Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বেড়েছে মাছের দাম, সরবরাহ স্বল্পতা বলছেন ব্যবসায়ীরা

বেড়েছে মাছের দাম, সরবরাহ স্বল্পতা বলছেন ব্যবসায়ীরা
কারওয়ান বাজারে মাছের দোকান
রাকিবুল ইসলাম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদের পর রমজান মাসের চেয়েও বাজারে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে মাছ। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে সবজির দাম অপরিবর্তিত থাকলেও প্রতিদিনই বেড়ে চলেছে মাছের দাম। পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা বাজারে মাছের স্বল্পতাকেই দাম বৃদ্ধির মূল কারণ বলে দায়ী করছেন।

বুধবার (১২ জুন) রাজধানীর কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা যায়, ঈদ শেষে পুরোপুরি জমে ওঠেনি কাঁচাবাজার। দামাদামি করেই মাছ কিনছেন ক্রেতারা। দামে না মিললে মন ভার করছেন। কেউ কেউ অতিরিক্ত দামের কারণে কিনতে পারছেন না পছন্দের মাছ। তবে বাজারজুড়ে দেশি-বিদেশি মাছের পর্যাপ্ত সরবরাহ দেখা যায়।

বাজারে মাছের আকার কিংবা ওজনের ওপর নির্ভর করে একই জাতীয় মাছের রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন দাম। রোজাতেও যে রুই পাইকারি বাজারে বিক্রি হয়েছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়, ঈদের পরে এসে এর দাম দাঁড়িয়েছে ২২০ থেকে ২৫০ টাকা। খুচরা বাজারে যার দাম ৩০০ থেকে ৩৫০টাকা পর্যন্ত। আর ভারতীয় বার্মিজ রুই আকার ভেদে কেজি প্রতি ৩৫০-৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কারওয়ান বাজারে মাঝারি একটি ইলিশ ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, ছোট আকারের তেলাপিয়া ১৪০-১৫০ টাকা, মাঝারি তেলাপিয়া ১৬০-১৭০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। পাঙ্গাশ ১৪০-১৭০ টাকা, মাঝারি আকারের বোয়াল প্রতিকেজি ৪০০ টাকা, ছোট টেংরা ও মলা মাছ ৪০০ টাকা, চাষের কই আকারভেদে ২০০-৩০০ ও মাঝারি গলদা ও বাগদা চিংড়ি ৬ থেকে ৭০০, পাবদা ৫০০ টাকা। মাঝারি আইড় ৬০০ টাকা, ৪ কেজি সাইজের মিরকা ৪০০ টাকা কেজি, বাইম মাছ ৭০০ টাকা কেজি, রূপচাঁদা ৭০০ টাকা, দেশি টেংরা ৪০০ টাকা, শোল মাছ ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/12/1560327598659.jpg
মোহাম্মদ আলী নামে এক খুচরা বিক্রেতা চারটি ইলিশের দাম চেয়েছেন ৩৪০০ টাকা। ক্রেতা জাহানার বেগম বলেছেন ৩০০০ হাজার টাকা। অবশেষে চারটি ইলিশ তিনি কিনতে পেয়েছেন ৩২০০ টাকায়।

জাহানারা বার্তা২৪.কমকে বলেন, রোজায় মাছের দাম যতটা ছিল এখন তার চেয়েও অনেক বেশি। এভাবে দাম বাড়তে থাকলে মাছ কেনা কঠিন হয়ে যাবে। খুচরা বাজারের এমন নৈরাজ্যের দিকে প্রশাসনের নজর দেওয়া দরকার।

বিক্রেতা মোহাম্মদ আলী বার্তা২৪.কমকে বলেন, আমাদের কী করার আছে? আড়ৎ থেকে অতিরিক্ত মূল্যে মাছ নিতে হয়েছে। তারা কম দামে না দিতে পারলে আমাদেরও কম দামে দেওয়ার সুযোগ থাকে না। রোজার চেয়ে মাছের কেজি প্রতি দাম একটু বেশিই।

মাছের আড়তদাররা বলছেন দাম বৃদ্ধির অন্যতম কারণ বাজারজুড়ে মাছের আমদানি স্বল্পতা। একটি নির্দিষ্ট অঞ্চল থেকে মাছের আমদানি বন্ধ রয়েছে। সমুদ্রের মাছ আসছে না বাজারে। ফলে ব্যবসায়ীদের ভরসা কেবল মাছের খামারিরা। এতে ভরসা পাচ্ছেন না পাইকারি ব্যবসায়ীরা। কারণ মাছের পেটে ডিম আসায়, অনেক খামারিই মাছ ধরা কমিয়ে দিয়েছেন।

মাকসুদ আলম নামে এক পাইকারি মাছ ব্যবসায়ী বার্তা২৪.কমকে বলেন, চাহিদার তুলনায় মাছের আমদানি অনেক কম। আমদানি কম থাকলে দাম তো বাড়বেই। তবে জেলেদের থেকে সামুদ্রিক কিংবা নদীর মাছ আমদানি বাড়লে কমতে পারে মাছের দাম।

কারওয়ান বাজারের মাছের আড়তদার বিল্লাল হোসেন বলেন, আমরা এখন খামারিদের থেকে মাছ কিনছি। নদী বা সামুদ্রিক মাছ না আসা পর্যন্ত দাম কমবে না। মাছের দাম আরো বৃদ্ধি পেতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন :

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না বিমা কোম্পানি

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না বিমা কোম্পানি
ছবি: সংগৃহীত

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না সাধারণ বিমা কোম্পানিগুলো।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির চেয়ারম্যান ও মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তরা বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের বৈঠকে (আইডিআরএ) অঙ্গীকার করেছেন।

আইডিআরএ চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান পাটোয়ারির সভাপতিত্বে বৈঠকে আইডিআরএ’র সদস্য, পরিচালক এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্সে অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট শেখ কবির হোসেনসহ কোম্পানির চেয়ারম্যান, এমডি এবং মুখ্য নির্বাহীরা ১৫ শতাংশের অধিক কমিশন বন্ধে দৃঢ় প্রত্যয় এবং কর্তপক্ষের সার্কুলারের সাথে পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন।

সভায় শেখ কবির হোসেন আইডিআরএ’র নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য বিমা কোম্পানিগুলোর চেয়ারম্যান ও নির্বাহীদের আন্তরিকতা প্রদর্শনে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘এখন থেকে কোনো নন-লাইফ বিমাকারী ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন প্রদান করে ব্যবসা করবে না।’

সভায় আইডিআরএ চেয়ারম্যান বলেন, ‘সকলের এ কার‌্যকর এবং সম্মিলিত উদ্যোগের ফলে বিমা শৃঙ্খলা ও সুষ্ঠুবাজার ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।’

অবৈধ কয়েল বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে মামলা, ২ জনের কারাদণ্ড

অবৈধ কয়েল বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে মামলা, ২ জনের কারাদণ্ড
জব্দকৃত মশার কয়েল, ছবি: সংগৃহীত

সনদ ছাড়াই অবৈধভাবে নিন্মমানের কয়েল বিক্রি করার অপরাধে দুই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই অপরাধে আনলু ব্যান্ডের মশার কয়েলের দুই কর্মকর্তাকে ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) রাজধানীর মিরপুরে অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ মামলা ও কারাদণ্ড দেয়। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএসটিআইয়ের আইন, ২০১৮ অমান্য করে ড্রাগন ব্রান্ডের মশার কয়েল বাজারজাত করায় মিরপুরের মেসার্স মীম এন্টারপ্রাইজের মালিক মোশারফ আলীর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়। এছাড়া একই অপরাধে আনলু ব্যান্ডের মশার কয়েল বিক্রি-বিতরণ করায় ম্যানেজার মো. আতিকুর রহমান (২৮) ও মাছুম আলম (৪৯) কে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে উভয় ব্যান্ডের ১৩০ কার্টুন মশার কয়েল জব্দ করা হয়। এ সময় লাইসেন্সবিহীন মশার কয়েল ক্রয় ও ব্যবহার হতে বিরত থাকার জন্য ক্রেতাসাধারণকে পরামর্শ প্রদান করা হয়। বিএসটিআই’র এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বেগম রাশিদা আক্তারের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র