Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ডিএসই’র প্রধান সূচক বেড়েছে ২৪, সিএসই’র  ৩২ পয়েন্ট

ডিএসই’র প্রধান সূচক বেড়েছে ২৪, সিএসই’র  ৩২ পয়েন্ট
ছবি: সংগৃহীত
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
 বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

সূচক বেড়ে শেষ হয়েছে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের পঞ্চম ও শেষ কার্যদিবসের লেনদেন কার্যক্রম।

বৃহস্পতিবার (২৪ জানুয়ারি) ডিএসই’র প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ২৪ পয়েন্ট এবং সিএসই’র প্রধান সূচক সিএসসিএক্স বেড়েছে ৩২ পয়েন্ট।

এছাড়া এদিন লেনদেন শেষে ডিএসই’তে লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৩৭ কোটি এবং সিএসই’তে লেনদেন হয়েছে ৩৯ কোটি ১০ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেন শুরুর প্রথম থেকে সূচক বাড়তে থাকে। লেনদেনের শুরুতেই ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স গত কার্যদিবসের চেয়ে ৩০ পয়েন্ট বেড়ে যায়। এরপর থেকে সূচক বাড়ার প্রবণতা ওঠানামা করতে থাকে। বেলা ১১টায় ডিএসইএক্স সূচক ২৬ পয়েন্ট বাড়ে। লেনদেনে শেষে ডিএসইএক্স সূচক ২৪ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৯৫০পয়েন্টে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ২ হাজার ৪৯ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহসূচক শূন্য দশমিক ১৭ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ৩২১পয়েন্টে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৩৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড।

লেনদেন শেষে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৮৬টির, কমেছে ১২৪টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৬টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

বৃহস্পতিবার দাম বৃদ্ধির ভিত্তিতে ডিএসই’র শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে- ইউনাইটেড পাওয়ার, প্রিমিয়ার ব্যাংক, ইউনাইটেড ফাইন্যান্স, আইএফআইসি ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, জেএমআই সিরিঞ্জ, সিটি ব্যাংক, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল, বিবিএস কেবল এবং স্কয়ার ফার্মা।

সিএসই

অন্যদিকে, লেনদেন শেষে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক (সিএসইএক্স) ৩২ পয়েন্ট বেড়ে ১১ হাজার ৩৬ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ১৩ পয়েন্ট বেড়ে ১৫ হাজার৭৭৪ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ৫৩ পয়েন্ট বেড়ে ১৮ হাজার ২৬৫ পয়েন্টে অবস্থান করে।

লেনদেন শেষে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৯ কোটি ১০ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

এদিন দাম বাড়ার ভিত্তিতের সিএসই’র শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- প্রাইম ইন্স্যুরেন্স, নর্দান ইন্স্যুরেন্স, ঢাকা ইন্স্যুরেন্স, ইসলামী ইন্স্যুরেন্স, মালেক স্পিনিং, ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্স, জনতা ইন্সুরেন্স, রূপালী ইন্স্যুরেন্স, গোল্ডেন হার্ভেস্ট এবং ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্স।

আপনার মতামত লিখুন :

অস্বভাবিক দরপতনের কারণ জানতে তদন্ত কমিটি

অস্বভাবিক দরপতনের কারণ জানতে তদন্ত কমিটি
ছবি: সংগৃহীত

দেশের পুঁজিবাজারে চলমান অস্বাভাবিক দরপতনের কারণ জানতে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

রোববার (২১ জুলাই) বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে এ কমিটি গঠন করল পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা। প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক মো. সাইফুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিনও দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স সূচক কমেছে ৯৭ পয়েন্ট। যা গত দেড় বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। রোববার সূচকের পাশাপাশি লেনদেনেও বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দাম কমেছে। আর তাতে বিনিয়োগকারীদের বাজার মূলধন অর্থাৎ পুঁজি হাওয়া হয়েছে ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি।

চার সদস্য বিশিষ্ট কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে বিএসইসির পরিচালক রেজাউল করিমকে। অন্য সদস্যরা হলেন- উপ পরিচালক মো. অহিদুল ইসলাম, মো. নজরুল ইসলাম ও মো.রাকিবুর রহমান। কমিটি আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।

নয়-ছয় সুদ হার বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের চাপ নেই

নয়-ছয় সুদ হার বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের চাপ নেই
ছবি: সংগৃহীত

আমানত সংগ্রহ এবং ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে নয়-ছয় সুদ হার বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে চাপ নেই বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান ও ঢাকা ব্যাংকের এমডি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান।

রোববার (২১ জুলাই) বিকেলে ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালকদের সংগঠন এবিবির সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।

মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘শুধুমাত্র ঘোষণা দিয়ে নয়-ছয় সুদ হার বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। অনেকগুলো বিষয় আছে। তবে আশা করছি, ভবিষ্যতে এটি বাস্তবায়ন হবে। কারণ আমাদের বাণিজ্য ঘাটতি কমতে শুরু করেছে এবং রফতানি বাড়ছে। এক্ষেত্রে কিছুটা সুবিধা পাচ্ছে ব্যাংক। আশা করি, আগামী জুন প্রান্তিকে এ উদ্যোগের আরও কিছুটা বাস্তবায়ন এবং খেলাপি ঋণের হার ১০ শতাংশের নিচে নেমে আসবে।’

‘শুধু একটি বিষয় নয়, এখানে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। কীভাবে গ্রামীণ পর্যায়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ঋণ বাড়ানো যায়, সেই চেষ্টাও করছে ব্যাংক খাত। আমাদের দেশের খেলাপি ঋণ মার্চ প্রান্তিকে অনেকটা বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংকের পরামর্শ অনুযায়ী আগামী প্রান্তিকে কমিয়ে আনার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছি। আমরা আশা করছি, এ খেলাপি ঋণ জুন প্রান্তিকে অন্তত ১০ শতাংশের নিচে নেমে আসবে,’ যোগ করেন তিনি।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং পুরো ব্যাংক খাত মিলে নয়-ছয় সুদ হার বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে।

সরকারি ব্যাংকগুলো এটা বাস্তবায়ন করলেও বেসরকারি ব্যাংকগুলো কেন পারছে না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সব বেসরকারি ব্যাংকই যে ৯ শতাংশের ওপরে সুদ নিচ্ছে তা নয়। কিছু কিছু বেসরকারি ব্যাংকও এটা বাস্তবায়ন করেছে। তবে সবগুলো ব্যাংকে এ সুদ হার বাস্তবায়নে কিছুটা সময় প্রয়োজন। আমরা সবাই মিলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টাই করছি।’

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র