Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ইজারা নীতিমালা টেবিলেই আটকা, বেহাত হচ্ছে সড়কের জমি

ইজারা নীতিমালা টেবিলেই আটকা, বেহাত হচ্ছে সড়কের জমি
বেহাত হচ্ছে সড়কের জমি
সাব্বির আহমেদ
সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ভূমি ইজারা নীতিমালা না থাকায় দেশব্যাপী সড়কের পাশে হাজার হাজার একর জমি থেকে প্রতিবছর শত শত কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। এমনকি সড়ক সংলগ্ন ওইসব জমি সরকারের বেহাত হতে চলেছে।

অভিযোগ আছে, দুই বছর আগে সড়কের ভূমি ইজারা নীতিমালা করার নির্দেশ দেওয়া হলেও তা করছেন না সড়ক পবিরহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব-অতিরিক্ত সচিবরা। যদিও কাজটি এগিয়ে নিতে সেতুমন্ত্রী কয়েকবার তাগিদ দিয়েছেন। কিন্তু তাতেও কাজ হয়নি। ফলে ওইসব জমি ফিলিং স্টেশনসহ বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অধীনে চলে গেছে। কিন্তু সরকার রাজস্ব পাচ্ছে না।

মন্ত্রণালয়ের একটি বিশ্বাসযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, সচিব ও অতিরিক্ত সচিবরা সড়কের ভূমি ইজারা নীতিমালা নিয়ে বেশ অনাগ্রহী। তাদের টেবিলে বছরের পর বছর এটি গড়াচ্ছে। অথচ দুই বছর আগেই নীতিমালা তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়।

সিএনজি স্টেশন মালিকদের অভিযোগ, মূলত কমিশন (পার্সেন্টেজ) না পাওয়ায় কাজ করছেন না তারা। অথচ ঠিকাদারী কাজ হলে ঠিকই তারা দ্রুত ফাইল ছাড়তেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Oct/11/1539251039199.jpg

এ বিষয়ে সিএনজি স্টেশন ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিরুজ্জামান চৌধুরী বার্তা২৪.কম’কে বলেন, ‘আমরা গত ৩ বছর ধরে সরকারকে কোনো রাজস্ব দিচ্ছি না। মূলত নীতিমালা তৈরির প্রক্রিয়া শুরুর আগ থেকে রাজস্ব দেওয়া বন্ধ আছে। আমরা সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছি। কারণ নীতিমালা না থাকায় আমরা জানি না- কিভাবে এবং কত টাকা সরকারকে রাজস্ব দিতে হবে।’

অ্যাসোসিয়েশনের বর্তমান সভাপতি মাসুদ খান বার্তা২৪.কম’কে বলেন, ‘ভূমি ইজারা নীতিমালার কাজ কোনোভাবেই আগাচ্ছে না। নীতিমালাটি এখন সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব নজরুল ইসলাম ও অতিরিক্ত সচিবদের টেবিলে আটকা আছে। এখন সরকার যদি আমাদের কাছ থেকে টাকা না নেয় তাহলে আমরা জোর করে দিতে যাবো কেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের মন্ত্রণালয়ে আমার সামনে সচিবদের নীতিমালার কাজ এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন। তারপরও কাজ হয়নি। সচিব এ বিষয়ে এখনও কোনো বৈঠক ডাকেননি। ফলে নীতিমালার কাজও আর আগায়নি।’

এ বিষয়ে মতামত জানতে সচিব নজরুল ইসলামের মোবাইলফোনে একাধিকাবার ফোন দিলেও তিনি ধরেননি। পরবর্তীতে ক্ষুধে বার্তা পাঠানো হলেও সাড়া মেলেনি।

এমনকি সংশ্লিষ্ট সিএনজি ফিলিং স্টেশন মালিকরাও তার সঙ্গে যোগাযোগের শিডিউল পাননি।

মন্ত্রণালয় সূত্রে আরো জানা গেছে, সারাদেশে সড়কের পাশে সরকারি জমিতে ৭০০টি সিএনজি ফিলিং স্টেশন এবং প্রায় এক হাজার একশ পেট্রোল পাম্প গড়ে উঠেছে। কিন্তু নীতিমালা না থাকায় ওইসব প্রতিষ্ঠান রাজস্ব দিচ্ছে না।

এদিকে, ওই নীতিমালার কারণে আটকে আছে সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের সড়ক সৌন্দর্য বর্ধনের কাজও। সেতু মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শফিকুল ইসলাম বার্তা২৪.কম’কে বলেন, ‘অফিসিয়ালি সড়কের ভূমি ইজারা নীতিমালার কাজ আগাচ্ছে না। ফলে এ সরকারের মেয়াদে নীতিমালার কাজ শেষ হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।’

অতিরিক্ত সচিব বেলায়েত হোসেন জানান, যারা নীতিমালা তৈরির দায়িত্ব পেয়েছেন মূলত তারাই আগাচ্ছেন না।

আপনার মতামত লিখুন :

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না বিমা কোম্পানি

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না বিমা কোম্পানি
ছবি: সংগৃহীত

এজেন্টদের ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন দেবে না সাধারণ বিমা কোম্পানিগুলো।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির চেয়ারম্যান ও মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তরা বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের বৈঠকে (আইডিআরএ) অঙ্গীকার করেছেন।

আইডিআরএ চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান পাটোয়ারির সভাপতিত্বে বৈঠকে আইডিআরএ’র সদস্য, পরিচালক এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্সে অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট শেখ কবির হোসেনসহ কোম্পানির চেয়ারম্যান, এমডি এবং মুখ্য নির্বাহীরা ১৫ শতাংশের অধিক কমিশন বন্ধে দৃঢ় প্রত্যয় এবং কর্তপক্ষের সার্কুলারের সাথে পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন।

সভায় শেখ কবির হোসেন আইডিআরএ’র নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য বিমা কোম্পানিগুলোর চেয়ারম্যান ও নির্বাহীদের আন্তরিকতা প্রদর্শনে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘এখন থেকে কোনো নন-লাইফ বিমাকারী ১৫ শতাংশের বেশি কমিশন প্রদান করে ব্যবসা করবে না।’

সভায় আইডিআরএ চেয়ারম্যান বলেন, ‘সকলের এ কার‌্যকর এবং সম্মিলিত উদ্যোগের ফলে বিমা শৃঙ্খলা ও সুষ্ঠুবাজার ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।’

অবৈধ কয়েল বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে মামলা, ২ জনের কারাদণ্ড

অবৈধ কয়েল বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে মামলা, ২ জনের কারাদণ্ড
জব্দকৃত মশার কয়েল, ছবি: সংগৃহীত

সনদ ছাড়াই অবৈধভাবে নিন্মমানের কয়েল বিক্রি করার অপরাধে দুই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই অপরাধে আনলু ব্যান্ডের মশার কয়েলের দুই কর্মকর্তাকে ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুলাই) রাজধানীর মিরপুরে অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ মামলা ও কারাদণ্ড দেয়। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএসটিআইয়ের আইন, ২০১৮ অমান্য করে ড্রাগন ব্রান্ডের মশার কয়েল বাজারজাত করায় মিরপুরের মেসার্স মীম এন্টারপ্রাইজের মালিক মোশারফ আলীর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়। এছাড়া একই অপরাধে আনলু ব্যান্ডের মশার কয়েল বিক্রি-বিতরণ করায় ম্যানেজার মো. আতিকুর রহমান (২৮) ও মাছুম আলম (৪৯) কে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে উভয় ব্যান্ডের ১৩০ কার্টুন মশার কয়েল জব্দ করা হয়। এ সময় লাইসেন্সবিহীন মশার কয়েল ক্রয় ও ব্যবহার হতে বিরত থাকার জন্য ক্রেতাসাধারণকে পরামর্শ প্রদান করা হয়। বিএসটিআই’র এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বেগম রাশিদা আক্তারের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র