Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

বাণিজ্য মেলা: অনিয়মের অভিযোগ করে কমিশন

বাণিজ্য মেলা: অনিয়মের অভিযোগ করে কমিশন
ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের অভিযোগ শোনার জন্য ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের স্টল/ ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

প্রতি বছরের মতো এবারও ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ জানাতে পারবে ক্রেতা ও দর্শনার্থীরা। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে অভিযোগকারী পাবেন কমিশন। এজন্য 'জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর' মেলার শুরু থেকেই কাজ করছে।

কোনো অনিয়ম বা প্রতারণার শিকার হওয়া ক্রেতা বা ভোক্তার অভিযোগের ভিত্তিতে অধিদফতরের কর্মকর্তারা সরেজমিনে যাবেন মেলার ঐ স্টল বা প্যাভিলিয়নে। এরপর অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী জরিমানা করবে ভোক্তা অধিদফতর।

সেই জরিমানার টাকার ২৫ শাতাংশ পাবেন অভিযোগকারী। বাকি টাকা যাবে সরকারি কোষাগারে। এক্ষেত্রে যদি ভোক্তা অধিদফতর মেলার কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এক লাখ টাকা জরিমানা করে তাহলে অভিযোগকারী পাবেন ২৫ হাজার টাকা। 

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/10/1547130231703.gif

মেলার দ্বিতীয় দিন বৃহস্পতিবার জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক রজবি নাহার রজনীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ‘মেলায় কোনো পণ্যের দাম বেশি নেওয়া বা অন্য কোনোভাবে ক্রেতারা যদি প্রতারণার শিকার হন তাহলে তাদেরকে প্রমাণ হিসেবে ভাউচার, ভিডিও, অডিও বা ছবি তুলে রাখতে হবে।’

‘এরপর অধিদফতরের স্টলে এসে অভিযোগ করলে তারা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবেন। তবে এ রকম কোনো প্রমাণ না থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন হয়ে যায়।’

রজনী বার্তা২৪কে বলেন, ‘খাবারের দোকানগুলোতে মূল্যতালিকা টানাতে হবে। কেউ যদি মেলার নির্ধারিত তালিকা না টানায় তাহলে পুলিশ অভিযান পরিচালনা করবে। তালিকা অনুযায়ী খাবারের দাম না রেখে যদি বেশি রাখে, তাহলে জরিমানা করবো। ক্রেতাদের অভিযোগের পাশাপাশি আমরা নিজ উদ্দ্যোগেও অভিযান চালাই।‘

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/10/1547130262802.gif

তিনি বলেন, ‘কোনো পণ্যের গায়ে যদি তারিখ ও মূল্য লেখা না থাকে, পণ্যের দাম বেশি রাখলে, একটা কিনলে ১০টা ফ্রি এ রকম প্রতারণা এবং বিরিয়ানিসহ বিভিন্ন খাবার দোকানে মেলার নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ী দাম না রাখলে জরিমানার আওতায় আসবে ঐ সকল স্টল বা প্যাভিলিয়নের প্রতিষ্ঠান।’

উল্লেখ্য, শুধু মেলা উপলক্ষে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের এই কার্যক্রম নয়। সারা বছরই প্রতিষ্ঠানটি এ কার্যক্রম পরিচালনা করে।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের স্টলটি বরাবরের মতো এবারও ভিআইপি গেট দিয়ে ঢুকে মেলায় প্রবেশের সময় হাতের বাম পাশে স্থাপন করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

ঊর্ধ্বমুখী পুঁজিবাজার

ঊর্ধ্বমুখী পুঁজিবাজার
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (১৯ আগস্ট) সূচক বেড়ে চলছে এদিনের লেনদেন কার্যক্রম। এদিন ১১টা পর্যন্ত ডিএসই’র প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ২৩ পয়েন্ট এবং সিএসইর প্রধান সূচক সিএসসিএক্স বেড়েছে ৫১ পয়েন্ট।

এছাড়াও একই সময়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৮২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা এবং সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩ কোটি ১০ লাখ টাকা।

ডিএসই ও সিএসই’র ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই

এদিন ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতে সূচক বাড়ে। লেনদেনের শুরু হয় সাড়ে ১০টায়, শুরুতেই সূচক কমে যায়। প্রথম ৫ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক বাড়ে ১২ পয়েন্ট। এরপর থেকে সূচক বাড়ার প্রবণতা বাড়তে থাকে। বেলা ১০টা ৪০ মিনিটে সূচক বাড়ে ২২ পয়েন্ট। বেলা ১০টা ৪৫ মিনিটে সূচক ২৩ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক ২৪ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১০টা ৫৫ মিনিটে সূচক ২২ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১১টায় সূচক ২৩ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৫ হাজার ২৩৯ পয়েন্টে।

অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ৮৪৭ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহসূচক ৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে এক হাজার ২০৩ পয়েন্টে।

এদিন বেলা ১১টা পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৮২ কোটি ৬৩ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। একই সময়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৮৮টির, কমেছে ৫২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৬১টি কোম্পানির শেয়ারের দাম।

এদিন বেলা সোয়া ১১টা পর্যন্ত ডিএসইতে দাম বৃদ্ধি পাওয়া শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় আছে- কেপিসিএল, বঙ্গজ, মুন্নু সিরামিকস, সিলকো ফার্মা, মুন্নু স্টাফলারস, কপারটেক, জেএমআই সিরিঞ্জ, গ্লোবাল ইনস্যুরেন্স, সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ এবং এসিআই।

সিএসই

অন্যদিকে, একই সময়ে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ সূচক (সিএসইএক্স) ৫১ পয়েন্ট বেড়ে ৯ হাজার ৭৪৭ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ৭৭ পয়েন্ট বেড়ে ১৪ হাজার ১১৭ পয়েন্টে এবং সিএএসপিআই সূচক ৮৫ পয়েন্ট বেড়ে ১৬ হাজার ৪২ পয়েন্টে অবস্থান করে।

এদিন বেলা সোয়া ১১টা পর্যন্ত সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩ কোটি ১০ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

একই সময়ে দাম বাড়ার ভিত্তিতের সিএসই’র শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো- তাল্লু স্পিনিং, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স, এসআইবিএল, হাইডেলবার্গ সিমেন্ট, আইসিবি তৃতীয় এনআরবি, এসিআই, লিবরা ইনফিউশন, ইস্টার্ন ব্যাংক, ইউনাইটেড এয়ার এবং ব্যাংক এশিয়া।

চামড়ার দেনা-পাওনার সমাধান মেলেনি

চামড়ার দেনা-পাওনার সমাধান মেলেনি
চামড়া সংকট সমাধানে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক/ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

কোরবানির চামড়া নিয়ে সৃষ্ট সমস্যার সমাধানে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক কোনও সমাধান ছাড়াই শেষ হয়েছে। বৈঠকে আড়তদার ও ট্যানারি মালিকদের মধ্যে লেনদেন নিয়ে ব্যাপক হট্টগোলও হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আগামী ২২ আগস্ট দুই পক্ষকে নিয়ে বসে সমস্যার সমাধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনকে (এফবিসিসিআই)।

রোববার (১৮ আগস্ট) দুপুর তিনটায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সরকার, ট্যানারি মালিক, আড়তদার ও কাঁচা চামড়া সংশ্লিষ্টদের ত্রিপক্ষীয় বৈঠক চলে প্রায় তিন ঘণ্টা।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে আড়তদার ও ট্যানারি মালিকরা নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন। আড়তদাররা পাওনা টাকা না পাওয়ায় চামড়া কিনতে পারছে না বলে অভিযোগ করেন। আর ট্যানারি মালিকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি স্থানান্তরের ফলে কিছুদিন চামড়া উৎপাদন কাজ বন্ধ থাকায় বিদেশি ক্রেতারা চাহিদামত সরবরাহ না পাওয়ায় অনেকটা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। ফলে নতুন কারখানা স্থাপন করায় ট্যানারি মালিকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই তারা আগের ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করতে পারেনি বিধায় এ সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে।

আরও পড়ুন:অপরিকল্পিত ট্যানারি স্থানান্তরের কারণেই চামড়ার বাজারে..

কাঁচা চামড়া রফতানিতে লাভবান হবেন পাইকারি..

এ সময় ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক দাবি করেন গত সাড়ে তিন বছরে কেউ বকেয়া টাকার জন্য তার কাছে আসেননি। তার এই বক্তব্যে হট্টগোল শুরু হয়, প্রতিবাদ জানান আড়তদাররা এবং টাকা পরিশোধের সমাধান চান। এসময় দুই পক্ষের হট্টগোল থামান বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মফিজুল ইসলাম।

এরপর প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বৈঠকের হাল ধরেন। তিনি জানতে চান কোরবানিতে কত চামড়া হয়। উত্তরে তাকে জানানো হয়, প্রায় এক কোটি পিস চামড়া হয়। পরে তিনি জানতে চান এক কোটি পিসের মধ্যে কত পিস চামড়া নষ্ট হয়ে গেছে? উত্তরে একজন বলেন ২৫ লাখ, এসময় সবাই প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন এতো নষ্ট হয়নি। আর আড়তদারদের একজন দাবি করেন, যা প্রচার হচ্ছে তা সঠিক নয়, আমার মনে হয় মাত্র এক হাজার পিস চামড়াও নষ্ট হয়নি। জবাবে সালমান এফ রহমান বলেন, যদি এক কোটির মধ্যে এক হাজার পিস নষ্ট হয়ে থাকে তাহলে আমরা এখানে বসে মিটিং করছি কেন? তাহলে সরকারের তরফ থেকে কি অ্যাকশন নিতে হবে, সে অ্যাকশনে আমি যাবো। কয়েকজন বললেন ২৫ শতাংশ, আরেকজন ১০ শতাংশ আরেকজন বললেন ১ শতাংশ। কিন্তু আমি বিশ্বাস করব না আপনারা ব্যবসায়ীরা জানেন না কত চামড়া নষ্ট হয়েছে।

এসময় চট্টগ্রামের আড়তদারদের প্রতিনিধি জানান, তার ২৫ শতাংশ চামড়া নষ্ট হয়ে গেছে। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জানতে চান সারাদেশে হলো না আপনার এখানে কেন হলো? যদি নাটোর, কুষ্টিয়া, বগুড়ায় না হয় তাহলে চট্টগ্রামে কেন হয়েছে? এটা আমি তদন্ত করব। জবাবে চট্টগ্রাম আড়তদারদের ওই প্রতিনিধি জানান, ৭০ ভাগ লোক টাকার অভাবে ব্যবসা করতে পারেনি।

আর রাজশাহী আড়তদারদের প্রতিনিধি এ ঘটনায় একটি মনিটরিং কমিটি করার দাবি জানান। কমিটিতে মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, আড়তদার ও ট্যানারি মালিকদের প্রতিনিধিদের রাখার জন্য প্রস্তাব করেন তিনি। তার এই প্রস্তাব বাস্তবসম্মত উল্লেখ করে কমিটি গঠনের বিষয়ে মত দেন বৈঠকে উপস্থিত মন্ত্রীসহ অনেকেই।

পরে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, দুই পক্ষের আলোচনায় উঠেছে টাকার বিষয়টি, কিন্তু কে কত টাকা পান সেটা আমাদের লেভেলের কাজ নয়। সেটি আপনাদের বসে ঠিক করতে হবে। দুই চারজনের কারণে চামড়া শিল্পের উপর ব্যাংকিং সেক্টর ভরসা হারিয়েছে। জনতা ব্যাংক থেকে জীবনে আপনারা আর টাকা পাবেন না। কারণ জনতা ব্যাংকের কাস্টমার আপনাদের ট্যানারি মালিকরা যা করেছেন তাতে তারা বলছে, আমরা মাফ চাই; এটি হচ্ছে অবস্থা। শুধু জনতা নয় অন্য ব্যাংকেরও একই অবস্থা। আপনারা দেনা-পাওনা যা আছে তা সমাধানের চেষ্টা করেন, না পারলে আমাদের কাছে আসুন।

এসময় আড়তদাররা অভিযোগ করে বলেন, ট্যানারি মালিকরা সিন্ডিকেট করে। চামড়া লবণজাত করে আমরা একমাস থেকে তিনমাস রাখতে পারি। এর বেশি রাখলে তাদেরই ক্ষতি হবে। কিন্তু তারা কোরবানি থেকে দুই আড়াই মাস চামড়া কেনেন না। ফলে এই চামড়া গন্ধ হয়ে যায়। তখন তারা অর্ধেক চামড়া বাদ দেয়, আবার কিছু কেনেন। তার এই বক্তব্যের পর আবার হট্টগোল শুরু হয়। ট্যানারি মালিকরা বলতে থাকেন, আমরা কি এভাবে চামড়া কিনি? এভাবে হয় না। এসময় দুই পক্ষের প্রতিনিধিরা উত্তেজিত বাক্য বিনিময় করেন।

ট্যানারি মালিকরা দাবি করেন, যেভাবে হোক ব্যাংককে আমাদের টাকা দিতে হবে। চামড়া ক্রয়ের ক্ষেত্রে ৫০ ভাগ ব্যাংক দেয়, ৫০ ভাগ আমরা দেই। সেটি হলে আমরা সহজেই চামড়া কিনতে পারি। নইলে আমাদের চামড়া কিনতে দুই মাসের বেশি সময় লাগতে পারে। জবাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধি জানান, চামড়া খাতে এ বছর প্রায় এক হাজার ২০০ কোটি টাকা তাদের জন্য থোক বরাদ্দ রেখেছিলাম সরকারি ব্যাংকে, যদি ডিমান্ড আসে সে অনুযায়ী তাদের বিতরণ করার জন্য। ব্যাংকিং অ্যাক্টে কিন্তু বলা আছে যারা ঋণ খেলাপি তাদের ঋণ দেয়া যাবে না। সেজন্য অনেককেই ঋণ দেওয়া যাচ্ছে না। এ সময় আড়তদাররাও ব্যাংক থেকে ঋণ সুবিধার দাবি জানান।

এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মফিজুল ইসলাম বলেন, বর্তমান উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সরকার বিব্রত। আমরা পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ চাই। একদিকে আপনারা এক্সপোর্ট করতে দেবেন না, আরেকদিকে চামড়া কিনবেন না, বলবেন টাকা নেই। যাতে করে এটি নিয়ে আর কথা না হয়, আপনারা এর সমাধানে যান।

বৈঠকে শিল্পমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন বলেন, আপনারা অবশ্যই ব্যবসা করবেন, তবে ব্ল্যাকমেইলের সুযোগ নেই। প্রয়োজন মনে করলে সরকার চামড়া রফতানি করবে। সরকার কারো কাছে জিম্মি হবে না। আগামীতে জেলায় জেলায় চামড়া বিক্রি করতে না পারলে সরকার দায়িত্ব নিয়ে চামড়া কিনবে। এটা ব্যবসায়ীদের সমাধান করতে হবে, তারা না পারলে আমরা যুক্ত হবো। আমরা এখানে রাজনৈতিক কোন ফায়দা লুটতে দেবো না।

আরও পড়ুন:চামড়া সমস্যার স্থায়ী সমাধানে আসতে চাই: শিল্পমন্ত্রী

বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত উল্লাহ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, আজকের বৈঠকে আমরা সমস্যা সমাধানে আলোচনা করেছি। আমরা এই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করব। সত্যিকার অর্থে আড়তদাররাও তো আমাদের কাছে টাকা পান, সেটি সমাধান করা প্রয়োজন। আমরা নিজেরা আবার বসব, আর ২২ তারিখ দুই পক্ষের বৈঠক আছে সেখানে বিস্তারিত আলোচনা হবে। আর ব্যাংক ঋণের কিছু নিয়ম কানুনও আছে। সে বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে, সেটি নিয়েও আমরা আলোচনা করব।

বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সভাপতি দেলোয়ার হোসেন বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, পৃথিবীর মধ্যে কাঁচা চামড়া বিক্রি করে অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা, ব্রাজিলসহ কয়েকটি দেশ। আমরা কাঁচা চামড়ার ব্যবসা কোনদিন করিনি। ফলে এই ব্যবসা করতে গেলে কিছু দেশের সার্টিফিকেটের প্রয়োজন হয়, যা আমাদের নাই। আমাদের এক্সপোর্ট লাইসেন্সই নাই। সেগুলো নিয়ে আমরা আলোচনা করিনি। যেহেতু ট্যানারি মালিকরা বলেছে আমাদের বকেয়া টাকাগুলো তারা ব্যবস্থা করবে।

তিনি বলেন, আগামী ২২ তারিখ এফবিসিসিআই তাদের সঙ্গে বসে আমাদের বকেয়া টাকার ব্যবস্থা করে দেবে। আজকের বৈঠকের পর আমরা চামড়া বিক্রি শুরু করে দিলাম। নইলে আমাদের চামড়া গরমে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তবে আমরা এবার ক্যাশ টাকা যাদের কাছে পাবো তাদের কাছেই চামড়া বিক্রির চেষ্টা করব। ঢাকার ব্যবসায়ীরা এখনো প্রায় দেড়শ কোটি টাকা পাওনা আছি। আর সারাদেশ মিলিয়ে চারশ কোটি টাকা পাবো।

বিষয়টি সমাধানে কি উদ্যোগ নেওয়া হবে জানতে চাইলে কথা বলতে রাজি হননি এফবিসিসিআই'র ভাইস প্রেসসিডেন্ট মো: রেজাউল করিম রেনজু।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র