Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

রমজান আসতেই চড়া কাঁচাবাজার

রমজান আসতেই চড়া কাঁচাবাজার
রাজধানীর কারওয়ান বাজারের সবজি বাজার, ছবি: বার্তা২৪.কম
তৌফিকুল ইসলাম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

পবিত্র রমজান মাসে নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় রাখতে বাজার তদারকিসহ অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। তবে এর তেমন প্রভাব পড়েনি বাজারে। এদিকে দরজায় কড়া নাড়ছে রমজান। আর এরই মধ্যে রোজাকে সামনে রেখে চড়া কাঁচাবাজার।

সোমবার (৬ মে ) সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজার ঘুরে দেখা যায়, সবজি প্রকার ভেদে ১০ থেকে ১৫ টাকা দাম বেড়েছে। তবে স্থিতিশীল রয়েছে চাল ও মাছের বাজার। বেড়েছে মুরগির দাম।

কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী রুবেল বার্তা২৪.কমকে জানান, রমজানকে সামনে রেখে সবজির দাম কিছুটা বেড়েছে। ঘূর্ণিঝড় ফণীর কারণে আবহাওয়া খারাপ থাকায় বাজারে সবজি আসছে না। তাই সবজির সরবরাহ কম থাকায় এবং চাহিদার কারণে দাম কিছুটা বেড়েছে।

সবজি বাজারের বর্তমান বাজার দরে প্রতি কেজি বেগুন ৭০-৮০ টাকা, টমেটো ৩০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, কলা ৩০ টাকা হালি, চাল কুমড়া ৫০ টাকা কেজি, ঝিঙা ৫৫ টাকা, বরবটি ৪০ টাকা, কচুর লতি ৬০ টাকা, ক্যাপসিকাম ৩৫০ টাকা, লেটুস পাতা ১৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/06/1557123608113.gif

এছাড়াও সজনে ডাঁটা ৬০ টাকা, কাঁচা পেঁপে ৬০ টাকা, করলা ৪০ টাকা, গাজর ৪০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৬০ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৩৫ টাকা, ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ ২৫ টাকা, আলু ২২ টাকা, রসুন ১২০ টাকা, আদা ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

রমজানে ইফতারের জন্য যেসব উপকরণ লাগে সেগুলোর দাম বেড়েছে। বাজারের বর্তমান বাজার দর অনুযায়ী প্রতি কেজি চিনি ৬০ টাকা, ছোলা ৮০ থেকে ৯০ টাকা, বেসন ৭০ টাকা, আটা ৬০ টাকা, প্রতি ৫ লিটার সয়াবিন তেলের বোতল ৪৯০ থেকে ৫০০ টাকা, গুড় ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সপ্তাহের ব্যবধানে ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে।

দাম বাড়ার বিষয়ে জানতে চাইলে কারওয়ান বাজারের মুদি দোকানদার বাসার বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘আমরা বেশি দামে কিনেছি, তাই বেশি দামে বিক্রি করছি। রমজান উপলক্ষে দাম বাড়ানোর বিষয়ে আমাদের কোনো হাত নেই।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/06/1557133232974.jpg

বাজার করতে আসা শাহিনা আক্তার বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘রোজার আর মাত্র একদিন বাকি। তার আগেই প্রতিটি সবজির দাম বেড়েছে। আমাদের মতো মধ্যবিত্ত মানুষদের জন্য এ বাড়তি দাম অনেকটাই কষ্টকর।’

অন্যদিকে মাছ ও চালের বাজারে স্থিতিশীলতা দেখা গেছে। সর্বশেষ খুচরা বাজারের তথ্য অনুযায়ী, রুই মাছের কেজি ৩০০ টাকা, পাঙাশ ১৫০ টাকা, তেলাপিয়া ১৫০ টাকা, বোয়াল ৩৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ইলিশ মাছ বড় আকারের হালি ২৫০০ থেকে ৩০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/06/1557123627128.gif

চালের সর্বশেষ খুচরা বাজারের তথ্য অনুযায়ী প্রতি কেজি মিনিকেট চাল ৫২ টাকা, ২৮-চাল ৪০ টাকা, পারি চাল ৩৮ টাকা, নাজিরশাইল চাল ৬০ টাকা, কাটারি ভোগ ৯৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে চিনিগুঁড়া চালের দাম কিছুটা বেড়ে ৯৫ থেকে ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মুরগি ব্যবসায়ী সোহেল বার্তা২৪.কমকে জানান, বাজারে মুরগি কম আসছে। তাই তিনদিনের ব্যবধানে সব ধরনের মুরগি কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়েছে।

মাংসের বাজার ঘুরে দেখা যায়, কেজিপ্রতি ব্রয়লার মুরগি ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা, কক মুরগি ২২০ টাকা, পাকিস্তানি মুরগি ২৮০ টাকা, দেশি মুরগি ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাংসের মধ্যে গরু ৫৫০ টাকা এবং খাসি ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতা আবু নাছের বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘রমজান আসলেই সব কিছুর দাম বেড়ে যায়। সরকারও বলতে থাকে আমরা বাজার মনিটরিং করছি। আমাদের মতো সাধারণ ক্রেতারা তার কোনো সুফল পায় না।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/06/1557133264798.jpg

এদিকে সম্প্রতি বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছিলেন, রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে ও চাঁদাবাজি বন্ধে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। তবে বাজার ঘুরে তার বিপরীত চিত্র দেখা গেছে।

বাজারে পণ্যের বাড়তি দামের বিষয়ে কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘আমি মনে করি বাজার নিয়ন্ত্রণ করা সরকারের দায়িত্ব। তাই সরকারের উচিত রমজানের আগে বাজারকে স্থিতিশীল রাখা।’

আপনার মতামত লিখুন :

আইসিটি টাওয়ারে ইস্টার্ন ব্যাংকের বুথ

আইসিটি টাওয়ারে ইস্টার্ন ব্যাংকের বুথ
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের আইসিটি টাওয়ারে এটিএম বুথ চালু করেছে ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড (ইবিএল)। মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) আনুষ্ঠানিকভাবে এই এটিএম বুথের উদ্বোধন করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের সচিব এন এম জিয়াউল আলম, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক পার্থপ্রতিম দেব, ইস্টার্ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলী রেজা ইফতেখার, হেড অব কমিউনিকেশন অ্যান্ড এক্সটার্নাল অ্যাপেয়ারস জিয়াউল করিমসহ ইস্টার্ন ব্যাংক ও আইসিটি বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

উভয় পুঁজিবাজারে সূচক বেড়েছে

উভয় পুঁজিবাজারে সূচক বেড়েছে
ছবি: সংগৃহীত

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) সূচক বেড়ে শেষ হয়েছে এদিনের লেনদেন। এদিন ডিএসইতে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ১১১ পয়েন্ট এবং সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স বেড়েছে ১৭৭ পয়েন্ট।

এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩১৭ কোটি ৬ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪৬৪ কোটি ১৮ লাখ টাকা। আর সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১২ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ২১ কোটি ১৭ লাখ শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

ডিএসই ও সিএসই’র ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক বাড়ে। লেনদেনের শুরু হয় সাড়ে ১০টায়, শুরুতেই সূচক কমে যায়। প্রথম ৫ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক বাড়ে ২২ পয়েন্ট। বেলা ১০টা ৪০ মিনিটে সূচক বাড়ে ৪৩ পয়েন্ট। বেলা ১০টা ৪৫ মিনিটে সূচক বাড়ে ৫৮ পয়েন্ট। বেলা ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক ৬৬ পয়েন্ট বেড়ে যায়। বেলা ১০টা ৫৫ মিনিটে সূচক ৭২ পয়েন্ট বেড়ে যায়। এরপর থেকে সূচক বাড়ার প্রবণতা কিছুটা কমতে থাকে। বেলা ১১টায় সূচক ৬৩ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১২টায় সূচক ৫৯ পয়েন্ট, বেলা ১টায় সূচক ৮৩ পয়েন্ট, বেলা ২টায় সূচক ১০৪ পয়েন্ট বাড়ে এবং বেলা আড়াইটায় লেনদেন শেষে ডিএসইএক্স সূচক ১১১ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৭৭ পয়েন্টে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ৩৮ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ৮১৪ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক ২৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ১৬৪ পয়েন্টে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩১৭ কোটি ৬ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড।

লেনদেন শেষে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ৩২৭টির, কমেছে ১৫ এবং অপরিবর্তিত রয়েছে নয়টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

সোমবার দাম বৃদ্ধির ভিত্তিতে ডিএসই’র শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে- ফরচুন সু, সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ, স্কয়ার ফার্মা, ডোরিন পাওয়ার, ইউনাইটেড পাওয়ার, বিকন ফার্মা, ন্যাশনাল পলিমার, ব্র্যাক ব্যাংক, সি পার্ল বিচ অ্যান্ড রিসোর্ট এবং মুন্নু সিরামিকস।

সিএসই

অন্যদিকে, লেনদেন শেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক (সিএসইএক্স) ১৭৭ পয়েন্ট বেড়ে ৯ হাজার ৪৩৪ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ১৮৬ পয়েন্ট বেড়ে ১৩ হাজার ৭৭৪ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ২৯৮ পয়েন্ট বেড়ে ১৫ হাজার ৫১৩ পয়েন্টে অবস্থান করে।

লেনদেন শেষে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১২ কোটি ৩৭ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

এদিন দাম বাড়ার ভিত্তিতের সিএসই’র শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- কেয়া কসমেটিকস, জাহিন টেক্সটাইল, এপেক্স স্পিনিং, ফারেইস্ট ফাইন্যান্স, এমারেল্ড অয়েল, ঢাকা ডায়িং, আমরা নেটওয়ার্ক, নাভানা সিএনজি, ইমাম বাটন এবং মাইডাস ফাইন্যান্স।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র