Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

রমজানে বাজার মনিটরিং করবে ডিএনসিসি

রমজানে বাজার মনিটরিং করবে ডিএনসিসি
মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম / ছবি: বার্তা২৪
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে মঙ্গলবার (৭ মে) প্রথম রোজা শুরু হতে যাচ্ছে। রোজায় নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যে ভেজাল রোধ ও মূল্য স্থিতিশীল রাখতে কঠোর মনিটরিং করবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।

সোমবার ( ৬ মে) গুলশানস্থ ডিএনসিসি’র নগর ভবনে রমজান মাসে বাজার মনিটরিং ও দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখার উদ্দেশ্যে এক মতবিনিময় সভায় মেয়র আতিকুল ইসলাম এ কথা জানান।

মেয়র বলেন, ‘বাজারে পণ্যের মূল্য তালিকা টানিয়ে রাখা বাধ্যতামূলক। প্রথম রোজা থেকে আমাদের সাতটি টিম বাজার মনিটিরং করতে মাঠে নামবে। পণ্যে ভেজাল ও অহেতুক দাম বাড়ালে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

ডিএনসিসির নিয়ন্ত্রিত সব বাজারে নজরদারি আরও জোরদার করা হবে জানিয়ে মেয়র বলেন, ‘প্রতিটি দোকানে প্রকাশ্যে মূল্য তালিকা টানিয়ে রাখা বাধ্যতামূলক। ভেজালমুক্ত, সঠিক ওজন ও টাটকা পণ্য সরবরাহ করতে হবে। অন্যথায় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

রমজানে নিত্য প্রয়োজনী দ্রব্যের মূল্য না বাড়ানোর জন্য ব্যবসায়ীদের আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, ‘দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে কড়া নজরদারি করা হবে। তবে ব্যবসায়ীদের মূল্যবোধ ও বিবেক জাগ্রত করতে হবে।’

বাজারে নজরদারি বাড়াতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবের নেতৃত্বে একটি দল গঠন করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

বাণিজ্য সচিব মো. মফিজুল ইসলাম বলেন, ‘সারা দেশের দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সজাগ রয়েছে।’

র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে বলেন, ‘কম মুনাফায় অধিক পণ্য বিক্রয় করুন। আপনারা নিজেরাই নিজেদের মনিটরিং করুন। সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।’

বিভিন্ন মার্কেট থেকে আগত ব্যবসায়ী প্রতিনিধিগণ ফরমালিন ও ভেজালমুক্ত পণ্য বিক্রয়ে এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। তারা বলেন, বাজারে পণ্যের সরবরাহ যথেষ্ট রয়েছে, দাম বাড়ার কোনো কারণ নেই।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল হাই, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম লষ্কর, এফবিসিসিআই সভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, এফবিসিসিআই’র প্রথম সহ-সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম, ডিএনসিসির কাউন্সিলররা।

আরও পড়ুন: রমজানে পণ্যের দাম না বাড়ানোর আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর

আপনার মতামত লিখুন :

অস্বাভাবিক দরপতনের কারণ জানতে তদন্ত কমিটি

অস্বাভাবিক দরপতনের কারণ জানতে তদন্ত কমিটি
ছবি: সংগৃহীত

দেশের পুঁজিবাজারে চলমান অস্বাভাবিক দরপতনের কারণ জানতে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

রোববার (২১ জুলাই) বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে এ কমিটি গঠন করল পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা। প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক মো. সাইফুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিনও দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স সূচক কমেছে ৯৭ পয়েন্ট। যা গত দেড় বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। রোববার সূচকের পাশাপাশি লেনদেন ও বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দাম কমেছে। আর তাতে বিনিয়োগকারীদের বাজার মূলধন অর্থাৎ পুঁজি হাওয়া হয়েছে ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি।

চার সদস্য বিশিষ্ট কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে বিএসইসির পরিচালক রেজাউল করিমকে। অন্য সদস্যরা হলেন- উপ পরিচালক মো. অহিদুল ইসলাম, মো. নজরুল ইসলাম ও মো.রাকিবুর রহমান। কমিটি আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।

নয়-ছয় সুদ হার বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের চাপ নেই

নয়-ছয় সুদ হার বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের চাপ নেই
ছবি: সংগৃহীত

আমানত সংগ্রহ এবং ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে নয়-ছয় সুদ হার বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে চাপ নেই বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান ও ঢাকা ব্যাংকের এমডি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান।

রোববার (২১ জুলাই) বিকেলে ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালকদের সংগঠন এবিবির সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।

মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘শুধুমাত্র ঘোষণা দিয়ে নয়-ছয় সুদ হার বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। অনেকগুলো বিষয় আছে। তবে আশা করছি, ভবিষ্যতে এটি বাস্তবায়ন হবে। কারণ আমাদের বাণিজ্য ঘাটতি কমতে শুরু করেছে এবং রফতানি বাড়ছে। এক্ষেত্রে কিছুটা সুবিধা পাচ্ছে ব্যাংক। আশা করি, আগামী জুন প্রান্তিকে এ উদ্যোগের আরও কিছুটা বাস্তবায়ন এবং খেলাপি ঋণের হার ১০ শতাংশের নিচে নেমে আসবে।’

‘শুধু একটি বিষয় নয়, এখানে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। কীভাবে গ্রামীণ পর্যায়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ঋণ বাড়ানো যায়, সেই চেষ্টাও করছে ব্যাংক খাত। আমাদের দেশের খেলাপি ঋণ মার্চ প্রান্তিকে অনেকটা বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংকের পরামর্শ অনুযায়ী আগামী প্রান্তিকে কমিয়ে আনার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছি। আমরা আশা করছি, এ খেলাপি ঋণ জুন প্রান্তিকে অন্তত ১০ শতাংশের নিচে নেমে আসবে,’ যোগ করেন তিনি।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং পুরো ব্যাংক খাত মিলে নয়-ছয় সুদ হার বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে।

সরকারি ব্যাংকগুলো এটা বাস্তবায়ন করলেও বেসরকারি ব্যাংকগুলো কেন পারছে না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সব বেসরকারি ব্যাংকই যে ৯ শতাংশের ওপরে সুদ নিচ্ছে তা নয়। কিছু কিছু বেসরকারি ব্যাংকও এটা বাস্তবায়ন করেছে। তবে সবগুলো ব্যাংকে এ সুদ হার বাস্তবায়নে কিছুটা সময় প্রয়োজন। আমরা সবাই মিলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টাই করছি।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র