Barta24

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

সূচক কমলেও উভয় পুঁজিবাজারে বেড়েছে লেনদেন

সূচক কমলেও উভয় পুঁজিবাজারে বেড়েছে লেনদেন
ছবি: সংগৃহীত
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার (২৭ জানুয়ারি) সূচক কমে শেষ হয়েছে এদিনের লেনদেন কার্যক্রম।

তবে এদিন উভয় পুঁজিবাজারের লেনদেন গত কার্যদিবসের চেয়ে বেড়েছে। এদিন ডিএসই’র প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ১০ পয়েন্ট এবং সিএসই’র প্রধান সূচকসিএসসিএক্স কমেছে ২৮ পয়েন্ট। এছাড়া এদিন লেনদেন শেষে ডিএসই’তে লেনদেন হয়েছে এক হাজার ১৯৮ কোটি এবং সিএসই’তে লেনদেন হয়েছে ৫৩ কোটি ৬৫ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেন শুরুর প্রথম থেকে সূচক বাড়তে থাকে। লেনদেনের শুরুতেই ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স গত কার্যদিবসের চেয়ে ৩২ পয়েন্ট বেড়ে যায়। এরপর থেকে সূচক বাড়ার প্রবণতা ওঠানামা করতে থাকে। বেলা ১১টায় ডিএসইএক্স সূচক ৩১ পয়েন্ট বাড়ে। লেনদেনে শেষে ডিএসইএক্স সূচক ১০ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৯৩৯পয়েন্টে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ৫ পয়েন্ট কসে অবস্থান করছে ২ হাজার ৪৩ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহসূচক শূন্য দশমিক ৬৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ৩২২পয়েন্টে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে এক হাজার ১৯৮ কোটি ৫৭ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড।

লেনদেন শেষে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৬২টির, কমেছে ১৫৯টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৬টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

রোববার দাম বৃদ্ধির ভিত্তিতে ডিএসই’র শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে- প্রিমিয়ার ব্যাংক, ইস্টার্ন হাউজিং, ইউনাইটেড পাওয়ার, ঢাকা ব্যাংক, ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড, লংকা-বাংলা ফাইন্যান্স, সোনারবাংলা ইন্স্যুরেন্স, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন ও আইএফআইসি ব্যাংক।

সিএসই

অন্যদিকে, লেনদেন শেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক (সিএসইএক্স) ২৮ পয়েন্ট কমে ১১ হাজার ৮ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ২০ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার৭৫৪ পয়েন্টে ও সিএএসপিআই সূচক ৫০ পয়েন্ট কমে ১৮ হাজার ২১৫ পয়েন্টে অবস্থান করে।

লেনদেন শেষে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫৩ কোটি ৬৫ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

এদিন দাম বাড়ার ভিত্তিতের সিএসই’র শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- আইসিবি এএমসিএল দ্বিতীয় মিউচ্যুয়াল ফান্ড, প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স, ইস্টার্ন হাউজিং, সোনারবাংলা ইন্স্যুরেন্স, তাকাফুল ইন্স্যুরেন্স, জনতা ইন্স্যুরেন্স, কেডিএস অ্যাকসেসরিজ, প্রগতী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্স ও সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্স।

 

আপনার মতামত লিখুন :

ঊর্ধ্বমুখী পুঁজিবাজার

ঊর্ধ্বমুখী পুঁজিবাজার
ডিএসইস ও সিএসই লোগো

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় লেনদেন চলছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বেলা ১১টা পর্যন্ত ডিএসই’র প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ২৫ পয়েন্ট এবং সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স বেড়েছে ২৭ পয়েন্ট।

এছাড়াও একই সময়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৩১ কোটি ৫০ লাখ টাকা এবং সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা।

ডিএসই ও সিএসই’র ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই
এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক বাড়ে। লেনদেনের শুরু হয় সকাল সাড়ে ১০টায়, শুরুতেই সূচক কমে যায়। প্রথম ৫ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক বাড়ে ৮ পয়েন্ট। বেলা ১০টা ৪০ মিনিটে সূচক বাড়ে ১৩ পয়েন্ট। এরপর থেকে সূচক একটানা বাড়তে থাকে। বেলা ১০টা ৪৫ মিনিটে সূচক ১৮ পয়েন্ট বেড়ে যায়। বেলা ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক বাড়ে ২১ পয়েন্ট। বেলা ১০টা ৫৫ মিনিটে সূচক ১৯ পয়েন্ট বেড়ে যায়। বেলা ১১টায় সূচক ২৫ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৫ হাজার ১১৭ পয়েন্টে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ৮২৩ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহসূচক ৬ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ১৭২ পয়েন্টে।

এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩১ কোটি ৫০ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। একই সময়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ২০৯টির, কমেছে ৫৬টির এবং অপরিবর্তীত রয়েছে ২৭টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত ডিএসইতে দাম বৃদ্ধি পাওয়া শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে- সি পার্ল বিচ রিসোর্ট, ফরচুন সু, ইউনাইটেড এয়ার, সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ, মুন্নু সিরামিকস, রানার অটোমোবাইল, স্কয়ার ফার্মা, ফাস ফাইন্যান্স, ওয়াটা কেমিক্যাল এবং ফার-ইস্ট নিটিং।

সিএসই
অন্যদিকে, একই সময়ে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক (সিএসইএক্স) ২৭ পয়েন্ট বেড়ে ৯ হাজার ৫১৫ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ৩৪ পয়েন্ট বেড়ে ১৩ হাজার ৯২৩ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ৩৮ পয়েন্ট বেড়ে ১৫ হাজার ৬৫৮ পয়েন্টে অবস্থান করে।

এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩ কোটি ২০ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

একই সময়ে দাম বাড়ার ভিত্তিতের সিএসই’র শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- সি পার্ল বিচ রিসোর্ট, সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স, উত্তরা ফাইন্যান্স, আমরা টেকনোলজিস, ফুওয়অং সিরামিকস, ফার কেমিক্যাল, ফুওয়াং ফুড, স্টান্ডার্ড ব্যাংক, বারাকা পাওয়ার এবং মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক।

দিনে দিনে নিঃশেষ হচ্ছে পুঁজিবাজার!

দিনে দিনে নিঃশেষ হচ্ছে পুঁজিবাজার!
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

দরপতন পিছু ছাড়ছে না দেশের শেয়ারবাজারের। টানা পতনে পুঁজি হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। নতুন অর্থবছরের বাজেটে প্রণোদনার পাশাপাশি নানামুখী পদক্ষেপ ও আশ্বাসের পরও দরপতন থামছে না।

নতুন এই দরপতনে ব্যাংক, বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ প্রায় সব কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। আর তাতে লাভের পরিবর্তে বিনিয়োগকারীরা পুঁজি হারিয়েছেন ৪১ হাজার কোটি টাকার। চরম হতাশায় গত ১১ কার্যদিবসে পুঁজিবাজার ছেড়েছেন প্রায় ১ লাখ বিনিয়োগকারী।

বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ প্রশ্নবিদ্ধ কোম্পানিকে পুঁজিবাজার থেকে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিওর) ও রাইট শেয়ার ছেড়ে টাকা উত্তোলনের জন্য অনুমোদন দেওয়ার পাশাপাশি পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার যোগসাজশে শেয়ার কারসাজি করায় ব্যাংক খাতের মতই পচে গেছে পুঁজিবাজার।

পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, পুঁজিবাজার নষ্ট হয়ে গেছে। কিছু লোকের হাতে জিন্মি হয়ে আছে। এখানে কোনো সুশাসন নেই। এখানে বিনিয়োগের পরিবেশ নেই। এটা আর ভালো হওয়ার কোনো লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না।

ইবিএল সিকিউরটিজের বিনিয়োগকারী সজল সাইদ রিপন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে অভিযোগ করে বলেন, স্টক এক্সচেঞ্জ, ব্রোকারেজ হাউজ এবং পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার লোকেরাই দুর্নীতি অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। তারা পুঁজিবাজারে ভালো কোম্পানিকে তালিকাভুক্ত করতে চায় না। বরং ইউনাইটেড এয়ার, কপারটেক, সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজসহ যেসব কোম্পানির কোনো অস্তিত্ব নেই, সেসব কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে আনতে উৎসাহিত করছে। এসব কোম্পানি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হাওয়ার ২-৩ বছর পর থেকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে চলে যাচ্ছে। লাভের আশায় বিনিয়োগ করে বিনিয়োগকারীরা নতুন করে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

লঙ্কা বাংলা সিকিউরিটিজের বিনিয়োগকারী মুনশি আহাদ আলী বলেন, পুঁজিবাজার পচে গেছে। এটা আর ভালো হবে না। তার কারণ এখানে গত ৮-৯ বছরে যেসব কোম্পানি লিস্টেড হচ্ছে, সবগুলো খারাপ। এসব কোম্পানিতে বিনিয়োগ করে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

তিনি বলেন, ব্যাংক খাতের চরম দুরাবস্থার পাশাপাশি পিপল লিজিং কোম্পানির অবসায়নের ঘোষণার পর আর্থিক খাতের প্রতিও বিনিয়োগকারীরা আস্থা হারিয়ে ফেলেছেন। ফলে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করার মত কোম্পানি খুঁজে পাচ্ছেন না তারা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকারে উচিত দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে বাজারে আস্থা ও তারল্য সংকট দূর করা। কারণ, এখন খারাপ কোম্পানির শেয়ারের কারণে ভালো কোম্পানির শেয়ারের দামও পাল্লা দিয়ে কমছে। দেশীয় বিনিয়োগকারীর পাশাপাশি বিদেশিরাও পুঁজিবাজার ছেড়ে পালাচ্ছেন। এভাবে চলতে থাকলে পুঁজিবাজারই ধ্বংস হয়ে যাবে।

বাজারের সার্বিক চিত্র:
চলতি অর্থবছরে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে মোট ১১ কার্যদিবস লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ৮ কার্যদিবস সূচক কমেছে আর ৩ কার্যনদিবস সূচক বেড়েছে। ফলে ডিএসইর প্রধান সূচক ৩৩০ পয়েন্ট কমে ৫ হজার ৯১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। যা গত আড়াই বছর আগের অবস্থানে ফিরেছে। আর তাতে বিনিয়োগকারীদের পুঁজি কমেছে ২১ হাজার ৭৫ কোটি টাকার বেশি।

চট্টগ্রামের পুঁজিবাজারে সূচক কমেছে ১ হাজার পয়েন্ট। বিনিয়োগকারীদের মূলধন কমেছে ২০ হাজার ১৪৭ কোটি টাকা।

পুঁজিবাজার ছেড়েছেন দেড় লাখ বিনিয়োগকারী:
শেয়ার সংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) তথ্য মতে, লাভের পরিবর্তে নতুন করে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সবশেষ ১৫ দিনে পুঁজিবাজার ছেড়েছেন প্রায় দেড় লাখ বিনিয়োগকারী। চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ে বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবের সংখ্যা ছিলো ২৮ লাখ ৪৭ হাজারের বেশি। কিন্তু সেখান থেকে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার বিও হিসাব কমে ১৫ জুলাই দাঁড়িয়েছে ২৭ লাখ ৭ হাজারে।

দরপতনের প্রতিবাদে এবং বিএসইসির চেয়ারম্যানের পদত্যাগের দাবিতে মতিঝিলের রাস্তায় বিক্ষোভ করেছেন বিনিয়োগকারীরা। পাশাপাশি ১০ হাজার কোটি টাকার ফান্ড গঠন ও নতুন করে কোম্পানির আইপিওর অনুমোদন দেওয়া বন্ধ রাখার দাবি জানাচ্ছেন তারা।

বিনিয়োগকারী ঐক্য পষিদ নেতা আতাউল্লাহ নাইম বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, পুঁজিবাজার এখন মুমুর্ষু অবস্থায় রয়েছে। পুঁজি হারিয়ে বিনিয়োগকারীরা এখন দোলাচলে রয়েছেন। প্রত্যক দিন পতন হচ্ছে, আমরা চেয়ে চেয়ে দেখছি।

আইসিবি এবং মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো আস্থা ও তারল্য সংকট দূরের লক্ষ্যে কোন উদ্যোগ নিচ্ছে না অভিযোগ করে তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের কাঁধে বন্দুক রেখে নিজেদের সুবিধাগুলো আদায়ে ব্যস্ত তারা, বাজারকে সাপোর্ট দিচ্ছে না।

ডিএসই’র সাবেক প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী বলেন, পুঁজিবাজারের প্রতি এমনিতেই বিনিয়োগকারীদের আস্থা নেই। তারপরও ব্যাংক খাতের নানা অনিয়মের পর এবার আর্থিক খাতের পিপল লিজিংয়ের অনিয়ম ধরা পড়েছে। ফলে এই সেক্টরের কোম্পানির প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা আরও কমেছে। এছাড়াও প্লেসমেন্ট শেয়ার ছেড়ে পুঁজিবাজারে আসা কোম্পানিগুলোর কারণে দিনে দিনে নিঃশেষ হচ্ছে পুঁজিবাজার।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র