Barta24

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

এরশাদকে বিদায় জানাতে রংপুরে চলছে আনুষ্ঠানিকতা

এরশাদকে বিদায় জানাতে রংপুরে চলছে আনুষ্ঠানিকতা
রংপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে চলছে প্যান্ডেল নির্মাণের কাজ। ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
রংপুর


  • Font increase
  • Font Decrease

প্রতিবছর ঈদুল আজহাতে যে মাঠে দাঁড়িয়ে কথা বলতেন এরশাদ, সেই মাঠে আবারো আসছেন তিনি। কিন্তু এবার কোনো কথা বলতে নয়। নিথর দেহ হয়ে শেষ বিদায় নিতে আসছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সকালে বিমান বাহিনীর হেলিকপ্টারে করে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক এই রাষ্ট্রপতির মরদেহ রংপুরে নেওয়া হবে। বাদ জোহর রংপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে তার চতুর্থ জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে রংপুরের সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হবে মরদেহ।

রোববার (১৪ জুলাই) সকালে এরশাদের মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর রংপুরে শোকাবহ পরিবেশের তৈরি হয়। দলীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকসহ সাধারণ মানুষের হৃদয় এরশাদের প্রয়াণ শোকাতুর করে তোলে। শেষবারের মতো প্রিয় নেতাকে একনজর দেখা আর অন্তিম যাত্রায় বিনম্র শ্রদ্ধা জানাতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন তার দুর্গ খ্যাত রংপুরের মানুষ।

এদিকে এরশাদের মৃত্যু পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতার জন্য রংপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে জানাজা আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। দুপুর থেকে মাঠে প্যান্ডেল নির্মাণ, মাইক সংযোগ স্থাপন ও মাঠ পরিষ্কার করা হচ্ছে। শোক প্রকাশ করে নগরজুড়ে চলছে জানাজায় অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে মাইকিং। দলীয় নেতা-কর্মীরা কালো ব্যাজ ধারণ করার পাশাপাশি কার্যালয়ে উত্তোলন করা হয়েছে কালো পতাকা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/14/1563114606757.jpg

পাড়া-মহল্লার মসজিদ মাদরাসাতে এরশাদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে চলছে দোয়া মাহফিল ও কোরআন খতম। জাতীয় পার্টির দলীয় কার্যালয়সহ নগরীর ৩৩টি ওয়ার্ডে মাইকে কোরআন তেলাওয়াত প্রচারের পাশাপাশি শোকপ্রকাশ করে ব্যানার ফেস্টুন সাঁটানো হয়েছে।

দাফন নিয়ে বিতর্ক থাকলেও তৃণমূলের নেতা-কর্মীসহ রংপুরবাসী চাইছেন এখানেই হোক এরশাদের শেষ ঠিকানা। এ নিয়ে দলের সিনিয়র নেতাদের মধ্যে চলছে নানা রকম মন্তব্য। শেষ পর্যন্ত সাবেক এই রাষ্ট্রপতির কোথায় দাফন হবে তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে।

উল্লেখ্য, রোববার (১৪ জুলাই) ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন এরশাদ। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর।

আপনার মতামত লিখুন :

নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় আমি উদ্বিগ্ন: প্রতিমন্ত্রী

নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় আমি উদ্বিগ্ন: প্রতিমন্ত্রী
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন্নেসা

নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা। তিনি বলেছেন, ‘নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় অবশ্যই আমাকে উদ্বিগ্ন করে। কারণ আমিও তো নারী।’

বুধবার (১৭ জুলাই) সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সম্মেলন কক্ষে ডিসি সম্মেলনের চতুর্থ দিনের অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে জেলা প্রশাসকদের এ অধিবেশন হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এতে সভাপতিত্ব করেন।

তিনি বলেন, ‘আগেও নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটত। কিন্তু সেগুলো তারা প্রকাশ করত না। কিন্তু বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী নারীদের এতটা ক্ষমতাধর ও ভয়েস রেইজ করেছেন যে তারা নিজেরা এ বিষয়ে এগিয়ে আসছেন এবং ঘটনাগুলো প্রকাশ করছেন।’

দায়িত্ব নেওয়ার পরের দিন গণমাধ্যমে প্রতিমন্ত্রী ইন্দিরা বলেছিলেন, ‘নারী ও শিশু নির্যাতন তেমনভাবে বাড়েনি বা ক্রাইসিস মোমেন্ট তৈরি হয়নি, বিষয়টি গণমাধ্যমেই বেশি প্রচারণা হচ্ছে।’

পূর্বের বক্তব্য সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আপনারা সংখ্যা যেটা বলছেন, সেটা আর ক্রাইসিস নিয়ে কথা বলেছি। এখনো আমি সেটাই বলব। সেটা হচ্ছে আপনারা যে বলেন অনেক বেড়েছে, আমি আপনাদের থেকে পাল্টা জানতে চাই যে, এ বিষয়ে আপনাদের কাছে কি কোনো বেজ লাইন সার্ভের ডাটা আছে? যার সাথে তুলনা করে বলছেন যে, নারী নির্যাতন, শিশু নির্যাতন বেড়েছে?’

তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন সংগঠন বলে, তাদেরই বা কি.. তারা যে গবেষণার মাধ্যমে বলে আমি জানতে চাই যে, তাদের ম্যাথডোলজি কী? তাদের স্যাম্পল সাইজ কী? তাদের ম্যাথড অব ডাটা কালেকশন কী? কী ইনস্ট্রুমেন্ট তারা ইউজ করেছে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/17/1563359134078.gif

ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেন, ‘যে প্রসঙ্গে আমি বলেছি সেটা হচ্ছে যে, আগেও কিন্তু নারী নির্যাতন সংক্রান্ত ঘটনাগুলি ঘটেছে। কিন্তু তাদের সংখ্যা আমরা জানি না। কারণ এখন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া অগণিত। সেজন্য এখন জানতে পারছি যে, ওখানে এতজন নারী নির্যাতন বা শিশু নির্যাতন হয়েছে।’

আপনি কি বলছেন এ সংখ্যাটা বাড়েনি- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘বাড়েনি সেটাও বলিনি, কমেছে সেটাও বলিনি। আমি বলছি যে, যদি বলি বেড়েছে তাহলে একটা তুলনা করে বলতে হয়। কিন্তু আমরা তুলনা করতে পারি না। কারণ আমাদের কাছে বেজ লাইন ডাটা নেই।’

এ বিষয়ে সরকারের কাছেও কি কোনো ডাটা নেই জানতে চাইলে নারী ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমিতো বলছি বেজলাইন ডাটা কোথাও নেই। এ ক্ষেত্রে দৃশ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানের ডিসিদের এ বিষয়ে কঠোরভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলেছি। উনারা যাতে তাদের মনিটরিং, কো-অপারেশন বাড়ান, এ বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছি।’

সরকারি জমি পুনরুদ্ধারে পুরস্কৃত হবেন ডিসিরা

সরকারি জমি পুনরুদ্ধারে পুরস্কৃত হবেন ডিসিরা
সাংবাদিকদের মুখোমুখি ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বেশি সরকারি জমি পুনরুদ্ধার করলে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) পুরস্কৃত করার ঘোষণা দিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী।

বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সম্মেলন কক্ষে ডিসি সম্মেলনের চতুর্থ দিনের পঞ্চম অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। ভূমি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে জেলা প্রশাসকদের এ অধিবেশন হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এতে সভাপতিত্ব করেন।

সরকারি জমি পুনরুদ্ধারে ডিসিদের কোনো নির্দেশনা দিয়েছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'প্রত্যেক জেলা প্রশাসককে বলেছি, প্রত্যেকে উদ্যোগী হয়ে সরকারি জমি আরও কীভাবে পুনরুদ্ধার করা যায় সেদিকে লক্ষ্য রাখার জন্য। যে যত বেশি জমি উদ্ধার করতে পারবে তাদেরকে আমি রিওয়ার্ড (পুরস্কার) দেব বলেছি।'

ভূমি ডিজিটালাইজড করার বিষয়ে তিনি বলেন, 'ভূমি নিয়ে জেলা প্রশাসকদের কাজের পরিধি বেশি। সুতরাং এখানে আমরা জনগণকে সেবা দিতে চাচ্ছি। জমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে অনেক সময় সমস্যা হয়। যাদের জমি অধিগ্রহণ হয় তাদের টাকা দেওয়া ও পাওয়ার ক্ষেত্রে বেশ সমস্যা হচ্ছে। সাত আট ধারার নোটিশ হয়ে যাবে তাদের লেজিটেমেট ক্লেইম থাকলে সেটা যাতে দিয়ে দেওয়া হয়, সেই অনুশাসন আরও ক্লিয়ার করে দিয়েছি। মামলা হলে সেটা পরে দেখা যাবে, কিন্তু সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলা যাবে না।'

তিনি বলেন, 'মাঠ পর্যায়ে জেলা প্রশাসকদের পর্যবেক্ষণে যাওয়া ও ওয়ার্কশপ করার জন্য বলেছি। তারাও রেকর্ড রুমসহ বেশ কিছু প্রস্তাব দিয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে যে এসিল্যান্ড সেখানে আমরা নতুন ভবন করছি, সেখানে কিন্তু রেকর্ড রুমের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ডিজিটালাইজেশনের কাজ কিন্তু চলছে।'

ল্যান্ড জোনিংয়ের কাজ শুরু হয়েছে জানিয়ে ভূমিমন্ত্রী বলেন, 'এটা ভূমি ডিজিটালাইজেশনের একটি অংশ। যত্রতত্র তিন ফসলা জমি, এখানে ওখানে করে ফসলি জমি নষ্ট হচ্ছে। ল্যান্ড জোনিং এনফোর্স করছি। ইতোমধ্যে প্রকল্প হাতে নিয়েছি। এবং এটি প্রায় শেষ পর্যায়ে।'

তিনি আরও বলেন, 'আগের ব্রিটিশ কিছু আইন যেগুলো সময়োপযোগী করা প্রয়োজন, সেগুলোতে আমরা হাত দিয়েছি। ডিসিদের সে বিষয়গুলো আমি নজরে দিয়েছি। তাদের বলেছি, যাতে প্যানিক না হয়, মন্ত্রণালয় থেকে র‍্যানডম বেসিসে কিছু কিছু কাজ করব। স্বচ্ছতা রাখার জন্য কাজ করব। মন্ত্রণালয় সব কাজ মনিটরিং করছে এবং করবে।'

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র