Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

প্রাইম ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

ব্যাংকিং কার্যক্রমের সবগুলো সূচক উন্নতির দিকে

ব্যাংকিং কার্যক্রমের সবগুলো সূচক উন্নতির দিকে
প্রাইম ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠান, ছবি: সুমন শেখ
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

২০১৮ সালে যেখানে দেশের ব্যাংকিং খাতে অস্থিরতা বিরাজ করেছে, সেখানে প্রাইম ব্যাংকের ব্যাংকিং কার্যক্রমে সবগুলো সূচক উন্নতির দিকে ছিল বলে জানিয়েছেন প্রাইম ব্যাংক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী রাহেল আহমেদ।

তিনি বলেন, 'গেল বছর আমাদের ব্যাংকের কোর বিজনেস রেভিনিউগুলো ইমপ্রুভ করেছে। খুব শিগগির আমরা আমাদের অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশ হলে, আপনারা সেটা দেখতে পাবেন।'

বুধবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রাইম ব্যাংকের ২৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে 'মিট দ্যা প্রেস' অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

রাহেল আহমেদ বলেন, 'ইতোমধ্যেই আমরা ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য ১২.৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ট ঘোষণা করেছি। যা আগামী বোর্ড মিটিংয়ে অনুমোদন হবে বলে আশা করছি।'

প্রাইম ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী বলেন, 'গত এক বছরে আমরা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম আপনারা ইতোমধ্যেই তার কিছু বাস্তবায়ন দেখতে পেয়েছেন। কিছুদিন আগে আমরা দেশে প্রথমবারের মত ডিজিটাল সঞ্চয়ী হিসেব প্রবর্তন করেছি। প্রাইম ডিজি নিয়ে খুব ভালো রেসপন্স পেয়েছি মার্কেট থেকে। এভাবে আগামীতেও প্রাইম ব্যাংকে যে পরিবর্তন দেখতে পাব, যেটা হবে উন্নতির জন্য।'

সামনের বছরগুলো নন পারফরমিং লোনকে ম্যানেজ করাটাই মূল চ্যালেঞ্জ হবে ব্যাংকিং ইন্ডাস্ট্রির জন্য, মত দেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তিনি বলেন, 'অর্থমন্ত্রী ঋণখেলাপিদের ঋণ পরিশোধের জন্য যে কাঠামোতে সুযোগ দেয়ার কথা বলেছেন, তার কোন সার্কুলার আমরা এখনো হাতে পাইনি। যখন সার্কুলার হবে তখন ইন্ডাস্ট্রিতে এর সামগ্রিক প্রভাব নিয়ে মূল্যায়ন করা যাবে। তবে এই নন পারফর্মিং লোনগুলোকে ম্যানেজ করাটা একটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।'

অনুষ্ঠানে প্রাইম ব্যাংকের উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম রাব্বানী, তৌহিদুল আলম খান, হাবিবুর রহমান চৌধুরীসহ আরও অনেকে মত বিনিময় করেন। স্বাগত বক্তব্য দেন ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট মনিরুজ্জামান।

উল্লেখ্য, ১৯৯৫ সালের ১৭ এপ্রিল প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড যাত্রা শুরু করছিল। ব্যাংকটি আগামী ২০২১ সালকে সামনে রেখে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে, যার লক্ষ্য পূরণে মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে 'ওয়ান ব্যাংক, ওয়ান টিম'।

আপনার মতামত লিখুন :

অস্বাভাবিক দরপতনের কারণ জানতে তদন্ত কমিটি

অস্বাভাবিক দরপতনের কারণ জানতে তদন্ত কমিটি
ছবি: সংগৃহীত

দেশের পুঁজিবাজারে চলমান অস্বাভাবিক দরপতনের কারণ জানতে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

রোববার (২১ জুলাই) বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে এ কমিটি গঠন করল পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা। প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক মো. সাইফুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিনও দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স সূচক কমেছে ৯৭ পয়েন্ট। যা গত দেড় বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। রোববার সূচকের পাশাপাশি লেনদেন ও বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দাম কমেছে। আর তাতে বিনিয়োগকারীদের বাজার মূলধন অর্থাৎ পুঁজি হাওয়া হয়েছে ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি।

চার সদস্য বিশিষ্ট কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে বিএসইসির পরিচালক রেজাউল করিমকে। অন্য সদস্যরা হলেন- উপ পরিচালক মো. অহিদুল ইসলাম, মো. নজরুল ইসলাম ও মো.রাকিবুর রহমান। কমিটি আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।

নয়-ছয় সুদ হার বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের চাপ নেই

নয়-ছয় সুদ হার বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের চাপ নেই
ছবি: সংগৃহীত

আমানত সংগ্রহ এবং ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে নয়-ছয় সুদ হার বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে চাপ নেই বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান ও ঢাকা ব্যাংকের এমডি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান।

রোববার (২১ জুলাই) বিকেলে ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালকদের সংগঠন এবিবির সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।

মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘শুধুমাত্র ঘোষণা দিয়ে নয়-ছয় সুদ হার বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। অনেকগুলো বিষয় আছে। তবে আশা করছি, ভবিষ্যতে এটি বাস্তবায়ন হবে। কারণ আমাদের বাণিজ্য ঘাটতি কমতে শুরু করেছে এবং রফতানি বাড়ছে। এক্ষেত্রে কিছুটা সুবিধা পাচ্ছে ব্যাংক। আশা করি, আগামী জুন প্রান্তিকে এ উদ্যোগের আরও কিছুটা বাস্তবায়ন এবং খেলাপি ঋণের হার ১০ শতাংশের নিচে নেমে আসবে।’

‘শুধু একটি বিষয় নয়, এখানে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। কীভাবে গ্রামীণ পর্যায়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ঋণ বাড়ানো যায়, সেই চেষ্টাও করছে ব্যাংক খাত। আমাদের দেশের খেলাপি ঋণ মার্চ প্রান্তিকে অনেকটা বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংকের পরামর্শ অনুযায়ী আগামী প্রান্তিকে কমিয়ে আনার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছি। আমরা আশা করছি, এ খেলাপি ঋণ জুন প্রান্তিকে অন্তত ১০ শতাংশের নিচে নেমে আসবে,’ যোগ করেন তিনি।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং পুরো ব্যাংক খাত মিলে নয়-ছয় সুদ হার বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে।

সরকারি ব্যাংকগুলো এটা বাস্তবায়ন করলেও বেসরকারি ব্যাংকগুলো কেন পারছে না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সব বেসরকারি ব্যাংকই যে ৯ শতাংশের ওপরে সুদ নিচ্ছে তা নয়। কিছু কিছু বেসরকারি ব্যাংকও এটা বাস্তবায়ন করেছে। তবে সবগুলো ব্যাংকে এ সুদ হার বাস্তবায়নে কিছুটা সময় প্রয়োজন। আমরা সবাই মিলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টাই করছি।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র