Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বৈধ ভবনে আসা বিজিএমই’র বড় সফলতা

বৈধ ভবনে আসা বিজিএমই’র বড় সফলতা
বক্তব্য রাখছেন বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, ছবি: বার্তা২৪
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা
বার্তা ২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

হাতিরঝিলের অবৈধ ভবন থেকে বৈধ ভবনে আসতে পেরেছি এটা আমার বড় সফলতা বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ'র নবনির্মিত কমপ্লেক্সে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার অর্থনৈতিক রিপোর্টারদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি বিজিএমইএর সভাপতি হিসেবে ৩ বছর ৭ মাস দায়িত্ব পালন করেছি। এ সময়ে সব চেয়ে বড় সফলতা হলো হাতিরঝিলের অবৈধ ভবন থেকে রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ’র বৈধ ভবনে আসতে পেরেছি। নতুন ভবনে আর কোনো আইনি ত্রুটি নেই। নতুন ভবনের জায়গা নিয়ে আগামীতে আর কেউ প্রশ্ন করতে পারবে না। সব ধরনের আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ভবন করা হচ্ছে।’

হাতিরঝিল ভবন নিয়ে দুঃখ করে বলেন, ‘ভবনটি নিয়ে সব চেয়ে বড় ভুল করেছে ইপিবি। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও তারা আমাদেরকে সঠিক জায়গায় জমি বুঝিয়ে দেননি। এটা ভালোভাবে বুঝে নিতে না পারাটাও আমাদের ব্যর্থতা ছিল।’

সভায় বিজিএমইএ এর সিনিয়র সহ-সভাপতি ফারুক হাসান, সহ-সভাপতি এস.এস. মান্নান (কচি), সহ-সভাপতি (অর্থ) মোহাম্মদ নাছির প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

প্রধানমন্ত্রীকে বিনিয়োগকারীদের ১৫ দাবির স্মারকলিপি

প্রধানমন্ত্রীকে বিনিয়োগকারীদের ১৫ দাবির স্মারকলিপি
প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে স্মারকলিপি দেন বাংলাদেশ ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদেরর নেতারা/ ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর

পুঁজিবাজার স্থিতীশীল করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ১৫ দফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি দিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে গিয়ে নিয়োগকারীরা ওই স্মারকলিপি দেন।

বিনিয়োগকারীদের পক্ষে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সভাপতি মিজানুর রশিদ চৌধুরী স্মারকলিপি প্রদান করেন। বিষয়টি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে নিশ্চিত করেছেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক।

তিনি বলেন, চরম দুবস্থা থেকে মুক্তির পাশাপাশি স্থিতিশীল পুঁজিবাজার গঠনের প্রধানমন্ত্রীর দফতরে স্মারকলিপি দিয়েছি। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আমাদের দাবিগুলো গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের ৪ নম্বর গেটে দায়িত্বরত মো. রুহুল আমীন। আমরা আশার করি, দেশের পুঁজিবাজার ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেবেন।

এর আগে দুপুরে পুঁজিবাজারে দর পতনের প্রতিবাদে মতিঝিলের রাস্তায় বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তারা। এরপর পূর্ব ঘোষণা অনুসারে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের উদ্দেশে রওনা দেন।

বিনিয়োগকারীদের দাবিগুলো হলো-

১. পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যানসহ পুরো কমিশনারদের অপসারণ করে কমিশন পুনর্গঠন করতে হবে।

২. সিসি আইনের বাস্তবায়ন করতে যে সব কোম্পানির উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ব্যক্তিগত ২ শতাংশ, সম্মিলিতভাবে ৩০ শতাংশ শেয়ার নেই, ওই সব উদ্যোক্তা পরিচালক ও কোম্পানিগুলোকে শেয়ার ধারণ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

৩। প্লেসমেন্ট শেয়ারের অবৈধ বাণিজ্য বন্ধ করতে হবে এবং প্লেসমেন্ট শেয়ারের লকইন পিরিয়ড পাঁচ বছর করতে হবে। পুঁজিবাজার স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত সব প্রকার আইপিও, রাইট শেয়ার অনুমোদন দেওয়া বন্ধ করতে হবে।

৪। খন্দকার ইব্রাহিম খালেদের তদন্ত কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী শেয়ারবাজার কারসাজির সাথে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে আইনের আওতায় এনে বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে।

৫। জেড ক্যাটাগরি এবং ওটিসি মার্কেট বলতে কোনো মার্কেট থাকতে পারবে না। কোম্পানি আইনে কোথাও জেড ক্যাটাগরির ও ওটিসি মার্কেটের উল্লেখ নেই।

৬। ইস্যু মূল্যের নিচে অবস্থান করা শেয়ারগুলো নিজ নিজ কোম্পানিগুলোর পরিচালনা পর্ষদকে ইস্যু মূল্যে শেয়ার বাইব্যাক করতে হবে। বাইব্যাক আইন পাস করতে হবে।

৭। পুঁজিবাজারের প্রাণ মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোকে পুঁজিবাজারে সক্রিয় হতে বাধ্য করুন এবং প্রত্যেক ফান্ডের নূন্যতম ৮০ শতাংশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে হবে।

৮। সাধারণ বিনিয়োগকারী আইপিও কোটা ৮০ শতাংশ করতে হবে এবং তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে ১০ শতাংশ হারে লভ্যাংশ প্রদান করতে হবে।

৯। জানুয়ারি ২০১১ থেকে জুন ২০১৯ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মার্জিন লোনের সুদ সম্পূর্ণ মওকুফ করতে হবে।

১০। পুঁজিবাজারে অর্থের যোগান বৃদ্ধির জন্য সহজ শর্তে অর্থাৎ ৩ শতাংশ সুদে ১০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ দিতে হবে। যা আইসিবি, বিভিন্ন মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকার হাউজের মাধ্যমে ৫ শতাংশ হারে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা লোন হিসাবে বিনিয়োগের সুযোগ পাবে।

১১। অপ্রদর্শিত অর্থ বিনা শর্তে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের সুযোগ দিতে হবে।

১২। জীবন বিমা খাতের বিপুল অলস ও সঞ্চিত অর্থের ৪০ শতাংশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে বাধ্য করুন।

১৩। জীবন বাচাতে এবং ন্যায্য দাবিতে আন্দোলনরত সাধারণ বিনিয়োগকারীদের বিরুদ্ধে সব প্রকার মামলা প্রত্যাহার ও পুলিশি হয়রানি বন্ধ করতে হবে।

১৪। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের বিপরীতে বাংলাদেশ স্টক এক্সচেঞ্জ নামে বিকল্প স্টক এক্সচেঞ্জ করতে হবে, এর ফলে কারসাজি বন্ধ করা যাবে।

১৫। পাবলিক ইস্যু রুলস ২০১৫ বাতিল করতে হবে।

আরও পড়ুন: দরপতনের প্রতিবাদে বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ

আরও ৩ পোশাক কারখানার কর্মীরা বেতন পাবেন বিকাশে

আরও ৩ পোশাক কারখানার কর্মীরা বেতন পাবেন বিকাশে
ছবি: সংগৃহীত

শীর্ষস্থানীয় আরও তিনটি পোশাক কারখানা তাদের কর্মীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করবে বিকাশে। এ লক্ষ্যে ডিজাইনার ফ্যাশন লিমিটেড, এ অ্যান্ড ই বাংলাদেশ এবং তারা গ্রুপ বিকাশের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির আওতায় প্রতিষ্ঠান তিনটির ১২ হাজার কর্মী তাদের বেতন পাবেন বিকাশে।

সম্প্রতি রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষরিত চুক্তি হস্তান্তর করেন বিকাশের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (সিইও) কামাল কাদীর, ডিজাইনার ফ্যাশন লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর জসীম উদ্দিন, এ অ্যান্ড ই বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এঞ্জেলো লিয়ানাগে এবং তারা গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত তারা স্পিনিং লিমিটেডের হেড অব ফিন্যান্স মো. ইয়াকুব আলী ও এনায়েতপুর স্পিনিং লিমিটেডের ডিজিএম মো. মুশফেকুজ্জামান।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বর্তমানে দেশের শীর্ষস্থানীয় ১৮০টি গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানের দুই লক্ষাধিক কর্মী বিকাশে তাদের বেতন পাচ্ছেন। সেবাটি ক্রমেই গার্মেন্টস কর্তৃপক্ষ এবং কর্মীদের আস্থা ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। এর ধারাবাহিকতায় নতুন তিনটি পোষাক রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানও এই সেবার অন্তর্ভুক্ত হলো।

প্রচলিত পদ্ধতিতে নগদ টাকায় গার্মেন্টস কর্মীদের বেতন দেওয়া সব পক্ষের জন্যই ব্যয়বহুল, সময়সাপেক্ষ এবং ঝুঁকিপূর্ণ। এছাড়া বেতন পরিশোধের দিনে কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হয়, অপচয় হয় শ্রমিকদের কর্মঘণ্টাও। অনেক কারখানাই বিকাশের মতো ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে সহজে, কম সময়ে, কম খরচে বেতন পরিশোধ ব্যবস্থা চালু করেছে। বেতন পরিশোধ ব্যবস্থায়ও এসেছে স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা। ডিজিটাল এই ব্যবস্থায় সমস্ত লেনদেনের রেকর্ড থাকায় কোথাও কোনো অসঙ্গতি দেখা দিলেও তা সহজেই দূর করা যায়।

শুধু সহজে বেতন পাওয়াই নয়, কর্মীরা বেতন পাওয়ার সাথে সাথে বিকাশ একাউন্টের টাকা অন্য বিকাশ একাউন্টে পাঠানো, মোবাইলের এয়ারটাইম কেনা, বিভিন্ন ধরনের বিল পরিশোধ করা কিংবা বিভিন্ন দোকানে পেমেন্ট করাসহ নানান সেবা নিতে পারছেন। এছাড়া সারাদেশের দুই লক্ষাধিক বিকাশ এজেন্টের যেকোনো পয়েন্ট থেকে প্রয়োজনে ক্যাশ আউটও করতে পারছেন, এমনকি একাউন্টে টাকা জমা রেখে স্বল্পমাত্রায় মুনাফাও অর্জন করতে পারছেন তারা।

এদিকে, কোনো ঝামেলা ছাড়াই সহজে এবং সঠিকভাবে অ্যাকাউন্টে বেতন পাওয়া ও তা ব্যবহারের পদ্ধতিগুলো সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করতে বিকাশের পক্ষ থেকে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে শ্রমিকদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হচ্ছে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিকাশের চিফ কর্মাশিয়াল অফিসার (সিসিও) মিজানুর রশীদ, হেড অব গভর্নমেন্ট প্রজেক্ট অ্যান্ড বিজনেস সেলস মাসরুর চৌধুরী, বেঙ্গল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের করপোরেট ফিন্যান্স বিভাগের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার সঞ্জয় সরকার, এ অ্যান্ড ই বাংলাদেশের সিএফও জাকির হোসেইনসহ সব প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র