Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ডিএসইতে প্রধান সূচক ৪৪, সিএসইতে বেড়েছে ৯৭ পয়েন্ট

ডিএসইতে প্রধান সূচক ৪৪, সিএসইতে বেড়েছে ৯৭ পয়েন্ট
ছবি: বার্তা২৪
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার (১১ জুন) প্রধান সূচক ও লেনদেনে বেড়ে শেষ হয়েছে এ দিনের লেনদেন কার্যক্রম। এদিন ডিএসইতে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৪৪ পয়েন্ট এবং সিএসইতে সিএসসিএক্স বেড়েছে ৯৭ পয়েন্ট।

এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫৭৮ কোটি ৬৮ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪৮৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। আর সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪৮ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৭৭ কোটি ১৭ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

ডিএসই ও সিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক বাড়ে। লেনদেনের শুরু হয় সাড়ে ১০টায়, শুরুতেই সূচক বেড়ে যায়। প্রথম ১০ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক বাড়ে ১৪ পয়েন্ট। এরপর থেকে সূচক একটানা বাড়তে থাকে। বেলা ১০টা ৫০ মিনিটের পর সূচক ২৩ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১০টা ৫৫ মিনিটে সূচক বাড়ে ২৫ পয়েন্ট। আর বেলা ১১টায় সূচক ৩১ পয়েন্ট বাড়ে এবং বেলা আড়াইটায় লেনদেন শেষে ডিএসইএক্স সূচক ৪৪ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৪৭৫ পয়েন্টে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ২০ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ৯২১ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১২ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ২৪৪ পয়েন্টে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫৭৮ কোটি ৬৮ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড।

লেনদেন শেষে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ২২৪টির, কমেছে ৭৫ এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫৩টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

মঙ্গলবার দাম বৃদ্ধির ভিত্তিতে ডিএসই’র শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে- ইউনাইটেড পাওয়ার, জেএমআই সিরিঞ্জ, বিবিএস কেবল, স্কয়ার ফার্মা, খুলনা পাওয়ার, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, ব্র্যাক ব্যাংক, ইস্টার্ন হাউজিং, নিউ লাইন এবং ডোরিন পাওয়ার।

সিএসই

অন্যদিকে, লেনদেন শেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক (সিএসইএক্স) ৯৭ পয়েন্ট বেড়ে ১০ হাজার ১৬০ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ১২৩ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ৫২১ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ১৫৮ পয়েন্ট বেড়ে ১৬ হাজার ৭৭৩ পয়েন্টে অবস্থান করে।

লেনদেন শেষে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪৮ কোটি ৯৯ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

এদিন দাম বাড়ার ভিত্তিতের সিএসই’র শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- কাশেম ইন্ডাস্ট্রিজ, প্রাইম লাইফ ইন্স্যুরেন্স, আমরা টেকনোলজি, মেঘনা সিমেন্ট, এমারেল্ড অয়েল, এপেক্স স্পিনিং, প্রিমিয়ার সিমেন্ট, আইটিসি, এপেক্স ফুড এবং সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স।

আপনার মতামত লিখুন :

বিনিয়োগকারীদের পুঁজি নেই আরও ৮ হাজার কোটি টাকা

বিনিয়োগকারীদের পুঁজি নেই আরও ৮ হাজার কোটি টাকা
ছবি: সংগৃহীত

বেশির ভাগ দিন দরপতনের মধ্য দিয়ে নতুন আরও এক সপ্তাহ পার করল দেশের পুঁজিবাজার। আলোচিত সপ্তাহে (১৪ জুলাই থেকে ১৮ জুলাই) তিন দিন সূচকের উত্থান আর দু’দিন পতন হয়েছে।

ফলে দুই পুঁজিবাজারেই সূচক লেনদেন ও বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। আর তাতে নতুন করে বিনিয়োগকারীদের পুঁজি অর্থাৎ বাজার মূলধনও কমেছে প্রায় আট হাজার কোটি টাকা।

এর মধ্যে প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বিনিয়োগকারীদের পুঁজি কমেছে চার হাজার ৩২৭ কোটি ৪৩ লাখ আট হাজার ৫৩১ টাকা। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) বিনিয়োগকারীদের মূলধন কমেছে তিন হাজার ৬১৬ কোটি ৪৯ লাখ টাকা।

এর আগের সপ্তাহের টানা পাঁচ দিন সূচক পতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন হয়েছিল। সেই সময় বিনিয়োগকারীদের মূলধন কমেছিল সাড়ে ২১ হাজার কোটি টাকা।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পুঁজিবাজার ভালো হবে, বিনিয়োগকারীদের এ প্রত্যাশার ছিটেফোঁটাও পূরণ হচ্ছে না। বরং ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাজেট পাসের পর থেকে আবার নগদ লভ্যাংশ দেওয়ার পরিবর্তে কোম্পানিগুলো আগামীতে ‘নো ডিভিডেন্ট’ ঘোষণা করবে—এমন গুজব ও ব্যাংক এবং আর্থিক খাতের দূরাবস্থার খবরে হতাশা বিরাজ করছে পুঁজিবাজারে।

পাশাপাশি সুশাসনের অভাবে বাজারে পুঁজিবাজারে দরপতন অব্যাহত রয়েছে বলেও অভিযোগ বিনিয়োগকারীদের। এছাড়াও গ্রামীণফোনের দেনা-পাওনা নিয়ে বিটিআরসির সঙ্গে দ্বন্দ্ব এবং পিপলস লিজিং কোম্পানির অবসায়ন ঘোষণায় নতুন করে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ও তারল্য সঙ্কট তৈরি হয়েছে। পুঁজি ফিরে পাওয়ার পরিবর্তে নতুন করে পৌনে ২৭ লাখ বিনিয়োগকারীদের প্রায় আট হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

ফলে নতুন করে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে। নতুন করে সৃষ্ট দরপতনের ফলে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের হাহাকার বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই তারা দরপতনের প্রতিবাদে সপ্তাহ জুড়ে মতিঝিলের রাস্তায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর দফতরে ১৫ দফার একটি স্মারকলিপিও দিয়েছে।

বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের সপ্তাহের চেয়ে ৯১ পয়েন্ট কমে পাঁচ হাজার ১৩০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএস-৩০ সূচক ২৮ পয়েন্ট কমে এক হাজার ৮২৯ পয়েন্ট এবং ডিএসইএস সূচক কমে ১৮ পয়েন্ট কমে এক হাজার ১৭৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৬৬ কোম্পানির শেয়ারের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, কমেছে ২৭৩টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ১৫টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। এর আগের সপ্তাহে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ৬০টির, কমেছে ২৮১টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ১৩ কোম্পানির শেয়ারের দাম।

সূচক ও বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমার পাশাপাশি বিদায়ী সপ্তাহের চেয়ে লেনদেন ৪৬৭ কোটি টাকা কমেছে। গত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৬৩৬ কোটি ৭৭ লাখ ২৮ হাজার ৭৯৬ টাকা। এর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল দুই হাজার ১১২ কোটি ৮৭ লাখ ৫৪ হাজার ৩৮ টাকা।

সিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৬৯টির, কমেছে ২৩৪টির, আর অপরিবর্তিত রয়েছে ১১ কোম্পানির শেয়ারের দাম। তাতে সিএসইর প্রধান সূচক ২৪৮ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৭২৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর তাতে গত সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে ৮৯ কোটি ৪৭ লাখ ১৫ হাজার ৯৫২ টাকা।

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না বিমা কোম্পানি

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না বিমা কোম্পানি
ছবি: সংগৃহীত

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না সাধারণ বিমা কোম্পানিগুলো।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির চেয়ারম্যান ও মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তরা বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের বৈঠকে (আইডিআরএ) অঙ্গীকার করেছেন।

আইডিআরএ চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান পাটোয়ারির সভাপতিত্বে বৈঠকে আইডিআরএ’র সদস্য, পরিচালক এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্সে অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট শেখ কবির হোসেনসহ কোম্পানির চেয়ারম্যান, এমডি এবং মুখ্য নির্বাহীরা ১৫ শতাংশের অধিক কমিশন বন্ধে দৃঢ় প্রত্যয় এবং কর্তপক্ষের সার্কুলারের সাথে পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন।

সভায় শেখ কবির হোসেন আইডিআরএ’র নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য বিমা কোম্পানিগুলোর চেয়ারম্যান ও নির্বাহীদের আন্তরিকতা প্রদর্শনে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘এখন থেকে কোনো নন-লাইফ বিমাকারী ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন প্রদান করে ব্যবসা করবে না।’

সভায় আইডিআরএ চেয়ারম্যান বলেন, ‘সকলের এ কার‌্যকর এবং সম্মিলিত উদ্যোগের ফলে বিমা শৃঙ্খলা ও সুষ্ঠুবাজার ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র