Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

‘পর্যটনের বিকাশে উদ্যোক্তাদের সহায়তা করতে পারে ব্যাংকিং সেক্টর’

‘পর্যটনের বিকাশে উদ্যোক্তাদের সহায়তা করতে পারে ব্যাংকিং সেক্টর’
সেমিনারে বক্তব্য দেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী / ছবি: বার্তা২৪
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের পর্যটনের বিকাশে তরুণ উদ্যোক্তাদের সহায়তায় ব্যাংকিং সেক্টরকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী।

তিনি বলেছেন, ‘পর্যটনের বিকাশে আমাদের তরুণ উদ্যোক্তাদের সহায়তা করার জন্য ব্যাংকিং সেক্টরকে এগিয়ে আসতে হবে। পর্যটন সম্পর্কিত বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য তরুণ ও নবীন উদ্যোক্তাদের ব্যাংক সহজ শর্তে ঋণ প্রদানের ব্যবস্থা করলে তারা উপকৃত হবে।’

রোববার (২৮ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত ‘বাংলাদেশের পর্যটন বিকাশে ব্যাংকিং সেক্টরের অবদান’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ট বা জনসংখ্যাতাত্ত্বিক বোনাসকালে রয়েছে। ইউএনডিপি’র এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মানব উন্নয়নের প্রতিবেদনে বাংলাদেশকে তরুণ জনগোষ্ঠীর দেশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আমাদের মোট জনসংখ্যার ৬৫ শতাংশ অর্থাৎ ১০ কোটি ৫৬ লাখ লোক এখন কর্মক্ষম। আমাদের ২ কোটি ৮ লাখ কর্মক্ষম তরুণ রয়েছে যাদের বয়স ১৫ থেকে ২৯ বছর। জনসংখ্যাতাত্ত্বিক এ পরিস্থিতি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য অনেক বড় সুযোগ।’

তিনি আরও বলেন, ‘২০৪১ সালের মধ্যে আমাদের দেশকে উন্নত দেশে পরিণত করতে হলে তরুণদের এই শক্তি কাজে লাগাতে হবে, তরুণদের সুযোগ দিতে হবে। পর্যটন একটি শ্রমঘন শিল্প হাওয়ায় এখানে তরুণদের ক্ষমতাকে কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে। এ খাতে কর্মসৃজনের পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের পাশে আমাদের দাঁড়াতে হবে। পর্যটনের বিকাশে প্রতিষ্ঠিত উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি তরুণদের সুযোগ দিতে হবে, উৎসাহিত করতে হবে।’

মাহবুব আলী বলেন, ‘ট্যুরিজম অ্যান্ড ট্রাভেল কাউন্সেলর ২০১৭ সালে বাংলাদেশের জিডিপিতে পর্যটন ও ভ্রমণ খাতের অবদান ছিল ৮৫০ দশমিক ৭ বিলিয়ন টাকা। এটা মোট জিডিপির ৪ দশমিক ৩ শতাংশ। ২০২৮ সাল নাগাদ তা বাংলাদেশের মোট জিডিপির ৬ দশমিক ৮ শতাংশে উন্নীত হবে। ২০১৭ সালে ২৪ লাখ ৩২ হাজার কর্ম তৈরিতে সহায়তা করেছে পর্যটন ও ভ্রমণ শিল্প। যা দেশের মোট কর্মসংস্থানের ৩ দশমিক ৮ শতাংশ। ২০২৮ সালের মধ্যে তা ৪ দশমিক ২ শতাংশে উন্নীত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই বছর অর্থাৎ ২০১৭ সালে পর্যটন খাতে বিনিয়োগ এসেছে ৮৩ বিলিয়ন টাকা যা ২০২৮ সালে ১৬১ দশমিক ৮ বিলিয়ন টাকায় পৌঁছাবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘গত ১০ বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তা আরও দৃঢ় হয়েছে। আমাদের ব্যাংকিং খাত পূর্বের যে কোনো সময়ের তুলনায় এখন অনেক বেশি শক্তিশালী। এখন সময় এসেছে দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন খাতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ করার। বিভিন্ন পর্যটন স্পটের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণে ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান দীর্ঘমেয়াদি ঋণ প্রদান করতে পারে। দেশীয় পর্যটকদের জন্য সহজ শর্তে পর্যটন ঋণের ব্যবস্থা করতে পারে যাতে তারা ঘুরে এসে ইনস্টলমেন্টের মাধ্যমে সেই ঋণ পরিশোধ করতে পারে। আমাদের পাশ্ববর্তী দেশ নেপাল ২০১০ সালে এ ঋণ চালু করে বর্তমানে এর সুফল ভোগ করছে। দেশে বিদেশে ভ্রমণের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের জন্য ট্রাভেলার্স চেক/ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার আরও সহজীকরণ করলে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকরা ভ্রমণ করতে আরও বেশি উৎসাহিত হবেন।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ তাদের গ্রাহকদের পর্যটনে উৎসাহিত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রণোদনা প্যাকেজও ঘোষণা করতে পারে। আমাদের বীমা কোম্পানিগুলো পর্যটকদের সুবিধার জন্য পর্যটক বীমা চালু করতে পারে। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের করপোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটির অংশ হিসেবে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ট্যুরিজম বিভাগে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের পর্যটন বিষয়ক গবেষণার জন্য বৃত্তি প্রদান করার বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করার জন্য আমি তাদের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শোয়েব-উর- রহমান সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন- রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আতাউর রহমান প্রধান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিজনেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল- ইসলাম, ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মুজিব উদ্দিন আহমেদ ও অধ্যাপক আফজাল হোসেন।

আপনার মতামত লিখুন :

বিনিয়োগের নতুন প্রস্তাব আসছে: প্রতিমন্ত্রী

বিনিয়োগের নতুন প্রস্তাব আসছে: প্রতিমন্ত্রী
ব্যবসা সম্মেলনে বক্তব্য দেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

প্রতিদিন বিনিয়োগের নতুন নতুন প্রস্তাব আসছে বলে জানিয়েছেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার।

তিনি বলেছেন, ‘দেশের বিনিয়োগে অনুকূল রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় থাকায় প্রতিদিন বিনিয়োগের নতুন নতুন প্রস্তাব আসছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ হার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে।’

শনিবার (২০ জুলাই) রাজধানীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় অনুষ্ঠিত জেএইচএম গ্রুপের ব্যবসা সম্মেলনে তিনি এসব একথা বলেন।

সংসদ সদস্য খাদিজাতুল আনোয়ার সনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শিল্প প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শিল্পখাতের বিকাশে বেসরকারি উদ্যোগে নতুন নতুন শিল্প স্থাপনকে সরকার সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান করেছে। নতুন শিল্পকারখানা স্থাপনে শিল্প মন্ত্রণালয় সব ধরনের সহায়তা প্রদান করছে। দেশে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনশক্তি তৈরির লক্ষ্যে ঢাকায় একটি শিল্প বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ভারতের জেএইচএম গ্রুপ বাংলাদেশে বিনিয়োগ করায় শিল্প প্রতিমন্ত্রী তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে নতুন নতুন ভারী ও মাঝারি শিল্প স্থাপনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

জেএইচএম গ্রুপের চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, পরিচালক ও প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির ও উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মেহেদী হাসান বিপ্লব এ সময় উপস্থিত ছিলেন। পরে শিল্প প্রতিমন্ত্রী জেএইচএম গ্রুপের শ্রেষ্ঠ ডিলারদের পুরস্কার প্রদান করেন।

সাড়ে চার লাখ নতুন পলিসির টাকা বিমা কোম্পানির পকেটে

সাড়ে চার লাখ নতুন পলিসির টাকা বিমা কোম্পানির পকেটে
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মিরপুরের বাসিন্দা তাহেরা বেগম একজন গৃহকর্মী। স্বামী সাজিম উদ্দিন রিকশা চালক। তিনি পপুলার লা্ইফ ইন্স্যুরেন্সে ২০১৩ সালে ‘একক বিমা’ করেন। টানা তিনটি কিস্তিও দিয়েছেন। কিন্তু এরপর এজেন্ট আর খোঁজ খবর নেয়নি। একবছর পর সংশ্লিষ্ট শাখায় যোগাযোগ করলে তারা জানান, নতুন করে পলিসি করতে হবে। আগের পিলিসির মেয়াদ শেষ।

একই কথা বলেছেন, ফারইস্ট ইসলামী লাইফের পলিসি হোল্ডার রূপা সাহা। তিনি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, ‘২০০৯ সালে আমি চট্টগ্রাম শাখায় বিমা করেছিলাম। আড়াই বছর পলিসির টাকা কিস্তি পরিশোধও করি। কিন্তু এরপর এজেন্ট কিস্তি নিতে না আসায় আর খোঁজ নেওয়া হয়নি। কিন্তু ২০১৫ সালে বকেয়া কিস্তি পরিশোধ করতে গেলে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন নিয়ম কানুন দেখিয়ে নতুন করে পলিসি করতে বলে।’

গত এক বছরে এভাবেই নতুন সাড়ে চার লাখ পলিসির টাকা দেশের ৩২টি জীবন বিমা কোম্পানির পকেটে যাচ্ছে। গ্রাহকদের টাকা কোম্পানি কর্তৃপক্ষ বাড়ি-গাড়ি ভাড়াসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয় দেখিয়ে লুটে নিচ্ছে। বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপকক্ষের (আইডিআরএ) সর্বশেষ তথ্য বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

আইডিআরএ’র তথ্য মতে, ২০১৭ সালে সরকারি-বেসরকারি ৩২ বিমা কোম্পানির পলিসির সংখ্যা ছিল ১০ লাখ ৭৪ হাজার ৭৭টি। ২০১৮ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৩৯ হাজার ৪২টিতে। ফলে এক বছরে নতুন পলিসির সংখ্যা বেড়েছে ৪ লাখ ৬৫ হাজার ৫টি। টাকার অংকে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা।

অবাক করার বিষয় হলো, গত এক বছরে বিমা কোম্পানিগুলোতে নতুন পলিসি ইস্যু বেড়েছে মাত্র ৭ হাজার। ২০১৭ সালে পলিসির সংখ্য ছিল ১৮ লাখ ২৫ হাজার ৬০৯টি। ২০১৮ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ৩২ হাজার ৫৩৭টিতে। অর্থাৎ বিমা কোম্পানিরগুলো নতুন করে পলিসি করতে আগ্রহী নয় বরং গ্রাহকদের অর্থ লুপাটের নেশায় নিমজ্জিত।

এদিকে বিমা কোম্পানির এই অবস্থানকে ‘অত্যন্ত হতাশাব্যাঞ্জক’ বলে মনে করে আইডিআরএ কর্তৃপক্ষ। নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির এক প্রতিবেদেনে উল্লেখ করা হয়েছে, বেশিরভাগ পলিসিরই প্রথম বর্ষ প্রিমিয়াম দেওয়ার পর দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষে তামাদি হয়ে যাচ্ছে। প্রথম পলিসি নেওয়ার পর এজেন্টরা আর গ্রাহকদের কাছে যাচ্ছেন না। তারা প্রথম বর্ষের কমিশন নিয়েই নতুন পলিসি খুঁজছেন।

আরও উল্লেখ করা হয়েছে, পলিসি হারিয়ে গেলেও কোম্পানির পক্ষ থেকে এজেন্টদের তদারকি করা হচ্ছে না। ফলে নির্দিষ্ট সময় পর পলিসিগুলো তামাদি হয়ে যাচ্ছে। তাতে বিমা কোম্পানির পকেটে যাচ্ছে হাজার হাজার কোটি টাকা। এ অবস্থা থেকে উত্তোরণে গ্রাহকদের সচেতনতা বৃদ্ধি প্রয়োজন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

আইডিআরএ’র প্রতিবেদন অনুযায়ী বিদায়ী বছরের তামাদি বিমার শীর্ষে রয়েছে প্রগ্রেসিভ লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডে। দ্বিতীয় স্থানে প্রাইম ইসলামী লাইফ, তৃতীয় স্থানে মেটলাইফ ও চতুর্থ স্থানে রয়েছে ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। এরপর যথাক্রমে- হোমল্যান্ড লাইফ, রুপালী লাইফ, ফারইস্ট ইসলামী লাইফ, পপুলার লাইফ, সন্ধানী লাইফ, পদ্মা ইসলামী লাইফ, সানফ্লাওয়ার, ডেল্টা লাইফ, প্রগতি লাইফ, মেঘনা লাইফ, সানলাইফ, জেনিথ ইসলামী লাইফ, ডায়মন্ড লাইফ, প্রটেক্টিভ ইসলামী লাইফ, বায়রা লাইফ, গোল্ডেন লাইফ, ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ, এনআরবি গ্লোবাল, মার্কেন্টাইল ইসলামী লাইফ, যমুনা লাইফ, আলফা ইসলামী লাইফ, বেস্ট লাইফ, সোনালী লাইফ, স্বদেশ লাইফ, গার্ডিয়ান লাইফ এবং চ্যাটার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড।

সার্বিক বিষয়ে আইডিআরএ নির্বাহী পরিচালক খলিল আহেমেদ বার্তাটোয়েন্টফোর.কম-কে বলেন, ‘বিমার ওপর সাধারণ মানুষের অস্থা নেই। তাই কোম্পানির তামাদি পলিসি সংখ্যা বাড়ছে। বিমা সেক্টরকে আস্থায় ফেরাতে তামাদি পলিসির সংখ্যা কমিয়ে আনতে হবে। এটি নিয়ে কাজ করছি।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র