Barta24

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬

English

২ মাসের মধ্যে ব্যাংক ঋণে সুদের হার কমানোর সুপারিশ

২ মাসের মধ্যে ব্যাংক ঋণে সুদের হার কমানোর সুপারিশ
ছবি: বার্তা২৪.কম
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা: দীর্ঘদিন ধরেই সরকারের পক্ষ থেকে ব্যাংক ঋণে সুদের হার একক সংখ্যায় নামিয়ে আনতে বলা হচ্ছে। এমনকি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।

এ নির্দেশনা কিছু সরকারি ব্যাংক বাস্তবায়ন করলেও বেসরকারি ব্যাংকগুলো তা মানছে না। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক আগামী দুই মাসের মধ্যে সব ব্যাংককে সুদের হার একক ঘরে (নয় শতাংশ) নামিয়ে আনার নির্দেশনা দিয়েছে সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) সংসদ সচিবালয়ের সভাকক্ষে সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়। কমিটির সভাপতি আ. স. ম. ফিরোজের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটি সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান, নারায়ণ চন্দ চন্দ্র, মো. মাহবুবউল-আলম হানিফ, মির্জা আজম এবং মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম অংশ নেন।

বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি আ. স. ম. ফিরোজ বার্তা২৪.কমকে বলেন, বেসরকারি ব্যাংকগুলো বলেছিল, সরকারি টাকার ৫০ ভাগ আমানত জমা পেলে তারা একক ডিজিটে সুদ হার বাস্তবায়ন করতে পারবে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, তারা সেই সুবিধা নিলেও এখনও সুদের হার একক সংখ্যায় আনতে পারেনি। এজন্য আমরা বাংলাদেশ ব্যাংককে বলে দিয়েছি, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী দুই মাসের মধ্যে ব্যাংক ঋণের সুদের হার একক সংখ্যায় আনতে হবে।

তিনি বলেন, ব্যাংক ঋণে উচ্চ হারে সুদের কারণে ঋণ খেলাপি হয়। ব্যাংকগুলো চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ নিয়ে থাকে। ব্যবসায়ীদের পক্ষে সেই সুদের হার মেটানো অসম্ভব হয়ে যায়। কাজেই আমরা নির্দেশনা দিয়েছি, আগামী এক বা দুই মাসের মধ্যে সব ব্যাংককে নয় শতাংশ হারে সুদ নির্ধারণ করতে হবে।

বৈঠকে বেসরকারি ব্যাংক অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিদের ডাকা হলেও তাদের কেউ বৈঠকে অংশ নেননি। বৈঠকে আসবেন বলে জানালেও শেষ পর্যন্ত আসেননি তারা। এনিয়ে কমিটিতে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

কমিটি বাংলাদেশ ব্যাংক এবং তফসিলি ব্যাংকের মাধ্যমে একক সংখ্যায় ব্যাংক ঋণের সুদের হার বাস্তবায়নের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ারও সুপারিশ করেছে।

বৈঠকে উল্লেখ করা হয়, রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর সুদ মওকুফের ক্ষেত্রে সরকারের নীতিমালা জারি করা হয়েছে। নীতিমালার ফলে অনেক রুগ্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান, বন্ধ ও অচল মিল কারখানা সুদ মওকুফ সুবিধা পেয়েছে। ফলে ওই সব প্রতিষ্ঠানের অবশিষ্ট অনাদায়ী/শ্রেণিকৃত ঋণ আদায় সহজ হয়েছে।

বৈঠকে আরো উল্লেখ করা হয়, ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো (সিআইবি) এর মাধ্যমে ব্যাংকগুলোর খেলাপি গ্রাহকের তথ্য নিজেদের মধ্যে আদান প্রদান করতে পারছে। ফলে এক ব্যাংকের খেলাপি গ্রাহক অন্য ব্যাংক থেকে ঋণ পাচ্ছেন না।

এছাড়াও বৈঠকে জানানো হয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত পোশাক শিল্পের ২৭৯টি এবং নন টেক্সটাইল শিল্প খাতের দু’দফায় মোট ৪১১টি (১৪৭+২৬৪) প্রতিষ্ঠানকে রুগ্ন শিল্প হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় এ পর্যন্ত মোট ৪২৬টি রুগ্ন শিল্পের (নন-টেক্সটাইল) জন্য সুদ ভর্তুকিসহ নমনীয় পরিশোধ সূচিতে ঋণ হিসাব অবসায়নে (Liquidation) বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে এবং এ প্যাকেজের আওতায় অধিকাংশ ঋণ হিসাব নিস্পত্তি করা হয়েছে।

বৈঠকে বাংলাদেশ বাংকের ডেপুটি গভর্নর, রাষ্ট্রায়ত্ত বিভিন্ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধানসহ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

এমডি খুঁজছে ডিএসই ও সিএসই

এমডি খুঁজছে ডিএসই ও সিএসই
পুঁজিবাজার ছবি: সংগৃহীত

ব্যবস্থাপনা পরিচালক অর্থাৎ (এমডি) খুঁজছে দেশের দুই পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে ডিএসই কর্তৃপক্ষ এমডি নিয়োগে পত্রিকার পাশাপাশি ডিএসইর ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

অন্যদিকে সিএসই দুই দফা বিজ্ঞাপন দেওয়ার পর এখনো তিন মাস সময় চেয়ে আবারও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের কাছে আবেদন করেছে এমডির খুঁজে।

দুই স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই সূত্র মতে, চলতি বছরের ১১ জুলাই ডিএসই’র এমডি পদ শূন্য হয়। গত ৭ আগস্ট ডিএসই কর্তৃপক্ষ নতুন এমডি নিয়োগের জন্য ডেইলি অবজারভার, প্রথম আলো পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে। তাতে আগামী ১ সেপ্টেম্বর রোববারের মধ্যে আবেদন করতে বলা হয়েছে।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ দুই দফা সময় বৃদ্ধির পর আবারও আবেদনের সময় বাড়ানোর জন্য কমিশনের কাছে আবেদন করেছে। বিষয়টি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে নিশ্চিত করেছেন সিএসই’র ভারপ্রাপ্ত এমডি গোলাম ফারুক।

আবেদনের জন্য ক্লিক করুন: https://www.dsebd.org/pdf/dse-md-2019.pdf

সূচক কমেছে উভয় পুঁজিবাজারে

সূচক কমেছে উভয় পুঁজিবাজারে
শেয়ার বাজারের প্রতীকী ছবি

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার (২১ আগস্ট) সূচক কমে শেষ হয়েছে এ দিনের লেনদেন কার্যক্রম। এদিন ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৪ পয়েন্ট এবং সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স কমেছে ৩ পয়েন্ট।

এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫৪২ কোটি ৫৫ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪৭২ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। আর সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২১ কোটি ২১ লাখ টাকা। গত কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৪৪ কোটি ২০ লাখ শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

ডিএসই ও সিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক বাড়ে। লেনদেনের শুরু হয় সাড়ে ১০টায়, শুরুতেই সূচক কমে যায়। প্রথম ৫ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক বাড়ে ৬ পয়েন্ট। বেলা ১০টা ৪০ মিনিটে সূচক বাড়ে ৯ পয়েন্ট। বেলা ১০টা ৪৫ মিনিটে সূচক ১৪ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক ১৭ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১০টা ৫৫ মিনিটে সূচক ১৮ পয়েন্ট বাড়ে। এরপর থেকে সূচক বাড়ার প্রবণতা কমতে থাকে। বেলা ১১টায় সূচক ১২ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা সাড়ে ১১টার পর সূচক নেতিবাচক হতে শুরু করে। বেলা ১২টায় সূচক কমে ৫ পয়েন্ট। বেলা সোয়া ১২টায় সূচক গত কার্যদিবসের চেয়ে নেতিবাচক হয়ে যায়। এ সময়ে সূচক কমে ৫ পয়েন্ট। এরপর সূচক ওঠানামা করতে থাকে। বেলা ১টায় সূচক ২ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ২টায় সূচক ১ পয়েন্ট কমে। কিন্তু বেলা আড়াইটায় লেনদেন শেষে ডিএসইএক্স সূচক ৪ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ২২৩ পয়েন্টে অবস্থান করে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ৮৪১ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক প্রায় এক পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ২০৪ পয়েন্টে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫৪২ কোটি ৫৫ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড।

লেনদেন শেষে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১২৩টির, কমেছে ১৯৪টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৭টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

বুধবার দাম বৃদ্ধির ভিত্তিতে ডিএসই’র শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে- ইউনাইটেড পাওয়ার, ওরিয়ন ইনফিউশন, জেএমআই সিরিঞ্জ, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, মুন্নু সিরামিকস, বিকন ফার্মা, কেপিসিএল, সিলকো ফার্মা এবং আলহাজ টেক্সটাইল।

সিএসই

অন্যদিকে, লেনদেন শেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) প্রধান সূচক সিএসইএক্স ৩ পয়েন্ট কমে ৯ হাজার ৬৯৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে। সিএসই-৩০ সূচক ১৫ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৩২ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক এক পয়েন্ট বেড়ে ১৫ হাজার ৯৭৭ পয়েন্টে অবস্থান করে।

লেনদেন শেষে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ২১ কোটি ২১ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

এদিন দাম বাড়ার ভিত্তিতের সিএসই’র শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- আরএকে সিরামিকস, সায়হাম টেক্সটাইল, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, বিচ হ্যাচারি, জেনেক্সিল, মোজাফফর হোসেন স্পিনিং, ফ্যামিলি টেক্সটাইল, কেয়া কসমেটিকস, তুংহাই নিটিং এবং স্টান্ডার্ড সিরামিকস।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র