Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বাংলাদেশিদের পদচারণায় জমজমাট কলকাতার ঈদ বাজার

বাংলাদেশিদের পদচারণায় জমজমাট কলকাতার ঈদ বাজার
বাংলাদেশিদের পদচারণায় জমজমাট কলকাতার ঈদ বাজার
ইসমাঈল হোসাইন রাসেল
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

কলকাতা ঘুরে: রমজান শেষেই মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর। তাইতো দেশের শপিংমলের পাশাপাশি বাংলাদেশি ক্রেতাদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে কতকাতার ঈদবাজার। কলকাতার নিউমার্কেট, পার্ক স্ট্রিট, গড়িয়াহাট, ধর্মতলা, রাজাবাজার, বড় বাজার, পার্ক সার্কাস, সিটি মার্ট, সিটি সেন্টার,- সর্বত্রই এখন পুরোদমে চলছে ঈদের কেনাকাটা। যাতায়াত ও ভিসা সহজলভ্য হওয়ায় কলকাতার মার্কেটগুলোতে ভিড় জমান বাংলাদেশিরা।

কলকাতার মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, নারীদের পোশাক, আর জুতার মার্কেটে ক্রেতাদের ভিড় সবচেয়ে বেশি। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কেনাকাটায় ব্যস্ত সময় পাড় করছেন ক্রেতারা। বিশেষ করে নিউমার্কেটে বাংলাদেশি ক্রেতাদের ভিড় সবচেয়ে বেশি। অনেক ক্ষেত্রে কেনাকাটায় স্থানীয়দেরও ছাড়িয়ে যাচ্ছেন তারা।

নিউমার্কেট এরিয়ায় মেয়েদের জনপ্রিয় পোশাকের দোকান মিলানে গিয়ে দেখা গেছে, দোকানগুলোতে ভারতীয় অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গের মুসলিম ক্রেতার সংখ্যা বাংলাদেশি ক্রেতার সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশি। বাংলাদেশি যেসব ক্রেতারা সেখানে যাচ্ছেন তারা একসঙ্গে অনেক পোশাক কিনছেন। দাম কিছুটা কম হওয়ায় এখানে পোশাকের চাহিদা অনেক বেশি বলে ক্রেতারা জানান।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/24/1558678670809.jpg

মিলানের বিক্রেতা অভিষেক বার্তা২৪.কমকে বলেন, আমাদের এই দোকান থেকে প্রতিদিন অনেক পোশাক বিক্রি হয়। বাংলাদেশ থেকে যারা আসেন তারাও অনেক ড্রেস কিনে নিয়ে যান। তবে এখানকার মানুষরাও মিলানে পোশাক কিনতে আসেন। আমরা অনেক ছাড় দিয়ে বিক্রি করি, তাই বাংলাদেশি ক্রেতারা এখানেই বেশি আসেন।

কলকাতার বৃহত্তর জুতার মার্কেট শ্রীলেদার্স ঘুরে দেখা গেছে, নিউমার্কেটের সামনে শ্রীলেদার্স-এর দোতলা শো-রুমটিতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। যারমধ্যে অনেকেই বাংলাদেশি। ঘুরে ঘুরে অনেকেই পছন্দের জুতা কিনে নিচ্ছেন। কেউ আবার দেশে থাকা পরিবারের সদস্যদের ভিডিওকলের মাধ্যমে জুতার মডেল দেখিয়ে পছন্দেরটি বাছাই করছেন।

শ্রীলেদার্সে জুতা কিনতে আসা ধানমন্ডির বাসিন্দা নাহিদ শাওন বার্তা২৪.কমকে বলেন, চিকিৎসা সংক্রান্ত কারণে কলকাতায় এসেছি। এরই মাঝে কিছুটা ঈদের কেনাকাটা সেরে নিচ্ছে। বাংলাদেশের চেয়ে এখানে ভালো মানের জুতা কিছুটা কম দামে পাওয়া যায়। আর শ্রীলেদার্স ভালো ব্র্যান্ড, তাই পরিবারের সদস্যদের জন্য পছন্দ করে জুতা কিনে নিচ্ছি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/24/1558678691590.jpg

বাজার কলকাতার শোরুমেও বাড়তি ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দোতলা এই শোরুমটিতে ক্রেতাদের সমাগম রয়েছে চোখে পড়ার মতো। নারী-পুরুষ, শিশু সবার জন্যই রকমারি পোশাক মিলছে এখানে। দামও অন্যান্য জায়গার তুলনায় অনেকটাই কম। বাজার কলকাতায় কেনাকাটা করতে আসা বাংলাদেশি শামীম পাটোয়ারী বার্তা২৪.কমকে বলেন, কেনাকাটার জন্যই স্ত্রীকে নিয়ে কলকাতায় এসেছি। অন্যান্য জায়গার চেয়ে বাজার কলকাতায় স্বল্প মূল্যে অনেক ভালো মানের পোশাক পাওয়া যায়। আগেও এখান থেকে কেনাকাটা করেছি, তাই এবার স্ত্রীকে নিয়েও এখানে এসেছি। সবার জন্যই এখান থেকে কেনাকাটা করছি।

নিউমার্কেট, সিটি মার্ট, সিটি সেন্টারসহ শপিংমলগুলোতে শাড়ির দোকানেও রয়েছে উপচে পড়া ভিড়। স্বল্প মূল্য ভালো মানের ভারতীয় শাড়ি মিলছে শপিংমলগুলোতে। ঈদে কেন্দ্রীক কেনাকাটায় শাড়ির দোকানগুলো যোগ করছে ভিন্ন মাত্রা। অনেক দোকানে ক্রেতাদের শাড়ি দেখতেই দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। দাম যাই হোক মানের ক্ষেত্রে ছাড় দিতে রাজি নন ক্রেতারা।

কলকাতায় ঘড়ির বিখ্যাত ব্র্যান্ড ‘ফাস্টট্র্যাক‌‌' শোরুমে চলছে ২০ শতাংশ ছাড়। সেখানেও বাড়তি ক্রেতা সমাগম লক্ষ্য করা গেছে। ঢাকার মতিঝিল থেকে আগত শামিম আহমেদ বার্তা২৪.কমকে বলেন, আমাদের দেশের এই ব্র্যান্ডের ঘড়ির দাম অনেক বেশি। কিন্তু এখানে দাম কিছুটা কম। তার উপরে চলছে ২০ শতাংশ ছাড়। আর ঈদের নতুন পোশাকের পাশাপাশি নতুন ঘড়িও নেয়া হয়, তাই  ‘ফাস্টট্র্যাক‌‌'-এর দুটি ঘড়ি নিলাম। ঘড়ির ওয়ারেন্টিতে বাংলাদেশেও রিপেয়ারিংয়ের সুযোগের বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে, তাই এখান থেকে নিলেও দেশে বসেই সার্ভিস নেয়া যাবে।

শোরুমের পাশাপাশি ভিড় রয়েছে ফুটপাতের দোকানগুলোতে। বিশেষ করে নারীদের গলার হার, মালা, হাতের চুড়ির দোকানগুলো ক্রেতাসমাগম অনেক বেশি। এছাড়াও নারীদের জামা-পাজামা, পুরষদের শার্ট-প্যান্ট-টিশার্টের দোকানেও ক্রেতা সমাগম চোখে পড়ার মতো।

কলকাতার নিউমার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির হিসাব অনুযায়ী, ঈদের সময়ে আগে নিউমার্কেট অঞ্চলে ঈদ কেনাকাটার প্রায় অর্ধেক ক্রেতাই হচ্ছেন বাংলাদেশি। বর্তমানে গড়ে প্রায় প্রতিদিন কয়েক হাজার বাংলাদেশি ক্রেতা বিভিন্ন জিনিস কেনার জন্য ভিড় জমাচ্ছেন নিউমার্কেট এলাকায়। বিশেষ করে বাংলাদেশ থেকে আসা একশ্রেণির উঠতি প্রজন্ম ফ্যাশনেবল কেনাকাটায় আগ্রহ দেখাচ্ছেন। সে ক্ষেত্রে নিউমার্কেট ছাড়াও ঈদ কেনাকাটার ভীড় ছড়িয়ে পড়েছে কলকাতার বিভিন্ন নামিদামি শপিংমলে।

কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার ব্যবসায়ীদের দাবি, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবারের ঈদবাজার অনেকটাই ভালো। বিশেষ করে বাংলাদেশি ক্রেতার সংখ্যা প্রতিবছরই উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

 

আপনার মতামত লিখুন :

ডিএসইতে প্রধান সূচক কমেছে ৬৭ পয়েন্ট, সিএসইতে ১১৫

ডিএসইতে প্রধান সূচক কমেছে ৬৭ পয়েন্ট, সিএসইতে ১১৫
ছবি: সংগৃহীত

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (২২ জুলাই) সূচকের পতন প্রবণতায় শেষ হয়েছে লেনদেন কার্যক্রম। এদিন ডিএসইতে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৬৭ পয়েন্ট এবং সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স কমেছে ১১৫ পয়েন্ট।

ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪৬৪ কোটি ১৮ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৩৬৮ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। আর সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২১ কোটি ১৭ লাখ টাকা। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ১৭ কোটি ১০ লাখ শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

ডিএসই ও সিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক বাড়ে। লেনদেনের শুরু হয় সকাল সাড়ে ১০টায়, শুরুতেই সূচক কমে যায়। প্রথম ৫ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক বাড়ে ১৯ পয়েন্ট। সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে সূচক বাড়ে ৯ পয়েন্ট। এরপর থেকে সূচক একটানা কমতে থাকে। সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে সূচক নেতিবাচক হতে থাকে। এ সময়ে সূচক কমে ৬ পয়েন্ট। সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক ২৪ পয়েন্ট কমে যায়। সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে সূচক ৪০ পয়েন্ট কমে যায়।

বেলা ১১টায় সূচক কমে ৫৮ পয়েন্ট এবং বেলা সোয়া ১১টায় ডিএসইএক্স ৯২ পয়েন্ট কমে। দুপুর ১২টায় সূচক ৬৯ পয়েন্ট, দুপুর ১টায় সূচক ৭৭ পয়েন্ট, দুপুর ২টায় সূচক ৮১ পয়েন্ট কমে এবং দুপুর আড়াইটায় লেনদেন শেষে ডিএসইএক্স সূচক ৬৭ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৯৬৬ পয়েন্টে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ২৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ৭৭৬ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১৮ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ১৩৯ পয়েন্টে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৪৬৪ কোটি ১৮ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড।

লেনদেন শেষে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ৬০টির, কমেছে ২৭৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৬টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

দাম বৃদ্ধির ভিত্তিতে ডিএসই’র শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে- ফরচুন সু, স্কয়ার ফার্মা, ইউনাইটেড পাওয়ার, ফেডারেল ইন্স্যুরেন্স, সি পার্ল বিচ অ্যান্ড রিসোর্ট, সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ, মুন্নু সিরামিকস, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স, গ্রামীণ ফোন এবং ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো লিমিটেড।

সিএসই

অন্যদিকে, লেনদেন শেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক (সিএসইএক্স) ১১৫ পয়েন্ট কমে ৯ হাজার ২৫৭ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ১১২ পয়েন্ট কমে ১৩ হাজার ৫৮৭ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ২০০ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ২১৫ পয়েন্টে অবস্থান করে।

লেনদেন শেষে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২১ কোটি ১৭ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

এদিন দাম বাড়ার ভিত্তিতের সিএসইর শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- পিএফ ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, এইএমএল আইবিবিএল ফার্স্ট সভরেন ফান্ড, আইসিবি সোনালী ফার্স্ট, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, মুন্নু সিরামিকস, কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স, ইন্ট্রাকো, জিকিউ বলপেন, তুংহাই নিটিং এবং জিএসপি ফাইন্যান্স।

ঈদে বিকাশে কেনাকাটায় ২০% ক্যাশব্যাক

ঈদে বিকাশে কেনাকাটায় ২০% ক্যাশব্যাক
বিকাশ, ছবি: সংগৃহীত

প্রতিবারের মত এবারও ঈদের উৎসবকে আরো রাঙিয়ে দিতে প্রায় সব ধরনের কেনাকাটায় গ্রাহকদের জন্য ২০ শতাংশ পর্যন্ত ক্যাশব্যাক অফার নিয়ে এসেছে দেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশ। লাইফস্টাইল অনুষঙ্গ, ই-কর্মাস, সুপার স্টোর, ছোট ছোট মার্চেন্ট পয়েন্ট, রেস্টুরেন্ট ক্যাফেতেই শুধু নয়, ঈদযাত্রাকে আরো আনন্দময় করতে এবারই প্রথম বাস, ট্রেন, লঞ্চের টিকেটেও ক্যাশব্যাক দিচ্ছে বিকাশ।

১৮ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই অফারগুলো চলবে ১২ আগস্ট পর্যন্ত, রেস্টুরেন্ট ও ক্যাফের ক্ষেত্রে ১৮ আগস্ট পর্যন্ত। অ্যাপ এবং পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে পেমেন্ট করেই ক্যাশব্যাক অফার নেয়া যাবে।

লাইফস্টাইল ও ই-কর্মাস:

ঈদকে সামনে রেখে ৭০০টি’র বেশি ব্র্যান্ডের ৩ হাজার ৮০০ টির বেশি আউটলেটে ২০ শতাংশ পর্যন্ত এই ক্যাশব্যাক সুবিধা মিলছে । পোশাক, অন্যান্য অনুষঙ্গ, ইলেকট্রনিক্স পণ্যের আউটলেট রয়েছে এই তালিকায়। দারাজ, অথবা, রবিশপ, রকমারি, সেবা, বাগডুম, বইবাজার, ইভ্যালি, প্রিয়শপসহ জনপ্রিয়  ইকর্মাস সাইটগুলো রয়েছে এই ক্যাশব্যাক অফারের তালিকায়।

লাইফস্টাইল ক্যাটাগরিতে একজন ক্রেতা একদিনে সর্বোচ্চ ৫০০ এবং ই কর্মাসের ক্ষেত্রে একদিনে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা এবং অফার চলাকালীন দুই ক্যাটাগরি মিলিয়ে সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা ক্যাশব্যাক এর সুবিধা পেতে পারেন।

বড় দোকান ও ব্র্যান্ড এর পাশাপাশি সারা দেশে ৬ হাজারের বেশি ছোট ছোট মার্চেন্ট পয়েন্টের জন্য ক্যাশব্যাক অফার দিচ্ছে বিকাশ। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য থেকে শুরু করে লাইফস্টাইল অনুষঙ্গসহ নানান পণ্যের বিক্রেতারা আছেন এই তালিকায়। ২৭ জুলাই থেকে ১২ আগস্ট এসব মার্চেন্ট পয়েন্টে এক হাজার টাকা বিকাশ পেমেন্টে একদিনে মিলবে ৫০ টাকা ক্যাশব্যাক। অফার চলাকালীন একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ ২০০টাকা ক্যাশব্যাক নিতে পারবেন এই ক্যাটাগরিতে।

সুপারশপ:

কোরবানির এই ঈদকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনেও গ্রাহক পেতে পারেন বিকাশের ক্যাশব্যাক। স্বপ্ন, ডেইলি শপিং, অ্যাগোরা, মীনা বাজার, ডেইলি সুপার স্টোর, প্রিন্স বাজার, ওয়ানস্টপ সুপার শপ, কৃষিবিদ বাজার, আমানা বিগ বাজার, ট্রাস্ট ফ্যামিলি নিড শপ, নন্দন মেগা শপ এবং এমআর এন্টারপ্রাইজে  এক হাজার টাকা বিকাশ পেমেন্টে একদিনে ১০০ টাকা ক্যাশব্যাক পাওয়া যাবে। অফার চলাকালীন একজন ক্রেতা এই ক্যাটাগরিতে সর্বোচ্চ ৩০০টাকা ক্যাশব্যাক নিতে পারবেন।

রেস্টুরেন্ট ও ক্যাফে:

১৮ জুলাই থেকে ১৮ আগস্ট  বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট-এ বিকাশ ক্যাশব্যাক অফারের আওতায় একদিনে সর্বোচ্চ ৩৫০ এবং ক্যাম্পেইন চলাকালীন সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা ক্যাশব্যাক এর সুযোগ নিতে পারছেন একজন গ্রাহক।

টিকিট কেনা:

প্রথমবারের মত লঞ্চ, বাস ও ট্রেনের টিকিটে ৫ শতাংশ ক্যাশব্যাক দিচ্ছে বিকাশ। ১৮ জুলাই থেকে ১৮ আগস্ট অ্যাপ অথবা পেমেন্ট গেটওয়ে থেকে টিকেট কেটে একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ ৫০টাকা ক্যাশব্যাক পেতে পারেন।

বিকাশ অ্যাপে পেমেন্ট করতে অ্যাপের হোম স্ক্রিন থেকে মেক পেমেন্ট নির্বাচন করে মার্চেন্ট এর নম্বর দিয়ে পেমেন্ট করা যাবে অথবা খুব সহজে ছজ কোড স্ক্যান করে পেমেন্ট করা যাবে।

এই অফারের আওতাভুক্ত ব্র্যান্ড এবং আউটলেটের বিস্তারিত তালিকা পাওয়া যাবে: www.bkash.com/payment এবং Facebook page:  www.facebook.com/bkashlimited।

ব্র্যাক ব্যাংক, যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক মানি ইন মোশন, বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপের অর্ন্তগত ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স কর্পোরেশন, বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন এবং অ্যান্ট ফিনান্সিয়াল এর যৌথ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বিকাশ, ২০১১ সাল থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়ন্ত্রিত পেমেন্ট সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিভিন্ন ধরনের মোবাইল/ডিজিটাল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস দিয়ে আসছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র