ্টির এই বাজেটের আকার ধরা হয়েছে পাঁচ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। যা জিডিপির ১৮ দশমিক ১ শতাংশ।

চলতি বাজেটের আকার ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা। আসন্ন বাজেটে ব্যয়ের পরিমাণ বাড়ছে ৫৮ হাজার ৬১৭ কোটি টাকা। সে হিসেবে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের মূল বাজেটের আকার থেকে নতুন বাজেট ১২ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি। বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ ধরা হয়েছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯৫০ কোটি টাকা।

যা চলতি অর্থবছরের বাজেটের থেকে ২০ হাজার ৬৫৭ কোটি টাকা বেশি। সর্বশেষ ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটের ঘাটতি ছিল ১ লাখ ২৫ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা। এছাড়া নতুন বাজেটে সম্ভাব্য মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য ধরা হচ্ছে ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৮১০ কোটি টাকা (জিডিপির ১৩.১ শতাংশ)। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) খাতে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৩০০ কোটি টাকা (জিডিপির ৬ দশমিক ৮ শতাংশ) ধরা হয়েছে। আসন্ন বাজেটে ৮ দশমিক ২০ শতাংশ জিডিপির প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।

আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার সব সময়ই জনমুখী বাজেট দেয়। দরিদ্র ও শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা করে। তার প্রমাণ আমরা বিগত ১০ বছরে ধারাবাহিকভাবে দেখে আসছি। দেশ ক্রমাগত উন্নতির পথে রয়েছে। দেশের প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাহাউদ্দিন নাছিম বার্তা২৪.কমকে বলেন, আসছে বাজেটে কৃষিখাত, সামাজিক নিরাপত্তা খাতের বরাদ্দ ও আওতা আরো বৃদ্ধি করা হবে। আরো বেশি মানুষকে ভাতার আওয়াত আনা হবে। যা দেশের কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের মুখে হাসি ফোটাবে।

 

আপনার মতামত লিখুন :

টিভি অনুষ্ঠান চলাকালেই খাবার পৌঁছে দিল 'সহজ’

টিভি অনুষ্ঠান চলাকালেই খাবার পৌঁছে দিল 'সহজ’
অনুষ্ঠানেই অর্ডার, অনুষ্ঠান চলাকালেই পৌঁছে গেল খাবার, ছবি: সংগৃহীত

টেলিভিশন অনুষ্ঠানে নতুন মাত্রা যোগ করে অনুষ্ঠান চলাকালীন স্বল্প সময়ের মধ্যে অ্যাপের অর্ডারে উপস্থাপকের কাছে খাবার পৌঁছে দিল সহজ অ্যাপ।

সোমবার (২৪ জুন) বিশ্বকাপে বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তানের মধ্যকার খেলার বিরতিতে গাজী টেলিভিশনে ‘বাংলালিংক পাওয়ার প্লে’ অনুষ্ঠানে উপস্থাপিকা জান্নাত অতিথি খালেদ মাসুদ পাইলটের জন্য সহজ অ্যাপে খাবার অর্ডার করেন।

অনুষ্ঠান চলাকালীন সময়ের মধ্যে খাবার নিয়ে ডেলিভারি ম্যান উপস্থিত হলে চমকিত হন উপস্থাপিকা এবং আমন্ত্রিত অতিথি।

সহজ অ্যাপ ব্যবহার করে গ্রাহকরা যেকোনো সময় খাবার অর্ডার করতে পারেন, সহজেই!

উল্লেখ্য, দেশের পরিবহন টিকিট সেবা নিয়ে যাত্রা শুরু করা সহজ.কম সম্প্রতি সহজ ফুড সেবার মাধ্যমে শহরের ব্যস্ত মানুষদের স্বল্প সময়ে পছন্দের খাবার পৌঁছে দিচ্ছে।

‘করের বোঝায় থমকে গেছে টেলিকম খাতের প্রবৃদ্ধি’

‘করের বোঝায় থমকে গেছে টেলিকম খাতের প্রবৃদ্ধি’
টিআরএনবি'র বাজেট পরবর্তী গোলটেবিল বৈঠকে টেলিকম খাতের সংশ্লিষ্টরা/ ছবি: বার্তা২৪.কম

টেলিকম খাতের উপর করের বোঝা চাপিয়ে এর প্রবৃদ্ধিকে আটকে দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন এই খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা।

বুধবার (২৬ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে টেলিকম রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ (টিআরএনবি) এক গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে। ‘প্রস্তাবিত বাজেট: টেলিকম খাতের বাস্তবতা’ শীর্ষক গোলটেবিলে মোবাইল অপারেটরদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও এই খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যে এই মন্তব্য উঠে আসে।

টিআরএনবি’র সভাপতি মুজিব মাসুদের সভাপতিত্বে গোলটেবিলে মোবাইল অপারেটরদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও এই খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা অংশ নেন। এতে শুরুতে বক্তব্য রাখেন টিআরএনবি’র সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল আনোয়ার খান শিপু এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন টিআরএনবি’র ট্রেজারার শামীম জাহাঙ্গীর। বৈঠক সঞ্চালনা করেন টিআরএনবি’র সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম।

বৈঠকে রবি’র সিইও মাহতাব উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘নিয়ন্ত্রক সংস্থা যদি আমাদের সাথে থাকে, তাহলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। টেলিকম খাতে আয়ের প্রায় ৫০ শতাংশ সরকারি খাতে চলে যায়। আমরা কেন গ্রামীণফোনের মতো মুনাফা করব না? টেলিটক আইসিইউতে রয়েছে। এটি বাদে বর্তমানে তিনটি কোম্পানি রয়েছে। তারাও যদি টিকে থাকতে না পারে, তাহলে তা এই খাতের জন্য নেতিবাচক হবে।’

মোবাইল ফোন কনজুমার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘যে সেবাকে প্রান্তিক পর্যায়ে নিয়ে যাবে বলে সরকার ঘোষণা দিয়ে এসেছে, সেখানেই করের বোঝা চাপানো হচ্ছে। এই খাত থেকে করের বোঝা কমানোর দাবি জানাচ্ছি।’

টেলিটকের ডিজিএম সাইফুর রহমান খান বলেন, ‘টেলিকম খাতে বিভিন্ন কর ও শুল্ক আরোপের ফলে লোকসানের পরিমাণ বেড়ে যাবে। এতে আমাদের মতো ছোট কোম্পানির জন্য টিকে থাকা কঠিন হবে।’

বাংলালিংকের হেড অব ট্যাক্স সারোয়ার হোসেন খান বলেন, ‘সরকারের বেশ কিছু টার্গেট রয়েছে। আর এই টার্গেট পূরণের জন্য টেলিকম খাতকে বেছে নেওয়া হয়েছে। অথচ অন্যান্য খাতকেও টার্গেট করা যেতে পারে। এ ধরনের পরোক্ষ কর না বাড়িয়ে আয়করের দিকে সরকারের বেশি নজর দেওয়া উচিত।’

গ্রামীণফোনের ডিরেক্টর ও হেড অব রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স হোসেন সাদাত বলেন, ‘এই খাতের মধ্যে আমরাই প্রথম পুঁজিবাজারে গিয়েছি। এজন্য করপোরেট ট্যাক্সের উপর ১০ শতাংশ কর রেয়াত দেওয়া হবে। পুঁজিবাজারে যাওয়ার তিন বছরের মাথায় কর রেয়াত ৫ শতাংশ কমিয়ে দেওয়া হয়। এতে করে অন্য কোম্পানিসমূহ পুঁজিবাজারে যেতে নিরুৎসাহিত হবে।’

এমটবের সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল টি আই এম নুরুল কবির বলেন, ‘টেলিকম খাতে ১০ শতাংশ সাপ্লিমেন্টারি ডিউটি চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে, যা বিশ্বের কোথাও নেই। সেই সঙ্গে সিম ট্যাক্স এই খাতের প্রবৃদ্ধিকে থামিয়ে দিচ্ছে।’

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (কর জরিপ ও পরিদর্শন) মেফতাহ উদ্দিন খান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সমন্বয় করেই কর কিংবা ভ্যাটের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এটি এককভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সিদ্ধান্ত নয়।’

তিনি বলেন, ‘স্ম্যার্টফোনের সুফলের চেয়ে কুফলও বেশি দেখা যাচ্ছে। খুব বেশি স্ম্যার্টফোনের দরকার নেই। সব নীতিমালাতে ভালো ফল দেবে, তা আশা করতে পারেন না।

টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘টেলিটকের মতো প্রতিষ্ঠানকে রাখি বাজার নিয়ন্ত্রণ করার জন্য। এছাড়া সরকারের কিছু কাজ টেলিটক করে থাকে। সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হলেও তাকে কর, ভ্যাট দিতে হবে।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র