Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মালামাল সরিয়ে নিতে আবেদন করবে বিজিএমইএ

মালামাল সরিয়ে নিতে আবেদন করবে বিজিএমইএ
বিজিএমইএ ভবন ভাঙার প্রস্তুতি চলছে, বার্তা২৪.কম
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা
বার্তা ২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

হাতিরঝিলের বিষফোড়া খ্যাত বিজিএমইএ ভবন সরিয়ে নিতে কাজ শুরু করেছে রাজউক। ইতোমধ্যেই এর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে সরকারি এই সংস্থাটি। তবে ভবন সিলগালা করার সময় বিজিএমইএ’সহ ভবনটির ভেতরে থাকা কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের মালামাল থেকে যায় ভেতরেই। আর সেই মালামাল সরিয়ে নিতে রাজউক বরাবর আবেদন করবে বিজিএমইএ।

বিজিএমইএ এর সূত্রে জানা যায়, ১২ এপ্রিলের মধ্যে ভবন খালি করে দেওয়ার বিষয়ে মুচলেকা দিয়েছিল বিজিএমইএ। তারপরও নানা কারণে সব মালামাল সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি।

অন্যদিকে, ডিবিএলসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান যাদের কার্যালয় ছিল বিজিএমইএ ভবনে তারা তাদের সব মালামাল সরিয়ে নিতে পারেনি ১৬ এপ্রিল সন্ধ্যার মধ্যে। অনেকের মালামাল ভবনের নিচের তলায় পরে রয়েছে। এর মধ্যে অনেক মূল্যবান মালামালও রয়েছে। আর তাই বিজিএমইএ এর পক্ষ থেকে মালামাল সরিয়ে নিতে আবেদন করা হবে রাজউকের কাছে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ঊর্ধ্বতনরা।

ঘটনার সত্যতার কথা জানা যায় বিজিএমইএ এর বর্তমান সভাপতি মো: সিদ্দিকুর রহমানের বক্তব্যেও। তিনি বুধবার বিজিএমইএ’র এর উত্তরার নতুন ভবনে গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, ভবনের ভেতরে থাকা মালামাল নিরাপদে সরিয়ে নিতে রাজউকের কাছে আবেদন করা হবে। শুধু তাই নয় এ বিষয়ে রাজউক সহায়তা করবেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।

এসব বিষয়ে রাজউকের পরিচালক (প্রশাসন) খন্দকার অলিউর রহমান বিজিএমইএ ভবন সিলগালা করার সময়ই জানিয়েছিলেন যে, বিজিএমইএ এর ভেতরে থাকা মালামাল পুলিশ হেফাজতে থাকবে। এসব মালামালের বিষয়ে আইনগতভাবে সকল সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তবে উচ্চ আদালতের নির্দেশ ছিল ১২ এপ্রিলের মধ্যেই ভবন খালি করার। কিন্তু তারপরও বিজিএমইএ ভবন পুরোপুরি খালি না করায় সমালোচনার তৈরি হয়েছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে।

রাজউক থেকে জানা যায়, ভবন অপসারণের জন্য ২৪ এপ্রিলের মধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। শুধু তাই নয় দরপত্র জমা হওয়ার পর এক সপ্তাহের মধ্যেই উপযুক্ত প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করীম। পাশাপাশি তিন মাসের মধ্যেই অপসারণ হওয়া ভবনের ধ্বংসাবশেষও সরিয়ে ফেলা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি ।

প্রসঙ্গত ২০০৬ সালের ৮ অক্টোবর বিজিএমইএ ভবন উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। কিন্তু রাজউকের অনুমোদন ছাড়াই কারওয়ান বাজার সংলগ্ন বেগুনবাড়ি খালে বিজিএমইএ ভবন নির্মাণ করা হয়েছে উল্লেখ করে ২০১০ সাল ৩ অক্টোবর বিজিএমইএ ভবন কেন ভাঙার নির্দেশ দেওয়া হবে না, তার কারণ জানতে চেয়ে হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে (সুয়োমোটো) রুল জারি করেন। ২০১১ সালের ০৩ এপ্রিল বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ তার রায়ে বিজিএমইএ ভবন ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন।

আপনার মতামত লিখুন :

সৈয়দপুর রুটে নভোএয়ারের ফ্লাইট বৃদ্ধি

সৈয়দপুর রুটে নভোএয়ারের ফ্লাইট বৃদ্ধি
সৈয়দপুর রুটে নভোএয়ারের ফ্লাইট বৃদ্ধি

১ আগস্ট থেকে সৈয়দপুর রুটে প্রতিদিন ৫টি করে ফ্লাইট পরিচালনা করবে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীর বেসরকারি বিমান সংস্থা নভোএয়ার। বর্তমানে সৈয়দপুর রুটে প্রতিদিন ৪ টি করে ফ্লাইট পরিচালনা করছে প্রতিষ্ঠানটি।

রোববার (২১ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় এয়ারলাইন্স। 

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ঢাকা থেকে প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৭ টা ও ১০ টা, বিকাল ৪ টা এবং সন্ধ্যা ৬ টায় সৈয়দপুরের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। একইভাবে সৈয়দপুর থেকে প্রতিদিন সকাল ৯ টা ও সাড়ে ১১ টা, বিকাল সাড়ে ৫ টা এবং সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসে। নতুন ফ্লাইটটি দুপুর ১ টা সৈয়দপুরের উদ্দেশে এবং দুপুর আড়াইটায় ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসবে।

এছাড়াও নভোএয়ার বর্তমানে প্রতিদিন চট্টগ্রাম রুটে ৫ টি, কক্সবাজার রুটে ৫টি,যশোর রুটে ৫ টি,  সিলেট রুটে ২ টি, বরিশাল, রাজশাহী এবং কলকাতায় ১ টি করে ফ্লাইট পরিচালনা করছে।

নভোএয়ার বর্তমানে একমুখী যাত্রায় চট্টগ্রাম রুটে সর্বনিম্ন ২ হাজার ৫০০ টাকা, কক্সবাজার ৩ হাজার ৯০০ টাকা, সৈয়দপুর ২ হাজার ৭০০ টাকা, যশোর ২ হাজার ৭০০ টাকা, সিলেট ২ হাজার ৭০০ টাকা, বরিশাল ২ হাজার ৭০০ টাকা, রাজশাহী ২ হাজার ৭০০ টাকা এবং কলকাতা রুটে (দ্বিমুখী) ১১ হাজার ৩০০ টাকায় যাত্রী পরিবহন করছে।

উভয় পুঁজিবাজারে বড় দরপতন

উভয় পুঁজিবাজারে বড় দরপতন
ছবি: সংগৃহীত

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার (২১ জুলাই) বড় ধরনের দরপতনের মধ্যে দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে।

এদিন ডিএসইতে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৯৬ পয়েন্ট এবং সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স কমেছে ১৮৫ পয়েন্ট।

এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৬৮ কোটি ৬৪ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৩০৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা। আর সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৭ কোটি ১০ লাখ টাকা। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৩০ কোটি ১৩ লাখ শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

ডিএসই ও সিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক বাড়ে। লেনদেন শুরু হয় সাড়ে ১০টায়, শুরুতেই সূচক বেড়ে যায়। প্রথম ৫ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক বাড়ে ২৫ পয়েন্ট। এরপর থেকে সূচক কমতে থাকে। বেলা ১০টা ৪০ মিনিটে সূচক নেতিবাচক হয়ে যায়। এ সময়ে সূচক কমে ১১ পয়েন্ট। বেলা ১০টা ৪৫ মিনিটে সূচক ৯ পয়েন্ট কমে যায়। বেলা ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক কমে ১৭ পয়েন্ট। বেলা ১০টা ৫৫ মিনিটে সূচক ২০ পয়েন্ট কমে যায়। বেলা ১১টায় সূচক ২৮ পয়েন্ট কমে। বেলা ১২টায় সূচক ৬২ পয়েন্ট, বেলা ১টায় সূচক ৮৪ পয়েন্ট, বেলা ২টায় সূচক ৯৪ পয়েন্ট কমে এবং বেলা আড়াইটায় লেনদেন শেষে ডিএসইএক্স সূচক ৯৬ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৩৩ পয়েন্টে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ৩০ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১ হাজার ৭৯৯ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১৮ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১ হাজার ১৫৭ পয়েন্টে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৬৮ কোটি ৬৪ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড।

লেনদেন শেষে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ৬১টির, কমেছে ২৭৩ এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৮টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

রোববার দাম বৃদ্ধির ভিত্তিতে ডিএসইর শীর্ষ ১০ কোম্পানির তালিকায় আছে-ফরচুন সু, ইউনাইটেড পাওয়ার, ফেডারেল ইন্স্যুরেন্স, জেএমআই সিরিঞ্জ, বেক্সিমকো লিমিটেড, সি পার্ল বিচ অ্যান্ড রিসোর্ট, ঢাকা ইন্স্যুরেন্স, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স, কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স এবং প্রাইম ইন্স্যুরেন্স।

সিএসই

অন্যদিকে, লেনদেন শেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক (সিএসইএক্স) ১৮৭ পয়েন্ট কমে ৯ হাজার ৩৭৩ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ২৪৪ পয়েন্ট কমে ১৩ হাজার ৭০০ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ৩০৯ পয়েন্ট বেড়ে ১৫ হাজার ৪১৫ পয়েন্টে অবস্থান করে।

লেনদেন শেষে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৭ কোটি ১০ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

এদিন দাম বাড়ার ভিত্তিতে সিএসইর শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো-সি পার্ল বিচ অ্যান্ড রিসোর্ট, কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স, এসইএমএল আইবিবিএল শরিয়াহ ফান্ড, প্রাইম ফার্স্ট আইসিবি, আইসিবি সোনালী ফার্স্ট, পিএফ ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড, আইসিবি এএমসিএল দ্বিতীয়, ভ্যানগার্ড এএমএল ব্যালেন্সড ফান্ড, এআইবি ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড এবং গ্রিন ডেল্টা মিউচ্যুয়াল ফান্ড।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র