Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

অনুশীলনে দল, সাকিব বিশ্রামে

অনুশীলনে দল, সাকিব বিশ্রামে
টন্টনে অনুশীলনে ব্যস্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট দল- ছবি:বিসিবি
এম. এম. কায়সার
স্পোর্টস এডিটর
বার্তা২৪.কম
টন্টন
ইংল্যান্ড থেকে


  • Font increase
  • Font Decrease

ব্রিস্টল থেকে বাংলাদেশ দল টন্টনে এসে পৌছায় বুধবার বিকালে। সেদিন আর অনুশীলনের সময় কোথায়। পরদিন বৃহস্পতিবারও পুরো বিশ্রামে থাকলো দল। শুক্রবার ছিলো টন্টনে প্রথম অনুশীলন। তাও ঐচ্ছিক। সবাই নেই সেই অনুশীলনে। সেই তালিকায় সবচেয়ে বড় নাম সাকিব আল হাসান। সাকিব অবশ্য ব্রিস্টল থেকে সরাসরি লন্ডন চলে যান। সেখানেই ছিলেন একদিন। বৃহস্পতিবার রাতে টন্টনে দলের হোটেলে ফিরেন। উরুর চোট সারাতে বিশ্রামে থাকছেন তিনি। ১৭ জুন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচে তাকে পুরোপুরি ফিট পেতে চায় দল।

সমারসেটের কাউন্টি মাঠে শুক্রবারের অনুশীলনে অনুপস্থিত বাকি তিনজন হলেন রুবেল হোসেন, মোসাদ্দেক হোসেন ও লিটন দাস। দলের বাকি সব সদস্য অনুশীলনে যোগ দেন। বৃষ্টির মধ্যেই সেন্টার উইকেটে অনুশীলন সারেন দলের সবাই।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/14/1560532556257.jpg

শুক্রবারের এই অনুশীলন পর্বের আগে বাংলাদেশ দলের পাঁচ ক্রিকেটার মুশফিক রহিম, সৌম্য সরকার, মুস্তাফিজুর রহমান, মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন ও মোহাম্মদ মিথুন শিশু-কিশোরদের সঙ্গে এক ক্রিকেট আড্ডায় যোগ দেন।

মাঠের ইনডোরে কমিউনিটি কোচিং ক্লিনিকের ব্যানারে ২০ জন শিশু-কিশোর বাংলাদেশের এই ক্রিকেটারদের সঙ্গে পরিচিতি হয়। পরিচিতি পর্ব শেষে চলে ক্রিকেট নিয়ে মজার কিছু অনুশীলন পর্ব। ব্যাটিং-বোলিং-ক্যাচিং এর প্রাথমিক ধাপগুলো হাতে কলমে এই শিশু-কিশোরদের দেখিয়ে দেন মুশফিকরা। তাদের সঙ্গে গল্পের মেজাজে চলে এই ক্রিকেট আড্ডা।

আপনার মতামত লিখুন :

অবসরের সিদ্ধান্ত জানাতে দু’মাস সময় চেয়েছেন মাশরাফি

অবসরের সিদ্ধান্ত জানাতে দু’মাস সময় চেয়েছেন মাশরাফি
মাশরাফির অবসর নিয়ে রহস্য কাটছেই না

মাশরাফি বিন মর্তুজার ক্রিকেট থেকে অবসর নেয়ার বিষয়টা নিয়ে আর লুকোছাপা করছে না বিসিবি। এই বিষয়ে মাশরাফির নিজস্ব সিদ্ধান্ত কি সেটা বিসিবি জানতে চায়। শনিবার বিসিবির কার্যালয়ে এসে নিজের সিদ্ধান্ত জানিয়ে গেছেন মাশরাফি। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে আরো দু’মাস সময় চেয়েছেন। তখনই জানাবেন নিজের অবসর নেয়ার তারিখ।

বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন সাংবাদিকদের জানান-‘মাশরাফিকে আমরা এখানে ডেকেছিলাম। নতুন কোচ আমরা নিচ্ছি, সে বিষয়েও তার সঙ্গে আলোচনা করেছি। তাছাড়া তার অবসরের বিষয়টিও প্রসঙ্গ ছিলো। মাশরাফি জানিয়েছে- সে মাস দুয়েকের পরে তার সিদ্ধান্ত আমাদের জানাবে।’

সামনের মাসে তিনজাতি টি-টুয়েন্টি সিরিজ খেলতে জিম্বাবুয়ে আসছে বাংলাদেশ সফরে। সেই সফরে জিম্বাবুয়ের সঙ্গে একটি ওয়ানডে ম্যাচের আয়োজন করে বিসিবি মাশরাফিকে বিদায় জানানোর প্রাথমিক একটা পরিকল্পনা করেছিলো। তবে আপাতত সেই পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে বিসিবি।

নাজমুল হাসান বলছিলেন-‘মাশরাফি যখন সময় চেয়েছে তখন আমরা সেটা মেনে নিয়েছি। তাছাড়া চলতি বছর আমাদের আর কোনো ওয়ানডে ম্যাচ নেই। তাই আমরা অপেক্ষায় থাকতেই পারি।’

লম্বা সময় ধরে ক্রিকেট খেলে যাওয়া অনেক ক্রিকেটারের ভাগ্যেই মাঠ থেকে বিদায় নেয়ার সৌভাগ্য হয়নি। মাশরাফির অন্তত যাতে সেই সৌভাগ্য হয়, সেই চেষ্টাই করে যাচ্ছে বিসিবি।

২১ আগস্ট বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের দায়িত্ব নিচ্ছেন কোচ ডোমিঙ্গো

২১ আগস্ট বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের দায়িত্ব নিচ্ছেন কোচ ডোমিঙ্গো
টাইগারদের নতুন হেড কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো

বাংলাদেশ কোচের সম্ভাব্য তালিকায়  বেশ কয়েকজনের নামই ছিলো। তবে এদের মধ্যে একজন বাদে বাকি সবাই স্কাইপে বা টেলিফোনে সাক্ষাৎকার দেন। ব্যতিক্রম ছিলেন শুধুমাত্র দক্ষিণ আফ্রিকার রাসেল ডোমিঙ্গো। চলতি মাসের শুরুর সপ্তাহে ঢাকায় এসে স্ব-শরীরে কোচের পদে সাক্ষাৎকার দিয়ে গেছেন রাসেল। সেই তাকেই সামনের দু’বছরের জন্য বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ হিসেবে বেছে নিয়েছে বিসিবি।

জাতীয় দলের দায়িত্ব নিতে আগামী ২১ আগস্ট ঢাকায় আসছেন নতুন কোচ। সেদিন থেকেই তিনি কাজ শুরু করতে চান। কোচের এই রেসে অনেকে থাকলেও শেষ পর্যন্ত তালিকাটা একেবারে ছোট করে আনে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। টিকে থাকেন নিউজিল্যান্ডের মাইক হেসন ও দক্ষিণ আফ্রিকার রাসেল ডোমিঙ্গো।

লড়াইটা জিতলেন ডোমিঙ্গো।

মুলত বেশিসময় ধরে বাংলাদেশ দলের সঙ্গে থাকতে পারবেন এই বিবেচনায় ডোমিঙ্গোকে বেছে নিয়েছে বিসিবি। সাক্ষাৎকার পর্বেই ডোমিঙ্গো জানিয়ে দেন-তার কোনো ছুটিছাঁটা লাগবে না। বাংলাদেশের সঙ্গে শুধু সিরিজ চলাকালে নয়, বাকি সময়টুকুও কাটাতে তার কোনো সমস্যা নেই।

রাসেল ডোমিঙ্গোকে কোচ হিসেবে নিয়োগ দিতে পেরে বিসিবি সভাপতিও বেশ সন্তুষ্ঠ-‘খুব অভিজ্ঞ একজন কোচ পেয়েছি আমরা। তার ক্রিকেট কোচিংয়ের দর্শন এবং ভালবাসা দেখে আমরা মুগ্ধ। বাংলাদেশের মতো একটা দলকে সামনে টেনে নিয়ে যেতে হলে সত্যিকার অর্থেই কিসের প্রয়োজন সেই সম্পর্কে তার ধারনাটা বেশ পরিস্কার।’

বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব পেয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক কোচ রাসেল ডোমিঙ্গোও ভীষণ খুশি-‘বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচ হতে পারাটা আমার জন্য অনেক বড় একটা সন্মানের বিষয়। আমি ক্রিকেটে বাংলাদেশের অগ্রগতি বেশ ভালো ভাবে লক্ষ্য করে আসছি। এই দলকে তাদের লক্ষ্য অর্জনের পথে সহায়তা করতে আমি খুবই আগ্রহী। লক্ষ্য পুরুনের সমস্ত যোগ্যতা আছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের।’

ক্রিকেটার হিসেবে তেমন নামি দামি কেউ না হলেও কোচিং ক্যারিয়ারে রাসেল ডোমিঙ্গো খুব হাই প্রোফাইল। ২০০৪ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ ছিলেন। ২০১০ সালে ডোমিঙ্গো দক্ষিণ আফ্রিকার ‘এ’ দলের কোচের দায়িত্ব পান। ২০১১ সালে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকা জাতীয় ক্রিকেট দলের সহকারি কোচের পদে নিয়োগ পান। একবছরের মধ্যেই তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার প্রধান কোচের চাকরিটা পেয়ে যান। ২০১৭ সাল পর্যন্ত রাসেল ডোমিঙ্গো দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেট কোচের দায়িত্বে ছিলেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র