Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

রমজানে চাঁদাবাজি আর মূল্য নিয়ন্ত্রণে মন্ত্রণালয়ের পদক্ষেপ চান ব্যবসায়ীরা

রমজানে চাঁদাবাজি আর মূল্য নিয়ন্ত্রণে মন্ত্রণালয়ের পদক্ষেপ চান ব্যবসায়ীরা
ছবি: সংগৃহীত
ইসমাঈল হোসাইন রাসেল
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

পরিবহন খাতে চাঁদাবাজি ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে মালিকদের সঙ্গে সমন্বয় করে মূল্য নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে রমজানে বাজার স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হবে বলে মত দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। আর বাজারে মূল্য নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। 

আসন্ন রমজান উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের স্থানীয় উৎপাদন, আমদানি, মজুত অবস্থা ও মূল্য পরিস্থিতি পর্যালোচনায় আজ বুধবার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। বৈঠকে সূত্রে জানা গেছে, ব্যবসায়ীরা বৈঠকে দ্রব্য মূল্যের নিয়ন্ত্রণের জন্য মন্ত্রণালয়কে সরাসরি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান। এছাড়াও সড়ক পথে চাঁদাবাজি বন্ধ, যানজটে পণ্য নষ্ট হওয়ার সমাধান, জাল টাকা প্রতিরোধ ও বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে ছোট প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বয়ের মতামত দেন।

এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মফিজুল ইসলাম বলেন, ‘আশ্বস্ত হতে চাই রমজান মাসে ভোগ্য পণ্যের দাম স্থিতিশীল থাকবে। প্রয়োজনে বিশেষ ব্যবস্থা নেবো, তবুও পণ্যের বাজার মূল্য বাড়তে দেবো না।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/27/1553706319528.jpg

বৈঠক শেষে বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতির মহাসচিব রবিউল আলম বার্তা২৪.কম-কে বলেন, ‘রমজানে মাংসের দাম বাড়ার কোন সম্ভাবনা নেই। দেশের বাইরে থেকে মাংস আমদানি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ কিন্তু বাজার আমদানি করা মাংসে সায়লাব হয়ে যাচ্ছে। এটি নিয়ন্ত্রণ করা গেলেই বাজারে মাংসের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে। যথাযথ ব্যবস্থা নিলে গরুর মাংস ৩০০ টাকায় নামিয়ে আনা সম্ভব। 

বৈঠকে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, ‘রমজানের আগেই বাজারে তেজী ভাব লক্ষ করছি। ১২০ টাকায় ব্রয়লার মুরগী পাওয়া যেতো, সেটি এখন ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা। ১০০ টাকার নিচে বাজারে সবজি পাওয়া যাচ্ছে না।’

তেলের দাম নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে সিটি গ্রুপের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান বলেন, ‘সিস্টেমে এসে হোলসেলার যদি ৫০ পয়সা অথবা একটাকা লাভ করে, খুচরা ব্যবসায়ী যদি পাঁচ টাকা লাভ করে তাহলে বাজারে এক পয়সাও তেলের দাম বাড়বে না। যারা রিটেইলার, তারা যদি বলে আমরা পাঁচ টাকায় খুশি তাহলে আর সমস্যা থাকে না।’ 

মৌলভীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হাফেজ মো: এনায়েতুল্লাহ বলেন, ‘বর্তমানেসব পণ্যই পর্যাপ্ত আছে। সুতরাং দাম বাড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। শুধু নিয়ন্ত্রণটা ঠিক রাখতে হবে, পরিবহন ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে আনলে কোনো সমস্যা থাকবে না।’

বাংলাদেশ ডাল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হাজি শফি মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের কাছে যে পরিমাণ মাল মজুদ আছে, তাতে মূল্য বাড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে রমজানে নতুন কোনো ভালো মানের ছোলা আমদানি করলে দুই-চার টাকা বাড়তে পারে।’

বাংলাদেশ ডাল ব্যবসায়ী সমিতির মহাসচিব শফিউল ইসলাম বলেন, 'চট্টগ্রামের বিভিন্ন গোডাউনে মাল স্টক করা হচ্ছে। তারা যেই দামে বিক্রি করছে, সেই দামের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদেরও বিক্রি করতে হয়। কার কাছে কী পরিমাণ স্টক আছে সেটি সরকার জানে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/27/1553706376687.jpg

ঢাকা মহানগর ফল আমদানি রফতানিকারক ও আড়ৎদার ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফারুক সিদ্দিকী বলেন, ‘পর্যাপ্ত পরিমাণ খেজুরের মজুদ আছে। দাম গতবারের তুলনায় কমেই বিক্রি করব, বেশি দামে বিক্রি করব না। গতবার বিক্রি করেছিলাম ৬৫ থেকে ৭৫ টাকার মধ্যে। সাধারণ মানুষ জাহিদী খেজুর (ভেজা খেজুর) খায়।’

পেঁয়াজ আমদানিকারক মো: হাফিজুর রহমান বলেন, ‘পেঁয়াজের মূল্য নিয়ে সমস্যা হবে না। পেঁয়াজ এখন উঠতে শুরু করেছে। তবে অতি বৃষ্টি হলে পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে যায়। দেশে যে পরিমাণ পেঁয়াজ উৎপাদন হয়, তা দিয়ে চাহিদা পূরণ হয় না। ভারত থেকে বছরে ১০ লাখ টনের অধিক পেয়াজ আমদানি করতে হয়।’ 

বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের অতিরিক্ত সচিব (বাণিজ্যক পরিচালক) মীর জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘বর্তমানে উৎপাদিত ৭৯ হাজার ৮৫০ মেট্রিক টন ও আমদানি পর্যায়ে ৮৪ হাজার ৬৭৫ মেট্রিক টন চিনি আছে। মোট এক লাখ ৬৪ হাজার ৫২৫ মেট্রিক টন চিনি আছে। রমজানে বাজারে ছাড়ার জন্য যা পর্যাপ্ত। তাই চিনির দাম বাড়ার কোনো সম্ভবনা নেই।’

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের প্রতিনিধি জানান, টার্গেট আছে তিন লাখ হেক্টরের বেশি সবজি উৎপাদন করার। সেটি ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। যখনই সবজি উৎপাদন শুরু হবে বাজারে সবজির দাম কমে যাবে। আগামী একমাসের মধ্যে বাজারে সবজির দাম অনেকটাই কমে যাবে।’

চাঁদাবাজির বিষয়ে পুলিশ জিরো টলারেন্সে থাকবে জানিয়ে পুলিশ সদর দফতরের ডিআইজি এস এম রুহুল আমিন বলেন, ‘চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে নির্দেশনা দেওয়া আছে। রমজানে আরও বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া থাকবে। এ ব্যাপারে পুলিশ জিরো টলারেন্সে থাকবে। ব্যবসায়ীদের বলতে চাই, চাঁদাবাজির ঘটনা কোথাও ঘটলে নিকটবর্তী পুলিশকে অবহিত করুন। লোকাল থানা ব্যবস্থা না নিলে এসপির কাছে যান। লোকাল পুলিশ-এসপি ব্যবস্থা না নিলে পুলিশ সদর সদফতরে স্পেশাল সেল থাকবে, সেখানে অভিযোগ করতে পারবেন।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/27/1553706344270.jpg

বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, 'ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন ভোগ্য পণ্যের দামের চেইনটা যদি দেখভাল করা যায়, তাহলে পণ্যের দাম বৃদ্ধি হবে না। এটা গুরুত্বসহকারে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দেখব। আর স্তরভিত্তিক মূল্য চেইনের বিষয়ে ব্যবসায়িরাও একমত হয়েছেন। ফলে রমজানে ভোগ্য পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির কোনো আশঙ্কা দেখছি না।'

সভায় বাণিজ্য সচিব মো. মফিজুল ইসলাম, বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান জ্যোতির্ময় দত্ত, টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জাহাঙ্গীর, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম লস্কর, মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামালসহ এনবিআর, কৃষি মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ও পুলিশ প্রশাসনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন :

প্রস্তাবিত দরেই শেয়ার কিনতে হবে নিলামে অংশগ্রহণকারীদের

প্রস্তাবিত দরেই শেয়ার কিনতে হবে নিলামে অংশগ্রহণকারীদের
ছবি: সংগৃহীত

 

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) বুক বিল্ডিং পদ্ধতির বিডিংয়ে অংশগ্রহণকারীদেরকে প্রস্তাবিত দরেই শেয়ার কিনতে হবে। একই সঙ্গে যে পরিমাণ শেয়ার কেনার জন্য দর প্রস্তাব করবে, সেই পরিমাণ কিনতে হবে।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ৬৯৩তম সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের দুই পুঁজিবাজার ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই ও সিএসই) এবং ডিএসই ব্রোকাস অ্যাসোসিয়েশনের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে কমিশন এই সিদ্ধান্ত নেয়।

বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে নিলামে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দকৃত শেয়ার সম্পূর্ণ বিক্রি না হলে, সেই ইস্যু বাতিল করা হবে। এই পদ্ধতিতে বিডারদের নাম ও তাদের প্রস্তাবিত দর প্রদর্শন করানো যাবে না। আর বিডিংয়ের জন্য নিলামকারীদেরকে শতভাগ অর্থ সংশ্লিষ্ট স্টক এক্সচেঞ্জে জমা দিতে হবে।

এক্ষেত্রে শেয়ার সর্বোচ্চ দর প্রস্তাবকারী থেকে বিতরণ শুরু হবে, যা ক্রমান্বয়ে নিচের দিকে নামবে। যে মূল্যে বিতরণ শেষ হবে, সেটাই কাট-অব প্রাইস হবে। সাধারণ বিনিয়োগকারীরা সেই মূল্য থেকে ১০ শতাংশ কমে শেয়ার ক্রয় করবেন। আর কাট-অব প্রাইসে যদি একাধিক বিডার থাকেন, তাহলে যে বিডার আগে বিড করবেন তাকে আগে শেয়ার দেওয়া হবে।

বিডিংয়ের চূড়ান্ত ফল, মূল্য ও বরাদ্দকৃত শেয়ারের সংখ্যাসহ যারা শেয়ার পেয়েছেন, তাদের ই-মেইলের মাধ্যমে পাঠানো হবে। একইসঙ্গে ইস্যুয়ার, ইস্যু ম্যানেজার এবং এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। অকৃতকার্য বিডারের টাকা পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে ফেরত দেবে স্টক এক্সচেঞ্জ। আর কৃতকার্য বিডারের টাকা পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে ইস্যুয়ারের ব্যাংক হিসাবে জমা দেবে।

কমিশন বুক বিল্ডিংয়ে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের কোটা ৬০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫০ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কোটা ৩০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৪০ শতাংশ করা হবে।

অন্যদিকে, ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে যোগ্য বিনিয়োগকারীদের কোটা ৪০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩০ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কোটা ৪০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করা হয়েছে।

আইপিওতে যোগ্য বিনিয়োগকারী হিসেবে কোটা সুবিধা পেতে সেকেন্ডারি মার্কেটে বিনিয়োগ থাকতে হবে। এই বিনিয়োগের পরিমাণ কি হবে, কমিশন তা প্রত্যেক পাবলিক ইস্যুর সম্মতিপত্রে উল্লেখ করবে। অন্যথায় সংরক্ষিত শেয়ারের কোটা সুবিধা পাবেন না। পূর্বের ইস্যুকৃত মূলধনের ৮০ শতাংশ ব্যবহার না করে পাবলিক ইস্যুর প্রস্তাব করা যাবে না। আইপিওতের ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে কমপক্ষে ৩০ কোটি টাকা বা পরিশোধিত মূলধনের ১০ শতাংশ উত্তোলন করতে হবে।
যেটির পরিমাণ বেশি, সেই পরিমাণ তুলতে হবে। আর বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ৭৫ কোটি টাকা বা পরিশোধিত মূলধনের ১০ শতাংশ উত্তোলন করতে হবে। এক্ষেত্রেও যেটির পরিমাণ বেশি, সেই পরিমাণ উত্তোলন করতে হবে।

ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে সম্মিলিতভাবে আবেদন ৬৫ শতাংশের কম হলে ইস্যু বাতিল করা হবে। আর ৬৫ শতাংশের বেশি এবং ১০০ শতাংশের কম হলে, বাকি শেয়ার অবলেখক (আন্ডাররাইটার) গ্রহণ করবে।

এদিকে আইপিও’র আবেদনের সময় ইস্যুয়ারকে পূর্বে নগদে উত্তোলিত মূলধনের ক্ষেত্রে ব্যাংকের অথবা অডিটরের সার্টিফিকেট এবং ব্যাংক স্টেটমেন্ট দাখিল করতে হবে। আর নগদ ব্যতিত উত্তোলিত মূলধনের ক্ষেত্রে যৌথ মূলধনী কোম্পানির রেজিস্টারের সার্টিফাইড ভেন্ডর এগ্রিমেন্ট এবং সম্পদের মালিকানা সংক্রান্ত টাইটেল ডকুমেন্ট কমিশনে জমা দিতে হবে।

ব্যাংক এশিয়ার ৫০০ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন

ব্যাংক এশিয়ার ৫০০ কোটি টাকার বন্ড অনুমোদন
ছবি: সংগৃহীত

পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত ব্যাংক এশিয়ার ৫০০ কোটি টাকার নন-কনভার্টেবল সাবঅর্ডিনেটেড বন্ডের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) কমিশনের ৬৯৩তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমান সাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, সাত বছর মেয়াদী এই বন্ডের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে নন-কনভার্টেবল, আনলিস্টেড, ফুল্লি রিডেম্বল, ফ্লাটিং রেটেড এবং সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড। সাত বছরে বন্ডটি পূর্ণ অবসায়ন হবে। যা শুধুমাত্র স্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিমা কোম্পানি, করপোরেট বডি এবং যোগ্য বিনিয়োগকারীদের মধ্যে প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ইস্যু করা হবে।

উল্লেখ্য, এই বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে অর্থ উত্তোলন করে ব্যাংক এশিয়ার টায়ার-টু মূলধন ভিত্তি শক্তিশালী করবে। এই বন্ডের প্রতিটি ইউনিটির অভিহিত মূল্য এক কোটি টাকা। এই বন্ডের ম্যানডেটেড লিড অ্যারেঞ্জার এবং ট্রাস্টি হিসাবে যথাক্রমে স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক এবং গ্রিন ডেল্টা ইনস্যুরেন্স কাজ করছে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র