Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

বিদেশি কোম্পানি একক ব্যবসা করতে পারবে না: অর্থমন্ত্রী

বিদেশি কোম্পানি একক ব্যবসা করতে পারবে না: অর্থমন্ত্রী
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল / ছবি: বার্তা২৪
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, ‘ট্রান্সফার প্রাইসিং হোক আর যাই হোক, এ দেশে বিদেশি বেশকিছু কোম্পানি কাজ করে। বিদেশি কোম্পানি এককভাবে ব্যবসা করতে পারবে না। কারণ এককভাবে বিদেশি কোম্পানি কাজ করে এমন কোম্পানি থেকে আমরা রাজস্ব পাই না। তাই বিদেশি কোনো কোম্পানি বাংলাদেশে কাজ করতে হলে তাদেরকে বাংলাদেশের কোনো কোম্পানির সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে হবে। অন্তত আমরা যেন অর্ধেক রাজস্ব পাই।’

বৃহস্পতিবার (১৬ মে) সচিবালয়ে মানি লন্ডারিং সম্পর্কিত জাতীয় সমন্বয় কমিটির সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

ব্যাংক ব্যবস্থা এবং আমদানি-রফতানির আড়ালেই অর্থপাচার হয় উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, ‘অর্থপাচার ঠেকাতে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। অর্থপাচার রোধে সকল আমদানি-রফতানিকৃত পণ্য যথাযথভাবে স্ক্যানিং করা হবে। পাশাপাশি ওভার অ্যান্ড আন্ডার ইনভয়েসিংয়ের সঙ্গে জড়িতদের জরিমানার পাশাপাশি মামালা করা হবে। মামলার রায় অনুযায়ী তাদেরকে কঠোর শ্বাস্তির দেওয়া হবে।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মুস্তফা কামাল বলেন, ‘আমাদের অর্থ পাচার মূলত ব্যাংক ও এনবিআর এই দুই জায়গার মাধ্যমে হয়। এর বাইরে বড় আকারে মানি লন্ডারিংয়ের ব্যবস্থা নেই। মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে আমদানি-রফতানির মাধ্যমে এবং ব্যাংকের মাধ্যমে এলসি খোলার মধ্য দিয়ে অর্থ পাচার হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘এছাড়া ওভার প্রাইসিং আর আন্ডার প্রাইসিং রোধে পিএসআই'র আদলে এনবিআরে একটি সেল খোলা হবে। তারা নেটের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন এলাকায় ঢুকে পণ্যের দাম জানবে। তারপর তারা রিপোর্ট করবে। ওই দামের চেয়ে ঊনিশ-বিশ হলে সমস্যা থাকবে না। তবে বেশি পার্থক্য থাকলে সেসব পণ্য বাজেয়াপ্ত করা হবে। এখানেই শেষ নয়, এটা পাথর, বালি, ইট-বালু হতে পারে। সেক্ষেত্রে যারা এর সঙ্গে জড়িত থাকবে এখন তাদেরকে একটা শুধুমাত্র জারিমানা করা হয়। আগামীতে জারিমানা করার পাশাপাশি আইন অনুযায়ী মামলা করা হবে। মামলার রায় অনুযায়ী তারদেরক কঠোর শ্বাস্তির মুখোমুখি করা হবে।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘মানি লন্ডারিং এবং সন্ত্রাসে অর্থায়ন এ দুটোই রোধ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেই দিয়েছেন, আমরা আর দুর্নীতি চাই না। মানি লন্ডারিংও একটা দুর্নীতি। আর দুর্নীতির অর্থই সন্ত্রাসে অর্থায়ন হয়। সুতরাং এ দু ক্ষেত্রকেই না করতে হবে। এটা বাস্তবায়ন করার জন্য যেখানে মানি লন্ডারিংয়ের কিছু হয় এমন তথ্য থাকলেই বাস্তবায়নকারী সংস্থাকে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে সেটা বাস্তবায়ন করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘এর আগে এ সংক্রান্ত কমিটির বৈঠক বছরে তিনটা হতো। এখন থেকে চারটা বৈঠক হবে। বৈঠকে পর্যালোচনা হবে বৈঠকের সিদ্ধান্তগুলো কতটা বাস্তবায়ন হলো।’

আপনার মতামত লিখুন :

মধুমেলায় রাকাবের ২২০ কোটি টাকা বকেয়া ঋণ আদায়

মধুমেলায় রাকাবের ২২০ কোটি টাকা বকেয়া ঋণ আদায়
ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের (রাকাব) সকল শাখায় একযোগে মধুমাস-১৪২৬ উদযাপন ও মধুমেলা উপলক্ষে ঋণ আদায় মহাক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই মেলায় প্রায় ২২০ কোটি টাকা বকেয়া ঋণ আদায় করা হয়।

মেলা শেষে বুধবার (২৬ জুন) সন্ধ্যায় রাকাবের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. জামিল হোসাইন বার্তা২৪.কম-কে এ তথ্য জানিয়েছেন।

জনসংযোগ কর্মকর্তা জামিল হোসাইন জানান, আদায়কৃত ২২০ কোটি টাকা বকেয়া ঋণ; যেখানে শ্রেণিকৃত ঋণ হতে আদায়ের পরিমাণ ছিল ৪০ কোটি টাকা। পুনঃতফসিলকৃত ঋণ ১৩ কোটি টাকা এবং অন্যান্য বকেয়া ঋণ ১৬৭ কোটি টাকা। ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত মধুমেলার চেয়ে এবার প্রায় ৯২ কোটি টাকা বেশি বকেয়া ঋণ আদায় করা হয়।

তিনি আরও জানান, রাজশাহী বিভাগ ১১৫ কোটি, রংপুর বিভাগ ১০৪ কোটি এবং স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ে এক কোটি টাকা ঋণ আদায় করা হয়েছে। মেলায় বকেয়া ঋণ আদায়ের পাশাপাশি ১৫৩ কোটি টাকা ঋণ বিতরণসহ বিভিন্ন হিসাবের মাধ্যমে ২৭ কোটি টাকা আমানত সংগ্রহ করা হয়।

রাকাব সূত্র জানায়, ব্যাংকের শাখা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত এই ঋণ আদায় মহাক্যাম্পে বিভিন্ন শাখায় উপস্থিত ছিলেন- রাকাব পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক সচিব মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী আলমগীর, ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও বিভাগীয় কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপকবৃন্দসহ বিভিন্ন জোনের জোনাল ব্যবস্থাপকগণ।

সিটি ব্যাংকের ৩৬তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

সিটি ব্যাংকের ৩৬তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
দি সিটি ব্যাংক লিমিটেডের ৩৬তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত, ছবি: সংগৃহীত

দি সিটি ব্যাংক লিমিটেডের ৩৬তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৬ জুন) ঢাকায় কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবে এই বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বার্ষিক সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান আজিজ আল কায়সার। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান হোসেন খালেদ ও  পরিচালক তাবাস্সুম কায়সার, সাভেরা এইচ মাহমুদ, হোসেন মেহমুদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মাসরুর আরেফিন, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ মোহাম্মদ মারুফসহ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন নির্বাহীবৃন্দ। বিপুলসংখ্যক শেয়ারহোল্ডার এ সভায় অংশগ্রহণ করেন।

ব্যাংকের চেয়ারম্যান আজিজ আল কায়সার তাঁর স্বাগত বক্তব্যে বলেন, ক্রমশ পরিবর্তনের মাধ্যমে এগিয়ে যাওয়াকে সিটি ব্যাংক সবসময় প্রাধান্য দিয়ে এসেছে, যার ফলশ্রুতিতে ব্যাংকটি দেশের অগ্রগামী ডিজিটাল ব্যাংক হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে। ব্যাংকিং সেক্টরে নানাবিধ চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে তিনি ক্রমান্বয়ে সেগুলো থেকে উত্তীর্ণ হওয়ার লক্ষ্যে সচেষ্ট থাকার কথা জানান।

ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও মাসরুর আরেফিন ব্যাংকের কর্মকাণ্ডের সার্বিক চিত্র শেয়ারহোল্ডারদের কাছে তুলে ধরেন এবং ব্যাংকের প্রতি তাদের দীর্ঘদিনের আস্থার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। একই সঙ্গে তিনি সার্বক্ষণিক সহায়তা ও দিকনির্দেশনার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনসহ সকল নিয়ন্ত্রণ সংস্থা এবং ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

৩৬তম বার্ষিক সাধারণ সভায় পরিচালক পরিষদ কর্তৃক সুপারিশকৃত ৬% ক্যাশ ও ৫% স্টক ডিভিডেন্ড অনুমোদনের জন্য উত্থাপিত হলে তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত ও অনুমোদিত হয়।

 

 

 

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র