Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

চেক পয়েন্ট সিস্টেমসের ৪০ কোটি কর ফাঁকি

চেক পয়েন্ট সিস্টেমসের ৪০ কোটি কর ফাঁকি
ছবি: সংগৃহীত
মাহফুজুল ইসলাম
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট


  • Font increase
  • Font Decrease

বন্ডেড সুবিধার অপব্যবহার করে খোলাবাজারে পণ্য বিক্রি করার অভিযোগে চেক পয়েন্ট সিস্টেমসের বিরুদ্ধে ৪০ কোটি ২৭ লাখ টাকার কর ফাঁকির মামলা করেছে কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট, ঢাকা। কোম্পানিটি নারায়ণগঞ্জের আদমজী ইপিজেডে অবস্থিত।

বিষয়টি বার্তা২৪.কম-কে নিশ্চিত করেছেন সহকারী কমিশনার মো. আল আমিন। বৃহস্পতিবার (১৬ মে) তিনি বলেন, আমদানিকৃত পণ্য অবৈধ অপসারণপূর্বক চোরাই পথে খোলাবাজারে বিক্রির অভিযোগে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলাসহ দাবিমানা জারি করা হয়েছে।

কমিশনার আল আমিন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ২ মার্চ ঢাকা কাস্টমসের উপ-কমিশনার মোহাম্মদ নাজিউর রহমান মিয়ার নেতৃত্বে একটি প্রিভেন্টিভ দল প্রতিষ্ঠানটি সরেজমিন পরিদর্শন করেন।

এসময় কাস্টমস কর্মকর্তারা প্রতিষ্ঠান প্রতিনিধিগণের উপস্থিতিতে বন্ডেড ওয়্যারহাউজে মজুদ কাঁচামালের মজুদ যাচাই করেন। পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানটির বন্ড রেজিস্টার, আমদানি-রফতানি তথ্য আড়াআড়ি যাচাই করা হয়।

পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে বন্ড সুবিধায় আমদানিকৃত কাঁচামালের মধ্যে সিগনালিং এপারেটাস ২ হাজার ৯৩ লাখ ৬৭৭ কেজি, পেপার ও পেপার বোর্ড ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৯৮ কেজি, থার্মাল ট্রান্সফার রিবন ১১ হাজার ৫৩৯ কেজি, স্ট্রিং ১ হাজার ৭২৫ কেজি, সেলফ এডহেসিভ পেপার ১৩ হাজার ১৫৭ কেজি, প্রিন্টিং ইনক ৪২ হাজার ৮৫ কেজি এবং রিবন ৫ হাজার ১৬৭ কেজি মজুদ কম পাওয়া যায়। ফলে কাঁচামাল-পণ্য অবৈধভাবে অপসারণপূর্বক খোলাবাজারে বিক্রি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সহকারী কমিশনার বলেন, পণ্যের মোট শুল্কায়ন মূল্য ৯৮ কোটি ৯ লাখ ৭২ হাজার ৮১১ টাকা এবং ফাঁকিকৃত শুল্ক করের পরিমাণ ৪০কোটি ২৭ লাখ ১৭ হাজার ৫৪২ টাকা। ফাঁকিকৃত শুল্ক কর  আদায় ও দণ্ডমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে এ দফতর থেকে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গত ৮ মে দাবিনামা সম্বলিত কারণ দর্শানো নোটিশ জারি করা হয়েছে।

 

 

 

 

আপনার মতামত লিখুন :

সূচক বাড়ছে পুঁজিবাজারে

সূচক বাড়ছে পুঁজিবাজারে
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের পঞ্চম ও শেষ কার্যদিবসে সূচক বেড়ে চলছে দিনের লেনদেন।

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) সকাল ১১টা পর্যন্ত ডিএসই’র প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ২১ পয়েন্ট এবং সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স বেড়েছে ৪৬ পয়েন্ট।

এছাড়াও একই সময়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৭৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা এবং সিএসইতে লেনদেন হয়েছে এক কোটি ৬২ লাখ টাকা।

ডিএসই ও সিএসই’র ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই
এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক বাড়ে। লেনদেনের শুরু হয় সাড়ে ১০টায়, শুরুতেই সূচক কমে যায়। প্রথম ৫ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক বাড়ে ১৭ পয়েন্ট। এরপর থেকে সূচক বাড়ার প্রবণতা বাড়তে থাকে। বেলা ১০টা ৪০ মিনিটে সূচক বাড়ে ১৯ পয়েন্ট। বেলা ১০টা ৪৫ মিনিটে সূচক ১৮ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক ২১ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১০টা ৫৫ মিনিটে সূচক ২০ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১১টায় সূচক ২১ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৫ হাজার ২৪৪ পয়েন্টে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ৮ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ৮৪৯ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৪ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ২০৮ পয়েন্টে।

এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৮৯ কোটি ৯৩ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। একই সময়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৮২টির, কমেছে ৭৯টির এবং অপরিবর্তীত রয়েছে ৩৯টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

এদিন বেলা সোয়া ১১টা পর্যন্ত ডিএসইতে দাম বৃদ্ধি পাওয়া শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে— ইউনাইটেড পাওয়ার, ন্যাশনাল টিউবস, বেক্সিমকো লিমিটেড, ফরচুন সু, ওরিয়ন ফার্মা, ন্যাশনাল পলিমার, জেনেক্সিল, স্টান্ডার্ড সিরামিকস, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেন এবং মুন্নু সিরামিকস।

সিএসই
অন্যদিকে একই সময়ে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক (সিএসইএক্স) ৪৬ পয়েন্ট বেড়ে ৯ হাজার ৭৪৫ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ২৩ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ৫৫ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ৮১ পয়েন্ট বেড়ে ১৬ হাজার ৫৯ পয়েন্টে অবস্থান করে।

এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩ কোটি ৩৩ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

একই সময়ে দাম বাড়ার ভিত্তিতের সিএসই’র শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো—তাল্লু স্পিনিং, বিচ হ্যাচারি, বেক্স সিনথ, ফ্যামিলি টেক্সটাইল, কেয়া কসমেটিকস, অ্যাপোলো ইস্পাত, প্রাইম ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, সিএনএ টেক্সটাইল এবং আল আরাফা ব্যাংক।

এমডি খুঁজছে ডিএসই ও সিএসই

এমডি খুঁজছে ডিএসই ও সিএসই
পুঁজিবাজার ছবি: সংগৃহীত

ব্যবস্থাপনা পরিচালক অর্থাৎ (এমডি) খুঁজছে দেশের দুই পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে ডিএসই কর্তৃপক্ষ এমডি নিয়োগে পত্রিকার পাশাপাশি ডিএসইর ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

অন্যদিকে সিএসই দুই দফা বিজ্ঞাপন দেওয়ার পর এখনো তিন মাস সময় চেয়ে আবারও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের কাছে আবেদন করেছে এমডির খুঁজে।

দুই স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই সূত্র মতে, চলতি বছরের ১১ জুলাই ডিএসই’র এমডি পদ শূন্য হয়। গত ৭ আগস্ট ডিএসই কর্তৃপক্ষ নতুন এমডি নিয়োগের জন্য ডেইলি অবজারভার, প্রথম আলো পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে। তাতে আগামী ১ সেপ্টেম্বর রোববারের মধ্যে আবেদন করতে বলা হয়েছে।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ দুই দফা সময় বৃদ্ধির পর আবারও আবেদনের সময় বাড়ানোর জন্য কমিশনের কাছে আবেদন করেছে। বিষয়টি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে নিশ্চিত করেছেন সিএসই’র ভারপ্রাপ্ত এমডি গোলাম ফারুক।

আবেদনের জন্য ক্লিক করুন: https://www.dsebd.org/pdf/dse-md-2019.pdf

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র