Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

বেড়েছে মাছের দাম, সরবরাহ স্বল্পতা বলছেন ব্যবসায়ীরা

বেড়েছে মাছের দাম, সরবরাহ স্বল্পতা বলছেন ব্যবসায়ীরা
কারওয়ান বাজারে মাছের দোকান
রাকিবুল ইসলাম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদের পর রমজান মাসের চেয়েও বাজারে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে মাছ। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে সবজির দাম অপরিবর্তিত থাকলেও প্রতিদিনই বেড়ে চলেছে মাছের দাম। পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা বাজারে মাছের স্বল্পতাকেই দাম বৃদ্ধির মূল কারণ বলে দায়ী করছেন।

বুধবার (১২ জুন) রাজধানীর কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা যায়, ঈদ শেষে পুরোপুরি জমে ওঠেনি কাঁচাবাজার। দামাদামি করেই মাছ কিনছেন ক্রেতারা। দামে না মিললে মন ভার করছেন। কেউ কেউ অতিরিক্ত দামের কারণে কিনতে পারছেন না পছন্দের মাছ। তবে বাজারজুড়ে দেশি-বিদেশি মাছের পর্যাপ্ত সরবরাহ দেখা যায়।

বাজারে মাছের আকার কিংবা ওজনের ওপর নির্ভর করে একই জাতীয় মাছের রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন দাম। রোজাতেও যে রুই পাইকারি বাজারে বিক্রি হয়েছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়, ঈদের পরে এসে এর দাম দাঁড়িয়েছে ২২০ থেকে ২৫০ টাকা। খুচরা বাজারে যার দাম ৩০০ থেকে ৩৫০টাকা পর্যন্ত। আর ভারতীয় বার্মিজ রুই আকার ভেদে কেজি প্রতি ৩৫০-৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কারওয়ান বাজারে মাঝারি একটি ইলিশ ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, ছোট আকারের তেলাপিয়া ১৪০-১৫০ টাকা, মাঝারি তেলাপিয়া ১৬০-১৭০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। পাঙ্গাশ ১৪০-১৭০ টাকা, মাঝারি আকারের বোয়াল প্রতিকেজি ৪০০ টাকা, ছোট টেংরা ও মলা মাছ ৪০০ টাকা, চাষের কই আকারভেদে ২০০-৩০০ ও মাঝারি গলদা ও বাগদা চিংড়ি ৬ থেকে ৭০০, পাবদা ৫০০ টাকা। মাঝারি আইড় ৬০০ টাকা, ৪ কেজি সাইজের মিরকা ৪০০ টাকা কেজি, বাইম মাছ ৭০০ টাকা কেজি, রূপচাঁদা ৭০০ টাকা, দেশি টেংরা ৪০০ টাকা, শোল মাছ ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/12/1560327598659.jpg
মোহাম্মদ আলী নামে এক খুচরা বিক্রেতা চারটি ইলিশের দাম চেয়েছেন ৩৪০০ টাকা। ক্রেতা জাহানার বেগম বলেছেন ৩০০০ হাজার টাকা। অবশেষে চারটি ইলিশ তিনি কিনতে পেয়েছেন ৩২০০ টাকায়।

জাহানারা বার্তা২৪.কমকে বলেন, রোজায় মাছের দাম যতটা ছিল এখন তার চেয়েও অনেক বেশি। এভাবে দাম বাড়তে থাকলে মাছ কেনা কঠিন হয়ে যাবে। খুচরা বাজারের এমন নৈরাজ্যের দিকে প্রশাসনের নজর দেওয়া দরকার।

বিক্রেতা মোহাম্মদ আলী বার্তা২৪.কমকে বলেন, আমাদের কী করার আছে? আড়ৎ থেকে অতিরিক্ত মূল্যে মাছ নিতে হয়েছে। তারা কম দামে না দিতে পারলে আমাদেরও কম দামে দেওয়ার সুযোগ থাকে না। রোজার চেয়ে মাছের কেজি প্রতি দাম একটু বেশিই।

মাছের আড়তদাররা বলছেন দাম বৃদ্ধির অন্যতম কারণ বাজারজুড়ে মাছের আমদানি স্বল্পতা। একটি নির্দিষ্ট অঞ্চল থেকে মাছের আমদানি বন্ধ রয়েছে। সমুদ্রের মাছ আসছে না বাজারে। ফলে ব্যবসায়ীদের ভরসা কেবল মাছের খামারিরা। এতে ভরসা পাচ্ছেন না পাইকারি ব্যবসায়ীরা। কারণ মাছের পেটে ডিম আসায়, অনেক খামারিই মাছ ধরা কমিয়ে দিয়েছেন।

মাকসুদ আলম নামে এক পাইকারি মাছ ব্যবসায়ী বার্তা২৪.কমকে বলেন, চাহিদার তুলনায় মাছের আমদানি অনেক কম। আমদানি কম থাকলে দাম তো বাড়বেই। তবে জেলেদের থেকে সামুদ্রিক কিংবা নদীর মাছ আমদানি বাড়লে কমতে পারে মাছের দাম।

কারওয়ান বাজারের মাছের আড়তদার বিল্লাল হোসেন বলেন, আমরা এখন খামারিদের থেকে মাছ কিনছি। নদী বা সামুদ্রিক মাছ না আসা পর্যন্ত দাম কমবে না। মাছের দাম আরো বৃদ্ধি পেতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন :

পাঠাওয়ে ছাঁটাইয়ের নাটের গুরু ‘টপ অব মাইন্ড’

পাঠাওয়ে ছাঁটাইয়ের নাটের গুরু ‘টপ অব মাইন্ড’
রাইড শেয়ারিং প্রতিষ্ঠান পাঠাও এবং পাবলিক রিলেশন্স প্রতিষ্ঠান ‘টপ অব মাইন্ড’/ ছবি: সংগৃহীত

দেশীয় রাইড শেয়ারিং প্রতিষ্ঠান পাঠাওয়ের কর্মী ছাঁটাইয়ের নাটের গুরু মনে করা হচ্ছে পাবলিক রিলেশন্স (পিআর) প্রতিষ্ঠান ‘টপ অব মাইন্ড’। হঠাৎ করে প্রতিষ্ঠানটিতে ব্যাপক হারে কর্মী ছাঁটাইয়ের পেছনে এই পিআর প্রতিষ্ঠানটি কলকাঠি নাড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এদিকে বিনা নোটিশে ছাঁটাইয়ের কারণে বিপাকে পড়েছেন পাঠাওয়ের প্রায় ৩০০ কর্মী। যারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে স্বপ্ন নিয়ে পাঠাওয়ে যোগদান করেছিলেন। কিন্তু হঠাৎ চাকরি চলে যাওয়ায় তারা এখন বেকার। এখন তাদের পুরনো প্রতিষ্ঠানে ফেরার পথও বন্ধ।

চলতি সপ্তাহের শুরুতে হঠাৎ করেই কমপক্ষে ৩০০ কর্মীকে ছাঁটাই করে পাঠাও। এরপরেই প্রতিষ্ঠানটি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয় বিভিন্ন মহলে। ছাঁটাইয়ের তালিকায় আছেন পাঠাও ফুড এন্ড রাইড কোর সার্ভিসের প্রধান। তার হাতেও অব্যাহতিপত্র ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

পাঠাওয়ের চাকরিচ্যুত কর্মীদের অভিযোগ, পিআর প্রতিষ্ঠান ‘টপ অব মাইন্ডে’র বুদ্ধি, পরামর্শ ও সার্বিক তত্ত্বাবধানের মধ্যদিয়ে এই ছাঁটাই কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। বিশেষ করে কর্মী ছাঁটাই করে প্রতিষ্ঠানের ব্যয় সংকোচন হবে, কিংবা ব্যবসায়িক বিকাশের নতুন যুগে প্রবেশের অংশ হিসেবে ‘কৌশলগত নীতি’ হিসেবে কর্মী ছাঁটাই করতে হবে- এমন সব পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ‘টপ অব মাইন্ড’ থেকে।

তবে পাঠাওয়ের কর্মী ছাঁটাইকে ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকেও ব্যাখা করেছেন কেউ কেউ। পাঠাওয়ের অর্থবিভাগ সূত্রে জানা যায়, পাঠাওয়ে বিদেশি একটি প্রতিষ্ঠান থেকে বড় বিনিয়োগ আসার কথা ছিল। কিন্তু সে বিনিয়োগ পরবর্তীতে আটকে যায়। বিভিন্ন কারণে পাঠাওয়ের উপর থেকে আস্থা হারিয়ে বিনিয়োগকারী কেটে পড়েছে। ফলশ্রুতিতে পাঠাও কর্তৃপক্ষকে বাধ্য হয়ে কর্মী ছাঁটাইয়ের মতো সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

রাইড শেয়ারিং প্রতিষ্ঠানগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে যখন সরকার তাদের লাইসেন্স প্রদানের উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে, তখনই পাঠাও তাদের ৩০০ কর্মী ছাটাই করল। সরকারের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের নিরুৎসাহিত করে থাকতে পারে বলে মনে করছেন কোনো কোনো শিল্প বিশ্লেষক। এছাড়া বিশ্বব্যাপী রাইড শেয়ারিং রাজস্ব মডেল নিয়ে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তাও একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

কিন্তু পাঠাও ছেড়ে আসা কর্মীরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাদের মতে, পাঠাওয়ের অন্যতম শীর্ষ ব্যবসায়ীক সহযোগী ইন্দোনেশিয়ার রাইড শেয়ারিং প্রতিষ্ঠান গো-জেক। রাইড শেয়ারিং খাতে সরকারের সংস্কার কার্যক্রমে কী আছে; সেটা না জেনেই তারা বিনিয়োগ থেকে সরে যাবেন, সেটা বিশ্বাসযোগ্য নয়। বরং পাঠাওয়ের দুর্বল আর্থিক ব্যবস্থাপনাই মূল সমস্যা। আর সেটি নিয়ে প্রতিবাদ করাতেই অনেককে শীর্ষ কর্মকর্তাদের রোষানলে পড়তে হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পাঠাওয়ের সাবেক একজন কর্মী বলেন, ফলাফল নিয়ে দারুণ অনিশ্চয়তা থাকা সত্ত্বেও পাঠাও প্রচারণার ক্ষেত্রে প্রচুর অর্থ খরচ করেছে। টিভি বিজ্ঞাপনে দুই  কোটি টাকা খরচ, বিপিএল টুর্নামেন্টে স্পন্সরশিপ ও প্রচারণা বাবদ দেড় কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে।

সেই তুলনায় লাভ করা সম্ভব হয়নি। অথচ প্রচারণার পেছনে এই বিশাল ব্যয় করা হয়েছে পিআর এজেন্সি টপ অব মাইন্ড-এর প্রেসক্রিপশনে। প্রচারণায় জন্য বিপুল অর্থ ব্যয়, তার ফলাফল নিয়ে পাঠাওয়ের বেশকিছু কর্মকর্তার মধ্যে মতবিরোধ ছিল। তর্ক-বিতর্কও হয়। মতবিরোধের কারণে অনেকে আক্রোশের শিকার হন।

চাকরিচ্যুতির চিঠি যেদিন দেওয়া হয়, সেদিনের ঘটনার বিবরণ দিয়ে পাঠাও ছেড়ে আসা দুই কর্মকর্তা বলেন, ‘সেদিন হঠাৎ করেই পাঠাও অফিসে নিরাপত্তা কর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখে কর্মীদের মধ্যে একটা চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এক পর্যায়ে সব ধরনের অভ্যন্তরীণ যোগযোগ অকার্যকর করে যারা চাকরিচ্যুত হতে যাচ্ছেন, তাদেরকে আলাদা করা হয়।’

‘এরপর তাদের হাতে চাকরিচ্যুতির চিঠি তুলে দিয়ে তখনই অফিস প্রাঙ্গণ ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়। আর পুরো কার্যক্রমটির তদারকিতে ছিলেন পাঠাওয়ের শীর্ষ সারির কয়েকজন কর্মকর্তা ও পাবলিক রিলেশন এজেন্সি ‘টপ অব মাইন্ড’। চাকরিচ্যুতদের প্রতিষ্ঠানের দেওয়া বিভিন্ন ডিভাইস ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে ব্যক্তিগত দেনা পাওনা মেটাতে পরবর্তীতে যোগাযোগের জন্যও বলা হয়।’

‘টপ অব মাইন্ডে’র বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির সিইও জিয়াউদ্দিন আদিল বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘পাঠাও এর কর্মী ছাঁটাইয়ের ব্যাপারে টপ অব মাইন্ড কোনোভাবে জড়িত না।’

পিআর এজেন্সি টপ অব মাইন্ড এর অন্যতম সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘মাস্টহেড পিআর’। বর্তমানে দেশি ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পক্ষে জনসংযোগ ও গণমাধ্যমের সঙ্গে সমন্বয়ের কাজ করে থাকেন টপ অব মাইন্ড ও মাস্টহেড পিআর। আর এজন্য তাদেরকে অধিক চার্জও দিতে হয় সেবা নেওয়া প্রতিষ্ঠাগুলোকে।

মেয়েকে কোটি টাকার শেয়ার উপহার দিলেন অর্থমন্ত্রী

মেয়েকে কোটি টাকার শেয়ার উপহার দিলেন অর্থমন্ত্রী
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ও তার মেয়ে নাফিসা কামাল, ছবি: সংগৃহীত

মেয়ে নাফিসা কামালকে কোটি টাকার শেয়ার উপহার দিলেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এশিয়া প্যাসিফিক জেনারেল ইনস্যুরেন্স কোম্পানির অন্যতম উদ্যোক্তা তিনি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসইর তথ্য মতে, অর্থমন্ত্রীর কাছে এশিয়া প্যাসিফিক ইনস্যুরেন্সের ৮ লাখ ৪৭ হাজার শেয়ার ছিল। তিনি গত ১৯ জুন সেই শেয়ার থেকে ৩ লাখ ৯০ হাজার শেয়ার উপহার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। যার বাজারমূল্য ১ কোটি ৪ লাখ ৫২ হাজার টাকার বেশি। বুধবার কোম্পানির শেয়ারের দাম ছিল ২৬ টাকা ৬০ পয়সা।

সিকিউরিটিজ আইন অনুযায়ী তালিকাভুক্ত কোম্পানির উদ্যোক্তা ও পরিচালকরা শেয়ার ক্রয়, বিক্রয় কিংবা হস্তান্তর করতে চাইলে ঘোষণা দিতে হয়। ঘোষণার পর মেয়ে নাফিসা কামালকে শেয়ার উপহার দেওয়ার প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়েছে। এর ফলে এশিয়া প্যাসিফিক ইনস্যুরেন্সে নাফিসা কামালের ধারণ করা শেয়ারের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ ৪৯ হাজার ৮০০টি।

বেসরকারি খাতের এই সাধারণ বিমা কোম্পানিটি ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। অর্থমন্ত্রী ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। তিনি একাধারে ২০০০ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত টানা ১০ বছর চেয়ারম্যান হিসেবে ছিলেন।

বর্তমানে মুস্তফা কামালের স্ত্রী কাসমিরী কামাল এ কোম্পানির ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া তার দুই মেয়ে কাসফি কামাল ও নাফিসা কামাল এ কোম্পানির পরিচালক পদে রয়েছেন।

২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বরের তথ্যানুযায়ী, এ কোম্পানির ৪০ লাখ ১০ হাজার ৮০০ শেয়ারের মালিকানা রয়েছে অর্থমন্ত্রীর পরিবারের হাতে, যা কোম্পানির মোট শেয়ারের ৯ দশমিক ৪৭ শতাংশ।

বর্তমানে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে মোট ৪২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে ৩০ দশমিক ২০ শতাংশ এবং ২৭ দশমিক ৮ শতাংশ শেয়ার।

২০১৮ সালের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে এশিয়া প্যাসিফিক। সে সময় এ কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১ টাকা ৫৭ পয়সা। চলতি হিসাব অনুযায়ী বছরের প্রথম প্রান্তিকে এই কোম্পানির ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৮১ পয়সা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র