Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

এশিয়ায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সর্বোচ্চ: এডিবি

এশিয়ায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সর্বোচ্চ: এডিবি
‘এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক’ প্রকাশের অনুষ্ঠান, ছবি: সংগৃহীত
সেন্ট্রাল ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

২০১৯-২০ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আট শতাংশ হবে। এটি এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ।

এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) ‘এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক’ (এডিও) -এর প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, আশা করা যাচ্ছে যে, আসন্ন অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আট শতাংশ হবে। বলিষ্ঠ বেসরকারি ভোগ, বর্ধিত সরকারি বিনিয়োগ, রফতানির পরিমাণ বৃদ্ধি ও শিল্পবাণিজ্যের প্রসারের কারণে এই অগ্রগতি ঘটবে।

এডিবি প্রত্যাশা করছে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অগ্রগতি খুব বেশি না হলেও উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশে বাণিজ্যের অনুকূল পরিবেশ বজায় থাকবে। সেই সাথে, এদেশে রফতানি ও রেমিটেন্সের পরিমাণ আরও বাড়বে। পরিবেশ সুরক্ষায় নীতি বজায় রাখা ও অবকাঠামোগত অসংখ্য প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নে সরকারি উদ্যোগ চলমান থাকবে।

এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ বলেন, বাংলাদেশের এই অগ্রগতি ধরে রাখতে দীর্ঘ মেয়াদে শিল্পের প্রসারিত ভিত্তি, বৈচিত্রপূর্ণ রফতানি পণ্য, বেসরকারি খাতের উন্নয়নে ব্যবসায়িক পরিবেশের উন্নয়ন, ট্যাক্স বাড়ানো, সম্পদের সুষম বণ্টনের জন্য রাজস্ব আরও বাড়ানো ও মানব সম্পদের উন্নয়ন ঘটাতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের ভিশন অনুযায়ী, সুদূরপ্রসারী উন্নয়নের জন্য বৃহৎ অর্থনীতির প্রতি গুরুত্বারোপ অব্যাহত রাখা, শক্তিশালী ঋণ ব্যবস্থাপনা, ব্যাংক খাতকে শক্তিশালী করা, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা দূর করা এবং ব্যবসায় উদ্যোগের খরচ কমানো জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন :

মধুমেলায় রাকাবের ২২০ কোটি টাকা বকেয়া ঋণ আদায়

মধুমেলায় রাকাবের ২২০ কোটি টাকা বকেয়া ঋণ আদায়
ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের (রাকাব) সকল শাখায় একযোগে মধুমাস-১৪২৬ উদযাপন ও মধুমেলা উপলক্ষে ঋণ আদায় মহাক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই মেলায় প্রায় ২২০ কোটি টাকা বকেয়া ঋণ আদায় করা হয়।

মেলা শেষে বুধবার (২৬ জুন) সন্ধ্যায় রাকাবের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. জামিল হোসাইন বার্তা২৪.কম-কে এ তথ্য জানিয়েছেন।

জনসংযোগ কর্মকর্তা জামিল হোসাইন জানান, আদায়কৃত ২২০ কোটি টাকা বকেয়া ঋণ; যেখানে শ্রেণিকৃত ঋণ হতে আদায়ের পরিমাণ ছিল ৪০ কোটি টাকা। পুনঃতফসিলকৃত ঋণ ১৩ কোটি টাকা এবং অন্যান্য বকেয়া ঋণ ১৬৭ কোটি টাকা। ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত মধুমেলার চেয়ে এবার প্রায় ৯২ কোটি টাকা বেশি বকেয়া ঋণ আদায় করা হয়।

তিনি আরও জানান, রাজশাহী বিভাগ ১১৫ কোটি, রংপুর বিভাগ ১০৪ কোটি এবং স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ে এক কোটি টাকা ঋণ আদায় করা হয়েছে। মেলায় বকেয়া ঋণ আদায়ের পাশাপাশি ১৫৩ কোটি টাকা ঋণ বিতরণসহ বিভিন্ন হিসাবের মাধ্যমে ২৭ কোটি টাকা আমানত সংগ্রহ করা হয়।

রাকাব সূত্র জানায়, ব্যাংকের শাখা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত এই ঋণ আদায় মহাক্যাম্পে বিভিন্ন শাখায় উপস্থিত ছিলেন- রাকাব পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক সচিব মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী আলমগীর, ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও বিভাগীয় কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপকবৃন্দসহ বিভিন্ন জোনের জোনাল ব্যবস্থাপকগণ।

সিটি ব্যাংকের ৩৬তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

সিটি ব্যাংকের ৩৬তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
দি সিটি ব্যাংক লিমিটেডের ৩৬তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত, ছবি: সংগৃহীত

দি সিটি ব্যাংক লিমিটেডের ৩৬তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৬ জুন) ঢাকায় কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবে এই বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বার্ষিক সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান আজিজ আল কায়সার। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান হোসেন খালেদ ও  পরিচালক তাবাস্সুম কায়সার, সাভেরা এইচ মাহমুদ, হোসেন মেহমুদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মাসরুর আরেফিন, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ মোহাম্মদ মারুফসহ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন নির্বাহীবৃন্দ। বিপুলসংখ্যক শেয়ারহোল্ডার এ সভায় অংশগ্রহণ করেন।

ব্যাংকের চেয়ারম্যান আজিজ আল কায়সার তাঁর স্বাগত বক্তব্যে বলেন, ক্রমশ পরিবর্তনের মাধ্যমে এগিয়ে যাওয়াকে সিটি ব্যাংক সবসময় প্রাধান্য দিয়ে এসেছে, যার ফলশ্রুতিতে ব্যাংকটি দেশের অগ্রগামী ডিজিটাল ব্যাংক হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে। ব্যাংকিং সেক্টরে নানাবিধ চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে তিনি ক্রমান্বয়ে সেগুলো থেকে উত্তীর্ণ হওয়ার লক্ষ্যে সচেষ্ট থাকার কথা জানান।

ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও মাসরুর আরেফিন ব্যাংকের কর্মকাণ্ডের সার্বিক চিত্র শেয়ারহোল্ডারদের কাছে তুলে ধরেন এবং ব্যাংকের প্রতি তাদের দীর্ঘদিনের আস্থার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। একই সঙ্গে তিনি সার্বক্ষণিক সহায়তা ও দিকনির্দেশনার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনসহ সকল নিয়ন্ত্রণ সংস্থা এবং ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

৩৬তম বার্ষিক সাধারণ সভায় পরিচালক পরিষদ কর্তৃক সুপারিশকৃত ৬% ক্যাশ ও ৫% স্টক ডিভিডেন্ড অনুমোদনের জন্য উত্থাপিত হলে তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত ও অনুমোদিত হয়।

 

 

 

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র