Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

জাতিসংঘের ইকোসক’র সদস্য হলো বাংলাদেশ

জাতিসংঘের ইকোসক’র সদস্য হলো বাংলাদেশ
ছবি: সংগৃহীত
সালাহউদ্দিন আহমেদ
জাতিসংঘ থেকে


  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ জাতিসংঘের ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল কাউন্সিল- ইসিওএসওসি (অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ-ইকোসক) -এর সদস্য নির্বাচিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৪ জুন) সকালে অনুষ্ঠিত বিশেষ বৈঠকে গোপন ভোটে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বাংলাদেশ আগামী তিন বছরের (২০২০-২০২২) জন্য সদস্য নির্বাচিত হলো।

নির্বাচনে বাংলাদেশ ১৯১ ভোটের মধ্যে ১৮১টি ভোটে পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে। এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ছাড়াও আরো চারটি দেশ ইসিওএসওসি’র সদস্য নির্বাচত হয়েছে। অন্য দেশ তিনটি হলো- থাইল্যান্ড, রিপাবলিক অব কোরিয়া ও চীন। নির্বাচনে থাইল্যান্ড ১৮৭, কোরিয়া ১৮৩ এবং চীন ১৭৭ ভোট পেয়েছে।

ECOSEC

উল্লেখ্য, জাসিংঘের সিকিউরিটি কাউন্সিলের পরেই ইকোসক-কে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফোরাম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। নির্বাচনে ইকোসক’র চারটি পদের জন্য উল্লিখিত চারটি দেশ ছাড়াও ইরাক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে ইরাক তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেয়।

ECOSEC

জাতিসংঘের ইকোসক’র নির্বাচন শেষে তাৎক্ষনিক ব্রিফিংয়ে রাষ্ট্রদূত মাসুদ মিন মোমেন সাংবাদিকদের বলেন, ইকোসক-তে এই জয়লাভের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক যাত্রার উন্নয়নে বিশ্ববাসীর প্রতিফল। বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের অবস্থান আরো এক ধাপ এগিয়ে গেল। এতে বাংলাদেশ আগামী ২০৩০ সালের জাতিসংঘের এসডিজি এজেন্ডা বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখবে।

ECOSEC

এক প্রশ্নের উত্তরে রাষ্ট্রদূত বলেন, জাতিসংঘে বাংলাদেশের আগামী দিনের টার্গেট হচ্ছে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ ফোরাম সিকিউরটি কাউন্সিলের সদস্যপদ লাভ করা। তবে এটি সহজ নয়, অনেক দেশ এই পদের জন্য এগিয়ে রয়েছে। এজন্য আমাদেরকে আরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। আমরা আশাবাদী। সেই সাথে ইকোসক’র প্রেসিডেন্টর পদটিই আমাদের লক্ষ্য।

আপনার মতামত লিখুন :

ঝিলপাড়া বস্তির আহতদের চিকিৎসার ভার নেবে ডিএনসিসি

ঝিলপাড়া বস্তির আহতদের চিকিৎসার ভার নেবে ডিএনসিসি
অগ্নিকাণ্ডে আহতদের সমস্ত চিকিৎসা ব্যয় বহন করার ঘোষণা দিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সব হারিয়ে পথে বসেছে হাজার হাজার বস্তিবাসী। রাজধানীর মিরপুর-৭ নম্বর সেকশনের ঝিলপাড় বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডে আহতদের সমস্ত চিকিৎসা ব্যয় বহন করার ঘোষণা দিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, যতদ্রুত সম্ভব তাদের ঘর করে দেবে স্থানীয়রা। এই মুহূর্তে যারা আহত হয়ে হাসপাতালে আছেন বা যারা এখানে আছেন তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসার যত খরচ সিটি করপোরেশন বহন করবে।

শনিবার (১৭ আগস্ট) বিকেলে মিরপুরের-৭ নম্বর সেকশনের ঝিলপাড় বস্তিতে সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে মেয়র একথা বলেন।

মেয়র বলেন, ‘আগুন কীভাবে লাগল তদন্ত সাপেক্ষে বলা যাবে। আমার মনে হয় বস্তিতে যারা থাকেন তাদের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটা জায়গা দিয়েছেন বাউনিয়াবাঁধে। ওখানে প্রায় ১০ হাজার পরিবারকে পর্যায়ক্রমে স্থানান্তর করা হবে। এটি একটি ভাল উদ্যোগ।’

আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘যাদের স্থায়ী নিবাস বস্তিবাসী হিসেবে তারাই সেখানে পর্যায়ক্রমে চলে যেতে পারবেন। প্রধানমন্ত্রীও বস্তিবাসীদের জন্য স্থায়ী বাসস্থান করে দিতে চান। বাউনিয়াবাঁধে কাজ শুরু হয়ে গেছে। ওখানে ১০ হাজার বস্তিবাসীর জায়গা হবে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566037408562.jpg

মেয়র বলেন, ‘এই মুহূর্তে যাদের খাদ্যের প্রয়োজন আমরা তার ব্যবস্থা করছি। এটা অব্যাহত থাকবে। এই বস্তিতে যারা থাকেন, তারা কিন্তু ভাড়ায় থাকেন। অর্থাৎ যারা স্থানীয় আছেন তারা ঘরবাড়ি উঠিয়ে ভাড়া দেন। আমরা কথা বলেছি শিগগিরি এখানে ঘর নির্মাণ করে দেবেন।

তিনি বলেন, ‘যদি কোনো ধরণের সহযোগিতা প্রয়োজন হয় আমরা অবশ্যই তা দেব। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিচ্ছি। বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করেছি। আহতদের চিকিৎসার সব খরচ সিটি করপোরেশন বহন করবে। এই মুহূর্তে কাজ হলো প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া।’

মেয়র আরও বলেন, ‘বস্তিতে যাদের ঘর পুড়েছে তারা যেন থাকতে পারে সেজন্য ৫-৬টি স্কুলে তাদের রাখার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। যতক্ষণ পর্যন্ত তারা বাসাবাড়িতে না যেতে পারেন ততক্ষণ স্কুলেই থাকবেন। অবশ্য স্কুল খোলার আগেই তাদের থাকার ব্যবস্থা করবে। এখানে যদি আর্থিক সহযোগিতা প্রয়োজন হয় আমরা অবশ্যই করব।’

বস্তিবাসীদের ৮ মাসের আল্টিমেটামে ওই এলাকা থেকে সরে যাবার কথা হয়েছিল এমন প্রশ্নের জবাবে মেয়র বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। এমন কোনো তথ্যও আমার কাছে নেই।’

স্বাধীন-সার্বভৌম দেশ দিয়ে গেছেন বঙ্গবন্ধু: রেলমন্ত্রী

স্বাধীন-সার্বভৌম দেশ দিয়ে গেছেন বঙ্গবন্ধু: রেলমন্ত্রী
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন

রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষের জন্য স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ দিয়ে গেছেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শন ছিল মেহনতি মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন করে সোনার বাংলাদেশ গড়ার।

শনিবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে কমলাপুর রেলস্টেশনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন রেলমন্ত্রী।

নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ভাষণে স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন। ’৭০-এর নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুকে সাড়ে ৭ কোটি মানুষ সমর্থন দিয়েছিল। জিয়াউর রহমান শুধু সেক্টর কমান্ডার ছিলেন। এর চেয়ে বেশি কিছু না। কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধীরা বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে জিয়াউর রহমানকে সমকক্ষ তুলনা করে।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566036590194.jpg
রেলের উন্নতি হয়েছে উল্লেখ করে নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, ১৯৮৬, ১৯৯২, ১৯৯৩ সালে রেল খাতকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে রেলখাতকে উন্নত করেছে। উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আধুনিক রেল ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রেলের মহাপরিচালক মো. শামসুজ্জামান বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী দোসররা বঙ্গবন্ধুকে ১৫ আগস্ট নির্মমভাবে হত্যা করেছিল। শুধু আমাদের নেতাকে হত্যা করেনি, বঙ্গবন্ধুর পুরো পরিবারকে নিঃশেষ করে দিয়েছিল।

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোফাজ্জল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মোহাম্মদ শামসুজ্জামান, রেলের অতিরিক্ত সচিব মো. মুজিবুর রহমান সহ বাংলাদেশ রেলের বিভিন্ন কর্মকর্তারা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র