Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে গৃহপরিচারিকাকে নির্যাতন

ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে গৃহপরিচারিকাকে নির্যাতন
ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে গৃপরিচারিকা শিশুকে নির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্ত ধর্ষক মো. মাসুম (আটকদের মধ্যে সর্ব ডানে) সহ তিন জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ/ ছবি: বার্তা২৪.কম
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বরিশালে শিশু গৃহপরিচারিকাকে ধর্ষণের পরে এই ঘটনা ধামাচাপা দিতে শিশুটিকে নির্যাতন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আর এই ঘটনায় ধর্ষণকারীসহ তিনজনকে আটক করেছে মেট্রোপলিটনের বিমানবন্দর থানা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) আবদুর রহমান মুকুল।

আটকৃতরা হলেন নগরীর ২৯নং ওয়ার্ডের লুৎফর রহমান সড়কের মোঃ মজিবর রহমান হাওলাদার (৪৫), মোঃ মজিবর রহমান হাওলাদারের স্ত্রী মোসাঃ সায়লা রহমান (৩০) ও মজিবরের মুদি দোকানের কর্মচারী, ভোলার শশীভূষণ এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে ধর্ষক মোঃ মাসুম।

পুলিশ কর্মকর্তা আবদুর রহমান মুকুল জানান, এক বছর পূর্বে ভিকটিম শিশুটিকে তার চাচা মোঃ বজলুরের নিকট থেকে গৃহপরিচারিকার কাজের জন্য মজিবর ও তার স্ত্রী সায়লা বাসায় নিয়ে আসেন। এরপর থেকে শিশুটি সেই বাসায় কাজ করছিল।

কিন্তু কাজে কোনো ত্রুটি পেলে গৃহপরিচারিকা ঐ শিশুকে গরম খুন্তি দিয়ে ছ্যাকাসহ নানাভাবে নির্যাতন করতেন গৃহকর্তা মজিবর ও তার স্ত্রী। এমনকি গরম আয়রন (ইস্ত্রী) দিয়ে ভিকটিমের বাম গালে ছ্যাকা দেন। এতে করে ভিকটিমের গালের চামড়া পুড়ে গেছে বলে জানান তিনি।

তিনি আরো জানান, শুধু এটাই নয়, গৃহকর্তা মজিবর রহমানের দোকানের কর্মচারী মোঃ মাসুম ভিকটিম শিশুটিকে বিভিন্নভাবে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন।

তারই ধারাবাহিকতায় গত ২৬ জানুয়ারি গৃহকর্তা মজিবর ও তার স্ত্রী বাসায় না থাকার সুযোগে ঐ শিশুটিকে জোর করে ধর্ষণ করেন মাসুম। এর পূর্বেও মাসুমের বিরুদ্ধে ঐ ভিকটিমকে ধর্ষণ করার অভিযোগ রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

ওসি জানান, ভিকটিম শিশুটি পরবর্তীতে গৃহকর্তা মজিবর ও তার স্ত্রী শায়লার কাছে কর্মচারী মাসুমের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে। কিন্তু গৃহকর্তা ও তার স্ত্রী কর্মচারী মাসুমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো ভিকটিমকে মারধর করেন এবং ধর্ষণের ঘটনা বাহিরের লোকজনকে বলতে নিষেধ করে দেন।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে পুনরায় শিশুটির কাজে ভুল ধরে নির্যাতন করে গৃহকর্তা মজিবর ও তার স্ত্রী সায়লা। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে ধর্ষক মোঃ মাসুম সহ তিনজনকে আটক করে পুলিশ।

পাশাপাশি ভিকটিম শিশুটিকে উদ্ধার করে চিকিৎসা ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য শের -ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) প্রেরণ করা হয়েছে।

এদিকে আটককৃতদের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১)/৩০ তৎসহ ২০১৩ সালের শিশু আইনের ৭০ ধারা মোতাবেক নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি আটককৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আবদুর রহমান মুকুল।

আপনার মতামত লিখুন :

‘আমাকে ফাইন করুন’

‘আমাকে ফাইন করুন’
মহাখালী বাস টার্মিনাল পরিদর্শনে মেয়র আতিকুল ইসলাম

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেছেন, ‘আমার সিটি করপোরেশনের কোথাও যদি পানি জমে থাকে, মিডিয়াতে যদি নিউজ আসে তাহলে দায়িত্বশীল কর্মকর্তাকে ফাইন করার নির্দেশ দিয়েছি, ওই কর্মকর্তাকে শাস্তির নির্দেশ দিয়েছি। আর যদি আমার অপরাধ থাকে আমাকে ফাইন করুন, আমি আইনের ঊর্ধ্বে নই।’

সোমবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে মহাখালী বাস টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন মেয়র। এসময় স্থানীয় কাউন্সিলর মফিজুর রহমান, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ব বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাশার, অঞ্চল-৩ এর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হেমায়েত হোসেন, ডিএসসিসি’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজিদ আনোয়ার, মহিলা কাউন্সিলর আলেয়া সারোয়ার ডেইজী ও শ্রমিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

মেয়র বলেন,  আমরা প্রতিটি বাড়িতে চিরুনি অভিযান শুরু করছি। আমি বলেছি আমি আর আমার অফিস করতে চাই না। আমার গাড়িতেই আমি অফিস করব। এই কয়েক দিন গাড়িতেই অফিস করব।

তিনি বলেন, যেখানে জমা পানি, স্বচ্ছ পানি সেখানেই এডিস মশার জন্ম নেবে। রোদ হচ্ছে, বৃষ্টি হচ্ছে এডিস মশা হবেই। তাই সবাইকে দায়িত্ব নিতে হবে। যার যার এলাকা নিজ দায়িত্বে পরিষ্কার রাখতে হবে।

গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আমার সিটি করপোরেশনে পানি জমে আছে, আমি ম্যাজিস্ট্রেটকে বলেছি, “যদি আমার সিটি করপোরেশনের কোথাও পানি জমে থাকে, যদি কোন নিউজ জানতে পারি। সিটি করপোরেশনের যে দায়িত্বে তাকেই জরিমানা করতে বলেছি। তাকেও জেল দিতে বলেছি। দরকার পরলে মেয়রকেও ফাইন দিবা, জরিমানা দিবা। আমিও আইনের ঊর্ধ্বে নই। সিটি করপোরেশনের যদি কোনও কাজের অবহেলা থাকে তাহলে তার দায়িত্ব মেয়রকে নিতে হবে।’’

খুলনায় ৪ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় বাবা-ছেলে গ্র‌েফতার

খুলনায় ৪ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় বাবা-ছেলে গ্র‌েফতার
টাকা আত্মসাতের মামলায় গ্র‌েফতারকৃত বাবা-ছেলে, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

খুলনায় ব্যবসার চার কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় বাবা ও ছেলেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সোমবার (১৯ আগস্ট) দুপুর‌ে নগরীর শেরে বাংলা রোডের নিজ বাড়ি থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এর আগে গত ১৫ আগস্ট চার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বাবা ও দুই ছেলের বিরুদ্ধে মামলা করেন ব্যবসায়ী এম এ মাজেদ সরকার। গ্রেফতার হওয়া দু'জন হলেন মামলার প্রধান আসামি মাহমুদুর রহমান ও তার বাবা আবদুল কাদের। মামলার অপর আসামি মাহমুদুরের ভাই আরিফুর ইসলাম পলাতক রয়েছেন।

সিআইডির এসআই মধুসুধন বর্মণ বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে বলেন, 'বাদী ও আসামিরা ২০১০ সাল থেকে অংশীদারি ব্যবসা শুরু করেন। তারা যৌথ হিসেবে লেনদেন করতেন। ৪/৫ মাস আগে আসামিরা ব্যাংক থেকে সব টাকা তুলে নিয়ে বাদীকে বের করে দেন। এরপরে বাদী নগরীর সোনাডাঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করেন।

তিনি জানান, আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র