Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

পথশিশুদের সঙ্গে ভালোবাসা দিবস উদযাপন

পথশিশুদের সঙ্গে ভালোবাসা দিবস উদযাপন
পথশিশুদের সঙ্গে ভালোবাসা দিবস উদযাপন। ছবি: বার্তা২৪.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

‘স্বপ্ন দেখবে, স্বপ্ন দেখাবে’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় পথশিশুদের সঙ্গে নিয়ে ব্যতিক্রমভাবে বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উদযাপন করেছে ‘ঝরাপাতা’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

বৃহস্পতিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জেলার আখাউড়ার একটি অভিজাত চাইনিজ রেস্টুরেন্টে ব্যতিক্রমী এই বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উদযাপন করা হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/14/1550148736938.jpg

আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশনে অবস্থানরত সুবিধাবঞ্চিত অসহায়দের নিয়ে এক সঙ্গে দুপুরের খাবার খান ঝরাপাতা সংগঠনের সদস্যরা। ভালোবাসা দিবসে ব্যতিক্রমী এই আয়োজনে খুশি পথ শিশুরা। আবার অনেকেই বিষয়টিকে একটি নজির বলে আখ্যা দিয়েছেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঝরাপাতা সংগঠনের সিনথিয়া ঘোষ, লিমা চৌধুরী, হাসান মাহমুদ পারভেজ, সুমন ভূঁইয়া, সারওয়ার জাহান পথিক, সোহাগ মিয়া, সুব্রত দাস টিটু, মো. মামুন, মো. নাঈম, মো.আবির, মেহেদী হাসান, সোহাগ খানসহ আরও অনেকেই।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Feb/14/1550148768667.jpg

ঝরাপাতা সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাংবাদিক সাদ্দাম হোসাইন বার্তা২৪.কমকে জানান, ভালোবাসা দিবসে আজকে যারা সমাজ থেকে দূরে চলে যাচ্ছে, যাদের কথা কেউ মনে রাখে না, কিংবা অবহেলায় তাদের প্রতিনিয়ত দূরে সরিয়ে দেয়া হচ্ছে, তাদের বুকে তুলে নিতেই আমাদের এই আয়োজন। এমন আয়োজন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান তারা।

এর আগে গত ৫ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার উত্তর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী রামধনগর গ্রামের অন্ধপল্লীর ৩ জন অন্ধকে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ দেয়ার মধ্য দিয়ে পথ চলা শুরু করে ঝরাপাতা সংগঠনটি। এ সময় অন্ধপল্লীর অর্ধশতাধিক শিশু ও অন্ধদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

মানিকগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ মাদকসেবীর কারাদণ্ড

মানিকগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ মাদকসেবীর কারাদণ্ড
মানিকগঞ্জ, ছবি: সংগৃহীত

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বান্দুটিয়া এবং ঘুনটিপাড়া এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৫ মাদকসেবীকে আটক করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। আটকের পর তিন মাস করে কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. বিল্লাল হোসেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এই কারাদণ্ড প্রদাণ করেন।

কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, সোহরাব হোসেন (৪৫), রিপন মিয়া (৩৪), জাকির হোসেন (৩১), মো. আরিফ (২৮)  এবং মো. লোটাস (২৮)। দণ্ডপ্রাপ্তরা মানিকগঞ্জ সদর এবং শিবালয় উপজেলার বাসিন্দা।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর মানিকগঞ্জ জেলা শাখার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম ভূইয়া ও তার সহকর্মীরা এই অভিযান পরিচালনায় সহায়তা করেন বলে জানান ম্যাজিস্ট্রেট বিল্লাল হোসেন।

উপকারে আসছে না ৬৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত বাসস্ট্যান্ড

উপকারে আসছে না ৬৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত বাসস্ট্যান্ড
পাবনার চাটমোহরের নতুন বাসস্ট্যান্ডটি। ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

গত আট বছরেও চালু করা সম্ভব হয়নি ৬৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত পাবনার চাটমোহরের নতুন বাসস্ট্যান্ডটি। বর্তমানে এলাকাটি মাদকসেবীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। এছাড়া যত্রতত্র নির্মাণ সামগ্রী রাখায় জায়গাটি দখল হয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে এসব বিষয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছে না পৌর কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাসস্ট্যান্ডটিতে টিকিট কাউন্টার, দোকানঘর ও শৌচাগার থাকলেও নেই শুধু যানবাহন ও কোলাহল। ধুলার আস্তরণে ঢেকে গেছে সব। আর সন্ধ্যার পর সেখানে ভুতুরে পরিবেশ সৃষ্টি হয়। বসে মাদকসেবীদের আড্ডা।

এদিকে এতো টাকা ব্যয় করে বাসস্ট্যান্ডটি নির্মাণ হওয়ার পরে তা ব্যবহার না হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তারা জানান, শহরে যানবাহনের চাপ কমাতে ২০১১ সালে চাটমোহর-জোনাইল সড়কের পাশে গাইনগড় এলাকায় দুই বিঘা জমির উপর বাসস্ট্যান্ডটি নির্মাণ করে চাটমোহর পৌরসভা। এ জন্য উপজেলা পরিষদ নগর উন্নয়ন প্রকল্প থেকে ৬০ লাখ টাকা ঋণ নেয় এবং পরে তহবিল থেকে ব্যয় করা হয় ৮ লাখ টাকা। মোট ৬৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত বাসস্ট্যান্ডটি ঘটা করে উদ্বোধনও করা হয়। কিন্তু পরে আর চালু হয়নি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566215779930.jpg

জানা গেছে, সম্প্রতি বর্তমান মেয়র মির্জা রেজাউল করিম দুলাল সাপ্তাহিক হাট বসিয়ে বাসস্ট্যান্ডটি চালুর উদ্যোগ নেন। এজন্য তিনি বাসস্ট্যান্ড জুড়ে ২৮টি সোলার প্যানেল বসান, সুপেয় পানির পাম্প বসান এবং বাইরে আরও একটি শৌচাগার নির্মাণ করেন। তবে তার কোনো উদ্যোগ সফল হয়নি।

অভিযোগ আছে, সরকারি অর্থ ব্যয় করে নির্মাণ করা বাসস্ট্যান্ডটি সাধারণ মানুষের কোনো উপকারে আসছে না। অথচ সব ধরনের যানবাহন প্রতিদিন চাটমোহর-পাবনা সড়কের ওপর দাঁড় করিয়ে যাত্রী ওঠা-নামা করানো হচ্ছে। পাশাপাশি ট্রাক থেকে মালামাল লোড-আনলোড করানো হয়। এতে পৌর সদরের মধ্যে প্রতিনিয়ত যানজট লেগে থাকে। কাগজে কলমে সচল থাকলেও দীর্ঘদিন অচল অবস্থায় পড়ে আছে পৌর বাসস্ট্যান্ডটি। এতে সাধারণ মানুষ দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

এ বিষয়ে চাটমোহর পৌরসভার মেয়র মির্জা রেজাউল করিম দুলাল বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, ‘অনেক চেষ্টা করেও বাসস্ট্যান্ডটি চালু করতে পারছি না। সংযোগ সড়ক না করে অপরিকল্পিতভাবে বাসস্ট্যান্ডটি নির্মাণ করায় কেউ এটি ব্যবহারে আগ্রহী হচ্ছে না। ফলে আগের মেয়রের ভুলের খেসারত আমাকে দিতে হচ্ছে।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/19/1566215803680.jpg

তিনি আরও বলেন, ‘বাসস্ট্যান্ডটি নির্মাণের জন্য নেয়া ঋণের টাকা এখনো পৌর তহবিল থেকে পরিশোধ করতে হচ্ছে। তবে বাসস্ট্যান্ডটি চালুর চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

কয়েকজন বাস চালক জানান, বাসস্ট্যান্ডটি পৌর সদরের সড়ক থেকে কিছুটা দূরে অবস্থিত এবং সেখানে গাড়ি পার্কিংয়ের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। তাই সেখানে কেউ যেতে চায় না।

তবে সাধারণ যাত্রীদের দাবি, বাসস্ট্যান্ড থেকে নিরাপদে যাতায়াত করা সম্ভব। ফলে তাদের আশা, দ্রুত বাসস্ট্যান্ডটি চালুর উদ্যোগ নেবেন সংশ্লিষ্টরা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র